আজঃ মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারী ২০২২
শিরোনাম

খুলনায় বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধন

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

খুলনা প্রতিনিধি :

৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে খুলনা জেলা বিড়ি শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদ। বুধবার বেলা ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বিড়ির উপর শুল্ক কমানো, বিড়ির উপর অর্পিত ১০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার, বিড়ি শ্রমিকদের সপ্তাহে ৬দিন কাজের ব্যবস্থা, বহুজাতিক কোম্পানীর ষড়যন্ত্র বন্ধ ও কাস্টমস্ কর্তৃপক্ষকে আইনী প্রক্রিয়ায় নকল বিড়ি বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক হারিক হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন খুলনা অঞ্চলের বিড়ি শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক আব্দুস সালামা মুন্সী। মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এমকে বাঙ্গালী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের  সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, প্রচার সম্পাদক শামীম ইসলাম, খুলনা অঞ্চলের বিড়ি শ্রমিক নেতা আজাদ প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, খুলনাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বহু শ্রমিক বিড়ি কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। দেশের প্রাচীন শ্রমঘন বিড়ি শিল্পে সমাজের অসহায়, হতদরিদ্র, স্বামী পরিত্যক্তা, নদী ভাঙ্গন কবলিত জনগন, শারীরিক বিকলঙ্গসহ সুবিধা বঞ্চিত মানুষ কাজ করে পরিবার পরিচালনা করে। স্বাধীনতার পর এদেশের সাধারণ মানুষ ও অসহায় শ্রমিকদের কথা বিবেচনা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিড়ি শিল্পকে শুল্কমুক্ত ঘোষণা করেন। শ্রমবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯-২০১০ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় বিড়িতে শুল্ক কমিয়ে সিগারেটে শুল্ক বৃদ্ধির নির্দেশনা দেন। কিন্তু ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানী এদেশের কিছু দুর্নীতিগ্রস্থ আমলাকে ব্যবহার করে বিড়ির উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় মাত্রাতিরিক্ত করের বোঝা। ফলে করের বোঝা সহ্য করতে না পেরে বিড়ি মালিকরা কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে। কারখানা বন্ধ হওয়ায় কর্ম হারিয়ে বেকার হয়ে পড়ছে বিড়ি শ্রমিকরা। অন্য কাজ না পেয়ে অনাহারে, অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে।

বক্তারা আরো বলেন, বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানী এদেশের মানুষের ফুসফুস পুড়িয়ে বিদেশে টাকা পাচার করছে। অথচ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দেশীয় বিড়ি শিল্প ধ্বংস করা হচ্ছে। আমরা এষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দেশীয় শিল্প বন্ধের ষড়যন্ত্র বন্ধ না হলে তীব্র আন্দোলনের হুমকি দেন বক্তারা।


আরও খবর



শামীম ওসমানের সমর্থন আমার প্রয়োজন নেই: আইভী

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | ৬৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, শামীম ওসমান কীসের পক্ষে প্রচারণা করবেন জানি না, আমার জানার প্রয়োজনও নেই। আমার সমর্থন জনগণ। বিগত নির্বাচনগুলোর দিকে তাকালে দেখা যাবে, যতকিছুই হোক না কেন এখানে উৎসবমুখর পরিবেশেই নির্বাচন হয়, এবারও তাই হবে।

শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে আইভী আরও বলেন, তার সমর্থন দেওয়া বা না দেওয়ায় খুব বেশি কী ডিফারেন্স হয়ে যাচ্ছে। তার সমর্থন আমার প্রয়োজন নেই। গণমাধ্যম তাকে নিয়ে সারাক্ষণ ব্যস্ত। আমি ব্যস্ত আমার জনগণকে নিয়ে।

সোমবার নগরের ২ নম্বর রেলগেটের জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারের কাজগুলো সবসময়ই চলমান থাকে। তবে আমি বলতে পারি নারায়ণগঞ্জবাসী আমাকে সবসময় যে কোনো কাজে তাদের কাছে পেয়েছে। নগরবাসী আমাকে বেছে নেবে, কারণ যখন এ শহরের মানুষ একদমই কথা বলতে পারত না, ভয়ে ভীত থাকত, তখন জানি না অন্য প্রার্থী কোথায় ছিলেন। আমি আলোচিত ত্বকী হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে তৈমূর আলম খন্দকারকে একটা সমাবেশ করতে দেখিনি। এ শহরে আশিক, বুলু, চঞ্চলকে হত্যা করা হয়েছে। দেখিনি কখনও একটি প্রতিবাদ করতে।

