আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

খুলনায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়েসহ নিহত ৫ জন

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় ইটবাহী ট্রাক ও ইজিবাইকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় একই পরিবারের বাবা ও শিশুকন্যাসহ পাঁচ ইজিবাইক আরোহী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আরও দুইজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহতরা হলেন খর্নিয়া ইউনিয়নের আংগারদোহা গ্রামের সাব্বির মোড়ল (২৩), শোভনা ইউনিয়নের জিয়েলতলা গ্রামের বিশ্বজিৎ বিশ্বাস (৩০) ও তার দুই বছরের মেয়ে অর্নি বিশ্বাস, গুটুদিয়া ইউনিয়নের বিল পাবলা গ্রামের নিপা ঢালী (২৫) ও অজ্ঞাত নারী (২৬)। গুরুতর আহত অরজিত (৩০) নামের এক যুবক ও বিশ্বজিত বিশ্বাসের স্ত্রী অন্তিমা বিশ্বাস খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের খর্নিয়া ইউনিয়নের আংগারদোহা কালভার্ট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

খর্নিয়া হাইওয়ে থানার ওসি হামিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, পৌনে চারটার দিকে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। চালকসহ ইজিবাইকে সাতজন যাত্রী ছিলেন। ইজিবাইকটি চুকনগর থেকে খুলনার দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে খুলনা থেকে একটি ইটবাহী ডাম্পিং ট্রাক চুকনগরের দিকে যাওয়ার পথে ওই মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন মারা যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাঁচজনকে ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। ইজিবাইকটি দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। ট্রাকটি আটক করা হয়েছে।

ডুমুরিয়া থানার ওসি সুকান্ত সাহা বলেন, ঘটনাস্থলে দুইজন ও ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন মারা গেছেন। বাকি তিনজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হাইওয়ে থানা পুলিশ এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেবে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সেখানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তিনজনকে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে অর্নি বিশ্বাস নামের দুই বছরের এক শিশু মারা গেছে।

নিউজ ট্যাগ: সড়ক দুর্ঘটনা

আরও খবর



নিজ দেশের নাগরিকদের রাখাইন ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারত

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ দিন দিন বড় আকার ধারণ করছে মিয়ানমারে। জান্তা সেনাদের সঙ্গে বিরোধ, সংঘর্ষে কার্যত ভেঙে পড়েছে দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এমনকি বাংলাদেশ ও ভারতে বাড়ছে অনুপ্রবেশ। প্রাণে বাঁচতে সীমান্তে ভিড় জমাচ্ছেন মিয়ানমারের নাগরিকরা।

এমন অবস্থায় ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতির কারণে ভারতীয়দের মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে না যেতে সতর্কতা জারি করেছে দেশটির সরকার। এমনকি নাগরিকদের যারা সেখানে আছেন তাদের এখনই রাখাইন ছাড়তেও নির্দেশ দিয়েছে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআইয়ের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ভারতীয় নাগরিকদের মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে ভ্রমণ না করতে পরামর্শ দিয়েছে ভারত। দেশটির সামরিক বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার পর ভারত এই প্রথম এই ধরনের সতর্কতা জারি করল।

এনডিটিভি বলছে, মিয়ানমারে সহিংসতা বৃদ্ধির পর দেওয়া প্রথম নির্দেশনায় টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্কে ব্যাঘাত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতিসহ বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতীয়দের রাখাইন প্রদেশে ভ্রমণ না করতে বলেছে।

এতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি, ল্যান্ডলাইনসহ টেলিযোগাযোগের মাধ্যম ব্যাহত হওয়া এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের তীব্র ঘাটতির পরিপ্রেক্ষিতে সকল ভারতীয় নাগরিককে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, যে সকল ভারতীয় নাগরিক ইতোমধ্যেই রাখাইন প্রদেশে রয়েছেন তাদের অবিলম্বে প্রদেশটি ছেড়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলে নেয় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এরপর থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে ব্যাপকভাবে সহিংস বিক্ষোভের সাক্ষী হয়ে আসছে মিয়ানমার।

