আজঃ শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১
শিরোনাম

ক্রীড়াঙ্গনে অংশ নেওয়ার স্বপ্নও বুনতেন পাওলি দাম

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টালিউড ও বলিউডের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী পাওলি দাম। অভিনয়ের জন্যই যেন তার জন্ম। তার সাবলীল অভিনয় অনায়াসেই দর্শকের মনজয় করে নেয়। জানেন কী? সেই পাওলি নাকি কোনোদিন অভিনেত্রী হতে চাননি! বিষয়টি অবাক লাগলেও সত্যি। ছোটবেলায় পাওলির স্বপ্ন ছিল একজন পাইলট হওয়ার। এখানেই শেষ নয় তিনি বিমানবাহিনীর একজন পাইলট হতে চেয়েছিলেন। যেন শত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে পারেন।

এছাড়া দেশের হয়ে ক্রীড়াঙ্গনে অংশ নেওয়ার স্বপ্নও বুনতেন হেইট স্টোরি খ্যাত অভিনেত্রী। কিন্তু ভাগ্য তাকে একজন অভিনেত্রী করে। বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে পাওলি টেলিভিশন মিডিয়ায় কাজ শুরু আগে পড়াশোনায় ভীষণ মনযোগী ছিলেন।

শুধু বড় বাজেটের ছবিই নয়। তিনি অনেক তরুণ নির্মাতার কম বাজেটের ছবিতে অভিনয় করেও প্রশংসিত হয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: পাওলি দাম
Share

প্রথমবারের মতো একসঙ্গে আলিয়া-অজয়

শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

খোলামেলা লুকে হাজির হলেন সোহিনী

শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১




শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি

প্রকাশিত:সোমবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৪৩জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শুরু হলো ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ সালের এই মাসেই বাঙালি বুকের রক্ত দিয়ে মাতৃভাষার অধিকার আদায় করে নেয়। এরপর সাত দশকেও বাংলা ভাষা এখনো পায়নি তার যোগ্য মর্যাদা। সর্বস্তরে প্রচলিত হয়নি বাংলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাষার বিকৃতি রোধ এবং সর্বস্তরে মাতৃভাষা প্রচলন করতে স্বাধীন ভাষা কমিশন গঠন করতে হবে।

বাংলা কেবল শুধু ব্যাকরণিক অর্থে ভাষা ছিল না, ছিল বাঙালির অস্তিত্ব, অধিকার ও স্বাধীনতার অন্য নাম। বায়ান্নর ফাল্গুনে পাখি ডাকা গ্রামের সহোদর ঢাকা রূপান্তরিত হয়েছিল অগ্নিগিরিতে, যা বিস্ফোরিত হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল বাংলার শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত।

সংগ্রামের পথ ধরেই রক্ত দিয়ে ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠিত হলো। এরপর বাংলা ভাষা পেরিয়ে এসেছে প্রায় ৭০ বছর। তবুও এখনো মাতৃভাষার দমন, অশ্রদ্ধা, ঘৃণা ও অপমান নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে আছে। ভাষা তার অন্তর্গত শক্তি ও মর্যাদা নিয়ে এখনো দাঁড়াতে পারছে না। কিন্তু কেন?

সরব মানুষ ছাড়া ভাষার প্রাণ কী করে বাঁচে। সাধারণ মানুষের মুখেই বাংলা আছে প্রাণ হয়ে। তবুও যাদের কাছে বাংলা কেবল উপেক্ষার, তাদের জন্যই মাতৃভাষার অর্থমূল্যের দিকে নজর দিতে হবে বলে মনে করেন এই বিশেষজ্ঞ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সৌরভ শিকদার বলেন, ভাষা অর্থমূল্য তৈরি করতে হবে। সেটা কীভাবে তা হলো- বাংলা ভাষাকে শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রণোদনা হিসেবে দিতে হবে। এখন যেমন একজন শিক্ষার্থী জানেন, ইংরেজিতে ভালো জানলে সে ভালো চাকরি পাবে। আমাদেরকে এখন উল্টো করতে হবে বাংলা ভাষা জানলে সে ভালো চাকরি পাবে তাহলে এই প্রণোদনাটা হবে।

