আজঃ শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

করোনার কিছু টিকায় সমস্যা বেড়েছে: গবেষণা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনা মহামারি মোকাবিলায় সারা বিশ্বে ১ হাজার ৩৫০ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে মানুষকে। জীবন রক্ষায় এসব টিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শুধুমাত্র ইউরোপেই ১০ লাখের বেশি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে করোনার এ টিকা। তবে এ টিকা নেওয়াদের কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছ বিজ্ঞানীরা। ৮টি দেশে করোনার টিকা গ্রহণ করা ৯ কোটি ৯০ লাখ মানুষের ওপর একটি জরিপ পরিচালনা করে এমন মন্তব্য করেছেন তারা।

গ্লোবাল ভ্যাকসিন ডেটা নেটওয়ার্ক-এর নতুন এই গবেষণাটি গত সপ্তাহে ভ্যাকসিন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

হৃদ্‌যন্ত্রে প্রদাহের বিষয়ে ব্লুমবার্গ ও ফোর্বসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে যারা ফাইজার ও মডার্নার মতো এমআরএনএ টিকা নিয়েছেন তাদের হৃদ্‌যন্ত্রে প্রদাহের মাত্রা সামান্য বেশি দেখা গেছে। অন্যদিকে যারা ভাইরাল ভেক্টর নামে পরিচিত অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা নিয়েছেন তাদের মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার মতো একটি বিরল ব্যাধির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। বিশেষ করে, মডার্নার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের পর এই প্রবণতা সামান্য বেশি দেখা গেছে। প্রাথমিক ও বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর পেরিকার্ডাইটিস বা হৃৎপিণ্ডের চারপাশের টিস্যুগুলোতে ফোলাভাব প্রবণতারও প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা গুলেন-ব্যারি সিনড্রোমের উচ্চ ঝুঁকির সঙ্গেও যুক্ত বলে দাবি করে গবেষকরা বলেন, গুলেন ব্যারি সিনড্রোম বা জিবিএস হচ্ছে এমন স্নায়বিক ব্যাধিযা মাংসপেশিকে দুর্বল করে ধীরে ধীরে শরীরের শক্তি কমিয়ে দেয়। একপর্যায়ে নড়াচড়ার সামর্থ্যও হারিয়ে ফেলতে পারেন আক্রান্ত ব্যক্তিরা।

গবেষণায় ৯ কোটি ৯০ লাখ টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তির স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ধারাবাহিক তথ্যগুলো পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য প্রাথমিকভাবে ১৩টি নির্দিষ্ট অবস্থার ওপর নজর রাখেন।

তাদের মতে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রাথমিক ডোজ গ্রহণের ৪২ দিনের মধ্যে গুলেন-ব্যারি সিনড্রোমের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। এ ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় যেখানে ৬৬টি নজির প্রত্যাশিত ছিল, সেখানে ১৯০টি নজির দেখা গেছে। এই টিকা সেরিব্রাল ভেনাস সাইনাস থ্রম্বোসিসের তিনগুণ বৃদ্ধির সঙ্গেও যুক্ত ছিল।

এ সিনড্রোম মূলত মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার একটি ব্যাধি। এই ব্যাধির প্রত্যাশিত ২১টি নজিরের বিপরীতে টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৬৯টি নজির শনাক্ত করা হয়েছে।

এই অভিযোগে ডেনমার্কসহ একাধিক দেশ অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা প্রত্যাহার বা সীমাবদ্ধ করেছে।


আরও খবর
বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ

রবিবার ০৭ এপ্রিল ২০২৪




সর্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত হলো ‘প্রত্যয় স্কিম’

প্রকাশিত:বুধবার ২০ মার্চ ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ মার্চ ২০24 | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

সর্বজনীন পেনশনে প্রত্যয় নামে নতুন স্কিম চালু করা হয়েছে। সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীন অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ স্কিম নিতে পারবেন। আজ বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা ও তাদের অধীন অঙ্গ-প্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরে নতুন যোগদান করবেন, তাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভুক্ত করেছে সরকার।

এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য প্রত্যয় স্কিমের রূপরেখাও ঘোষণা করা হয়েছে ওই প্রজ্ঞাপনে। প্রত্যয় স্কিম চালুর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যমান পেনশন/আনুতোষিক সুবিধা অক্ষুণ্ন থাকবে। তবে যাদের ন্যূনতম ১০ বছর চাকরি অবশিষ্ট আছে তারা আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রত্যয় স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।

