আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

‘কৃষিতে উন্নয়ন করে ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে হবে’

প্রকাশিত:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
Image
সাতক্ষীরা থেকে দিলীপ কুমার দেব: কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষি কাজ করে দেশ কৃষিতে উন্নয়ন করতে হবে এবং ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে হবে। বাংলাদেশ এক সময় ছিল খাদ্য ঘাটতির দেশ, দুর্ভিক্ষের দেশ, সারা পৃথিবীতে আমরা খাদ্যের জন্য ঘুরে বেড়াতাম। তবে আজকে অত্যন্ত খুশীর কথা, আনন্দের কথা দানা জাতীয় খাদ্যশষ্য চাল, গম, ভুট্টা এগুলোতে আমরা পিছিয়ে নেই, এখন দেশে খাদ্য ঘাটতি নেই। আমরা এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন। দেশে এখন অভাব নেই, এখন শুধু পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। এতে কৃষকদের আয় বাড়বে। এজন্য বেশি বেশি করে সবজি চাষ করতে হবে। দেশের সবজির চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানিও করা যাবে।

সবজি বা কাঁচামাল যাতে পঁচে না যায় সে জন্য নতুন প্রযুক্তি নিয়ে আসছে সরকার। পিঁয়াজের চাহিদা যাতে মিটানো যায় সেজন্য দেশের সব কৃষকদের বেশি বেশি করে পিঁয়াজ চাষ করার জন্য বিনামূল্যে পিঁয়াজের বীজ চাষীদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। দেশে এখন পিঁয়াজের ঘাটতি হয় না। এজন্য অচিরে পিঁয়াজের ঘাটতি পূরণের জন্য কাজ করছে সরকার।

ভারত থেকে দেশে আর কোন টমেটো আমদানি করা হবে না। এটি আমরা বন্ধ করবো। আমরা আমাদের দেশ থেকে বরং টমেটো বিদেশে রপ্তানি করবো। সেই লক্ষ নিয়ে আমরা কাজ করছি। চাষীদের সহযোগিতা দিচ্ছি এবং প্রণোদোনাও দিচ্ছি। দেশে  গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ বেশি করে করতে হবে। আগামী বছর সাতক্ষীরা জেলায় ৭০০ একর কৃষি জমিতে টমেটো চাষ করতে হবে। এজন্য চাষের এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোজন করা হবে।

আমাদেরকে এখন পুষ্টি জাতীয় খাবারের নিশ্চয়তা দিতে হবে। এই লক্ষে আমরা আমাদের যে অগ্রাধিকার সেক্টরগুলো আছে তার মধ্যে কৃষি সেক্টরকে আধুনিকিকরণ ও জাতীয়করণ করতে চাই এবং কৃষি পণ্যের প্রক্রিয়াজাত করে এ গুলোর দাম বৃদ্ধি করতে চাই এবং মূল্য সংযোজন করতে চাই।

কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কামারালী মাঠে গ্রীষ্মকালীন টমেটো ক্ষেত পরিদর্শন শেষে সেখানে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, উপকুলবর্তী এলাকায় আগে একটি মাত্র ফসল হতো সেটি রোপা আমন। সেখানে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি ভবিষ্যতে এখানে শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন সময়ে লবনাক্ত সহিষ্ণু ধানের জাত-৬৭ আবাদ শুরু হবে। ইতিমধ্যে আবাদ শুরুও হয়েছে। এটির ব্যাপক আবাদ হবে। এর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশও দিয়েছেন যে দ্রুত এই ধান পুরো এলাকায় ছড়িয়ে দেয়ার জন্য। এর জন্য আরো লবনাক্ত মুক্ত পানির ব্যবস্থা করতে হবে। যেটি নিয়ে আমরা চিন্তা করছি এবং কাজও করছি।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা-১ তালা কলারোয়া আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহ, সাতক্ষীরা-২  সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ মোঃ নজরুল ইসলাম, সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মুজিবুর রহমান, কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন প্রমুখ। কৃষি বিষয়ে মতবিনিময় সভায় কলারোয়া উপজেলার ৩৬৯ জন চাষী উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভা শেষে কৃষি মন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক একই উপজেলার বাটরা গ্রামের আরো কয়েকটি গ্রীষ্মকালীন টমেটো ক্ষেত পরিদর্শন করেন এবং কলারোয়া উপজেলা পরিষদ হয়ে বিকালে যশোর উদ্দেশ্যে রওনা দেন।


