আজঃ বুধবার ২১ এপ্রিল 20২১
শিরোনাম

করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১১ কোটি ৭৪ লাখ

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১ | ১১৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বব্যাপী করোনার তাণ্ডব কোনোভাবেই থামছে না। চলছে দ্বিতীয় ঢেউ। করোনার টিকা আবিষ্কার হলেও এখনো স্বস্তিতে নেই বিশ্ববাসী। এরই মধ্যে করোনায় বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১১ কোটি ৭৪ লাখ এবং মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৬ লাখ ৪ হাজার।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, সোমবার (৮ মার্চ) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ কোটি ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৬ লাখ ৪ হাজার ৮৪৭ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ কোটি ২৯ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৮ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ৯৬ লাখ ৯৬ হাজার ২৫০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৮৩৮ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি ১২ লাখ ২৯ হাজার ২৭১ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৫৭ হাজার ৮৯০ জন।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ১০ লাখ ১৯ হাজার ৩৪৪ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাশিয়া। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩ লাখ ২২ হাজার ৭৭৬ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন ৮৯ হাজার ৯৪ জন।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে যুক্তরাজ্য রয়েছে পঞ্চম স্থানে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪২ লাখ ১৮ হাজার ৫২০ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক লাখ ২৪ হাজার ৫০১ জন।

এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।

২০১৯-এর ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।


আরও খবর



লকডাউনে শুটিংয়ের নির্দেশনা প্রকাশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ায় এক সপ্তাহ লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ অবস্থায় নাটকের শুটিং করার জন্য নির্দেশনা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো। নির্দেশনা মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের জন্য আন্তঃসংগঠনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।

এফটিপিও চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ, টেলিপ্যাব সভাপতি ইরেশ যাকের, ডিরেক্টরস গিল্ড সভাপতি সালাহউদ্দিন লাভলু, অভিনয়শিল্পী সংঘ সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম, টেলিভিশন নাট্যকার সংঘের সভাপতি মাসুম রেজার স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে-

নাটক রচনা:

ক। জনসমাগম হয় এমন স্থানে শুটিং করা যাবে না।

খ। একটি দৃশ্যে দুই থেকে তিনজন অভিনয়শিল্পী ছাড়া বেশিসংখ্যক শিল্পীর সমাগম ঘটানো যাবে না।

গ। এমন ভাবে চরিত্রের বিস্তার করতে হবে যাতে অন্তত তিন ফুট দূরুত্ব বজায় রেখে অভিনীত চরিত্রগুলো মাস্টার শটে অংশ নিতে পারে।

ঘ। ঘনিষ্ঠ দৃশ্য কোনোভাবেই গল্পে রাখা যাবে না।

ঙ। পাণ্ডুলিপিহীন কোনো নাটক নির্মাণ করা যাবে না।

চ। নির্ধারিত পাণ্ডুলিপি সংশ্লিষ্ট প্রযোজক/পরিচালক দেখে নেবেন যাতে একটি দৃশ্যে ২/৩ জন শিল্পীর বেশি উপস্থিতি না থাকে।

কলাকুশলী নির্বাচন:

ক। শিল্পীদের কাস্টিং করার পূর্বে তার স্বাস্থ্য অবস্থার খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হবেন যে তিনি অন্তত ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। তিনি সর্দিজ্বর বা অন্যান্য করোনা উপসর্গের মধ্যে পড়ে সেগুলো থেকে মুক্ত।

খ। নেপথ্য কুশলী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অপরিচিত/নতুন কোনো কর্মীকে তার স্বাস্থ্যগত অবস্থা না জেনে নেওয়া যাবে না।

গ। নিয়মিতভাবে কাজ করেন এমন সকল কর্মীর বিগত অসুখ সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া। প্রয়োজনে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে রিপোর্ট সংগ্রহ করে কাজে নেওয়া যেতে পারে।

ঘ। সম্ভব হলে শুটিং শুরুর ১৪ দিন পূর্বে নেপথ্য কর্মীদের হোম কোয়ারেন্টিনে রেখে নির্ধারিত বিরতিসহ এক টানা শুটিং করা যেতে পারে।

ঙ। ষাটোর্ধ্ব শিল্পী, কলা-কুশলীদের অংশগ্রহণ করালে তাদের বিষয়ে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

