আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনকারী সেই ব্যক্তি গ্রেফতার

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
চুরির অপবাদ দিয়ে তার ছেলেকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। অন্য কেউ তার পুকুরে মাছ চুরি করতে পারে, আমার ছেলে পুকুরে গোসল করতে গিয়েছিল। তবুও তাকে মারধর করা হয়েছে

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় কিশোরকে (১৩) গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত এক সেনা সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম জহিরুল ইসলাম (৪৫)। তিনি উপজেলার মেরামতপুর গ্রামের জয়েন শাহের ছেলে।

জহিরুলের পুকুরে মাছ চুরির অভিযোগে ওই কিশোরকে গতকাল শুক্রবার (২ এপ্রিল) দুপুরে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। পরে জহিরুল নিজেই সেই ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দেন। এর পর শুক্রবার দিবাগত রাতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নির্যাতনের শিকার কিশোর উপজেলার উত্তর মেরামাতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। তার বাবা চারঘাট পৌরসভার মেরামাতপুর মহল্লার বাসিন্দা। শুক্রবার নির্যাতনের পর স্থানীয় লোকজন ওই কিশোরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, ওই কিশোর জহিরুল ইসলামের পুকুরে গোসল করতে যায়। তখন কয়েকজন পুকুরে মাছ ধরছিল। কিছু সময় পর জহিরুল পুকুর পাড়ে এলে যারা মাছ ধরছিলো তারা পালিয়ে যায়। এ সময় জহিরুল ওই কিশোরের কান ধরে পুকুর পাড়ে নিয়ে আসেন।

এরপর একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন। ঘণ্টা খানেক বেঁধে রাখার পর ঘটনাটি দেখে স্থানীয় লোকজন ছেলেটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে জহিরুল ইসলাম ওই কিশোরকে গাছে বেঁধে রাখার দৃশ্য ফেসবুকে শেয়ার করেন। এ ঘটনায় রাতে ওই কিশোরের বাবা থানায় মামলা করেন।

ওই কিশোরের বাবা বলেন, চুরির অপবাদ দিয়ে তার ছেলেকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। অন্য কেউ তার পুকুরে মাছ চুরি করতে পারে, আমার ছেলে পুকুরে গোসল করতে গিয়েছিল। তবুও তাকে মারধর করা হয়েছে। সে এখন হাসপাতালে আছে। তিনি দাবি করেন, তার ছেলে তাকে জানিয়েছেন যে- জহিরুল তার পায়ুপথে মাছ ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। পুলিশ অবশ্য বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি।

রাজশাহীর চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পায়ুপথে মাছ ঢুকিয়ে দেওয়ার বিষয়টি জানি না। তবে তাকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ওসি বলেন, থানায় দায়ের করা মামলায় ওই কিশোরকে নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এছাড়া নির্যাতনের ছবি ইন্টারনেটে প্রকাশ করায় একই মামলায় জহিরুলের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ধারা যুক্ত করা হয়েছে। আজ দুপুরের মধ্যেই গ্রেফতার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

নিউজ ট্যাগ: রাজশাহী

আরও খবর
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪

শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১




সকালে না সন্ধ্যায়? কখন করবেন শরীর চর্চা

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ মার্চ ২০২১ | ৪৮২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ব্যস্ত জীবনে নিজের প্রতি যত্ন নেয়ার সময় থাকে না। তারপরও এই সময়ের মধ্যেই কেউ কেউ শরীর চর্চার চেষ্টা করেন। কেউ সকালে করেন আবার কেউ বিকেলে। কিন্তু শরীর সুস্থ রাখতে কখন শরীর চর্চা করা উচিত, তা কি আমরা জানি? এবার তাহলে এ বিষয়ে কিছু জেনে নেয়া যাক-

মূলত শরীর চর্চার জন্য ঠিক সময় বলে নির্ধারণ করা কিছু নেই। চাকরিজীবীদের এই সুযোগ নাই হতে পারে। তবে তারা সন্ধ্যায় বা রাতে একটু জিমে গিয়ে চেষ্টা করতেই পারেন। আবার যারা ভোরে ঘুম থেকে উঠেন তারা শরীর চর্চার জন্য যথেষ্ট সময় পান। তবে সন্ধ্যার পর শরীর চর্চায় কোনো ক্ষতি নেই, বরং উপকার হবে।

