আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

করোনা পরিস্থিতিতে সব ধরনের মাদ্রাসা বন্ধ রাখার নির্দেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | ১২১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে এতিমখানা ছাড়া কওমি মাদ্রাসাসহ সব আবাসিক ও অনাবাসিক মাদ্রাসা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে আজ মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গত ২৯ মার্চ প্রজ্ঞাপন জারি করে। বর্তমানে দেশে লকডাউন বলবৎ আছে। এর আগে সরকার আগামী ২২ মে পর্যন্ত দেশের সব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু সরকারি নির্দেশ সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু আবাসিক ও অনাবাসিক মাদ্রাসা এখনও খোলা রয়েছে মর্মে জানা যায়, যা বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে অত্যন্ত স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ।

এ অবস্থায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কওমি মাদ্রাসাসহ (এতিমখানা ব্যতীত) সব মাদ্রাসা (আবাসিক ও অনাবাসিক) বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো। এ নির্দেশ পালনে কোনোরূপ শৈথিল্য প্রদর্শন করা যাবে না।

যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ নির্দেশ জারি করা হলো এবং এটা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: মাদ্রাসাশিক্ষক

আরও খবর



অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরীর মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ৪৭৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলা চলচ্চিত্রের নন্দিত অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য সারাহ বেগম কবরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

মন্ত্রী আজ এক শোক বার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শোকবার্তায় মন্ত্রী আরো জানান, অনবদ্য অভিনয় শৈলীর অধিকারী সারাহ বেগম কবরী ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জনমত সৃষ্টিতে তাঁর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা তাকে পৌঁছে দিয়েছে অনন্য উচ্চতায়। মিষ্টি মেয়ে নামে খ্যাত বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণালী যুগের প্রতিভাবান এ অভিনেত্রী বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় চিরভাস্বর হয়ে থাকবেন। পাশাপাশি দেশের রাজনীতিতেও তিনি স্মরণীয় নাম হয়ে থাকবেন। তাঁর মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করলো।"


আরও খবর



বিক্ষোভে শিশুদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে হেফাজত

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | ১৩৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হেফাজতে ইসলামের দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও মিছিলে ব্যবহার করা হয়েছে মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীদের। চট্টগ্রামের হাটহাজারী, পটিয়া, ফটিকছড়ি ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ভোরের আলো ফুটতেই এসব ক্ষুদে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দেখা গেছে।

গত শুক্রবার বায়তুল মোকাররমের সংগঠিত সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার শিকার হয়েছে অসংখ্য শিশু। হাটহাজারীতে শুক্রবারের সংঘর্ষের ঘটনায়  আহত ৯ ক্ষুদে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা  দিয়েছে স্থানীয়রা।

গত রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী, সিলেটে চরম সহিংসতায় শিশুদের ব্যবহার করা হয়েছে ঢাল হিসেবে। বিশেষ করে হরতালের সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং রাস্তায় ব্যারিকেড তৈরি করতে শিশুদের ব্যবহার করা হয়েছে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ।

জাতিসংঘের ইউনিসেফের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে শিশুদের ব্যবহার করার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও হেফাজতে ইসলামের  মিছিল ও বিক্ষোভের অগ্রভাগে শিশুদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

জানতে চাইলে শিশু ও মনোরোগ পরামর্শক ফজিলেতুন নেসা শাপলা বলেন, কোমলমতি শিশুদের যখন লেখাপড়া এবং খেলাধুলা করার কথা, তখন তাদের সহিংস কাজে নৃশংসভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং চরম মানবতাবিরোধী। রাজনীতিতে হীনম্মন্যতার কাজে ব্যবহারের ফলে শিশুরা শিশুসুলভ আচরণ ভুলে যায়। আচরণে একধরনের উন্মাদনা দেখা দেয়।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক সহিংসতায় শিশুরা আক্রান্ত হওয়ায় বেশ কয়েকবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড নেশনস চিলড্রেনস ফান্ড (ইউনিসেফ)।  ঢাকাস্থ ইউনিসেফের কার্যালয়ের বিভিন্ন  প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে।

আশঙ্কাজনকভাবে শিশুরা আন্দোলনের শিকার হচ্ছে। তাই রাজনৈতিক সুবিধার জন্য শিশুদের ব্যবহার অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। নির্বাচনের আগে ও চলাকালে শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করতে হবে। সব দেশে রাজনৈতিক কোলাহল থেকে শিশুদের নিরাপদে রাখতে রাজনৈতিক দলের দায়বদ্ধতা রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা ।