আরও খবর



সংক্রমণ বাড়লে পুনরায় বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লে পুনরায় তা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দিপু মনি। শনিবার সকালে জামালপুর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ মাস পর রবিবার থেকে খোলা হচ্ছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান করলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার সম্ভাবনা কম। তারপরওসংক্রমণ বেড়ে যাবার আশঙ্কা দেখা দিলে প্রয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুনরায় বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, মহামারীর শুরুতে গতবছরের মার্চে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। প্রায় দেড়বছর পর আগামী রবিবার থেকে আবার সব স্কুল কলেজ খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে এখন।

বছরের শেষভাগে এসএসসি ও এইচএসসির পাশাপাশি পঞ্চমের প্রাথমিক সমাপনী, অষ্টমেরজেএসসি-জেডিস এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘদিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ থাকলেও পড়াশুনা বন্ধ ছিল না। টেলিভিশনও অনলাইনের মাধ্যমে পড়াশোনা চালানো হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী বা তার পরিবারের কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে বা উপসর্গ থাকলে তাদেরকে বিদ্যালয়ে না পাঠানোর অনুরোধও জানান তিনি। পরে দিপু মনি জামালপুর পৌর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে যোগদান করেন।

এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী এমপি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও জামালপুরসদর আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ ইঞ্জিনিয়ার মো. মোজাফ্ফর হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।



আরও খবর



১৮ বছরের নিচে সবাই শিশু, বিষয়টি ভাবনার সময় এসেছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে ১৮ বছরের নিচে সবাইকে শিশু হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়টি নিয়ে এখন চিন্তা-ভাবনার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মধুবাগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

কিশোর অপরাধ দমনে জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের আওতায় সবার হোক একটাই পণ, কিশোর অপরাধ করব দমন শীর্ষক টিভিসি উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমি যখন এসএসসি পাস করেছি তখন আমার বয়স ছিল ১৫ বছর। বর্তমানে যারা নিয়মিত পড়াশোনা করেন ১৮ বছর বয়সে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান। আমাদের মনে হয় ১৮ বছরের এ সময়সীমা নিয়ে চিন্তাভাবনা করার সময় এসেছে। আন্তর্জাতিক একটি আইনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় এটি করা হয়েছে। কিন্তু এর ফলে কিশোর অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বেগ পেতে হচ্ছে। তাই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে, এটি ধরে রাখার প্রথম শর্ত হচ্ছে নিরাপত্তা। কিন্তু আমাদের কিশোররা নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে। আমাদের শঙ্কার বিষয় ছিল কোভিডকালীন স্কুল কলেজ বন্ধ থাকবে, সবাই বসে থাকবে। তবে এ সময়ে কিশোরদের নিয়ে যে শঙ্কাটা ছিল ততখানি হয়নি, আমাদের দেশ অনেক দেশের তুলনায় ভালো আছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পুলিশ-র‍্যাব, শিক্ষক ও সমাজ তাদের কার্যক্রম চালচ্ছে। তারপরেও অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি কেন? বিষয়টি নিয়ে খেয়াল না করলে আমাদের সন্তানদের হারিয়ে ফেলব, দেশ-জাতির সবাই নিগৃহীত হবে। সমাজের শাসন যদি সুপ্রতিষ্ঠিত করতে না পারি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যতই কড়াকড়ি করুক আমরা হারিয়ে যাব। তাই সময় থাকতে সন্তানকে উপযুক্ত শিক্ষা দিন, তাদের সঙ্গে কথা বলুন। সন্তানরা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে খেয়াল করুন। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। তবে আপনি যদি আপনার সন্তানের প্রতি খেয়াল না রাখেন তাহলে এটি আমরা কখনোই পারব না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, একসময় আট বছর পর্যন্ত বয়সীদের শিশু ধরা হতো। কিন্তু পরবর্তী সময়ে কিশোর আইন হালনাগাদ করা হয়েছে, এখন ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। আইন পরিবর্তনের ফলে যখন একজন পূর্ণ যুবকের পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাকেও শিশু ধরা হয়। এর ফলে কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে যেভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেভাবে হচ্ছে না। তাদের ক্ষেত্রে বিচার পদ্ধতি, গ্রেফতার পদ্ধতি সবকিছুই আলাদা। তাদের গ্রেফতারের সঙ্গে সঙ্গে প্রফেশন অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, কিন্তু প্রফেশন অফিসাররা কাজ করেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায়, আর আমরা কাজ করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায়। আমরা তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া, প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রফেশন অফিসার না থাকার বিষয়টিও রয়েছে। বললেই সেই সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দেওয়া যায় না, এটি দীর্ঘমেয়াদী একটা প্রক্রিয়া। কিশোর অপরাধীদের গ্রেফতারের পর জেলে পাঠানো যাবে না, সংশোধনাগারে পাঠাতে হয়। সেই সংশোধনাগারের সংখ্যাও পর্যাপ্ত নয়। যেসব গ্যাপ রয়েছে সেগুলো পূর্ণ করতে কাজ করতে হবে। নয়তো বাড়বাড়ন্ত কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যাবে।