একুশ কারো কাছে বাংলা ভাষার উত্থান দিবস। কারো কাছে আধুনিক বাঙালি জাতির উদ্ভবের দিন। কারো কাছে অঘোষিত স্বাধীনতা দিবস। একুশ থাকুক হৃদয়ে, একুশে থাকুক চেতনায়।

Share



‘রাষ্ট্রের উন্নয়নে প্রত্যেক কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ যোগ্যতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে’

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ২৮০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, রাষ্ট্রের উন্নয়নে প্রত্যেক কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ যোগ্যতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রাকে আরো গতিশীল করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকতে হবে। কর্মক্ষেত্রে মেধা ও প্রজ্ঞা দিয়ে যেকোন সংকট মোকাবেলা করতে হবে। গুণগত মানসম্পন্ন কর্মকর্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করতে হবে।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ৩৮তম বিসিএস (মৎস্য) ও বিসিএস (লাইভস্টক) ক্যাডারের নবনিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী নবীন কর্মকর্তাদের মন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।

তিনি অরো বলেন, দেশের উন্নয়নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের অনেক অবদান আছে। পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি করা, বেকারত্ব দূর করা, উদ্যোক্তা তৈরি, গ্রামীন অর্থনীতিকে সচল রাখাসহ রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে এ খাতের ভূমিকা রয়েছে। দেশের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। এ খাতে কর্মকর্তাদের কাজের ক্ষেত্র ও সুযোগ অনেক বেশি।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, দেশের সেবায় নিজেদের নিবেদন করতে হবে। সব সময় নিজের মধ্যে দেশাত্মবোধ ধারণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে দেশ আমাদের আনেক কিছু দিয়েছে। এ রাষ্ট্রের কৃষক, শ্রমিক, মজুর ও মেহনতি মানুষের ট্যাক্সের টাকায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনারা লেখাপড়া করেছেন। সে মানুষদের ভুলে গেলে চলবে না। এ মানুষদের জন্য, দেশের জন্য কাজ করা আপনাদের দায়িত্ব।

এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে সমুন্নত রাখতে জঙ্গীবাদ, স্বাধীনতাবিরোধী চিন্তা-চেতনা, অনৈতিকতা ও অনিয়মের সাথে কোনভাবেই সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না। দেশ স্বাধীন না হলে আপনারা কর্মকর্তা হতে পারতেন না। নিজের মধ্যে দেশপ্রেম রাখতে গেলে আসম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে ধারণ করতে হবে। যে বাংলাদেশের স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন, ত্রিশ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধারা দেখেছিলেন। এ বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাদের সকলকে অসাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনা ধারণ করতে হবে। সাম্প্রদায়িকদার বিষবাষ্প যারা ছড়ায়, যারা অনিয়ম করে, যারা দুর্নীতিবাজ তাদের থেকে দূরে থাকতে হবে। পেশাগত জীবনের ভিত্তি স্থাপনে ইস্পাতকঠিন মানসিকতা ধারণ করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ আবদুল জব্বার শিকদার ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে নবীন কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে লাইভস্টক ক্যাডারের ডা. মোঃ মামুনুর রহমান এবং মৎস্য ক্যাডারের কে এম মাহফুজুর রহমান ও শতাব্দী রায় অনুভূতি ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য ৩৮তম বিসিএস এ মৎস্য ক্যাডারে ১৯ জন এবং লাইভস্টক ক্যাডারে ৮৩ জন কর্মকর্তা যোগদান করেন।

Share



মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের ‘যৌক্তিকতা’ তুলে ধরলেন সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নেমেছে শিক্ষক, আইনজীবী, ব্যাংক কর্মকর্তা, সরকারি কর্মচারীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ। বিক্ষোভের মাঝে অভ্যুত্থানের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) টেলিভিশনে ভাষণ দেন দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লেইং।

ক্ষমতা গ্রহণের পর সোমবার তিনি প্রথম জনসমক্ষে আসেন। এ সময় জেনারেল মিন অং বলেন, আটক নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চির দলের গত নভেম্বরের নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। তার ভাষণে বিক্ষোভকারীদের প্রতি হুমকির চেয়ে অভ্যুত্থানের কারণ ব্যাখ্যার দিকে গুরুত্ব ছিল বেশি। এছাড়া ভাষণে অভ্যুত্থানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে নতুন করে নির্বাচন দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