প্রত্যয় স্কিমে অংশ নিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর মূল বেতনের ১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা, কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বেতন থেকে কেটে নেবে এবং সমপরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা প্রদান করবে। এরপর উভয় অর্থ ওই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ওই কর্মকর্তা/কর্মচারীর হিসাবে জমা করবে। এ প্রক্রিয়ায় ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীর পেনশন ফান্ড গঠিত হবে এবং ওই ফান্ড জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাভজনক খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রাপ্য মুনাফা এবং চাঁদা হিসেবে জমা করা অর্থের ভিত্তিতে পেনশন দেওয়া হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যমান সিপিএফ ব্যবস্থায় কর্মচারী মূল বেতনের ১০ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠান মূল বেতনের ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ দিয়ে থাকে। প্রত্যয় স্কিমে প্রতিষ্ঠান দেবে মূল বেতনের ১০ শতাংশ, যা সিপিএফ ব্যবস্থা থেকে ১ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি। প্রত্যয় স্কিমে একজন ব্যক্তি একটি প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা নিজ বেতন থেকে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে একই পরিমাণ টাকা ৩০ বছর চাঁদা দিলে অবসরে যাওয়ার পর, অর্থাৎ ৬০ বছর বয়স থেকে মাসিক ৬২ হাজার ৩৩০ টাকা হারে পেনশন পাবেন।

এ ক্ষেত্রে ৩০ বছর ধরে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ বেতন থেকে প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ ৯ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ ৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারী মিলিয়ে সর্বমোট চাঁদার পরিমাণ হবে ১৮ লাখ টাকা। তিনি যদি ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তবে ১৫ বছরে পেনশন প্রাপ্য হবেন ১ কোটি ১২ লাখ ১৯ হাজার ৪০০ টাকা, যা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ জমার ১২ দশমিক ৪৭ গুণ।

অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জমা করা চাঁদার ওপর বিনিয়োগ রেয়াত পাওয়া যাবে এবং প্রাপ্য পেনশন আয়করমুক্ত হবে। এ স্কিমে নিবন্ধিত কর্মচারী পেনশনযোগ্য বয়সে উপনীত হওয়ার পরবর্তী মাস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মাসিক পেনশনের অর্থ পেতে থাকবেন, যা তাকে মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে অবহিত করা হবে। এ ক্ষেত্রে তাকে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোনও দফতরে যাওয়ার বা কোনও প্রকার প্রমাণ দাখিলের প্রয়োজন হবে না।


আরও খবর



ডেমরায় আগুন লাগা ভবন যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর ডেমরায় কাপড়ের গুদামে আগুন লাগা ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে ফায়ার সার্ভিস। ভবনটি যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

শুক্রবার (২২ মার্চ) সকাল সাড়ে ৬টার পর ঘটনাস্থলে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল মো. রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, চারতলা ভবনের পুরোটাতেই খেলাধুলার সামগ্রী রয়েছে। ভবনটিতে স্টোরেজ (গুদাম) নীতিমালা মানা হয়নি। এ কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে। তবে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের চেষ্টায় আগুন আর নতুন করে ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই।

ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ওই ভবনে পানির রিজার্ভ ট্যাংক নেই, সিঁড়িও বেশ সংকীর্ণ। আশপাশে পানি না থাকায় ড্রেনের পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়। ঢাকা ওয়াসাও পানি দিচ্ছে। ভবনটির পূর্ব ও পশ্চিম দুপাশে লাগোয়া আরও ভবন থাকায় ভেতরে ঢুকতেও সমস্যা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিসের কোনো ব্যর্থতা নেই। এ ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ। ভবনের কাঠামোগত শক্তি কমে গেছে। কয়েক জায়গায় ছাদ ফেটে গেছে। যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে।

রেজাউল করিম বলেন, পানির সোর্স না থাকায় সবচেয়ে বেশি বেগ পেতে হচ্ছে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে সময় লাগতে পারে। পুরো ভবনে দাহ্য পদার্থ আছে, খেলাধুলার সামগ্রী বেশি। প্লাস্টিকের পরিমাণও অনেক। সব ফ্লোরেই আগুন আছে।

তবে এখন পর্যন্ত ভবন বা গুদামের মালিকপক্ষ থেকে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি বলে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা মালিকদের খোঁজার চেষ্টা করছি।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪৫মিনিটের দিকে ভবনের তিনতলায় গোডাউনে আগুন লাগে। চারতলা ভবনের তৃতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত। খবর পেয়ে ডেমরা, পোস্তগোলা ও সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশনের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। পরে আরও পাঁচটি ইউনিটসহ মোট ১০ ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যোগ দেয়। প্রাথমিকভাবে আগুনের ঘটনায় হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



আশুলিয়ায় জাল ডলারসহ ৩ প্রতারক আটক

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাভার প্রতিনিধি

Image

ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে জাল ডলারসহ তিন প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচ ডলার ও ১০ ডলার মূল্যের বিপুল পরিমাণ জাল নোট উদ্ধার করা হয়।