পুলিশ প্রধান বলেন, কিশোর ছেলে-মেয়েরা কী করছে, কোথায় যাচ্ছে এখানে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের বিষয়টাও রয়েছে। প্রতিটা পরিবারকে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চারা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে এবং কী করছে। দেশ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের উপযোগী একটা জেনারেশন আমাদের তৈরি করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, কারা কিশোরদের অপরাধী বানাচ্ছে, তাদের হাতে কারা মাদক তুলে দিচ্ছে, তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধ শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়, প্রতিরোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে ছোটদের সঙ্গে বড়রাও থাকে। ছোট-বড় মিলে বিরোধ হয়, পরে আলাদা গ্রুপ সৃষ্টি হয়। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারির মতো ঘটনা ঘটে। কিশোর অপরাধ দমনে সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে মানে এই নয়, আভিযানিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। যদি কেউ সচেতনতা কর্মসূচির মাধ্যমে সুপথে না আসে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা চলমান থাকবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, এক সময় আট বছর পর্যন্ত বয়সীদের শিশু ধরা হতো। কিন্তু পরবর্তীতে কিশোর আইন হালনাগাদ করা হয়েছে, এখন ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। আইন পরিবর্তনের ফলে যখন একজন পূর্ণ যুবকের পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাকেও শিশু ধরা হয়।

এর ফলে কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে আমরা যেভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছি, সেভাবে করা হচ্ছে না। তাদের ক্ষেত্রে বিচার পদ্ধতি, গ্রেপ্তার পদ্ধতি সবকিছুই আলাদা। তাদেরকে গ্রেপ্তারের সঙ্গে সঙ্গে প্রফেশন অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু প্রবেশন অফিসাররা কাজ করেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায়, আর আমরা কাজ করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায়। আমরা তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া, প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রবেশন অফিসার না থাকার বিষয়টিও রয়েছে। বললেই সেই সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দেওয়া যায় না, এটি দীর্ঘমেয়াদী একটা প্রক্রিয়া।

কিশোর অপরাধীদের গ্রেপ্তারের পর জেলে পাঠানো যাবে না, সংশোধনগারে পাঠাতে হয়। সেই সংশোধনাগারের সংখ্যাও পর্যাপ্ত নয়। যেসব গ্যাপ রয়েছে পূর্ণ করতে কাজ করতে হবে। নয়তো বাড়বাড়ন্ত কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা কঠোর হয়ে যাবে।

পুলিশ প্রধান বলেন, কিশোর ছেলে-মেয়েরা কী করছে, কোথায় যাচ্ছে এখানে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের বিষয়টাও রয়েছে। প্রতিটা পরিরিবারকে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চারা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে এবং কী করছে। দেশ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের উপযোগী একটা জেনারেশন আমাদেরকেই তৈরি করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, কারা কিশোরদেরকে অপরাধী বানাচ্ছে, তাদের হাতে কারা মাদক তুলে দিচ্ছে, তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধ শুধু নিয়ন্ত্রণ না, প্রতিরোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে।

র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে ছোটদের সঙ্গে বড়রাও থাকে। ছোট-বড় মিলে বিরোধ হয়, পরে আলাদা গ্রুপ সৃষ্টি হয়। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারির মতো ঘটনা ঘটে। কিশোর অপরাধ দমনে সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে মানে এই নয়, আভিযানিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। যদি কেউ সচেতনতার মাধ্যমে সুপথে না আসে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা চলমান থাকবে।



আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

বাতিলের তালিকায় ২১০টি ভূতুড়ে পত্রিকা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনায় আরও ৫৬ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমতে শুরু করেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট মৃত্যু হলো ২৬ হাজার ৬৮৪ জনের।

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমতে শুরু করেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট মৃত্যু হলো ২৬ হাজার ৬৮৪ জনের। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৩৯ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ১৯ হাজার ৮০৫ জনে।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




রাজশাহী মেডিকেলে আরও ১০ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে সংক্রমণে চারজন ও উপসর্গে তিনজন মারা গেছেন।

বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘন্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে রাজশাহীর তিনজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের চারজন, নাটোরের দুইজন ও নওগাঁর একজন রয়েছেন। করোনায় মৃতদের পরিবারকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাফনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন ১৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২০ জন। এখন পর্যন্ত রাজশাহী মেডিকের করোনা আক্রান্ত হয়ে ৭৪ জন ও উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন ৭১ জন।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে ১৩৯টি নমুনা পরীক্ষায় ২৯ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। অন্যদিকে, মেডিকেল কলেজের পিসিআর মেশিনে ৪৪৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫৩ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন। জেলায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ।