চ। শিশু/কিশোর শিল্পীদের আপাতত কোনো নাটকে অংশগ্রহণ না করানোই উচিত।

শুটিং শুরুর আগে করণীয়:

ক। সকল শিল্পী, কলাকুশলীর নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, শরীরের তাপমাত্রা রেজিস্টার খাতায় লিপিবদ্ধ করতে হবে। শুটিং ইউনিট মুভ করার আগে মাইক্রোবাস জীবাণুনাশক দ্বারা স্প্রে করতে হবে।

খ। ডিজিটাল থার্মোমিটার দিয়ে একজন দক্ষ টেকনিশিয়ানের তত্ত্বাবধানে ইউনিটের কলাকুশলীর প্রত্যেককে পরীক্ষা করে গাড়িতে তুলতে হবে। সেক্ষেত্রে তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে গাড়িতে বসতে হবে।

গ। শুটিং ফ্লোরে প্রবেশের সময় যাদের তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করা হয়নি তাদেরকে ফ্লোরে প্রবেশ দ্বারে একজন টেকনিশিয়ানের তত্ত্বাবধানে তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করিয়ে হাত ধুয়ে ভেতরে প্রবেশ করাতে হবে।

ঘ। শুটিং ফ্লোরে প্রবেশ দ্বারে অবশ্যই ব্লিচিং পাউডারে ভেজা পাপোস রাখতে হবে। প্রবেশ দ্বারে সম্ভব হলে ৭০ ভাগ অ্যালকোহল মিশ্রিত পানি দিয়ে স্প্রে করা যেতে পারে।

ঙ। শুটিং ফ্লোরের প্রতিটি রুম আগে থেকেই অ্যালকোহন মিশ্রিত স্প্রে দিয়ে জীবাণুনাশ করতে হবে।

চ। মেকআপ রুমসহ সকল ওয়াশরুম যথাযথভাবে জীবাণুনাশক স্প্রে করতে হবে। বিশেষ করে ওয়াশরুম প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর স্প্রে করতে হবে।

ছ। খাবার দেওয়ার সময় প্রডাকশন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অবশ্যই ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুয়ে সার্ভ করবেন। যিনি খাবার পরিবেশন করেন এবং সরবরাহের কাজে জড়িত থাকবেন তাকে সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। হ্যান্ডগ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। মুখে মাস্ক সার্বক্ষণিকভাবে পরিধান করতে হবে।

জ। ইউনিটের প্রত্যেককে মাস্ক পরতে হবে। একই মাস্ক প্রতিদিন পরা যাবে না। যদি সেই মাস্ক ধৌত করার অপশন থাকে তাহলে ধুয়ে পরতে পারবেন। অন্যথায় ওয়ানটাইম মাস্ক প্রতিদিন ব্যবহার করে নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলে দিতে হবে।

ঝ। শুটিংয়ে ব্যবহৃত চাদর, জানালার পর্দা প্রতিদিন ধুয়ে পরিষ্কার করতে হবে। সোফা বা অন্যান্য আসবাব স্পিরিট দিয়ে মুছে নিতে হবে। পাপসগুলো পরিষ্কার করে নিতে হবে।

চিত্রগ্রহণের পূর্বে করণীয়:

ক। প্রধান চরিত্রের অভিনয়শিল্পীরা (সম্ভব হলে) মেকআপ বাসা থেকে নিজ দায়িত্বে নিয়ে আসবেন। সঙ্গে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন। খুব প্রয়োজন না হলে সহকারী সঙ্গে না রাখাই শ্রেয়। সহযোগী শিল্পীদের মেকআপ ইউনিট থেকে সাবধানতা মেনে দেওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রডাকশন থেকে প্রদান করতে হবে।

খ। করোনাকালীন সময়ে খাবার নিজ দায়িত্বে করাই শ্রেয়। সে জন্য (সম্ভব হলে বা প্রয়োজন মনে করলে) প্রত্যেক শিল্পী তাদের খাবার এবং ক্রোকারিজ সামগ্রী সঙ্গে বহন করবেন। ইউনিটের অন্যান্যদের জন্য প্রযোজক সুষম খাবারের ব্যবস্থা করবেন। ওয়ানটাইম ক্রোকারিজ সামগ্রী ব্যবহার করাই ভালো।