আর রাখাইন প্রদেশসহ দেশটির অন্যান্য অনেক অঞ্চলে গত বছরের অক্টোবর থেকে সশস্ত্র জাতিগোষ্ঠী এবং মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই দেখা গেছে। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত গত বছরের নভেম্বর মাস থেকে ভারতের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ও অঞ্চলে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে মণিপুর এবং মিজোরামের নিরাপত্তা নিয়ে নয়াদিল্লির উদ্বেগও বেশ বেড়েছে।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী তার বিরোধীদের লক্ষ্য করে এবং সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম পরিচালনাকারী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধেও বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।


আরও খবর



আজ পবিত্র শবে মেরাজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ধর্ম ও জীবন

Image

আজ পবিত্র শবে মেরাজ। ফারসিতে শব শব্দের অর্থ রাত এবং আরবিতে মেরাজের অর্থ ঊর্ধ্বগমন।

মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ রজব মাসের ২৬ তারিখের রাতটি। অন্যান্য মুসলিম দেশের মতো বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহিমান্বিত রাতটি ইবাদতে কাটিয়ে থাকেন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে এই রাতে তারা পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ আদায়, জিকির-আজকার, দোয়া-দরুদ ও ইবাদত-বন্দেগি পালন করবেন।

শবে মেরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বৃহস্পতিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আলোচনাসভা ও দোয়ার আয়োজন করেছে।

ইসলামের নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর অলৌকিক ও ঐতিহাসিক ঘটনার স্মারক দিবস হিসেবে মুসলিম বিশ্বে তা পালিত হয়। এ রাতে মহানবী (সা.) সাত আসমান পেরিয়ে মহান আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মুসলিমদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়ে ফেরেন।

নবুয়ত লাভের ১১তম বছর (৬২১ খ্রিস্টাব্দ) হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্য দুঃখ ও শোকের বছর ছিল। এ সময় তিনি তার কঠিন সময়ের দুজন প্রিয় ব্যক্তি স্ত্রী খাদিজা (রা.) এবং চাচা আবু তালেবকে হারিয়েছেন। তা ছাড়া ইসলামের দাওয়াত নিয়ে তায়েফ গেলে সেখান থেকেও আশাহত হয়ে ফেরেন। এরপর মহান আল্লাহ ইসরা ও মেরাজের মাধ্যমে প্রিয় রাসুলকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন।

সেদিন রাতে মহানবী (সা.) মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে জিবরাইল (আ.)-এর সঙ্গে বোরাক নামের বিশেষ বাহনে করে বাইতুল মুকাদ্দাসে যান। সেখানে নবী-রাসুলদের সঙ্গে দুই রাকাত নামাজ পড়ে তিনি সাত আসমান অতিক্রম করেন। সেখানে তার সঙ্গে বিভিন্ন নবীর দেখা হয়।

সিদরাতুল মুনতাহার আগ পর্যন্ত তার সঙ্গে ছিলেন জিবরাইল (আ.)। এরপর মহানবী (সা.) জান্নাত, জাহান্নামসহ সৃষ্টির বিভিন্ন রহস্য প্রত্যক্ষ করেন।

মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ফেরার সময় তিনি নিজ উম্মতের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ উপহার নিয়ে আসেন। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এসেছে। ইরশাদ হয়েছে, পবিত্র ও মহিমাময় তিনি যিনি তার বান্দাকে রাতে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা ভ্রমণ করিয়েছেন, যার আশপাশ আমি বরকতময় করেছি, তাকে আমার নিদর্শন দেখানোর জন্য, তিনি সর্বশ্রোতা সর্বদ্রষ্টা। (সুরা : বনি ইসরাইল, আয়াত : ০১)


আরও খবর
শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




চিৎকার করে ওঠায় গৃহবধূর চোখে-মুখে আঠা লাগায় চোর: পুলিশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

চুরি করতে দেখে চিৎকার করে ওঠায় খুলনার পাইকগাছার গৃহবধূকে (৪৫) নির্যাতন এবং চোখে ও মুখে আঠা লাগিয়ে দিয়েছিল চোর ইমামুল ওরফে এনামুল। গ্রেপ্তারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এনামুল এই তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে খুলনা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত সরকার। তিনি দাবি করেন, ইমামুল সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য ও গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনার মূল হোতা।