আরও খবর
রামেক হাসপাতালে ৮ জনের প্রাণহানি

বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১

২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে আরও ৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর 20২১




দেশব্যাপী বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের “সার্ভিস ক্যাম্প” শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশব্যাপী গ্রাহকসেবা উন্নয়নের লক্ষ্যে, এলপি গ্যাস ব্যবহারকারীদের ফ্রি সিলিন্ডার সার্ভিসিং দিতে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস শুরু করেছে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস সার্ভিস ক্যাম্প নামে একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) বসুন্ধরা হেডকোয়ার্টার-২ এ সার্ভিস ক্যাম্পের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মাহবুব আলম, বসুন্ধরা গ্রুপের সেক্টর-এ (সিওও, ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং) এম এম জসীম উদ্দীন, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডের হেড অব এইচ আর সাদ তানভীর, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডের হেড অব সেলস জাকারিয়া জালাল, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেডের জি এম (সাপ্লাই চেইন) সরওয়ার হোসেন সোহাগ।

এ ক্যাম্পেইনের পরীক্ষামূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছিল ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে নারায়ণগঞ্জ শহরে। করোনা পরিস্থিতির কারণে পরবর্তীতে এ কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়। সেই পাইলট প্রকল্পের ব্যাপক সাফল্য এবং ভোক্তাদের অনুরোধে সারাদেশে ফ্রি সার্ভিস ক্যাম্পেইন আনুষ্ঠানিকভাবে এবার শুরু করতে যাচ্ছে বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লিমিটেড।

বসুন্ধরা এলপি গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, এলপিজি নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা অযাচিত দুর্ঘটনা কমাতে পারে। বাংলাদেশের এক নম্বর এলপিজি ব্র্যান্ড হিসেবে আমরা মনে করি আমাদের দায়িত্ব এলজিপি সিলিন্ডার নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করা, রান্নাঘরকে নিরাপদ এবং স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ কীভাবে করা যায় তার সঠিক নির্দেশনা দেওয়া। তাই আমরা এলপিজি যে কোনো ব্র্যান্ডের সিলিন্ডার ব্যবহারকারীদের সিলিন্ডারের বিভিন্ন এক্সেসোরিজ, যেমন: সংযুক্ত পাইপ, রেগুলেটর এবং বার্নারের সঙ্গে অন্য সংযোগ বিনামূল্যে পরীক্ষা করার ক্যাম্পেইন শুরু করছি। রান্নাঘরকে কি করে নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর রাখা যাবে সেই বিষয়ে খুব অল্প সময়ে গ্রাহকের নিজ বাসায় প্রশিক্ষণ দেবে আমাদের নিজস্ব সেবাকর্মী। এছাড়াও এলপিজি সিলিন্ডারের জন্য যে বিস্ফোরণ সংঘঠিত হয় না, বরং পাইপ লিকেজ, রেগুলেটর ইন্সটল্যাশন, ব্যবহারকারীর অবহেলা এবং অসচতনতার দরুন দুর্ঘটনা ঘটে থাকে, এবিষয়ে গ্রাহকদের সচেতন করার লক্ষ্যেই এ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে।

এ সেবা পেতে আগ্রহীরা বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের হটলাইনে- ১৬৩৩৯ অথবা ০১৩১৩৪৪ ৫৫৫৫, ফেসবুক পেজ অথবা নিকটস্থ ডিস্ট্রিবিউটর বা রিটেইল পয়েন্টে যোগাযোগ করে কিউআর কোড স্ক্যাননিং এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করলে, বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের সার্ভিস টিম স্বাস্থ্যবিধি মেনে পৌঁছে যাবে গ্রাহকের কাছে। সার্ভিস টিম গ্রাহকের রান্নাঘরটি পর্যবেক্ষণ করে সিলিন্ডারের এক্সেসরিজ এবং এর সঙ্গে চুলার সংযোগ ঠিকঠাক আছে কিনা তা কীভাবে নির্ধারণ করা যায় এ বিষয়ে খুব স্বল্প সময়ে গ্রাহককে সিলিন্ডারের নিরাপদ ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসবে।

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হচ্ছে এ ক্যাম্পেইন এর কার্যক্রম। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে বিভিন্ন ধাপে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। গ্রাহকরা বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের ফেসবুক পেজে এবং পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানতে পারবেন সার্ভিস ক্যাম্পেইনের এলাকাগুলো।


আরও খবর
পুঁজিবাজারে সূচকের মিশ্র প্রবণতা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

পুঁজিবাজারে সূচকের মিশ্র প্রবণতা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১