গ। রূপসজ্জা শিল্পী অবশ্যই কাজ শুরুর পূর্বে পোশাক পরিবর্তন করবেন এবং মাস্ক, ফেস শিল্ড ব্যবহার করবেন।

শুটিং স্থানে করণীয়:

ক। নির্ধারিত শুটিং জোনে কেবল মাত্র ২/৩ জন শিল্পী থাকবেন। একজন ক্যামেরাম্যান, একজন পরিচালক, একজন লাইটম্যান একটি দৃশ্যে উপস্থিত থাকবেন। পরের দৃশ্যে আবার ক্রু পরিবর্তন করে কাজ করতে হবে। নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নিয়ে দৃশ্যধারণের কাজ করবেন।

খ। প্রত্যেকটা দৃশ্য শেষে পোশাক পরিবর্তন করার প্রয়োজন হলে সঙ্গে সঙ্গে হাত ধুতে হবে। হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে।

গ। কর্মক্ষেত্রে কেউ হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে তাকে সরাসরি ডাক্তারের কাছে নিতে হবে।

শুটিং শেষে করণীয়:

ক। সকলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন আছেন কিনা, স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়েছে কিনা প্রযোজকের পক্ষে একজন উপযুক্ত ব্যক্তি অবলোকন করে নিশ্চিত করবেন।

খ। ইউনিটের সবাইকে গাড়ি দিয়ে গন্তব্যে নামিয়ে দিতে হবে। পরদিন যথাযথ নিয়ম মেনে আবার কাজে যোগ দিতে হবে।

গ। সরকারের বেধে দেওয়া সময়সীমার সঙ্গে সমন্বয় করে শুটিং করতে হবে। আন্তঃসংগঠনের সিদ্ধান্ত শুটিংয়ের সময়কাল সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত।

ঘ। পরিচালক ও ভিডিও সম্পাদক স্বাস্থ্যবিধির সব নির্দেশনা মেনে সম্পাদনার কাজ সমন্বয় করে তা সম্পন্ন করবেন।


আরও খবর



হেফাজতের ৫৪ নেতা-কর্মীর ব্যাংক হিসাব তলব

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হেফাজতে ইসলামের আমির, মহাসচিবসহ ৫৪ নেতা-কর্মীর ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

মোদিবিরোধী আন্দোলনের পর তাদের ব্যাংকে কী পরিমাণ অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে তা দেখতে বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) তাদের হিসাব তলব করা হয়। যাদের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে তাদের মধ্যে সংগঠনটির জেলা পর্যায়ের নেতাও রয়েছে।

তারা হলেন- হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী, মহাসচিব নূর হুসাইন কাসেমী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মুহাম্মদ মামুনুল হক, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, মহাসচিব সৈয়দ ফয়জুল করীম, আল-হাইয়্যাতুল উলয়াও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সভাপতি মাহমুদুল হাসান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ প্রমুখ।


আরও খবর



হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের আইনের আওতায় আনার ইঙ্গিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | ৬৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
২০১৬ সালের পাঁচটি মামলা ও সাম্প্রতিক সময়ের ১৮টি মামলাসহ মোট ২৩টি মামলার তদন্ত করবে সিআইডি। আমরা আশা করছি, খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই তদন্ত শেষ করব এবং যারা এখনো আইনের

হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে ২৩ মামলার তদন্তের কথা জানিয়েছেন সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান। এছাড়া হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের আইনের আওতায় আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সিআইডির মালিবাগ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

মামুনুল হক বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে নাশকতার ঘটনার মামলায় মামুনুল হককে গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হতে পারে। এসময় সিআইডি প্রধান হেফাজতের শীর্ষ নেতাদেরও আইনের আওতায় আনার ইঙ্গিত দেন।

এর আগে সিআইডি প্রধান জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের পাঁচটি মামলা ও সাম্প্রতিক সময়ের ১৮টি মামলাসহ মোট ২৩টি মামলার তদন্ত করবে সিআইডি। আমরা আশা করছি, খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই তদন্ত শেষ করব এবং যারা এখনো আইনের আওতায় আসেনি তাদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করব।