বেশকিছু এলাকায় বিধিনিষেধ আরোপসহ কারফিউ ও জমায়েত সীমাবদ্ধ করা শুরু করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। গতকাল সোমবার সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ দেশটির রাজধানী নেপিদোতে জড়ো হয়। মান্ডালা ও ইয়াঙ্গুনেও হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়। ২০০৭ সালে ভিক্ষুদের বিক্ষোভের পর এটাই মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভ

বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন শিক্ষক, আইনজীবী, ব্যাংক কর্মকর্তা, সরকারি কর্মচারীসহ দেশটির বিভিন্ন পেশার মানুষ। মিয়ানমারের সর্ববৃহৎ শহর ইয়াঙ্গুনের কেন্দ্রস্থল সুলে প্যাগোডা থেকে প্রায় হাজার খানেক শিক্ষক পদযাত্রা করেছেন। এদিকে নেপিদোয় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ছোড়ে পুলিশ। এতে কয়েকজনের হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

বিক্ষোভে অংশ নেয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক বিবিসিকে বলেন, আজ (সোমবার) আমরা চাকরীজীরা বিশেণ করে সরকারি চাকরিজীবীরা যেমন- চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও শিক্ষকরা পথে নেমেছি। আমরা দেখাতে চাই, আমরা সবাই এই বিক্ষোভে একসঙ্গে আছি। আমাদের উদ্দেশ্য এক স্বৈরশাসনের পতন ঘটানো।

নতুন নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে জেনারেল মিন অং বলেন, নভেম্বরের নির্বাচনে ভোটার তালিকায় অনিয়ম তদন্ত করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে নির্বাচন কমিশন এবং নিরপেক্ষ প্রচারের অনুমোদন দেয়নি। নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে,বড় ধরনের জালিয়াতি ও কারচুপির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সেনাপ্রধান বলেন, সবুজ সামরিক ইউনিফর্ম পরে নতুন নির্বাচন আয়োজনের প্রতিজ্ঞা করছি। এ নির্বাচনে যারা জয়ী হবে তাদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। সংস্কার করা নতুন নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচন তদারকি করবে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি ভোরে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশটির ক্ষমতা দখল করে। ২০২০ সালের নভেম্বরের নির্বাচনে বিজয়ী দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেতা অং সান সু চি, প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট, এনএলডির কয়েকজন নেতাসহ সরকারের মন্ত্রীদের আটক করে রেখেছে সামরিক জান্তা সরকার। এছাড়া তাদেরকে আটকের পর এক বছরের জন্য দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। মিয়ানমারের ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে সেনাপ্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের হাতে।

এদিকে সারা বিশ্ব থেকেই মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের নিন্দা জানানো হয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ অং সান সু চিসহ অন্যান্য বন্দীদের মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। মিয়ানমারে অবরোধ আরোপের চিন্তা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

Share

পশ্চিমবঙ্গে ভোট শুরু ২৭ মার্চ, হবে ৮ দফায়

শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১

সৌদি বাদশাহর সঙ্গে যে কথা হল বাইডেনের

শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১




ইমিউনিটি বুঝার ৫ লক্ষণ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ জানুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
শরীরে থাকা ইমিউনিটি সক্রিয় হলে দেহকে সুরক্ষা দিতে পারে। তাই তো করোনার সময়ে খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন এনে রাখা হচ্ছে ইমিউনিটি বর্ধক খাবার

জন্মগতভাবে মানুষের শরীরে ইনেট ইমিউনিটি থাকে। প্রকৃতিতে বেড়ে উঠার সঙ্গে সঙ্গে অর্জন করে অ্যাডাপ্টিড ইমিউনিটি। এটি আবার দুই প্রকার। ন্যাচারাল অ্যাকোয়ার্ড ও আর্টিফিসিয়ালি অ্যাকোয়ার্ড। ইমিউনিটি যদি সক্রিয় থাকে তাহলে সারাজীবন সুরক্ষা দিতে পারে শরীরকে। মহামারি করোনা ভাইরাসকালীন পরিস্থিতিতে চারদিকেই পাওয়া যাচ্ছে ইমিউনিটি বুস্টার।