ভোরে ঘুম থেকে উঠে আধ ঘণ্টার মতো শরীর চর্চা করা খুবই ভালো। এতে সারাদিন অনেক ভালো কাটে। নিয়মিত শরীর চর্চার ফলে এন্ডরফিরন নামক এক হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। এতে মন ভালো থাকে। তাই শরীর চর্চার পর খারাপ লাগে না। কাজ করার ইচ্ছা-আগ্রহ বেড়ে যায়। এমনকি সামাজিক মেলামেশা বা বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে আড্ডাতেও বিরক্তিকর ভাব আসে না।

এছাড়াও সকালের দিকে ব্যায়াম করার আরও সুফল রয়েছে। এতে করে খুদা বৃদ্ধি পায় ও হজম ভালো হয়। খাওয়ার ইচ্ছা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পৌঁছাবে। ফলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে আপনার।

সন্ধ্যা : সকালে শরীর চর্চা যেমন উপকারী তেমনই কর্মব্যস্ত মানুষের জন্য সন্ধ্যার শরীর চর্চাও ভালো। এতে করে রাতে ভালো ঘুম হয়। যা কিনা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। যারা অনাকাঙ্ক্ষিত ওজন কমাতে চান তাদের জন্য সন্ধ্যার শরীর চর্চার বিকল্প কিছু নেই। কেননা, সারাদিন পরিশ্রমের পর আবার রাতে ঘুমানোর আগে একটু শরীর চর্চা হলে খারাপ হয় না। অর্থাৎ যারা সকালে শরীর চর্চা করার জন্য সময় বের করতে পারেন না তাদের জন্য সন্ধ্যা হতে পারে সঠিক সময়। নিয়মিত শরীর চর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হোক তা দিনে কিংবা রাতে।

নিউজ ট্যাগ: শরীর চর্চা

আরও খবর
যেভাবে বানাবেন শসার স্মুদি

সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১




মিয়ানমারে ২৩ হাজার বন্দিকে মুক্তি

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
কারা বিভাগের মুখপাত্র কিয়া তুন ও জানান, যারা মুক্তি পেয়েছেন তাদের বেশিরভাগই সেনা অভ্যুত্থানের আগে থেকে কারাগারে ছিলেন। তবে এদের মধ্যে কয়েকজন আছেন যারা অভ্যুত্থানের পর থেকে কারাগারে ছিলেন

মিয়ানমারে ২৩ হাজার ১৮৪ জন বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে দেশটির জান্তা সরকার। শনিবার দেশটির নতুন বছরে সাধারণ ক্ষমার আওতায় এই বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কারা বিভাগের একজন মুখপাত্র বলেছেন, গত ১ ফেব্রুয়ারি সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে গণতন্ত্রপন্থীদের গ্রেপ্তার করা হলেও মুক্তি প্রাপ্তদের মধ্যে তাদের কয়েকজনও থাকতে পারে। খবর রয়টার্সের

শনিবার মিয়ানমারে ঐতিহ্যবাহী নববর্ষের প্রথমদিন। দেশটিতে নববর্ষ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়। তবে এবছর গণতন্ত্রপন্থী নেতাকর্মীরা এসব উৎসব বাতিল করেছেন। তার পরিবর্তে দেশটির নেত্রী অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে সামরিক বাহিনীকে ক্ষমতাচ্যুত করার পরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অভিযানের দিকে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

দেশটির মানবাধিকার সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স (এএপিপি) জানিয়েছে, সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে সু চিসহ ৩ হাজার ১৪১ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে।

কারা বিভাগের মুখপাত্র কিয়া তুন ও জানান, যারা মুক্তি পেয়েছেন তাদের বেশিরভাগই সেনা অভ্যুত্থানের আগে থেকে কারাগারে ছিলেন। তবে এদের মধ্যে কয়েকজন আছেন যারা অভ্যুত্থানের পর থেকে কারাগারে ছিলেন। তাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের অভিযোগে আটক করা হয়।

এএপিপি জানায়, এর আগে জান্তা সরকার যখন হাজার হাজার বন্দিকে মুক্তির কথা জানায় তখন তারা সেনা অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভের সঙ্গে জড়িত আছে এমন ৮৩২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এদের মধ্যে অভিনেতা, গায়ক ও সেলিব্রেটিও রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের তিন বছরের জেলও হতে পারে। 


আরও খবর



রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে বেড়েছে যান চলাচল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আইশৃঙ্খলা বাহিনী গতকালের তুলনায় আজ কিছুটা নমনীয়। প্রথম দিন বিভিন্ন যানবাহন ও মানুষকে বাইরে বের হওয়ার জন্য পুলিশের জেরার মধ্যে পড়তে হলেও আজ সে রকম খুব একটা দেখা

