আজঃ বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১
শিরোনাম

করোনাকালে ফুসফুস সুস্থ রাখতে উপকারী যেসব পানীয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৮ জুন ২০২১ | ১৬৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাতাসে দূষণের কারণে প্রতিনিয়ত আমাদের ফুসফুস কোনও না কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তার উপরে আবার করোনার সংক্রমণ ফুসফুসকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ফুসফুস শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। ফুসফুস অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং শরীর থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বের করে দেয়। তাই সুস্থ ও ফিট থাকতে গেলে ফুসফুসের যত্ন নেওয়া উচিত। এমন কিছু পানীয় আছে যেগুলি ফুসফুস সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। যেমন-

লেবু, আদা এবং গোলমরিচ: লেবু, আদা এবং গোলমরিচের চা মুলত প্রাকৃতিক ক্লিনজার হিসেবে বিবেচিত হয়। এই চা শরীরকে বিষমুক্ত করে। লেবু চা মনকে সতেজ করে, আদা শক্তি বাড়ায় এবং গোরমরিচ গলা পরিষ্কার করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

মধু এবং গরম পানি: মধু এবং গরম পানি ফুসফুসকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে খুবই কার্যকরী। মধুতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান প্রদাহ কমায়। অন্যদিকে শরীরকে ডিটক্সিফাই করার জন্য হালকা গরম পানি বেশ উপকারী।

হলুদ এবং আদা: হলুদে শরীরের জন্য উপকারী কারকিউমিনে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টিটক্সিসিটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গুলিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত টক্সিন বের করে দিতেও সহায়তা করে। অপরদিকে, আদা বমি ভাব দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

গ্রিন টি: গ্রিন টিতে প্রচুর স্বাস্থ্যকর উপকারিতা রয়েছে, যার মধ্যে ফুসফুস পরিষ্কার রাখা অন্যতম। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গ্রিন টি, ফুসফুসের প্রদাহ কমাতেও বিশেষভাবে উপযোগী। আদা, লেবু অথবা মধু দিয়ে প্রতিদিন অন্তত এক কাপ গ্রিন টি পান করলে উপকারিতা পাওয়া যায়।

যষ্টিমধু: যষ্টিমধুর চা সর্দি-কাশি, নাক বন্ধ কিংবা জ্বর কমাতে দারুন কাজ করে। এমনকি এই পানীয়টি নিয়মিত গ্রহণ করলে, হৃদরোগ  হওয়ার ঝুঁকি কমায় এবং ফুসফুস পরিষ্কার রাখতেও সহায়তা করে।

এসব পানীয় ছাড়াও ফুসফুস সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ অত্যন্ত জরুরি।



আরও খবর
বাবার জন্য ভালোবাসা

রবিবার ২০ জুন ২০21




জামালপুরে ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৫ জুন ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জামালপুর থেকে বিল্লাল হোসাইন

বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন জামালপুর জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে জেলা পুলিশ ও ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন জেলা শাখার আয়োজনে জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিলশেডে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন জেলা শাখার সভাপতি শাহাবুল আকন্দের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রুকনুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সীমা রানী সরকার, শাহ্ শিবলী সাদিক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদ ইসলাম খান, সিনিয়র সাংবাদিক নূরুল হক জঙ্গী সহ জেলার বিভিন্ন ফটো সাংবাদিকবৃন্দ।

পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, যতদিন তিনি এই জেলায় কর্মরত থাকবেন ততদিন জামালপুরের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে থেকে তিনি সেবা দিয়ে যাবেন। এসময় তিনি জামালপুরকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, মাদক নির্মূল, পুলিশের মানবিক ও পেশাদার আচরণ বাস্তবায়ন, বিট পুলিশিং ও পুলিশের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে সরকারের গৃহীত যাবতীয় পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে জেলার সকল সাংবাদিকদের পাশাপাশি ফটো সাংবাদিকদেরও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।


আরও খবর



মুম্বাই ছাড়ছেন শাহরুখ খান!