আইভী বলেন, 'আজ তিনি (তৈমূর) যার ক্যান্ডিডেট, তার বিরুদ্ধেই তিনি বলেছিলেন, আমাকে শামীম ওসমান গুলি করেছে, আমার অফিসে গিয়ে গুলি করেছে। আমার বিরুদ্ধে তিনি অনেক কিছু বলছেন, যা উনার বলা উচিত হয়নি। আমাকে না শুধু আমার বাবাকেও উনি চেনেন। সংবাদ সন্মেলনে তিনি যে অভিযোগ এনেছেন, সেগুলো সর্ম্পূণ বেমানান। দেড় বছর ধরে শামীম ওসমান আমার বিরুদ্ধ এই গ্রাউন্ড তৈরি করেছেন। শামীম ওসমান যে কথা বলেছেন, কালকে উনি তোতাপাখির মতো সেগুলোই বলেছেন।

আইভী আরও বলেন, আমার ভোটার ফিক্সড, নারায়ণগঞ্জের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে কাকে ভোট দেবে। আমার জয় বড় ব্যবধানেই হবে। এখানে কেউ আমার ভোটারকে খুব বেশি প্রভাবিত করতে পারবে, তা মনে হয় না। কারণ নারায়ণগঞ্জের মানুষ খুব সচেতন। এই শহরের মানুষ প্রতিদিন যা দেখে নিজের চোখে তাই বিশ্বাস করে। আমি মনে করি আমার ভোটাররা তাদের জায়গাতেই থাকবে।


আরও খবর



শাবিপ্রবি’র শিক্ষার্থীদের অনশন চলছে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জানুয়ারী ২০২২ | ২০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে অপসারণের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে অনশনে থাকা ছয় শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরপরও অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। ফলে উপাচার্যকে অপসারণের আন্দোলন আরও জোরালো হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। আন্দোলনে যোগ দেওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বাড়ছে।

এমনকি, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল-ক্যান্টিন বন্ধ থাকায় খাবারের সংকট মেটাতে এগিয়ে এসেছেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠে রান্না করা হচ্ছে খাবার। এ আন্দোলন শুরু হ‌ওয়ার পর থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকের পাশের দোকানপাট‌ বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

তবে, সিলেট মহানগর পুলিশের (এস‌এমপি) ডিসি আজবাহার আলী শেখ অভিযোগটি অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ-পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও বাইরে মানুষের জমায়েত ঠেকাতে দোকানপাট বন্ধ করা হয়েছে।

যদিও গতকাল সন্ধ্যার পর দোকানপাট খোলা থাকতে দেখা যায়। তবে বিপুল শিক্ষার্থীদের খাদ্য সহায়তায় এগিয়ে আসার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মনোবল আরও বাড়িয়েছে।

এরই মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মশাল মিছিলের আয়োজন করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সেখানে কয়েকশ শিক্ষার্থী উপাচার্যবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এদিকে, প্রচণ্ড শীতে অনশনরত শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থা আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।

এর আগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মুহাইমিনুল বাশার বলেন, অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হচ্ছে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বাকিদের অবস্থাও অনেক খারাপ। কয়েকজন খারাপ অবস্থার মধ্যেও চিকিৎসকের পরামর্শ উপেক্ষা করে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। এরপরেও একটি চেয়ার ধরে রাখতে গিয়ে তিনি (উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ) এতোজন শিক্ষার্থীর জীবন বিপন্ন হ‌ওয়াটা দেখে যাচ্ছেন।

নিউজ ট্যাগ: শাবিপ্রবি

আরও খবর



বার্সাকে হারিয়ে সুপার কাপের ফাইনালে রিয়াল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নতুন বছরের প্রথম এল ক্লাসিকোতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে উঠল রিয়াল মাদ্রিদ। বুধবার (১২ জানুয়ারি) সৌদি আরবের রিয়াদে এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনাকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে রিয়াল। অতিরিক্ত সময়ে জয়ের দেখা পায় কার্লো আনচেলত্তির দল।

বার্সাকে শুরু থেকেই চাপে রেখেছিল রিয়াল। ২৫তম মিনিটে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের গোলে লিড নেয় রিয়াল। তবে ৪১ মিনিটে বার্সেলোনার লুক ডি ইয়ংয়ের গোলে সমতা ফেরে।