আরও খবর



বিয়ে নয়, খরচ দিয়ে চুক্তিতে ঝর্ণাকে ভোগ করতেন মামুনুল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৪৩৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ৩ এপ্রিল এক নারীকে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টে অবকাশ যাপনের সময় হাতেনাতে ধরা পড়েন হেফাজতে ইসলাম নেতা মামুনুল হক। তিনি দাবি করেন, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তবে ঘটনার পর প্রায় এক ডজন অডিও-ভিডিও ফাঁস হওয়ার কারণে প্রকাশ্যে এসেছে হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হকের অনৈতিক কর্ম। তার মানবিক বিয়ে গল্পের অসারতাও প্রমাণিত হয়েছে।

মাওলানা মামুনুল হকের সঙ্গে থাকা ওই নারীর নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা (২৭)। আট ভাই-বোনের মধ্যে ঝর্ণা দ্বিতীয়। মামুনুল হক ওই সময় নারীর নাম আমেনা তৈয়্যেবা বললেও তার নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা।

জান্নাত আরা ঝর্ণার আগে বিয়ে হয়েছে, সেই ঘরে আব্দুর রহমান ও তামীম নামে দুজন পুত্র সন্তান আছে। এবার হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কথিত স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার লেখা ২০০ পৃষ্ঠার ৩টি ডায়েরি খুঁজে পাওয়া গেছে। যাতে রয়েছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডায়েরিগুলো তার মায়ের বলে নিশ্চিত করেছেন ঝর্ণার পুত্র আব্দুর রহমান।

ঝর্ণার ডায়েরিতে লেখা, আমাকে বিয়ে না করেই গ্রীনরোডের একটি বাসায় রাখেন মামুনুল হক। আমাকে খরচের টাকাও দিতেন। কিন্তু বিয়ে করে স্ত্রী বানাননি।

ঝর্ণার ডায়েরিতে লেখা, বিয়ের আশ্বাসের বিনিময়ে অবৈধ মেলামেশা করতেন মামুনুল যা মেনে নিতে পারেননি ঝর্ণা। বিয়ে না করে দীর্ঘদিন ধরে তার সাথে মেলামেশা করেছেন মামুনুল হক। বিবাহবহির্ভুত মেলামেশার অনুশোচনার কথাও উঠে এসেছে ঝর্ণার ডায়েরিতে। ডায়েরির পাতায় পাতায় রয়েছে মামুনুলের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের আর্তনাদ।

ডায়েরিতে ঝর্ণা লেখেন, আমি তাকে ভালোবাসি না ঘৃণা করি বুঝতে পারছি না। কিন্তু সে আমার জীবনকে নরক বানিয়ে ফেলছে।

ডায়েরিগুলো তার মায়ের বলে নিশ্চিত করে ঝর্ণার বড় ছেলে আব্দুর রহমান বলেন, 'একজন মহিলার সন্তানের জন্ম সাল। তার বিয়ে বিচ্ছেদ ও তার মনের দুঃখের কথা কি অন্য কেউ লেখে। এটা তার বাসা থেকে পাওয়া। আর এটা আমার মায়ের ডায়েরি।'

ঝর্ণা পুত্র আরো বলেন, আমাকে সে (ঝর্ণা) বলেছিলো আমার কিছু ব্যক্তিগত ডায়েরি আছে। আমি ডায়েরির বিষয়ে শিওর কারণ এটা আমার মায়েরই হাতের লেখা।

ডায়েরিতে ঝর্ণা বিয়ে প্রসঙ্গে লিখেছেন, মামুনুল হক বিয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন তিনি পূরণ করেননি।

বিষয়ে ঝর্ণা পুত্র ডায়েরির রেফারেন্স দিয়ে বলেন, তাদের মধ্যে একটি এ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছিলো। কিন্তু বিয়ে হয়নি।

ঝর্ণা পুত্র আবারও বললেন, কাউকে বিশ্বাস করার আগে ভালো করে যাচাই বাছাই করার জন্য। কারণ মুখোশধারী মানুষকে দাড়ি টুপিতে চেনা যায় না।

মামুনুল হকের বিচার দাবি করেন ঝর্ণার বড় ছেলে আব্দুর রহমান।

কয়েকদিন ধরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর বৃহস্পতিবার ফেসবুক লাইভে এসে বিষয়টির জন্য ক্ষমা চান মামুনুল হক। সেখানে তিনি স্বীকার করেন গত কয়েক দিনে ফাঁস হওয়া ফোনালাপ তারই ছিল। আত্মপক্ষ সমর্থন করে মামুনুল বলেন, স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে, স্ত্রীকে খুশি করতে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে কোনো সত্যকে গোপন করা যায়।

প্রসঙ্গত, ৩ এপ্রিল বিকেলে রাজধানীর অদূরে সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে হেফাজত নেতা মামুনুল হক একজন নারীসহ অবস্থান করছেন এমন খবর পেয়ে স্থানীয় কিছু লোকজন, ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীরা তার কক্ষটি ঘেরাও করেন। যদিও মামুনুল হক সঙ্গে থাকা নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। পরে সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে হেফাজতের একদল নেতাকর্মী, মাদ্রাসাছাত্র মিছিল নিয়ে এসে রয়েল রিসোর্ট নামের ওই অবকাশযাপন কেন্দ্রটিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে মামুনুলকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।


আরও খবর



‘কঠোর বিধিনিষেধ’ শেষ হচ্ছে আজ, নতুন কী আসবে?