গত সোমবার খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলি গ্রাম থেকে চোখ-মুখে আঠা লাগানো এবং অচেতন অবস্থায় এক গৃহবধুকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা। ঘরের মালামাল লুট ও ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে চিকিৎসকদের জানিয়েছিলেন ওই নারীর স্বামী। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ওই গৃহবধূর স্বামী বাদি হয়ে পাইকগাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি, সবাই অজ্ঞাত আসামি।

এ মামলায় পুলিশ এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন- ইমামুল জোয়াদ্দার ওরফে এনামুল, আবদুস সামাদ, সুমন হালদার ও রাশিদা বেগম।

পুলিশের দাবি, এনামুল ধর্ষণ ও লুটের সঙ্গে জড়িত। তার মা রাশিদা বেগম লুট করা স্বর্ণ বিক্রি করেছিলেন। সুমন হালদার লুট করা স্বর্ণের ক্রেতা। এই তিন জনকে বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া গত বুধবার ভোর রাতে আবদুস সামাদকে সন্দেহজনক ব্যক্তি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত সরকার এনামুল জদ্দারের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে বলেন, গত রোববার সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূর বাড়ির পাশের বাগানে এনামুল নেশা করতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে গৃহবধূকে একা দেখে এনামুল ঘরের সানসেট বেয়ে ছাদের উঠে সিড়ি দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে। পরে খাবারে চেতনানাশক মিশিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে রাত ২ টার দিকে একইভাবে পুনরায় ঘরে প্রবেশ করে মূল্যবান জিনিসপত্র খোঁজাখুজি শুরু করে। তখন গৃহবধুর ঘুম ভেঙ্গে গেলে তাঁর পকেটে থাকা সুপারগ্লু বের করে গৃহবধুর চোখে এবং মুখে লাগিয়ে দেয়। এ সময় ওই গৃহবধূর সঙ্গে ইমামুলের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে  গৃহবধুর গোঙরানিতে পাশের বাড়ি থেকে সাড়া দেওয়ায় এনামুল কানের দুল ও মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়।

 অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, পরবর্তীতে লুট করা কানের দুলটি ইমামুলের মা রাশিদা বেগমের মাধ্যমে চুকনগর স্বর্ণপট্টিতে মা জুয়েলার্স নামক দোকানে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। যে কারণে এনামুলের মা ও দোকান মালিক সুমন হালদারকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

তিনি জানান, এনামুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এ পর্যন্ত ৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে তাকে পাইকগাছা পূর্বকাশিমনগর থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড তাজা গুলিসহ আটক করা হয়ে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ধর্ষণের ঘটনার কথা স্বীকার করেননি।

সুশান্ত সরকার বলেন, চূড়ান্ত মেডিকেল রিপোর্টে বোঝা যাবে ওই গৃহবধূ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কিনা। ধর্ষণ ও লুটের ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি-না সে বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। 


আরও খবর



সরকার গঠনের পথে নওয়াজ-বিলাওয়াল

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে নওয়াজের দল। এমন পরিস্থিতিতে জোট সরকার গঠনে মরিয়া পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ।

জোট সরকার গঠনের লক্ষ্যে রোববার লাহোরে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এবং মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি)-এর সঙ্গে বৈঠক করেছে নওয়াজ শরিফ।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর পিএমএল-এনের প্রধান নওয়াজ শরিফ পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট অ্যালায়েন্সের মতো একটি সরকার গঠনের ইঙ্গিত দেন। সেই লক্ষ্যে তিনি তার ভাই শাহবাজ শরিফকে কাজ করতে বলেন। এ নির্দেশনা পাওয়ার পর অন্যান্য দলের সঙ্গে জোট করতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ।

শুক্রবার রাতে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরিফ পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা আসিফ আলি জারদারি এবং তার ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির সঙ্গে পাঞ্জাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মহসিন নাকভির বাসভবনে বৈঠক করেন। একটি সূত্র সাংবাদমাধ্যম ডনকে এ তথ্য জানিয়েছে।

