আজঃ শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ ৭ এপ্রিল থেকে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১২৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী ৭ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী ২য় ডোজ ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী করোনার প্রথম ডোজ গ্রহণের ৮ সপ্তাহ পর ২য় ডোজ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। সারা দেশে ৭ ফেব্রুয়ারি একযোগে ভ্যাকসিন প্রদান করা হয়েছে। সে অনুযায়ী আগামী ৭ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী ২য় ডোজ ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ এবং পুননির্মাণ শীর্ষক প্রকল্পের অগ্রগতি সংক্রান্ত এক সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

বর্তমানে দেশে ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য ৩৬ লক্ষ ৪৩ হাজার ২৫৯ জন মানুষ রেজিস্ট্রেশন করেছেন জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, একইসাথে এ পর্যন্ত (২৭ জানুয়ারি থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) দেশে মোট ২৩ লাখ ৮ হাজার ১৫৭ জন মানুষ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে পুরুষ ১৫,১৮,৭১৫ জন এবং মহিলা ৭,৮৯,৪৪২ জন ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন। ভ্যাকসিনের নতুন ডোজ প্রদানে বিশ্বের অনেক দেশই আগ্রহ প্রকাশ করছে এবং সরকারের সাথে আলোচনা করছে বলেও জানান তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, পূর্বের ৭০ লাখ ভ্যাকসিনের পাশাপাশি সোমবার রাতে নতুন ২০ লাখ ভ্যাকসিন দেশে এসেছে। দেশে চলমান চল্লিশোর্ধ ব্যক্তিদের ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশের শিক্ষক, বিমানের পাইলট, জাহাজের ক্রুসহ আরো অন্যান্য ফ্রন্টলাইনারদের ভ্যাকসিন প্রদানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. আলী নূর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালক সিদ্দিকা আক্তারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Share

আরও খবর



স্নাতক ভর্তি পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (অনার্স) ভর্তি পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি ও চুয়েট ভিসি অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যদের (ভিসি) সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুনের শেষ দুই শনিবার এবং জুলাইয়ের প্রথম দুই শনিবার বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য শাখার পরীক্ষা হবে।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ৭টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ২৯ মে। এছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ১০ জুন এবং রাজশাহী, খুলনা ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট,কুয়েট, চুয়েট) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১২ জুন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০ জুন।

Share

আরও খবর



৭ জেলেকে পিটিয়ে বলেশ্বর নদী থেকে ট্রলার লুট

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৪৯জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদের মোহনায় মাছ ধরার জন্য অপেক্ষা করার সময় রাত সাড়ে ৩টার দিকে নামবিহীন একটি ট্রলারে করে এসে ১২-১৫ মুখোশধারী পাইপগানসহ আমাদের

বরগুনার পাথরঘাটায় জলদস্যুরা জেলে বহরে হামলা চালিয়ে একটি মাছ ধরা ট্রলারসহ প্রায় ৫০ হাজার টাকার মাছ ও রসদ সামগ্রী লুটে নিয়ে যায়। এসময় ওই ট্রলারে থাকা সাত ছেলেকে পিটিয়ে আহত করে মুখোশধারী ১২-১৫ জনের একটি দস্যু বাহিনী। বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে পাথরঘাটা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদীর মোহনায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত জেলেরা হলেন- ট্রলারের মালিক মো. জাকির সরদার, জেলে কাওছার হোসেন, মো. আরিফ হোসেন, জামাল হোসেন, রাসেল আকন, ইলিয়াস হোসেন ও সিফাত খান। পটুয়াখালী কুয়াকাটা থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পাথরঘাটার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।