কিং ফাহাদ স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ হয় ২-২ গোলে। এরপর খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ের ৮ মিনিটের মাথায় ফেদেরিকো ভালভার্দের দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল।

এই জয়ে এল ক্লাসিকোর ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে ১০০ জয়ের স্বাদ পেল রিয়াল মাদ্রিদ।


আরও খবর
মাঠে ফিরছেন মাশরাফি, বোলিংয়ে ঢাকা

সোমবার ২৪ জানুয়ারী ২০২২




একুশে ফেব্রুয়ারি

শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে টিকার সনদ বাধ্যতামূলক

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জানুয়ারী ২০২২ | ২০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে সীমিত আকারে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০১২ পালন করা হবে। এবছর একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিতে এলে করোনাভাইরাসের টিকার সনদ সঙ্গে রাখতে হবে এবং সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে। এছাড়াও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে প্রতিটি সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ জন এবং ব্যক্তিপর্যায়ে একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুই জন শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করতে পারবেন।

রবিবার (২৩ জানুয়ারি) অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মাহমুদ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় উপাচার্য বলেন, কোভিড-১৯ উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ও সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত বছরের ন্যায় এ বছরও জনসমাগম এড়িয়ে চলার বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এছাড়াও, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে অমর একুশে উদযাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচি সুশৃঙ্খল, সুষ্ঠু ও সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য উপাচার্য সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

এসময় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে আইন অনুষদের ডিন ও ঢাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লাহকে সমন্বয়কারী, সমিতির সহসভাপতি অধ্যাপক ড. সাবিতা রিজওয়ানা রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়াকে যুগ্ম সমস্বয়কারী এবং প্রত্নর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানীকে সদস্য সচিব করে অমর একুশে উদযাপন কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়। কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি ছাড়াও মহান অমর একুশে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, সিনেট-সিন্ডিকেট সদস্য, রেজিস্ট্রার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, প্রক্টর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের প্রতিনিধি, অফিস প্রধান এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতিগুলোর প্রতিনিধিরা সংযুক্ত ছিলেন। সভার শুরুতে মহান ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।


আরও খবর



রাষ্ট্রপতিকে আওয়ামী লীগের ৪ প্রস্তাব

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনের লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল।

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বঙ্গভবনে পৌঁছায়। সন্ধ্যা ৫টা ১০ মিনিটে বৈঠক শেষে বের হন তারা।

বৈঠকে রাষ্ট্রপতিকে চারটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে ব্রিফিংয়ে জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

প্রস্তাবগুলো হলো-

১. সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ করবেন।

২. তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি যেভাবে উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, সেই প্রক্রিয়ায় তিনি তাদের নিয়োগদান করবেন।

৩. প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের লক্ষ্যে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮-এর বিধান সাপেক্ষে একটি উপযুক্ত আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে।

৪. সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের স্বার্থে সব নির্বাচনে অধিকতর তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের অন্যান্যরা হলেন- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান।

গত ২০ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

প্রথম দিনে সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনা করেন রাষ্ট্রপতি। এছাড়া ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক জোট (জাসদ), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, গণফোরামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে।

বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ পাওয়া দলগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল অংশ নিলেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), এলডিপি, মুসলীম লীগ, জেএসডি ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাষ্ট্রপতির সংলাপে অংশ নেয়নি।

অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে কয়েকটি দল সার্চ কমিটির মাধ্যমেই পরবর্তী নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়ে এসেছে রাষ্ট্রপতির কাছে। সার্চ কমিটির জন্য নামের তালিকাও দিয়ে এসেছে কয়েকটি দল।

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাউন্সিল গঠন করে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগেরও প্রস্তাব এসেছে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার; সব রাজনৈতিক দলের সদস্যদের নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার; নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জটিলতা ও অবিশ্বাস দূর করতে আইন প্রণয়নসহ বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপতির সংলাপে অংশগ্রহণ না করা দলগুলো এ আলোচনা প্রক্রিয়াকে লোক দেখানো বলে মন্তব্য করেছে।

২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়া সিইসি কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। সার্চ কমিটির মাধ্যমেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরীকে বাছাই করে বর্তমান নির্বাচন কমিশনার গঠন করা হয়।


আরও খবর