হামলা, ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনায় যারা উপস্থিত ছিল, মদত দিয়েছে, উসকানি দিয়েছে, জ্বালাও-পোড়াও করেছে তাদের ফুটেজ ফরেনসিক করা হবে। ফরেনসিক করে যাদের পাওয়া যাবে তাদের সবাইকেই আমরা আইনের আওতায় আনব। এরই মধ্যে যেসব হেফাজত নেতা পুলিশের কাছে গ্রেফতার হয়েছেন প্রয়োজনে তাদেরও সিআইডি জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান।


আরও খবর



ঈদে এক কোটি পরিবারকে সহায়তা দেবে সরকার

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | ১৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুজিববর্ষে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে অসহায়, দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারকে এক কোটি ৯ হাজার ৯৪৯টি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবে সরকার। এজন্য ৪৫০ কোটি ৪৪ লাখ ৭৭ হাজার ৫০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার (৩১ মার্চ) এ বরাদ্দ দেয়া হয় বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ভিজিএফের আওতায় প্রতিটি পরিবারকে ৪৫০ টাকা হারে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৪ বা ১৫ এপ্রিল পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে। মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় সারাদেশের ৬৪টি জেলার ৪৯২টি উপজেলার জন্য ৮৭ লাখ ৭৯ হাজার ২০৩টি এবং ৩২৮টি পৌরসভার জন্য ১২ লাখ ৩০ হাজার ৭৪৬টিসহ মোট এক কোটি ৯ হাজার ৯৪৯টি ভিজিএফ কার্ডের বিপরীতে এ বরাদ্দ দেয়া হয়।

পরিবারপ্রতি ১০ কেজি চালের সমমূল্য অর্থাৎ কার্ডপ্রতি ৪৫০ টাকা হারে আর্থিক সহায়তা দিতে উপজেলাগুলোর জন্য ৩৯৫ কোটি ৬ লাখ ৪১ হাজার ৩৫০ টাকা এবং পৌরসভাগুলোর জন্য ৫৫ কোটি ৩৮ লাখ ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা অর্থাৎ মোট ৪৫০ কোটি ৪৪ লাখ ৭৭ হাজার ৫০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, আনন্দের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনে অসহায়, দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারকে এই আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। এক্ষেত্রে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত, দুস্থ ও অতিদরিদ্র পরিবারকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

চলমান কোভিড পরিস্থিতিতে রমজানের প্রাক্কালে দেয়া এ সহায়তা অতি দরিদ্র পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে ত্রাণ মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



দ্বিতীয় কার্যদিবসেও সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৪৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সোমবার ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১৮ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার ৩৪৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইর শরীয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের ষষ্ঠ দিন সোমবারও (১৯ এপ্রিল) সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে পুঁজিবাজারে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন বেড়েছে। প্রথম কার্যদিবস গত রবিবারও (১৮ এপ্রিল) পুঁজিবাজারে সূচক বেড়ে লেনদেন শেষ হয়েছিল।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সোমবার ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১৮ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার ৩৪৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইর শরীয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১২১৬ ও ২০৪৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

এদিন ডিএসইতে ৬৯৭ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ডিএসইতে ৯৫ কোটি টাকার লেনদেন বেড়েছে। আগের দিন ডিএসইতে ৬০২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছিল।

সোমবার ডিএসইতে ৩৪৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৬টি কোম্পানির, কমেছে ১৫২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর।

এদিন লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ প্রতিষ্ঠান হলো- বেক্সিমকো লিমিটেড, বিডি ফাইন্যান্স, লংকাবাংলা, বিএটিবিসি, লাফার্জহোলসিম, রবি, এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো ফার্মা, নিটল ইন্স্যুরেন্স ও সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই সোমবার ৫৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৫ হাজার ৪৭১ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৪০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১০৮টির, কমেছে ১০৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি কোম্পানির শেয়ার দর।

সোমবার সিএসইতে ৩৪ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা বেশি। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ২১ কোটি ৬৯ লাখ টাকার।


আরও খবর
সব সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী

শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১

অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে সবজির দাম

বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১