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | ১১৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলে উঠছে ভারত। ধীর গতিতে স্বাভাবিক হওয়া শুরু করছে দেশটি। কয়েক রাজ্যে শিথিল হয়েছে করোনাবিধি। এ সুযোগ লুফে নিতে চাইছেন একাধিক পরিচালক-প্রযোজক। সে তালিকায় শীর্ষে আছেন শাহরুখ খান।

শাহরুখ খান আপাতত ব্যস্ত তার পরবর্তী সিনেমা পাঠান নিয়ে। এরই মধ্যে সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছিল। কিন্তু করোনার কারণে মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায় এ সিনেমার কাজ। এবার দেশের বাইরে সিনেমার কিছু অংশের চিত্রায়ণ সাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন নির্মাতারা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় সূত্রে জানা গেছে, ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চলে সিনেমাটির লোকেশন নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই আপাতত মুম্বাইকে বিদায় জানাচ্ছেন শাহরুখ খান। এ সিনেমায় একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করবেন সালমান খান। প্রয়োজন হলে তাকেও নেওয়া হবে ইউরোপে।

এদিকে শুধু সিনেমাই নয়, বিকল্প পথে বেশ কিছু টেলিভিশন শোয়ের শুটিং করার কথা ভাবছেন সংশ্লিষ্টরা। মুম্বাইয়ে এই মুহূর্তে বড় রিয়েলিটি শোগুলোর কাজ করা বিপজ্জনক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই বিকল্প হিসেবে বিদেশের কথা ভাবছেন অনেকে।

ইন্ডিয়ান আইডল এবারের আসরের চিত্রায়ণ চলছে দামানে। অন্যদিকে, দ্য কপিল শর্মা শো এর চিত্রায়ণ বিদেশে করার কথা ভাবছেন কপিল শর্মা।


নিউজ ট্যাগ: শাহরুখ খান

আরও খবর



করোনার উচ্চ ঝুঁকিতে ৩৭ জেলা, ১৫টিই সীমান্তের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আবারো বেড়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাসহ আশপাশের জেলায় সংক্রমণ বাড়ছে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের সংক্রমণের হার ৬ থেকে ১০ শতাংশে উঠে এসেছে।

একই কথা বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বুধবার (২৬ মে) ১৭ থেকে ২৩ মে- এই এক সপ্তাহের সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ১০ থেকে ১৬ মে- এই এক সপ্তাহের তুলনায় ২২টি জেলায় নতুন রোগী বৃদ্ধির হার শতভাগ বা তার বেশি ছিল। এগুলোর মধ্যে ১৫টি জেলাই সীমান্তবর্তী।

এক সপ্তাহে ১০১ থেকে ৫০০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে এমন জেলাগুলোর মধ্যে সীমান্তবর্তী সাতটি জেলা হলো- চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, রাজশাহী, যশোর, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও সিলেট। এছাড়া এই তালিকায় আছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খুলনা, নোয়াখালী ও গাজীপুর।

উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক সপ্তাহে (১৭২৩ মে) ১৭৯ জন রোগী শনাক্ত হয়। আগের সপ্তাহে শনাক্ত হয়েছিল ৭৩ জন। বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা সংক্রমণের হার ৬৩ শতাংশ এবং পার্শ্ববর্তী জেলা রাজশাহীতে এই হার ৪১ শতাংশে উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় গত সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য বিশেষ লকডাউন চলছে।

১৮ মে থেকে সংক্রমণ বাড়ছে সীমান্তবর্তী আরেক জেলা কুষ্টিয়ায়। এখন সেখানে রোগী শনাক্তের হার ১৪১৬ শতাংশ। এরমধ্যে ভারত থেকে আসা ১৪৫ জন এখন কুষ্টিয়ায় কোয়ারেন্টাইনে আছেন।

সাতক্ষীরায় ঈদের আগে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ছিল ১৩ শতাংশ। গত সোমবার থেকে শনাক্তের হার ৪০ শতাংশের ওপরে।

পরিস্থিতি উদ্বেগজনক জানিয়ে, ১৮ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশের ৩৭টি জেলাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ৪০ শতাংশের ওপরে সংক্রমণ রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও খুলনায়। ২০ থেকে ২৯ শতাংশ সংক্রমণ রয়েছে সিলেট, ঝালকাঠি, রাজশাহী, নাটোর ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা এবং ফরিদপুরে।

এছাড়া ১০ থেকে ১৯ শতাংশ সংক্রমণের হার রয়েছে দিনাজপুর, সিরাজগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ফেনী, রংপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, বরিশাল, সাতক্ষীরা, গাজীপুর বগুড়া, গোপালগঞ্জ, যশোর, মাদারীপুর চট্টগ্রাম, রাজবাড়ী, মাগুরা, নওগাঁ, কক্সবাজার, ভোলা, নড়াইল, লক্ষ্মীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, কুষ্টিয়া, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, নেত্রকোনা এবং টাঙ্গাইলে।

এদিকে ঈদে কয়েক লাখ মানুষ ঢাকা থেকে নিজ নিজ গ্রামে গিয়েছিল ঈদ করতে। ফলে স্বাভাবিকের থেকে কয়েকগুণ বেশি লোকসমাগম হয়েছিল গ্রামগুলোতে। যা সংক্রমণে ঊর্ধ্বমুখীতার একটি কারণ হিসেবে দেখছেন জনস্বাস্থ্যবিদরা। অবশ্য ঈদের আগেই এই শঙ্কার কথা বলেছিলেন তারা। কিন্তু সরকারের খামখেয়ালিপনা বিধিনিষেধ আর মানুষের বাড়ি ফেরার আকাঙ্ক্ষার কাছে সেই শঙ্কা হালে পানি পায়নি।

সংক্রমণের দিকে থেকে সর্বোচ্চ দশটি জেলার চিত্রে দেখা যায়, ঢাকায় এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ৩ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৮, চট্টগ্রামে ৪৭ হাজার ৫২৮, নারায়ণগঞ্জে ১৪ হাজার ৭৭৪, কুমিল্লায় ১৪ হাজার ৭৭৪, বগুড়ায় ১৪ হাজার ২১৯, সিলেটে ১৩ হাজার ১৩৭, গাজীপুরে ১১ হাজার ৯৯০, কক্সবাজারে ১০ হাজার ৮৪০, ফরিদপুরে ১০ হাজার ৭৩৮ এবং খুলনায় ১০ হাজার ৪৯৮ জন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ১৮ দফা স্বাস্থ্যবিধি মানতে জোর দিতে হবে বলে জানান জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আহমদ পারভেজ জাবীন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে ১৮ দফা মানতে দেশের সবাইকে জানাতে ব্যাপক হারে প্রচার চালাতে হবে। সীমান্তে আসা-যাওয়া বন্ধ করতে হবে। এমনকি সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে না নামা পর্যন্ত এটা বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সারা দেশের সংক্রমণশীলতার ওপর ভিত্তি করে জেলাগুলোকে ছয় ভাগে ভাগ করেছে। যেখানে সর্বোচ্চ ২০ হাজারের উপরে আক্রান্ত রোগী রয়েছে মাত্র দুটি জেলায়। এর মধ্যে ঢাকায় এ পর্যন্ত আক্রান্ত ৩ লাখ ২৬ হাজার ৩৩৩ এবং চট্টগ্রামে ৪৬ হাজার ৬১৬ জন।



আরও খবর



ফেসবুকে ভুয়া বিজ্ঞাপন, ঘুম কেড়েছে এক শিল্পীর

প্রকাশিত:সোমবার ২১ জুন 20২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২১ জুন 20২১ | ৬৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ফেসবুকের ভুয়া বিজ্ঞাপন কেড়ে নিয়েছে এক শিল্পীর চোখের ঘুম। তার জীবনের সত্যিাকারের এক রূপথার গল্পে বাগড়া দিয়েছে দুস্কৃতিকারীরা।

তার শিল্পকর্মের ছবি চুরি করে অন্যরা ব্যবসা করলেও তিনি কোনো অভিযোগ বা পদক্ষেপ নিতে পারেননি। আর ফেসবুকও ওই চোরদের বিরুদ্ধে কোনো কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি। ফলে তিনি ব্যবসায়িকভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। 

তারের সাহায্যে পরী ও ফুলের আকর্ষণীয় ভাস্কর্য তৈরি করেন রবিন উইট। অনলাইনে তার সেসব ভাস্কর্যের ছবি ছড়িয়ে পড়ে। লাখ লাখ মানুষ সেইসব ভাস্কর্য দেখে মুগ্ধ হন। 

কিন্তু তিনি লক্ষ্য করেছেন, তার শিল্পকর্মের তোলা ছবিগুলো ফেসবুকে বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ পেয়েছে। অথচ রবিন উইট কোনো বিজ্ঞাপন দেননি।

তিনি বুঝতে পারেন, তার ওয়েবসাইট থেকে ছবিগুলো চুরি করা হয়েছে। সারাবিশ্বের গ্রাহকের কাছে বাগানের সৌন্দর্য্য কাড়ানোর জন্য রবিনের তৈরি ভাস্কর্য বিক্রির কথা বলে ওই ছবিগুলো ব্যবহার করছে দুস্কৃতিকারীরা।

ওইসব ছবি ব্যবহার করে অন্য ওয়েবসাইট থেকে ভাস্কর্য কেনার কথা বলা হয়েছে। টাকা পরিশোধ করেও অনেকেই পণ্য পাননি। যারা পেয়েছেন তাদের বেশিরভাগই আসল পণ্য পাননি।

এভাবেই রবিনের ছোট্ট পারিবারিক ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। আর এসব বেআইনি বিজ্ঞাপনদাতাদের বিরুদ্ধে তেমন কোনো পদক্ষেপই গ্রহণ করতে পারেননি তিনি।

রেডিও ফোরের ইউ অ্যান্ড ইয়োরস অনুষ্ঠানে রবিন তার দুঃস্বপ্নের গল্প বলেন। 

তিনি বলেন, ফেসবুকের ভুয়া বিজ্ঞাপনগুলো দেখে আমি সত্যিই তিন সপ্তাহ ঘুমাতে পারিনি। ওই ছবিগুলো কার্যকরভাবে মুদ্রার মতো, যা আমাদের ব্যবসার ট্র্যাফিক প্রবাহকে চালিত করে। কিন্তু ওই ভুয়া বিজ্ঞাপনগুলোর কারণে আমাদের ব্যবসায় ভাটা পড়েছে।

এক দশক আগে শখের বশে ফ্যান্টাসি ওয়্যার নামে ব্যবসা শুরু করেছিলেন রবিন। শুরুতে তিনি মাত্র কয়েকটি পরীর ভাস্কর্য স্থানীয়ভাবে বিক্রি করেছিলেন। পরে তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হন এবং তার ব্যবসার আকার বাড়তে থাকে। 

প্রতিটি ভাস্কর্য প্রায় ১৫ হাজার পাউন্ডে বিক্রি করেন রবিন। এটা এখন তার পারিবারিক ব্যবসা। কারণ এ কাজে তাকে স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ে সহায়তা করে। কিন্তু ফেসবুকের ভুয়া বিজ্ঞাপনে অনেক কম দামে দেখতে একই রকমের ভাস্কর্য বিক্রি হচ্ছে। যেগুলো খুবই নিম্নমানের। কোনোগুলো প্লাস্টিকের। আমাজনেও রবিনের ভাস্কর্যের ভুয়া বিজ্ঞাপন আছে। 



আরও খবর
করোনার ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৪ জুন ২০২১




সাতক্ষীরায় শনিবার সকাল থেকে সপ্তাহব্যাপী লকডাউন শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির মুখে সাতক্ষীরা জেলায় শনিবার সকাল থেকে সপ্তাহব্যাপী লকডাউন শুরু হয়েছে। আগামী ১১ জুন  রাত ১২টা পর্যন্ত এই লকডাউনের মেয়াদ থাকবে বলে জেলা প্রশাসন ঘোষণা করেছে।

লকডাউন চলাকালে সব ধরনের বাধা নিষেধ মেনে চলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। একই সময় শহরে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং পুলিশ টহলে থাকবে।

এছাড়া যশোর ও খুলনা থেকে সাতক্ষীরা জেলায় প্রবেশের মুখে বেশ কয়েকটি চেকপোস্টও বসানো হয়েছে। লকডাউন চলাকালে ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য স্বাভাবিক থাকছে।

তবে বন্দরের সব বাজারঘাট ও দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। এই সময়কালে বাংলাদেশ ও ভারতে সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে বৈধ ও অবৈধ পন্থায় যাতায়াত পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত জানান, করোনা পজিটিভ নিয়ে সাতক্ষীরায় ২৪৫ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ও কোয়ারেন্টিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরায় ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৮৯ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।


আরও খবর