প্রকাশিত:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ রোধে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ শেষ হবে আজ রবিবার (১১ এপিল) রাতে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউন হতে যাচ্ছে। তবে গত সাত দিন কঠোর বিধিনিষেধ এর নামে যা হলো তা নিয়ে চলছে সমালোচনার ঝড়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। প্রশ্ন উঠেছে, ১১ এপ্রিল রাতে শেষ হবে কঠোর বিধিনিষেধ আর ১৪ এপ্রিল শুরু হবে সর্বাত্মক লকডাউন। তাহলে মাঝের দুদিন গণপরিবহনসহ বাকি সবের ওপরের নিষেধাজ্ঞা কি থাকবে?

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শেখ ইউসুফ হারুন জানিয়েছেন,  অফিসিয়াল আদেশ বা নির্দেশনা আমরা এখনও পাইনি। রবিবার মন্ত্রী ও সিনিয়র সচিবদের সমন্বয় মিটিং হবে। সেখানেই অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত হবে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ এপ্রিল সাত দিনের জন্য গণপরিবহন, শপিং মল, দোকানপাট বন্ধ রেখে অফিস আদালত সীমিত পরিসরে খোলা রেখে কঠোর বিধিনিষেধ পালনের নির্দেশনা দেয় সরকার। কী করা যাবে বা কী করা যাবে না সেসব নির্দেশনা দেওয়ার দুদিন যেতে না যেতেই বিভিন্ন মহলের চাপের মুখে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা তুলে দিতে বাধ্য হয় সরকার। খুলে যায় শপিং মলও। অন্যদিকে প্রতিদিনি বাড়তে থাকে সংক্রমণ আর মৃত্যু। সেই পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার সর্বাত্মক লকডাউন দেওয়ার অনানুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেও জনমনে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

কী করা যাবে না এবার

সরকার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এবারের সাত দিনের লকডাউনে মানুষ যে যেখানে আছেন, সেখনেই থাকবেন। কেউ কোনও অজুহাতেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারবেন না। সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তসাশিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত সব ধরনের অফিস আদালত প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। চলবে না কোনও গণপরিবহন। বন্ধ থাকবে প্রাইভেট গাড়ি, লঞ্চ, ট্রলার, জাহাজসহ সব যানবাহন। এমনকি রিকশা, ভ্যান, সিএনজি, অটোরিকশা ইত্যাদিও বন্ধ রাখার পরিকল্পনা চলছে। এই সময় বন্ধ রাখতে হবে সব ধরনের নির্মাণ কাজ। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত ওষুধ সংগ্রহ বা রোগী হাসপাতালে নেওয়া ছাড়া সাধারণ মানুষের ঘরের বাইরে বের হওয়া যাবে না।


আরও খবর



মাদ্রাসায় করোনা আসবে না: বাবুনগরী

প্রকাশিত:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১২৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লকডাউনেও সরকার মাদ্রাসা বন্ধ করতে পারবে না বলে হুমকি দিয়েছেন হেফাজত ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। তিনি বলেন, লকডাউন সরকার দিতে পারবে। কিন্তু আমাদের মাদ্রাসা বন্ধ করা যাবে না। নুরানী, হেফজখানায়, কওমি দ্বীনি মাদ্রাসা বন্ধ রাখা যাবে না। যেখানে কোরআন, হাদিস পাঠ করা হয়, যেখানে হেফজখানায় ছাত্ররা কোরআন পাঠ করে সেখানে করোনা আসবে না। তার কারণ হলো আল্লাহর রহমত।

বুধবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে হাটহাজারী মাদরাসায় প্রেস ব্রিফিং করে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টায় পর্যন্ত মাদরাসায় দেশের বিভিন্ন এলাকার হেফাজত নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন হেফাজত আমির। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং করেন।

বাবুনগরী বলেন, মসজিদের জামাত বন্ধ করা যাবে না। ইতেকাফ বন্ধ করা যাবে না। তারাবি নামাজ চলবে, জুমা চলবে। জুমায় ১০ জন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ইমামসহ ৫জন এগুলো মানা যাবে না। এগুলো শরীয়ত পরিপন্থী।

সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের উপদেষ্টা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, হেফাজত নেতা সালাউদ্দিন নানুপুরী, আজিজুল হক ইসলামাবাদিসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর