আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

করোনায় বিশ্ব ব্যর্থ হয়েছে: ডব্লিউএইচও প্রধান

প্রকাশিত:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ জুলাই 20২১ | ১৪৩জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্ব করোনাভাইরাস রোধে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক টেডরোস আধানম গেব্রেইয়েসুস। টোকিওতে অলিম্পিক গেমস উদ্বোধনের আগে অলিম্পিক আয়োজক কমিটির এক বৈঠকে অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন তিনি। খবর এএফপির।

ডব্লিউএইচও প্রধান বলেন, টিকার অসম বণ্টন এই সঙ্কটকে আরও গুরুতর করার ঝুঁকি তৈরি করেছে। যদিও মহামারি ক্লান্ত বিশ্বের কাছে এই অলিম্পিক একটি ‌আশার বার্তা হতে পারে। তিনি বলেন, মহামারি একটি পরীক্ষা। এটা মোকাবিলায় বিশ্ব ব্যর্থ হয়েছে।

গেব্রেইয়েসুস বলেন, ৪০ লাখের বেশি মানুষ মারা গেছে। এখনও মৃত্যু অব্যাহত আছে। ইতোমধ্যে চলতি বছরে মৃত্যুর সংখ্যা গত বছরের মোট মৃত্যুর তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। তিনি বলেন, মহামারির হুমকি সব জায়গায় শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউই মুক্ত নয়। যদি কেউ মনে করেন যে, মহামারি শেষ হয়ে গেছে, তাহলে তিনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন।

বিশ্বের মাত্র ১০টি দেশে করোনার ৭৫ শতাংশ টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন ডব্লিউএইচও প্রধান। তিনি বলেন, কোনও কোনও লকডাউন তুলছে আবার কেউ কেউ লকডাউনে যাচ্ছে। কোভিড-১৯ এমন একটি জিনিস, যা জাহান্নামের আগুনের মতো। সহজে নেভানো যাবে না।



আরও খবর
ভারতে আবারও বেড়েছে মৃত্যু

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




ভারতের ২০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন বেনাপোলে

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৪৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এতোদিন সড়কপথে ট্যাংকারে আসতো ভারতীয় তরল মেডিকেল অক্সিজেন। এই প্রথম ১০টি কনটেইনারে দুইশ মেট্রিক টন তরল মেডিকেল অক্সিজেন নিয়ে ভারতীয় রেলওয়ের বিশেষ ট্রেন অক্সিজেন এক্সপ্রেস বাংলাদেশে পৌঁছেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে করোনা মোকাবেলায় এই উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সরকার।

শনিবার (২৪ জুলাই) রাত ১০টায় দুইশ টন অক্সিজেন নিয়ে ভারতীয় অক্সিজেন এক্সপ্রেসটি বেনাপোল রেলস্টেশনে এসে পৌঁছায়। কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ট্রেনটি বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমে সিরাজগজ্ঞের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে। ওখানে খালি করে ট্রেনটি আবারও ফিরে যাবে ভারতে। অক্সিজেনের আমদানিকারক লিন্ডে বাংলাদেশ এবং রফতানিকারক লিন্ডে ইন্ডিয়া।

২০২১ সালের ২৪ এপ্রিল ভারতে এই বিশেষ ট্রেন সেবা শুরুর পর এই প্রথম কোনো প্রতিবেশী দেশে অক্সিজেন এক্সপ্রেস পাঠালো ভারত সরকার। এ পর্যন্ত ভারতের অভ্যন্তরে এই ধরনের ৪৮০টি অক্সিজেন এক্সপ্রেস চালু করা হয়েছিল। এর ফলে দ্রুত ও স্বল্প খরচে অক্সিজেন পৌঁছে যাবে বিভিন্ন হাসপাতালে। এই চালানটি বাংলাদেশের তরল মেডিকেল অক্সিজেনের প্রয়োজনীয় মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে।

ভারতের তথ্য অধিদপ্তরের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দরে দুইশ মেট্রিক টন তরল মেডিকেল অক্সিজেন (এলএমও) পরিবহনের জন্য ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের অধীনস্থ চক্রদহরপুরের টাটায় একটি ইনডেন্ট স্থাপন করা হয়। এর আগে টাটা চক্রদহরপুর রেলওয়ে বিভাগের কাছে বাংলাদেশের বেনাপোলে দুইশ মেট্রিক টন তরল মেডিকেল অক্সিজেন পরিবহনের চাহিদা জানায়।

শনিবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে ১০টি কনটেইনারে দুইশ মেট্রিক টন তরল মেডিকেল অক্সিজেন লোডিং সম্পন্ন হয়। পরে বিশেষ ট্রেনটি বেনাপোল বন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়।

অক্সিজেন এক্সপ্রেসটি শনিবার রাত ১০টায় বেনাপোল রেলস্টেশনে এসে পৌঁছালে আমদানীকারকের মনোনিত সি এন্ড এজেন্ট মেসাস্ সারথী এন্টার প্রাইজ কাস্টম অফিস থেকে দ্রুত ছাড়িয়ে বঙ্গবন্ধু পশ্চিম রেলওয়ে ষ্টেশনের উদ্দেশ্যে তা প্রেরণ করে।

মেসাস্ সারথী এন্টার প্রাইজ কাজী কামরুল ইসলাম জানান, করোনায় অনেক মানুষ আক্রান্ত। তাই চালানটি দ্রুত ছাড়াতে কাস্টমে তিনি নিজে উপস্থিত হন। এ ব্যপারে বেনাপোল কাস্টম কমিশনার আজিজুর রহমান আন্তরিকতার কারণে তা দ্রুত ছাড়িয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

বেনাপোল রেলওয়ে সহকারী স্টেশন মাস্টার পারভিন খাতুন জানান, এই প্রথম দুইশ টন অক্সিজেন নিয়ে ভারতীয় রেলওয়ের অক্সিজেন এক্সপ্রেস নামের একটি বিশেষ ট্রেন বেনাপোলে এসেছে। কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিশেষ ট্রেনটি বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমে সিরাজগজ্ঞের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের সহকারী কমিশনার কল্যাণ মিত্র জানান, অক্সিজেনবাহী ভারতীয় ট্রেনটি বেনাপোল বন্দরের রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের সাথে সাথে দ্রুততার সাথে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে খালাস দেওয়া হবে। ঈদের ছুটির মধ্যে অক্সিজেনসহ জরুরি সামগ্রী আমদানিতে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতায় কাস্টমস সব সময় প্রস্তুত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ঈদের ছুটির মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় গত বুধবার (২১ জুলাই) বিকালে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি করা হয় ১৮০ মেট্রিক টন অক্সিজেন। দেশে করোনার চিকিৎসা খাতে অক্সিজেনের চাহিদা বাড়ায় বাংলাদেশের আমদানিকারকরা ১১টি ট্যাংকারে এ অক্সিজেন আমদানি করেন।



আরও খবর



বিধিনিষেধে শিল্পকারখানা খুললে আইনানুগ ব্যবস্থা: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | ১১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমপি বলেছেন, বর্তমানে কঠোর বিধিনিষেধের কোনো বিকল্প নেই। করোনা যেভাবে ছড়িয়ে গেছে, সে বিষয় নিয়ে আজ ক্যাবিনেটে আলোচনা হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে শিল্পকারখানা খোলার প্রমাণ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সোমবার (২৬ জুলাই) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত মিল-কারখানা; কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ এবং ওষুধ শিল্পকারখানা বাদে সব শিল্পকারখানা, সরকারি-বেসরকারি অফিস বিধিনিষেধে বন্ধ থাকার কথা।

বিধিনিষেধের মধ্যেও অনেকে শিল্পকারখানা চালু রেখেছেন- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেউ খুলে থাকলে তা পর্যবেক্ষণ করছি, কারা খুলছে? যদি খুলে থাকে, প্রমাণ পাওয়া যায়, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। রাস্তায় যখন মানুষ নামছে, তখন বলছে আমার চাকরিতে যেতে হচ্ছে। আসলে এটার সত্যতা যাচাই করার চেষ্টা করছি।

