আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

কলাপাড়ায় ঈদ উদযাপন করছে ৫ হাজার পরিবার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৩৩৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার আজ বৃহস্পতিবার ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করছে। তারা প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে থাকেন। এই পরিবারগুলো এলাকায় 'চান টুপি'র লোক হিসেবে পরিচিত। মূলত তারা কাদরিয়া চিশতিয়া তরিকতের অনুসারী।

জানা গেছে, উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের উত্তর নিশানবাড়িয়া জাহাগিরিয়া শাহ্সূফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে এই অনুসারীদের ঈদের নামাজের প্রধান জামাত বৃহস্পতিবার (১৩ মে) সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাফেজ মোহাম্মদ আরিফ এতে ইমামতি করেন। এ জামাতে ধানখালী ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া, গিলাতলা, ফুলতলী ও পাঁচজুনিয়া গ্রামের চান টুপির লোকেরা অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়া কলাপাড়া পৌর শহরের নাইয়াপট্টি, উত্তর লালুয়া মাঝিবাড়িসহ বিভিন্ন স্পটে আরও ৮টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে ধানখালী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া, গন্ডামারি, মরিচবুনিয়া, চালিতাবুনিয়া, ছইলাবুনিয়া, সেনের হাওলা, পৌর শহরের নাইয়াপট্টি, বাদুরতলী, মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের তেগাছিয়া, সাফাখালী, চরপাড়া এবং আজিমদ্দিন গ্রামে প্রায় ৫ হাজার পরিবারে এ তরিকার ১৫ হাজার লোক বসবাস করেন।

কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া দরবার শরীফের পরিচালক মো. নিজাম উদ্দিন বিশ্বাস জানান, তারা চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চন নগর ইউনিয়নের পশ্চিম এলাহাবাদ গ্রামের সিলসিলায়ে আলীয়া কাদরিয়া চিশতিয়া জাহাগিরিয়িা তরিকতের অনুসারী। যার কারণে তারা একদিন আগে রোজা রাখা শুরু করেন এবং ঈদও একদিন আগে উদযাপন করে থাকেন।




আরও খবর



বাংলাদেশ এখন অন্য দেশকে ঋণ দেয় : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২১ জুন 20২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২১ জুন 20২১ | ৫১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ এখন অন্য দেশকে ঋণ দেয়। আফ্রিকার দু'একটি দেশকে ঋণ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তিনি বলেন, আমরা শ্রীলঙ্কাকে ১০ বছর মেয়াদে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছি। অন্যান্য দেশও ঋণ চাচ্ছে এবং সেখানেও দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এটিই বাস্তবতা, কেউ শিকার করুক বা না করুক।

সোমবার (২১ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে মানুষের দারিদ্রের হার ৪১ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে নেমেছে। দেশ স্বল্পোন্নত থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে উন্নীত হয়েছে। এক সময়ে যে দেশের বাজেট নির্ভর করতো প্যারিস কনসোর্টিয়াম মিটিংয়ের ওপর, অর্থমন্ত্রীকে ছুটে যেতে হতো প্যারিস কনসোর্টিয়াম মিটিংয়ে, সেই বাংলাদেশ এখন অন্য দেশকে ঋণ দেয়।

কোন কোন দেশ ঋণ চাচ্ছে, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক বিভাগ এটি নিয়ে কাজ করছে। আফ্রিকার দুএকটি দেশে এ তালিকায় রয়েছে। এগুলো এখনও প্রক্রিয়াধীন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের মানুষের দিকে তাকালেই তা বুঝা যায়। ১২ বছর আগের কোনো সমাজিক অনুষ্ঠানের ভিডিওচিত্র দেখুন এবং আজকের সামাজিক অনুষ্ঠানের ভিডিওচিত্র দেখুন। আজকের মানুষের চেহারাগুলো আগের তুলনায় বেটার।


আরও খবর



ভাসানচরে জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের সামনে রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০১ জুন ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সোমবার সেখানে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর করেছে। প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের দুই কর্মকর্তাসহ একটি প্রতিনিধিদল সোমবার নোয়াখালী জেলার ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ণ প্রকল্পটি পরিদর্শনের জন্য গিয়েছিল। খবর বিবিসির।