শরীরে থাকা ইমিউনিটি সক্রিয় হলে দেহকে সুরক্ষা দিতে পারে। তাই তো করোনার সময়ে খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন এনে রাখা হচ্ছে ইমিউনিটি বর্ধক খাবার। প্রতিদিনই মানুষ বিভিন্ন ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সম্মুখীন হয়। রোগ প্রতিরোধে যেহেতু ইমিউনিটির ভূমিকা অপরিসীম তাই এ নিয়ে অবশ্যই ভাবতে হবে। শরীরে ইমিউনিটি কমে যাচ্ছে কিনা সেদিকে নজর রাখতে হবে।

অনেকেরই অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে। প্রায়ই এ নিয়ে সমস্যায় ভুগেন তারা। আবার আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে জ্বর, সর্দি-কাশিতেও ভুগতে হয় অনেকের। যদি কোনো খাবার খাওয়ার পর ত্বকে জ্বালা-পোড়া, চুলকানির মতো অস্বস্তি শুরু হয়, চোখ থেকে পানি পড়তে থাকে এবং হঠাৎ করে পেটের সমস্যা হয় তাহলে বুঝতে হবে ছোট-খাটো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রাথমিক উপসর্গ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

শরীরের কোনো অংশে যদি কেটে যায় বা আঁচড় লাগে এবং তা সারতে সময় বেশি লাগে বা সর্দি-কাশির মতো কোনো সমস্যা নিরাময় হতে সময় বেশি লেগে যায় তাহলে এসবও দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতার লক্ষণ। তবে ক্ষত সারার বিষয়টি অনেক সময় ডায়াবেটিসের জন্যও হতে পারে। এছাড়া যদি বারবার পেটের সমস্যা হতে থাকে যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমে বা গ্যাস জনিত সমস্যা হয় তাহলে এটাও দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতার লক্ষণ। এমনটা হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খাওয়া জরুরি।

বেশিরভাগ সময় যদি অবসাদ, ক্লান্ত বা পর্যাপ্ত ঘুমের পরও ঘুমের অভাববোধ মনে হয় তাহলে বুঝতে হবে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বোধয় সঠিকভাবে কাজ করছে না। পাশাপাশি সর্দি-কাশি ও জ্বরসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় প্রায়ই আক্রান্ত হতে থাকেন বা সুস্থ হতে সময় বেশি লাগে তাহলে সময় না নিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তা না হলে বড় কোনো সমস্যায় পড়তে পারেন।

Share

আলু দিয়ে হয়ে উঠুন আকর্ষণীয়

শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

বরই খাবেন কেন ?

শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১

তারুণ্য আটকে রাখার ৫ উপায়

মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১




করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃত্যু ২২ লাখ ছুঁই ছুঁই

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ জানুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৫৭জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বে চলছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এবং ইউরোপসহ কয়েকটি দেশে মিলেছে করোনার নতুন ধরন। এটি আগের ভাইরাস থেকে অনেকটা শক্তিশালী বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এরই মধ্যে করোনায় বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১০ কোটি ১৪ লাখ এবং মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২১ লাখ ৮৪ হাজার।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ কোটি ১৪ লাখ ৩৩ হাজার ৯০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২১ লাখ ৮৪ হাজার ১২০ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার ৪৪৮ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন দুই কোটি ৬১ লাখ ৬৬ হাজার ২০১ জন। মৃত্যু হয়েছে চার লাখ ৩৯ হাজার ৫১৭ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি ৭ লাখ ২ হাজার ৩১ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৫৩ হাজার ৮৮৫ জন।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৯০ লাখ ৪৮৫ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ২০ হাজার ২৩৭ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া চতুর্থ স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭২ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছে ৭১ হাজার ৭৬ জন।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে যুক্তরাজ্য বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩৭ লাখ ১৫ হাজার ৫৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছে এক লাখ এক হাজার ৮৮৭ জন।

এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ২৭তম।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

Share

করোনা : দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৪১০

বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

ভ্যাকসিন নিয়েও করোনায় আক্রান্ত ত্রাণ সচিব

বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১