ফরহাদ হোসেন বলেন, যেহেতু গার্মেন্টস ও রপ্তানিমুখী কলকারখানাগুলো বন্ধ রেখেছি, লাখ লাখ শ্রমিক আসা-যাওয়া করতো, সেগুলো কমেছে। এগুলো ছাড়াও আরও বিভিন্ন কারণ আছে, যে কারণে মানুষ বাইরে আসছে। অযৌক্তিক কারণে বের হলে কিন্তু আইনের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতাল থেকে শুরু করে জরুরি সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত মানুষ বাধাহীনভাবে চলাফেরা করতে পারছে। পোশাক কারখানা খুলে দেয়ার বিষয়ে কোনে চিন্তা-ভাবনা এখন পর্যন্ত নেই।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত ২৩ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। এই বিধিনিষেধ থাকবে আগামী ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।



আরও খবর



ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | ১০৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহ মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫৪ জনের।

শনিবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের করোনা ইউনিটের ফোকাল পারসন ডা. মহিউদ্দিন খান মুন।

তিনি জানান, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ‌্যে ৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে ও ৬ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

ডা. মহিউদ্দিন খান মুন আরও জানান, বর্তমানে এই হাসপাতালের আইসিইউতে ২১ জনসহ মোট ৪১৭ জন চিকিৎসাধীন আছেন। নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৭৩ জন ও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৩ জন।


আরও খবর



করোনায় এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ২৩১, শনাক্ত ১৩ হাজার ৩২১ জন

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | ১৫১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২৩১ জনের মৃত‌্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মারা গেলেন ১৮ হাজার ১২৫ জন।

১৮ জুলাই সকাল ৮টা থেকে ১৯ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৩ হাজার ৩২১ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ লাখ ১৭ হাজার ৩১০ জন।

সোমবার (১৯ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ‌্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ‌্য জানানো হয়েছে। উল্লিখিত সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৩৩৫ জন। এ পর্যন্ত করোনামুক্ত হয়েছেন ৯ লাখ ৪১ হাজার ৩৪৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত করোনা শনাক্তের গড় হার ১৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। করোনায় মৃত‌্যুর হার ১ দশমিক ৬২ শতাংশ।


আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১




অলিম্পিক: নারী দ্বৈতে স্বর্ণ জিতলেন ক্রেজিকোভা-সিনিয়াকোভা

প্রকাশিত:রবিবার ০১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ আগস্ট ২০২১ | ১০৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বছরের শুরুতে রোলান্ড গ্যারোসে একক ট্রফি জয়ী ক্রেজিকোভা ও তাঁর জুটি সিনিয়াকোভা শেষ তিন ম্যাচে টাইব্রেকারের সহায়তা নিতে হয়েছে

টোকিও অলিম্পিকের নারী টেনিসের দ্বৈতে স্বর্ণ পদক জিতেছেন চেক প্রজাতন্ত্রের বারবোরা ক্রেজিকোভা ও কাতেরিনা সিনিয়াকোভা। এই ইভেন্টে বেলিন্ডা বেনচিচ ও ভিক্টোরিয়া গোলুবিককে হারিয়ে জিতেছেন স্বর্ণপদক। ক্রেজিকোভা-সিনিয়াকোভা জুটি জিতেছেন ৭-৫, ৬-১ গেমে।

আজ রবিবার ফাইনাল ম্যাচের দ্বিতীয় সেটে জয় পাওয়ার আগে প্রথম সেটে টাই হয়। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতে নেয় চেক জুটি। 

বছরের শুরুতে রোলান্ড গ্যারোসে একক ট্রফি জয়ী ক্রেজিকোভা ও তাঁর জুটি সিনিয়াকোভা শেষ তিন ম্যাচে টাইব্রেকারের সহায়তা নিতে হয়েছে। সেখানে অবশ্য একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেই তাঁরা হারিয়ে দেয় বেনচিচ ও গোলুবিক জুটিকে।

টেনিসে এটি চেক প্রজাতন্ত্রের প্রথম অলিম্পিক স্বর্ণপদক। এর আগে ১৯৮৮ সালে গেমসে প্রত্যাবর্তনের সময় চেকোস্লোভাকিয়ার হয়ে এককে স্বর্ণ জয় করেছিলেন স্লোভাক মিলোস্লাভ মেচির। অলিম্পিকের ইতিহাসে চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে একক ও দ্বৈত বিভাগে স্বর্ণ জয় করতে চেয়েছিলেন বেনচিচ। শনিবার এককের ফাইনালে মার্কেটা ভন্ড্রোসোভাকে হারিয়ে স্বর্ণ জয় করা এই তারকাকে শেষ পর্যন্ত রুপা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দ্বৈতে।


আরও খবর