আজঃ রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

কলকাতায় চিকিৎসা করাতে গিয়ে দুই বাংলাদেশি নিখোঁজ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

চিকিৎসা করাতে কলকাতায় এসে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে নিখোঁজ হয়েছেন দুই বাংলাদেশি যুবক। কাকতালীয় হলেও মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে নিখোঁজের দুটি ঘটনাই ঘটেছে কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার মার্কুইস স্ট্রিট অঞ্চলে। ঘটনাটি কাকতালীয় হলেও রহস্য উন্মোচনের জন্য তদন্ত চালাচ্ছে কলকাতা পুলিশ।

মা-বাবার সঙ্গে গত ১৮ জুন বাংলাদেশ থেকে কলকাতা আসেন পাবনার বাসিন্দা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। ১৯ জুন রাতেই হঠাৎ হোটেল থেকে দেলোয়ার উধাও হয়ে যান। এরপর ২০ জুন দিবাগত রাতে পরিবারের পক্ষ থেকে কলকাতা পার্ক স্ট্রিট থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে মার্কুইস স্ট্রিটের প্যারামাউন্ট হোটেলে।

এ ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছে দেলোয়ারের পরিবার। এ বিষয়ে দেলোয়ারের বোন কামরুন্নাহার অমি জানান, আমার ভাই নার্ভের সমস্যায় আক্রান্ত। সে কিছুক্ষণ পরপরই সবকিছু ভুলে যায়। সহজেই কোনো কিছু মনে রাখতে পারে না। যে কারণে আমরা গত ১৯ জুন কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসা করাই।

তিনি বলেন, ১৯ জুন রাতে আমি ও আমার স্বামী হোটেলের এক রুমে ছিলাম। পাশের রুমে ভাইকে নিয়ে বাবা-মা ছিলেন। রাত ১১টায় আমার বাবা-মা দেখতে পান হোটেলের রুমের দরজা খোলা। ঘরের মধ্যে ভাই নেই। সঙ্গে সঙ্গে হোটেলের নিচে আসি। সেই রাতেই পথে অনেক খোঁজাখুঁজি করি। সেই রাতে না পেয়ে পরের দিন পার্ক স্ট্রিট থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করি।

কামরুন্নাহার অমি বলেন, ১৯ জুন রাতেই হোটেল সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা যায় দেলোয়ার রাত ১১টা ২৭ মিনিটে হোটেল ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে। খুব চিন্তায় আছি। ভাইকে সাত ঘণ্টা অন্তর অন্তর ওষুধ খেতে হয়। না হলে ভাইয়ের কথা আটকে যায় খাবারও গিলতে পারে না। কী হবে কিছুই বুঝতে পারছি না। যদিও পার্কস্ট্রিট থানার পাশাপাশি পুলিশের সদর দপ্তর লালবাজার থানাও আমাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছে।

একইভাবে গত ২৪ মে চিকিৎসা করাতে কলকাতায় এসে নিখোঁজ হন রাজশাহীর রাজপাড়া লক্ষীপুর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ শিহাবুল ইসলাম শিহাব (২৪)। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। মা-বাবার সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কলকাতা মানসিক রোগের চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন শিহাব। তার নামে লালবাজার থানায় মিসিং ডায়েরি হয়েছে, তবে এখনও তাকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি। শিহাবের পরিবার উঠেছিলেন মার্কুইস স্ট্রিট সংলগ্ন কলিং স্ট্রিটের শামীমা হোটেলে।

শিহাবের বাবা শফিকুল ইসলাম কাঁদতে কাঁদতে জানান, ২২ মে চিকিৎসার কারণে কলকাতায় এসেছিলাম। ২৪ মে ছেলে হঠাৎ নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। থানায় মিসিং ডায়েরি করেছিলাম। স্থানীয় সিসি টিভি ফুটেজেও দেখতে পাই ছেলে হোটেল থেকে একা বের হয়ে রাস্তার দিকে যাচ্ছে। এরপর কিছু জানি না। প্রায় একমাস হয়ে গেল। আর পারছি না। ছেলেকে নিয়েই দেশে ফিরতে চাই।

যদিও দুটি ঘটনার ক্ষেত্রেই পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি৷ তবে কলকাতার বাংলাদেশ উপদূতাবাসের পক্ষে জানানো হয়েছে, তারা সব ঘটনাই পুলিশকে জানিয়েছে। পুলিশের সঙ্গে তারা যোগাযোগ রেখে চলছে।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাভার প্রতিনিধি

Image

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) এবারই প্রথম ঘোষণা করা হলো শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি। এর আগে ২০১৮ সালের মার্চে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক নির্বাচনের মাধ্যমে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট গণ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। যার মেয়াদ ছিল ২০২১ সাল পর্যন্ত।

রোববার (১৪ জুলাই) ওপূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা করা হয়। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় ধামরাই বরাত সেন্টারে সাবেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত করা হয়। এতে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র বর্তমান ধামরাই উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল রানা সভাপতি এবং ধামরাই থানার এস.আই. আতাউল্লাহ খান বাবু সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়। নবগঠিত এই কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকবে ১৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আবুল হোসেন বলেন, আমি সকালে জেনেছি এবং কমিটির তালিকা হাতে পেয়েছি। তার আগে অবগত ছিলাম না। যেহেতু এটা শিক্ষার্থীদের সংগঠন, সেহেতু এখানে আমাদের কোনো ভূমিকা বা মন্তব্য করার কিছু নেই।

কমিটির নবনির্বাচিত তথ্য বিষয়ক সম্পাদক গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব  বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক মেধাবী ছাত্র ও দেশ বায়োটেক মেডিকেল ইকুইপমেন্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, অনুজী বিজ্ঞানী তানভীর আহমেদ বলেন, গত এক যুগ ধরে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছি আমি। আন্তর্জাতিক মানের মেডিকেল ইকুপমেন্ট কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছি যার মাধ্যমে দেশের অসংখ্য স্বনামধন্য হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মেডিকেল ইকুপমেন্ট সরবরাহ সেবা নিশ্চিত করছি। শিক্ষাকালীন সময়ে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে আমার বেশ কিছু রিসার্চ পাবলিকেশন প্রকাশ করেছে যা আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হয়েছে। আধুনিক অনুজীব বিজ্ঞানের স্বাস্থ্য খাতে সঠিক ব্যবহার এবং অনুজীব বিজ্ঞান বিষয়ক সর্বাধুনিক যন্ত্রাদি বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবায় ক্রমান্বয়ে যুক্ত করে যাচ্ছি। আমার এইসকল অর্জনের পিছনে পুরটা অবদান আমার শিক্ষাপীঠ গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের। আজ সাবেক ছাত্রছাত্রীদের সমর্থনে আমার প্রিয় সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছি, যা আমার জন্য গর্ভের। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে আমার পুরোটা দিয়ে এবং নিষ্ঠার সাথে অর্পিত এই দায়িত্ব পালন করবো।

তিন বছর মেয়াদি এই কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আরিফুল হক তাপস ঠাকুর, মইনুল হোসেন ভূঁইয়া, আবুল বাশার রনি, আসিফ আল আজাদ, যুগ্ম-সম্পাদক শেখ সুমন ইসলাম আবুল, ভিপি শামিম হোসেন।

নতুন কমিটির সভাপতি জুয়েল রানা জানান, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রয়োজনেই বিশ্ববিদ্যালয়ে এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের যথাযথভাবে কাজ করতে হয়। তাই এলামনাই এসোসিয়েশনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে সাবেকদের উপস্থিতিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক উন্নতির বিষয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে আমরা প্রতিশ্রুত।


আরও খবর



কুমিল্লায় জোড়া খুনের মামলায় ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

কুমিল্লা সদর দক্ষিণে জমিজমা বিরোধের জের ধরে মোঃ গিয়াস উদ্দিন ও মোঃ জামাল হোসেন নামের দুই চাচাতো জ্যেঠাতো ভাইকে ধারালো দা, ছেনী ও হকিস্টিক দ্বারা কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।

মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরী গ্রামের মোঃ হাজী আতর আলীর ছেলে তোফায়েল আহমেদ তোতা (৩৮), মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে কামাল হোসেন (৪৮), হাজী আব্দুর রহিমের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৮), মোঃ ফরিদ উদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন (২৮), মৃত আনোয়ার আলীর ছেলে মোঃ বাবুল (৩৫) ও মৃত আনোয়ার আলীর হারুনুর রশিদ (৪৫)।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন ধনাইতরীর মৃত জুনাব আলীর ছেলে হায়দার আলী (৬৫), হাজী আব্দুর রহিমের ছেলে আঃ মান্নান (৩২), মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে জামাল হোসেন (৪৫), মৃত আঃ খালেক এর ছেলে আবুল বাশার (২৮), মৃত আঃ রশিদ এর ছেলে জাকির হোসেন, মৃত আঃ খালেক এর ছেলে আঃ কাদের (৩২) ও এজহার বর্হিভুত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি হলেন একই গ্রামের মৃত ইউসুফ মিয়া'র ছেলে আব্দুল কুদ্দুস (৪৫)।

খালাস প্রাপ্ত আসামিরা হলেন - একই গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ আমান (৪০) ও একই উপজেলার গ্রাম চৌয়ারা'র জুনাব আলী মোঃ সেলিম মিয়া (৫০)। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞ জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম।

মামলার বিবরণে জানাযায়- পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরষ্পর যোগসাজশে ২০১৬ সালের ১২ আগস্ট রাত অনুমান সোয়া ৮টার সময় ধনাইতরী জামতলা খোরশেদ আলম এর মালিকানাধীন "ভাই ভাই ষ্টোর" নামক দোকানে প্রবেশ করিয়া আসামীদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয়ে হায়দার আলীর নির্দেশে আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতা মিয়া বাদীর বাবা ভিকটিম মোঃ গিয়াসউদ্দিন ও জেঠা জামাল হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারিভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। তাদের অবস্থা আশংকাজনক জনক দেখিয়া নিহতের স্বজনরা কুমেক হসপিটাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথমে মোঃ গিয়াসউদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং পরে জামাল হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত মোঃ গিয়াস উদ্দিন এর ছেলে মেহেদী হাসান (২৫) বাদী হয়ে আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতাসহ ১২জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২জনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন ও মঃ সহিদুর রহমান ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করিয়া আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতাসহ এজহার নামী ১২জন এবং এজহার বর্হিভুত আঃ কুদ্দুসসহ ৩জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

তৎপর মামলাটি বিচারে আসিলে রাষ্ট্রপক্ষে ১১জন এবং আসামি পক্ষে দুজন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি মোঃ হারুনুর রশীদ ও আঃ কুদ্দুস এর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামি মোঃ তোফায়েল আহমেদ তোতাসহ ৬জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আসামি হায়দার আলীসহ ৭জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড; সেই সাথে প্রত্যককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামী প্রত্যেককে অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়াও আসামি আমান ও মোঃ সেলিম এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত।

এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্র পক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম ও অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মোঃ মজিবুর রহমান বাহার এবং বাদীপক্ষে এড. মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন আমরা আশা করছি উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।

নিউজ ট্যাগ: কুমিল্লা

আরও খবর



গবাদি পশুর ওপর প্রথম কর নির্ধারণ, গরুপ্রতি গুণতে হবে সাড়ে ১১ হাজার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

বিশ্বে প্রথমবারের মতো গবাদি পশুর ওপর কর নির্ধারণ করা হয়েছে। পশু পালনকারী এবং খামারীকে গরুপ্রতি বছরে কর দিতে হবে ৯৬ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১১ হাজার টাকা। ইউরোপের অন্যতম কৃষি ও খামার নির্ভর অর্থনীতির দেশ ডেনমার্কে এই সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়েছে।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, পৃথিবীর উত্তাপ বাড়াতে পশু থেকে নির্গত গ্যাস (কার্বন) বিশেষভাবে দায়ী। তাই পশুপালনকারীকেও এই দায় বহন করতে হবে। প্রতি গরুর জন্যে পালনকারীকে দিতে হবে ৬৭২ ক্রোন বা ৯৬ মার্কিন ডলার।

দেশটির জোট সরকার চলতি সপ্তাহে কৃষিতে বিশ্বের প্রথম কার্বন নির্গমন কর চালু করতে সম্মত হয়েছে। ২০৩০ সাল থেকে পশুর ওপর নতুন এই কর আদায় কার্যকর হবে। ইউরোপের দেশ ডেনমার্ক একটি প্রধান দুগ্ধ এবং শুয়োরের মাংস রপ্তানিকারক দেশ। কৃষি নির্ভর অর্থনীতির এই দেশটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর গ্যাস নির্গমনের বড় উৎস।

জোট সরকারের এই চুক্তির উদ্দেশ হচ্ছে, ৪০ বিলিয়ন ক্রোন খরচ করে বিশাল এলাকায় বনভূমি এবং জলাশয় পুনরুদ্ধার করা। এই বিনিয়োগ দেশটির জলবায়ু সংক্রান্ত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে।

এই বিষয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোককে রাসমুসেন মঙ্গলবার (২৫ জুন) বলেন, 'আজকের চুক্তির মাধ্যমে, আমরা সাম্প্রতিক সময়ে ডেনমার্কের পরিবেশগত উন্নয়নে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছি। বিপুল অঙ্কের কর আমরা পরিবেশ সুরক্ষায় বিনিয়োগ করবো। একই সময়ে, আমরা কৃষিতে (কার্বন) কর নির্ধারক হিসেবে বিশ্বের প্রথম দেশ হবো।'

নিউজ ট্যাগ: গবাদি পশু

আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যার হুমকিদাতা গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে হত্যার হুমকিদাতাকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) রাতে অভিযান চালিয়ে হবিগঞ্জ থেকে হুমকিদাতা সোহাগকে সিটিটিসি গ্রেফতার করে বলে জানান ইউনিট প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক (সুমন) তাকে হত্যার হুমকির ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এ ঘটনায় সিটিটিসি ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে হবিগঞ্জে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সোহাগকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে, হত্যার জন্য একটি টিম মাঠে নেমেছে জেনে ২৯ জুন রাতে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি জিডি করেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমন।

এতে তিনি উল্লেখ করেন, ২৭ জুন ঢাকায় অবস্থানকালে রাত আনুমানিক ২টার সময় চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমার হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে জানান যে, আপনাকে হত্যার জন্য অজ্ঞাতনামা একটি শক্তিশালী মহল গত তিন দিন আগে চার-পাঁচজনের একটি টিম নিয়ে মাঠে নেমেছে। আপনি রাতে বাইরে বের হবেন না এবং সাবধানে থাকবেন। তখন আমি ওসির কাছে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি ওই ব্যক্তির পরিচয় জানাতে অস্বীকার করেন এবং আমাকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দেন। বিষয়টি জানার পরে আমি মারাত্মকভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

পরে ৩ জুলাই হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের এক অফিস আদেশে ব্যারিস্টার সুমনের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার জন্য গানম্যান নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে শিক্ষকদের বৈঠক স্থগিত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় কর্মসূচির প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একযোগে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষকনেতাদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল ১০টায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের যে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে।

বৈঠক স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিন্নাত হুদা।

তিনি বলেন, আজকে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে আমাদেরকে কিছু জানানো হয়নি।

তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে বৈঠক হলে সরকার যদি জরুরি মনে করে তারা আমাদের সঙ্গে বসবে, অন্যথায় আমাদের আন্দোলন এভাবেই চলতে থাকবে। বৈঠক হলে বিষয়টি যথা সময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।

সর্বজনীন পেনশন প্রত্যয় স্কিম কর্মসূচির প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একযোগে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। যদিও পেনশনের পক্ষে একটি বিবৃতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। কিন্তু শিক্ষক নেতারা সে বিবৃতিটিকে বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং চতুর্থ দিনের মতো চলছে শিক্ষকদের কর্মবিরতি।


আরও খবর