রোববার (১৭ মার্চ) দুপুরে গ্রেফতার ব্যক্তিদের আশুলিয়া থানা থেকে ঢাকার আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে শনিবার রাতে আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকার মুক্তা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাদেরকে আটক করে পুলিশ।

আটকরা হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার রতনদিয়া এলাকার মরহুম নবাব আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী (৫৫), একই থানার চানতারা এলাকার মরহুম কাদের আলী শেখের ছেলে মজিবর রহমান (৩৫) ও ছোট মহারাজপুর এলাকার মরহুম আনোয়ার হোসেনের ছেলে সানোয়ার হোসেন (৪০)। তারা সবাই আশুলিয়ার কলতাসুতি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকত বলে জানা যায়।

পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কতিপয় জাল ডলার কারবারি জাল ডলার দিয়ে প্রতারণার উদ্দেশে আশুলিয়ার শ্রীপুর মুক্তা সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে অবস্থান করছে। পরে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল ডলারসহ তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজতে থাকা একটি কালো রঙের সাইড ব্যাগ থেকে ১০ ডলার মূল্যের ২২৯টি জাল নোট ও পাঁচ ডলার মূল্যের ২৩৩টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরো জানায়, আটকরা সঙ্গবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা পরস্পর যোগসাজসে প্রতারণামূলক নকল ইউএস ডলার দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করত।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ আল মামুন বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। একইসাথে আজ তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



আজও কিছু এলাকায় ব্যাংক লেনদেন চলবে

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ শনিবার (৬ এপ্রিল) কয়েকটি এলাকায় ব্যাংক খোলা থাকছে। মূলত পোশাক কারখানার কর্মীদের বেতন-বোনাস দেওয়ার সুবিধার্থে পোশাকশিল্প এলাকায় শুক্র, শনি ও রোববার তিনদিন ব্যাংক লেনদেন চলছে। তবে পূর্ণ দিবসের পরিবর্তে এ তিনদিন সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোতে লেনদেন চলবে নির্ধারিত সময়ে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ সাইট সুপারভিশন বিভাগের পরিচালক মাসুমা সুলতানা জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তৈরি পোশাকশিল্পে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারী/কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা ও রপ্তানি বিল ক্রয়ের জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো ঈদের আগের সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ৫, ৬ ও ৭ এপ্রিল সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে।

ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ছুটির দিন খোলা থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থিত শাখার অফিস সময়সূচি হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। এর মধ্যে শুক্রবার (৫ এপ্রিল) লেনদেন হয় সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত, অফিস কার্যক্রম চলে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।

আজ শনিবার (৬ এপ্রিল) ও আগামীকাল রোববার (৭ এপ্রিল) শিল্প এলাকায় ব্যাংক লেনদেন হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। অফিস চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।


আরও খবর



অঞ্জনাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠালেন ডিপজল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অভিনয়শিল্পীদের মাঝে লড়াইটা জমে উঠেছে। ইতোমধ্যেই দুইটি প্যানেলে দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছেন শিল্পীরা।

যাদের একাংশ গেছেন অভিনেতা মিশা ও ডিপজলের দলে। অন্যরা গেছেন চিত্রনায়িকা নিপুণের প্যানেলে। তাদেরই একজন চিত্রনায়িকা অঞ্জনা। এবারের নির্বাচনের নিপুণের প্যানেলে থেকে লড়বেন তিনি।

এসব তো গেল পুরোনো খবর, নতুন খবর হচ্ছে- ধারের টাকা পরিশোধ না করায় চেক ডিসঅনারের জন্য নায়িকা অঞ্জনাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল।

ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, অঞ্জনা গত বছর ডিপজলের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ধার নেন। ছয় মাসের মধ্যে ধার পরিশোধ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। তবে ছয় মাস পার হয়ে গেলেও তিনি টাকা ফেরত দেননি। ডিপজল টাকা ফেরত চাইলে তিনি এ বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি ডিপজলকে ডাচবাংলা ব্যাংকের একটি চেক দেন। তবে ২৫ ফেব্রুয়ারি অঞ্জনার অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি ডিসঅনার হয়।

মূলত এ কারনেই গত ২৩ মার্চ টাকা পরিশোধ করার জন্য অঞ্জনাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান ডিপজল। লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার এক মাসের মধ্যে অঞ্জনাকে পুরো অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। অন্যথায়, অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে অঞ্জনার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আরও খবর
কলকাতায় ঈদে একমাত্র ‘মির্জা’

বৃহস্পতিবার ১১ এপ্রিল ২০২৪