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকারঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় দিন আজ বৃহস্পতিবার। এর আগে গতকাল বুধবার লকডাউনের প্রথম দিন সড়কে-মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে যান চলাচল ও জনসমাগম কম থাকলেও দ্বিতীয় দিন বেড়েছে জনসমাগম ও যান চলাচল।

আজ সকালে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আইশৃঙ্খলা বাহিনী গতকালের তুলনায় আজ কিছুটা নমনীয়। প্রথম দিন বিভিন্ন যানবাহন ও মানুষকে বাইরে বের হওয়ার জন্য পুলিশের জেরার মধ্যে পড়তে হলেও আজ সে রকম খুব একটা দেখা যায়নি। তবে শহরের বিভিন্ন সড়ক ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল করতে পারছে না।

এদিকে, গতকাল বুধবার পয়লা বৈশাখের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও আজ বৃহস্পতিবার বিভিন্ন পোশাক কারখানা, ব্যাংক, শেয়ারবাজারসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। আর এজন্য সকাল থেকে সড়কে যান চলাচলে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার ব্যাংক ও শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান লকডাউনের আওতামুক্ত রেখেছে।

এদিকে, সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে দেড় হাজার তৈরি পোশাক কারখানায় শ্রমিক রয়েছেন প্রায় ৩০ লাখ। বেশিরভাগ শিল্পকারখানার নিজস্ব তত্ত্বাবধানে শ্রমিক পরিবহণের ব্যবস্থা না থাকায় মারাত্মক ভোগান্তির কবলে পড়েছেন সাভার-আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে নিয়োজিত শ্রমিকেরা। বিভিন্ন তৈরি পোশাক কারখানা ঘুরে দেখা গেছে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সতর্কতার পাশাপাশি কোথাও কোথাও রয়েছে ঢিলেঢালাভাব।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সতর্কতার অংশ হিসেবে বেশ কিছু শিল্পকারখানা শ্রমিকদের আগমন ও প্রস্থানের সময় চার থেকে ছয় পর্বে নির্ধারণ করে দিয়েছে।

এদিকে, সাভারের সড়কেও দেখা গেছে ঢিলেঢালাভাব। প্রয়োজন ছাড়াই ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে অনেকেই ঘুরতে বেরিয়েছেন। কাঁচা বাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানগুলোতেও উপেক্ষিত ছিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টি।

এর আগে গতকাল বুধবার কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন রাজধানী ছিল কার্যত ফাঁকা। মানুষ খুব বেশি একটা ঘর থেকে বের হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। অকারণে বের হওয়ার কারণে কাউকে কাউকে গুনতে হয়েছে জরিমানা। মামলাও হয়েছে।  তবে দিনের শুরুতে কর্মস্থলগামী চিকিৎসক, গণমাধ্যমকর্মী, জরুরি কাজে নিয়োজিত কর্মীদের আনাগোনা ছিল সড়কে। কেউ কেউ ভালোমতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারলেও কাউকে কাউকে পড়তে হয়েছে ভোগান্তিতে। শিকার হতে হয়েছে হয়রানির। কয়েকজন চিকিৎসক এ ব্যাপারে অভিযোগ করেছেন।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



গোপন বৈঠকের সময় জামায়াতের আমিরসহ গ্রেপ্তার ৯

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ১০৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নে গোপন বৈঠকের সময় জামায়াতের আমিরসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাতে ওই ইউনিয়নের একটি বাড়ি থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের কাশিরাম গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে তুষভান্ডার ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোজাম্মেল হক (৫৩), একই গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে শাহীন মিয়া (৩৫), মৃত নজমুদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলাম (৫৭), মৃত উসমান আলীর ছেলে আবু বক্কর (৭০), মৃত ফয়জার উদ্দিনের ছেলে ফুয়াদ হোসেন (৪০), বৈরাতি গ্রামের ফজলে রহমানের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৪০), একই গ্রামের ইমান আলীর ছেলে ফরিদুল ইসলাম (৩০) ও জামির বাড়ি গ্রামের বেলাল মোস্তফার ছেলে আবু সাঈদ (২৬), মৃত নজরুল হকের ছেলে সাবু মিয়া (৫০)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলার কাশিরাম মুন্সির বাজার এলাকার আবু বক্কর নামে এক জামায়াত কর্মীর বাড়িতে গোপন বৈঠক করছেন জামায়াতের কিছু নেতাকর্মী। এমন একটি গোপন খবরের ভিত্তিতে পুলিশ মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাতে ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেয়ে সবাই পালিয়ে গেলেও তুষভান্ডার ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মোজাম্মেল হকসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে কিছু জিহাদি বই, লিফলেট ও চাঁদা আদায়ের রশিদ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।

এই ঘটনার বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরজু মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর
হেফাজতের ২৩ মামলা তদন্তে সিআইডি

মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21




ফেসবুকের যে অশ্লীল পেজ ফলো করে মামুনুল হক!

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | ২৭৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মামুনুল হক আমেনা তৈয়বা নামে যে নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন তার আসল নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা। নারায়ণগঞ্জের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও গণমাধ্যমে প্রচারের পর এ নিয়ে দেশজুড়ে

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জে নারীসহ অবরুদ্ধ হওয়ার পর থেকে তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শেষ হচ্ছে না। গ্রামের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে আলোচনা-সমালোচনা চলছে জাতীয় সংসদেও। যদিও শুরু থেকেই ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছিলেন মাওলানা মামুনুল হক। এবার মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অশ্লীল পেজ ফলো করার প্রমাণ মিললো।

সোনারগাঁওয়ের রয়াল রিসোর্টে গত শনিবার (৩ এপ্রিল) নারীসহ তাকে অবরুদ্ধ করেছিল স্থানীয় লোকজন। এরপর পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। মুক্ত হওয়ার পর লাইভে এসে বক্তব্য দেন মাওলানা মামুনুল হক। ফেসবুকে একটি প্রোফাইল থেকে মামুনুল হক লাইভে আসেন। এই আইডি থেকে লাইভে মামুনুল দাবি করেন, আপনাদের ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সাংবাদিক ও পুলিশ আমার সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করেননি। কিছু বাইরের লোক খারাপ আচরণ করেছে। আমি আমার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে এখানে ঘুরতে এসেছিলাম। মামুনুল হকের দাবি, সঙ্গে থাকা নারীর নাম আমিনা তৈয়বা। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

প্রায় তিন লাখ ফলোয়ার বিশিষ্ট যে প্রোফাইল থেকে মামুনুল এসব কথা বলেন সে প্রোফাইলটিতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে পরশমনি নামে একটি পেজে ফলো দেওয়া রয়েছে। পরশমনি নামের ওই পেজে সর্বশেষ কয়েকটি পোস্ট মামুনুল হককে নিয়ে হলেও এর আগেকার বেশিভাগ পোস্টই ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য সব বিষয় নিয়ে। অশ্লীল এ পেজটিতে বিভিন্ন সময়ে ধারণকৃত এবং ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ভিডিও প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এ ভিডিওগুলোর বেশিরভাগই গোপনে ধারণকৃত।

মামুনুল হক আমেনা তৈয়বা নামে যে নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন তার আসল নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা। নারায়ণগঞ্জের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও গণমাধ্যমে প্রচারের পর এ নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। জান্নাতের বাবার বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায়ও এখন ঝর্ণাকে নিয়েই চলছে আলোচনার ঝড়। তবে জান্নাতের আগে বিয়ে হয়েছে, দুটি সন্তানও আছে, এ কথা সবাই জানলেও দ্বিতীয় বিয়ের কোনো খবরই জানেন না এলাকাবাসী।

সরেজমিনে রবিবার (৪ এপ্রিল) ঝর্ণার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তার বাবা ও মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের মেয়ে জান্নাত আরা ঝর্ণার নয় বছর বয়সে বিয়ে হয়েছিল হাফেজ শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে। তার বাড়ি বাগেরহাটের কচুড়িয়া এলাকায়। তাদের আব্দুর রহমান (১৭) ও তামীম (১২) নামে দুজন ছেলে রয়েছে।

পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে আড়াই বছর আগে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। তারপরে দুবছর আগে পরিবার থেকে পাত্র দেখে মেয়েকে বিয়ে করার কথা বললে ঝর্ণা বলত তার বিয়ে হয়ে গেছে, তাই তার জন্য আর কোনো পাত্র না দেখতে। তবে কার সঙ্গে সে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে, সে কথাটি পরিবারকে জানায়নি কখনো। শুধু একবার ভিডিও কলে তার দ্বিতীয় স্বামী মামুনুল হককে দেখিয়েছিল। কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি তিনি ছিলেন মাওলানা মামুনুল হক।

প্রথম স্বামী হাফেজ শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদুল্লাহর সঙ্গে জান্নাত আরা ঝর্ণার পরিবারের কোনো যোগাযোগ আছে কিনা জানতে চাইলে তারা জানান, ডিভোর্সের পরে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ রাখেনি তারা। তাই হাফেজ শহীদুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের কোনো মাধ্যম না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


আরও খবর