পাকিস্তান পিপলস পার্টির একটি সূত্র জানিয়েছে, ওই বৈঠকে নির্বাচনপরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা সংক্ষিপ্ত হলেও ফলপ্রসূ ছিল।

গতকাল রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) লাহরে বিলাওয়ালের বাসভবনে পিএমএল-এন এবং পিপিপির মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শাহবাজ শরিফ, বিলাওয়াল ভুট্টো, আসিফ আলি জারদারি, মরিয়ম আওরঙ্গজেভ, আজম নাসের তারারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ওই বৈঠকের পর দুই দলই জানায়, বৈঠকে তারা সরকার গঠনে নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। তবে পিপিপি জানিয়েছে, বৈঠকে পিএমএল-এন যে প্রস্তাব দিয়েছে সেটি আজ সোমবার দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কাছে উত্থাপন করবে।

এদিকে গতকাল পিএমএল-এন সঙ্গে বৈঠক করেছে এমকিউএম-পির নেতারা। লাহোরে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে এমকিউএম-পির নেতা সিদ্দিকী, ড. ফরুক সত্তার, কারমান তেসোরি ও মুস্তফা কামাল উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



জাবিতে ধর্ষণের ঘটনায় ‘নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের’ বিক্ষোভ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

Image

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) দম্পতিকে ডেকে এনে স্বামীকে আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনায় টানা চতুর্থ দিনের মতো প্রতিবাদ অব্যাহত রেখে বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চ

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন তারা। মিছিলটি রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

মিছিলে মোস্তাফিজ-জনি ভাই ভাই, ক্যাম্পাসে ওদের ঠাঁই নাই ধর্ষকদের ফাঁসি চাই, অছাত্রদের বহিষ্কার করো ধর্ষণের পৃষ্ঠপোষক, রাজনীতিকে প্রতিহত করো সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এসময় তারা নিপীরণ মুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ৪ দফা দাবি তুলে ধরেন। তাদের দাবিগুলো হলো-ধর্ষণকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, মেয়াদোত্তীর্ণ অঝছাত্রদের হল থেকে বের করে গণরুম বিলুপ্ত, যৌন নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনির বিচার নিষ্পত্তি ও ধর্ষণ ঘটনায় সহায়তাকারী প্রক্টর ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রভোস্টের অপরাধ তদন্ত করে তাদের প্রশাসনিক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান।

ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের আহ্বায়ক আলিফ মাহমুদ বলেন, চার দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের আন্দোলন চলমান থাকবে। প্রোভোস্ট এবং প্রক্টরকে অব্যাহতি দিতে হবে। জাবির শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের যে দাবি মাহমুদুর রহমান জনির বিচার তা কার্যকর হলে নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগরের যে ঐতিহাসিক অবস্থান তা দেশের কাছে পরিস্ফুটিত হবে। মাহমুদুর রহমান জনির এজেন্ডা উত্থাপন ব্যতিত আজকের মত আর কোনো সিন্ডিকেট সভা আমরা অনুষ্ঠিত হতে দিবো না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক আনিসা পারভীন জলি বলেন, আজকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সিন্ডিকেট সভা ছিল, কিন্তু আপনারা হয়তো জানেন না কেন সিন্ডিকেট সভা স্থগিত হয়েছে। আমি উপাচার্যের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই, আপনি যৌন নিপীড়ক শিক্ষক মাহমুদুর রহমান জনিকে কেন সাময়িক বহিষ্কার করেন নি। আপনি চাইলেই পারতেন তাকে সাময়িক বহিষ্কার করতে। কিন্তু আমরা ধরে নিচ্ছি আপনি তাকে ভয় পান, কারণ তিনি একটা ছাত্রসংগঠনের সভাপতি ছিলেন । এজন্য এখন পর্যন্ত তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয় নি। ধর্ষক মোস্তাফিজের পালিয়ে যেতে যারা সাহায্য করেছে, তার দায় প্রক্টর এড়াতে পারেন না। অথচ প্রক্টরের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি, আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।


আরও খবর