এফবি সুফিয়া ট্রলারের মালিক জাকির সরদার বলেন, সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদের মোহনায় মাছ ধরার জন্য অপেক্ষা করার সময় রাত সাড়ে ৩টার দিকে নামবিহীন একটি ট্রলারে করে এসে ১২-১৫ মুখোশধারী পাইপগানসহ আমাদের ট্রলারে উঠে যায়। এসময় সাত জেলেকে পাইপগান দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। পরে পার্শ্ববর্তী অন্য একটি ছোট নৌকায় আমাদের উঠিয়ে দিয়ে ট্রলারসহ অন্তত ৫০ হাজার টাকার মাছ নিয়ে তারা পালিয়ে যায়। এছাড়াও আমাদের প্রত্যেকের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। প্রত্যেকের হাতে পাইপগানসহ দেশিয় অস্ত্র ছিল।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ডাকাতির খবর আমরা শুনেছি আইনের আশ্রয় নেয়ার জন্য ট্রলার মালিককে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, ট্রলার ছিনতায়ের ঘটনা শুনেছি। লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Share

আরও খবর



আপনার চুম্বনই প্রিয় মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আপনিই কী আপনার প্রিয় মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। তবে এখনই এ নিয়ে জানার উপযুক্ত সময়। কদিন পর থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে ভালোবাসার বিশেষ দিন। বিশেষ দিনগুলোয় তরুণ-তরুণীরা না বুঝে এমন অনেক কিছুই করে থাকেন যার খেসারত পরবর্তীতে দিতে হয়। এমনকি অকাল মৃত্যুর কারণও হতে পারে। গবেষণা জানলে হয়তো আপনার চোখ উপরে ওঠে যাবে। চুম্বন ধূমপানের থেকেও ভয়ানক এবং বেশি ক্ষতিকর। ২০১৭ সালে মেইল সংবাদ মাধ্যম এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে চুম্বন ধূমপানের থেকে বিপদজনক।

জানা গেছে, চুম্বন মাথা ও ঘাড়ে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। গবেষকদের মতে, চুম্বনের মাধ্যমে হিউম্যান পাপিলোমা (এইচপিডি) নামক ভাইরাস স্থানান্তরিত হয়। এই ভাইরাস মূলত ওরাল সেক্সের মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে থাকে। বিশেষ করে বলা যেতে পারে ফ্রেঞ্চ কিসর সময়।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মানুষের ঘাড় ও গলাতে অবস্থিত পরিপাকনালীর অংশ এইচপিভি আক্রান্তদের সাধারণ মানুষদের থেকে ২৫০ বারের অধিক ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। সাধারণতভাবে সার্ভিক্যাল ক্যানসারের (জরায়ু মুখের ক্যানসার) সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও এটি নারী-পুরুষ উভয়কেই সংক্রমণ করতে পারে।

এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাথা ও ঘাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মাহিবান থমাস বলেছেন, যৌন আকাঙ্ক্ষার পাশাপাশি সাধারণ উত্তেজিত হওয়ার সময় চুম্বনেও এইচপিভি স্থানান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া ফ্রেঞ্চ কিসিংর মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের মধ্য এই ভাইরাস আরও বেশি ছড়ায়।

নিউজ ট্যাগ: চুম্বন
Share

আরও খবর
৪ মার্চ: আজকের দিনটি কেমন যাবে?

বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১

ওজন কমাতে টমেটো তুলনাহীন

বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১




মিয়ানমারে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, নিহত সাত

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে টানা তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা প্রতিবাদ দমাতে বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি ছুড়েছে পুলিশ।

দেশটির একজন চিকিৎসক ও একজন রাজনীতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আজ রোববার পুলিশের গুলিতে অন্তত সাত প্রতিবাদকারী নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটির নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে নেয়। ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির নেত্রী অং সান সু চি ও অন্য শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করে সামরিক বাহিনী। এর পর থেকেই দেশটিতে বিক্ষোভ চলছে।

এদিন ইয়াঙ্গনের বিভিন্ন অংশে স্টান গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ব্যর্থ হয়ে পুলিশ গুলি ছোড়ে। বুকে গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে বলে পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চিকিৎসক জানিয়েছেন। মিজিমা গণমাধ্যমের চ্যানেলও এই মৃত্যুর কথা জানিয়েছে।

শহরটিতে শিক্ষকদের একটি প্রতিবাদ স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এ সময় এখানে এক নারী মারা যান। তবে তাঁর মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি বলে ওই নারীর কন্যা ও তার সহকর্মীরা জানিয়েছেন। তবে প্রতিবেদনে বলা হয় ওই নারী হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন।

দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দাউইয়েও পুলিশ গুলি করেছে। এখানে তিন জন নিহত ও বেশ কয়েকজনকে আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় রাজনীতিক কিয়াও মিন হটিক রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম দ্য মিয়ানমার নাও এক প্রতিবেদনে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়েও দুজন নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এখানেও সকাল থেকেই বিক্ষোভকারীদের উপর চড়াও হয় পুলিশ।

মধ্যাঞ্চলীয় শহর বাগোতে পুলিশের দমনাভিযানের মধ্যে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন বলে একটি দাতব্য সংস্থা জানিয়েছে। 

উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় শহর লাশিও এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মায়িকেও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Share

আরও খবর
নেপালি পুলিশের গুলিতে যুবক নিহত

শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১

কুয়েতে মাসজুড়ে কারফিউ ঘোষণা

শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১




বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ২০ হাজার টাকা হচ্ছে

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা ২০ হাজার টাকা করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ লক্ষ্যে ভাতার স্তর সমন্বয়ের কথা বলেছেন তিনি।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা এবং তারপরে যারা আছেন ১২ হাজার টাকা পান, এরপর আবার কেউ ১৫ হাজার, কেউ ২০ হাজার, সেটা না করে সবাই ২০ হাজার টাকা পাবেন। আর ওপরে যারা অর্থাৎ পদবীধারীদেরটা একটু আলাদা থাকবে। সবাইকে একসঙ্গে ভাতা দেওয়াটা ভালো। কারণ, সবাই তো মুক্তিযুদ্ধ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এখন শহীদ পরিবারকে ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। নিহত ও যুদ্ধাহত পরিবার ২৫ হাজার করে পান। আর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ পরিবার মাসিক ৩৫ হাজার পান। বীর উত্তম খেতাবধারীরা মাসিক ২৫ হাজার টাকা, বীর বিক্রম ২০ হাজার টাকা এবং বীর প্রতীক ১৫ হাজার টাকা। এগুলোকে এত ভাগ ভাগ না করে মোটামুটি এক জায়গায় নিয়ে আসতে হবে। আমাদের মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় আছে, হিসাব-নিকাশ করে বা ট্রাস্টের সঙ্গে বসে তারা এটি ঠিক করে দেবে।

সরকারপ্রধান বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা কষ্টে থাকবে, তাদের খাবার থাকবে না, বাড়ি থাকবে না, এটা হতে পারে না। আমি যতদিন সরকারে আছি, ততদিন এটি কখনও হতে পারে না। কাজেই তাদের প্রত্যেকের থাকার ব্যবস্থা করে দেবো। আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। তাদের আমরা রাষ্ট্রীয় সম্মান দিচ্ছি। তাদের কল্যাণে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছি এবং তা অব্যাহত থাকবে।

গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা প্রান্তে যুক্ত হয়ে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি গাজীপুরের কালিয়াকৈর, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী, খুলনার পাইকগাছা, চাঁদপুরের হাইমচর, মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। এর আগে, প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের ৬৬তম সভায় অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে তার মেয়াদে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ ও পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২১ বছর পরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জাতির কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। দুস্থ ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতার ব্যবস্থা করি। সব মুক্তিযোদ্ধার জন্য ভাতার ব্যবস্থা করা হয়। মাসিক তিনশ টাকা করে শুরু হয়ে এখন তা ১২ হাজারে উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় ১২ হাজার টাকা কিছুই না। সেজন্য এতগুলো ভাগ ভাগ না করার কথা বলেছি। আমার মনে হয়, এটির বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যবস্থা নেবেন এবং আমরা আমাদের তরফ থেকে তাদের ভাতা দেবো। নিচের দিকে যে কয়টা স্লট আছে, সেগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে এসে আমরা ২০ হাজার টাকা করেই মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি করবো।

এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা অনলাইনে প্রেরণের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রান্তে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

Share

আরও খবর