তারা সেখানে পৌঁছানোর পর পরই রোহিঙ্গারা বিক্ষোভ করে। পরে একপর্যায়ে কিছু ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তাসহ প্রতিনিধিদলটি ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলতে সেখানে গিয়েছিল।

দলটিতে জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের কর্মকর্তারা ছিলেন। এই প্রথমবার ইউএনএইচসিআরের কোনো প্রতিনিধিদল ভাসানচরে গেছে। দলটিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি নামার পর সেখানে রোহিঙ্গাদের একটি দল মিছিল করে হেলিকপ্টারটির দিকে এগোতে শুরু করে।

সে সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তখন রোহিঙ্গাদের একটি অংশ ভাসানচরে ওয়্যার হাউস নামে একটি ভবনের বাইরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ইটপাটকেল দিয়ে ভবনটির কিছু জানালার কাঁচ ভাঙচুর করা হয়। সে সময় পুলিশ তাদের নিয়ন্ত্রণ করে বলে জানিয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ১৯ হাজারের মতো রোহিঙ্গাকে ভাসানচরের একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ভাসানচরে বাস করছেন এ রকম কয়েকজন রোহিঙ্গা তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছেন, জাতিসংঘের যে প্রতিনিধিদলটি ভাসানচরে গিয়েছিল, তাদের সঙ্গে রোহিঙ্গারা কথা বলতে চেয়েছিলেন।

কিন্তু ভাসানচরে অবস্থানরত প্রায় ১৯ হাজারের মতো রোহিঙ্গার মধ্যে থেকে কয়েকজন রোহিঙ্গাকে 'ফোকাল পয়েন্ট' হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। শুধু তাদেরই কথা বলতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল।

রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের অনেকেই যে আর থাকতে চান না, সেখানে তাদের নানাবিধ অসুবিধার পুরো চিত্র ফোকাল পয়েন্টের সদস্যরা তুলে ধরেন না; কারণ তারা নিয়োগপ্রাপ্ত।

এ কারণে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের কাছে তাদের আসল অবস্থা কী, সেই বার্তা পৌঁছবে না এমন আশঙ্কা থেকে তারা চেয়েছিলেন শুধু ফোকাল পয়েন্ট নয়, অন্যদেরও কথা বলতে দেওয়া হোক। কথা বলার সুযোগ না পেয়ে রোহিঙ্গাদের একটি অংশ উত্তেজিত হয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।

একটি অংশ ভাঙচুর করার পর ওখানে অবস্থানরত বাকি রোহিঙ্গারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

তবে পুলিশ জানিয়েছে, এখন ভাসানচরের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। গত ডিসেম্বর মাস থেকে কয়েক দফায় কক্সবাজারের বিভিন্ন শিবির থেকে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরের এই আশ্রয়ণ প্রকল্পটিতে স্থানান্তর করা হয়। তারা নিজেদের ইচ্ছাতেই সেখানে স্থানান্তরিত হয়েছে বলে সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে।

তবে রোহিঙ্গারা অভিযোগ করছেন, সেখানে নিয়ে যাওয়ার আগে যেসব প্রতিশ্রুতি তাদের দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো সব পূরণ করা হয়নি। তাদের মাসিক ভাতা, প্রতিটি পরিবারকে গরু দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল, যা সবাইকে দেওয়া হয়নি বলে রোহিঙ্গারা দাবি করছেন।

সেখানে শিশুদের পড়াশোনার জন্য কোনো স্কুল তৈরি করা হয়নি। তাদের প্রতি মাসের খাওয়ার যে রসদ দেওয়া হয়, তা ন্যূনতম কিছু সামগ্রী বলে অভিযোগ করেছেন রোহিঙ্গারা।

তাদের কক্সবাজারে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে রোহিঙ্গারা দাবি করেছেন। কিন্তু শুধু চরেই তাদের অবস্থান করতে হয়।

এ ছাড়া খারাপ আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে অনেকের মধ্যেই। ইতোমধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। খুব নিচু চরটিতে প্রায়শই পানি প্রবেশ করে, যা ঠেকানোর জন্য যে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। তার একটি ভেঙে গেছে বলেও জানা গেছে। এখন রোহিঙ্গারা আশঙ্কা করছেন যে, সামনে বৃষ্টির মৌসুম শুরু হলে, কোনো সাইক্লোন শুরু হলে কি পরিস্থিতি দাঁড়াবে।

এসব আশঙ্কা ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে রোহিঙ্গারা কক্সবাজারে ফিরে যেতে চান। ইতোমধ্যে ভাসানচর থেকে কিছু রোহিঙ্গার পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।


নিউজ ট্যাগ: ভাসানচর

আরও খবর



নেতানিয়াহু শাসনের অবসান, ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী বেনেট

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আটদলীয় জোটের নেতা নাফতালি বেনেট। দুই বছরের জন্য দায়িত্ব নিয়েছেন বেনেট। প্রধানমন্ত্রী মেয়াদের বাকি দুই বছর দায়িত্ব পালন করবেন জোটের অপর নেতা ইয়াইর লাপিড। বিবিসির খবরে এমনটি বলা হয়েছে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের সংস্কারসহ লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমাতে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন নাফতালি বেনেট।

গতকাল রবিবার দেশটির পার্লামেন্টে নেসেটে আস্থাভোটে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ১২ বছরের শাসনের অবসান ঘটলো। নেতানিয়াহুবিরোধী সরকার ১২০ আসনের পার্লামেন্টে মাত্র এক আসনে এগিয়ে সরকার গঠন করছে। এর মধ্য দিয়ে শুধু নেতানিয়াহুর শাসনের অবসান নয়, দুই বছরে চারটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া ইসরাইলের চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটলো।

জোটের শর্ত অনুসারে, ইয়ামিনা পার্টির নেতা নাফতালি বেনেট ২০২৩ সালে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশ পরিচালনা করবেন। এরপর তিনি ইয়েশ আতিদ পার্টির নেতা ইয়াইর লাপিদের কাছে বাকি দুই বছরের জন্যে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।

ইসরায়েলের সবচেয়ে দীর্ঘকালীন প্রধানমন্ত্রী লিকুদ পার্টির প্রধান বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে পার্লামেন্টে থাকছেন।

রবিবার জেরুসালেমে নেসেটে আস্থা ভোটে মাত্র একটি ভোট কম পেয়ে পরাজয়ের পর নাফতালি বেনেটের কাছে গিয়ে তাঁর সঙ্গে হাত মেলান নেতানিয়াহু। ১২০ সদস্যের মধ্যে ৬০ জন নতুন জোটে আস্থা রাখেন আর ৫৯ জন ছিলেন নেতানিয়াহুর পক্ষের। বাকি একজন নেসেটে অনুপস্থিত ছিলেন। নেতানিয়াহু পরে বক্তৃতায় দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে বলেন, আমরা আবার ফিরে আসব।

৪৯ বছর বয়সী নতুন প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট বলেন, আজ কোনো শোকের দিন নয়। গণতন্ত্রে একটি সরকারের পরিবর্তন হয়েছে শুধুমাত্র, এতটুকুই। আজ রাতে যারা বিজয় উদযাপন করবেন, আমি তাদেরকে বলব, অন্যের বেদনার দিনে উল্লাস নৃত্য করবেন না। আমরা একে অপরের শত্রু নই, আমরা এক জনগোষ্ঠী।

২ জুন ইসরায়েলের রাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে সরাতে আটটি দল জোট গঠনে ঐক্যবদ্ধ হয়। সময়সীমা শেষের আধা ঘণ্টা আগে তারা তাদের ঐক্যমতের নথি জমা দেন।

নতুন সরকারের জোটে যে আটটি দল রয়েছে

১. ইয়েশ আতিদ (মধ্যপন্থি), নেতা : ইয়াইর লাপিদ (১৭টি আসন)

২. কাহোল লাভান (নীল ও সাদা) (মধ্যপন্থি), নেতা : বেনি গান্টজ (আটটি আসন)

৩. ইসরায়েল বেইতেইনু (মধ্য-ডানপন্থি জাতীয়তাবাদী), নেতা : আভিগদর লিবারম্যান (সাতটি আসন)

৪. লেবার (সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক), নেতা : মেরাভ মিকায়েলি (সাতটি আসন)

৫. ইয়ামিনা (ডানপন্থি), নেতা নাফতালি বেনেট (সাতটি আসন)

৬. নিউ হোপ (মধ্য ডান থেকে ডানপন্থি), গিদিওন সার (ছয়টি আসন)

৭. মেরেৎজ (বাম, সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক), নেতা নিৎজান হোরোউইৎজ (ছয়টি আসন)

৮. রাম (আরব ইসলামপন্থি), নেতা : মানসুর আব্বাস (চারটি আসন)

১২০ আসনের মধ্যে আটদলীয় জোটের ৬২ জন পার্লামেন্টারিয়ান থাকলেও গতকালের আস্থা ভোটে ৬০ জনের ভোট পেয়েছে জোট। মতাদর্শগত দিক থেকে জোটবদ্ধ দলগুলোর মধ্যে মিল একেবারেই কম। এ কারণে সবার ধারণা ছিল এমন জোটগঠন প্রায় অসম্ভব। তবে নেতানিয়াহুকে সরাতে বদ্ধপরিকর ছিলেন তাঁরা।

তবে এই জোটের কাছ থেকে সরকার পরিচালনার নীতির দিক থেকে বা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বেশি কিছু আশা করা ঠিক হবে না, তারা কেবল নেতানিয়াহুকে সরাতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিবিসির মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সম্পাদক জেরেমি বাওয়েন।



আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে সিরিজের চূড়ান্ত সূচি ঘোষণা

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৩ জুন ২০২১ | ২৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বকাপ সুপার লিগের অংশ হিসেবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ওয়ানডে সিরিজ শেষে স্বাগতিকদের বিপক্ষে একটি টেস্ট ও তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলবেন তামিমরা।

পুরো সিরিজের জন্য আগামী সোমবার রাতে জিম্বাবুয়ে উড়াল দেবেন মিরাজ-মুস্তাফিজরা। সফরে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে হারারেতে। দুদলের সিরিজের চূড়ান্ত সূচি পকাশ করেছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট।

জিম্বাবুয়ে সফরে খুব একটা কোয়ারেন্টিনের ধকলে পড়বে না বাংলাদেশ দল। মাত্র একদিন কোয়ারেন্টিন মেনেই নেমে অনুশীলনে নেমে পড়বেন তাঁরা। অনুশীলন শেষে হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ৭ জুলাই টেস্ট দিয়ে শুরু হবে দুদলের প্রথম লড়াই। এরপর ১৬ জুলাই থেকে শুরু হবে সুপার লিগের ওয়ানডে ম্যাচ।

ওয়ানডে সিরিজের আগে একটি একদিনের প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে বাংলাদেশ দল। ওয়ানডে সিরিজের পর ২৩ জুলাই থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সিরিজের পরের দুটি ম্যাচ  ২৫ ও ২৭ জুলাই।


আরও খবর
কলম্বিয়াকে ২-১ গোলে হারাল ব্রাজিল

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




দুই মাসের মধ্যে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২০ জুন ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩ হাজার ৫৪৮ জনে। একই সময়ে নতুন করে করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪১ জন। ফলে করোনায় দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা হলো ৮ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৮ জন।

রবিবার (২০ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। শনিবার (১৯ জুন) করোনা আক্রান্তে মৃত্যু হয়েছিল ৬৭ জনের এবং শনাক্ত হয়েছিল ৩ হাজার ৫৭ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২২ হাজার ২৬২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২২ হাজার ২৩১টি। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৩ লাখ ২৭ হাজার ৭৩৪টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

দেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৫০৯ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৮২ হাজার ৬৫৫ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মৃতদের মধ্যে দ‌শোর্ধ্ব একজন,‌ বি‌শোর্ধ্ব ২ জন, ত্রি‌শোর্ধ্ব ৯ জন, চ‌ল্লিশোর্ধ্ব ১১ জন, পঞ্চা‌শোর্ধ্ব ২১ জন এবং ষা‌টোর্ধ্ব ৩৮ জন র‌য়ে‌ছেন। বিভাগ হিসেবে বেশি মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভা‌গে ৩২, ঢাকায় ২১, চট্টগ্রামে ৯, রাজশাহীতে ১২, বরিশালে একজন, সিলেটে ২, রংপুরে একজন এবং ময়মনসিংহে ৪ জন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ঠিক ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে করোনায় আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।



আরও খবর
করোনায় আরও ৭৬ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ২২ জুন ২০২১