আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

কৃষ্ণসাগর উপকূলে মৃত ডলফিনের ঝাঁক, নেপথ্যে ইউক্রেন?

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই কৃষ্ণসাগর উপকূলে ভেসে আসছে মৃত ডলফিন। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন, রুশ-ইউক্রেন নৌবাহিনীর সংঘাতে সমুদ্রের পানিতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ও দূষণের কারণেই তারা মারা যাচ্ছে। কিন্তু ডলফিনের গণমৃত্যুর কারণ হিসেবে সামনে আসছে অন্য তত্ত্বও। কৃষ্ণসাগরে যেসব রুশ নৌঘাঁটি রয়েছে সেগুলোর পাহারাদার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডলফিনগুলোকে ইউক্রেন বাহিনী পরিকল্পিত ভাবে খুন করছে কিনা, সে প্রশ্ন উঠেছে।

এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহে ইউক্রেন সেনার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কৃষ্ণসাগরে মোতায়েন রুশ রণতরী মস্কোভার সলিল সমাধি ঘটেছিল। তারপরেই ক্রাইমিয়ার সেভাস্তিপোলসহ কৃষ্ণসাগরের কয়েকটি রুশ নৌঘাঁটির নিরাপত্তায় বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডলফিন বাহিনী নিয়োগ করেছিল মস্কো। গত দুসপ্তাহে সেখানকার উপকূলবর্তী এলাকায় শতাধিক ডলফিনের দেহ দেখা গিয়েছে। যদিও তাদের দেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন মেলেনি বলে তুরস্কের একটি গবেষণা সংস্থার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।

সামরিক কাজে অতীতেও ডলফিনের ব্যবহার করেছে রাশিয়া। ২০১৮ সালে সিরিয়ার যুদ্ধের সময় টারটাস নৌঘাঁটিতে ডলফিন বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছিল। উপগ্রহচিত্রে সেই ছবি ধরাও পড়েছিল। বস্তুত, ষাটের দশকে সোভিয়েত জমানাতেই এই বুদ্ধিমান প্রাণীগুলোকে সামরিক কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়েছিল। ক্রাইমিয়ার সেভাস্তিপোলেই ছিল সেই প্রশিক্ষণকেন্দ্র। শত্রুপক্ষের ডুবুরিকে চিহ্নিত করা বা সমুদ্রের নীচে বিস্ফোরক চিহ্নিত করা এবং তা উদ্ধার করে নিয়ে আসার কাজে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ডলফিনগুলোকে। এমনকি, সমুদ্র্রের তলায় বিস্ফোরক বসানোর জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তাদের।

২০১৪ পর্যন্ত ক্রাইমিয়া ছিল ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে। ফলে ডলফিন প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কথা কিভের অজ্ঞাত নয়। গত সপ্তাহের গোড়া থেকে স্নেক আইল্যান্ডসহ কৃষ্ণসাগরের কয়েকটি রুশ নৌঘাঁটি দখলের জন্য অভিযান শুরু করেছে ভলোদিমির জেলেনস্কির অনুগত বাহিনী। ঘটনাচক্রে তখন থেকেই বাড়াতে শুরু করেছে ডলফিনের মৃত্যুর হার।

নিউজ ট্যাগ: ডলফিন

আরও খবর



সাংবাদিককে গালি দেওয়া ছাত্রলীগের সেই নেত্রী শাস্তি পাচ্ছেন

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিবাহিত হয়েও ছাত্রলীগের পদ পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিককে গালিগালাজ করা ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সহ-সভাপতি সুস্মিতা বাড়ৈয়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ৷

রোববার (১৫ মে) এমনটি জানিয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়৷

তিনি বলেন, সাংবাদিকের সঙ্গে এমন আচরণ কখনোই কাম্য নয়। আমরা তার এ কাজের সাপোর্ট দিচ্ছি না। আমরা তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। বিষয়টি সাংবাদিকদের ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

সম্মেলনের ২ বছর ৯ মাস পর ১৩ মে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সহ-সভাপতি পদ পেয়েছেন সুস্মিতা বাড়ৈ। তিনি বিবাহিত হয়েও এ পদ পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য চাওয়ায় জাগো নিউজের সংবাদকর্মীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন সুস্মিতা বাড়ৈ। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিবাহিত কেউ ছাত্রলীগের পদ পাওয়ার সুযোগ নেই।


আরও খবর



নিউমার্কেটে হামলাকারী হেলমেটধারীরা সন্ত্রাসী: ডিবি

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর নিউ মার্কেটে ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের সময় হেলমেট মাথায় দিয়ে যারা হামলা করেছিল তারা সন্ত্রাসী বলে দাবি করেছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি)।

ডিবির যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বলেছেন, হেলমেট মাথায় দিয়ে হামলায় অংশ নেওয়া সবাই সন্ত্রাসী। তাদের ধরে আইনের আওতায় আনা হবে।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজনৈতিক বিবেচনায় নয় হেলমেটধারীদের সন্ত্রাসী হিসেবেই গ্রেপ্তার করা হবে বলে উল্লেখ করেন মাহবুব আলম। তিনি বলেন, তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

যুগ্ম কমিশনার আরও বলেন, নিউ মার্কেট এলাকায় দোকান কর্মচারী মুরসালিনের হত্যাকারীদের এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। তার মৃত্যু ঘটেছে ইটের আঘাতে। যারা ইটপাটকেল ছুড়েছে তাদের থেকে হত্যাকারী চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এছাড়া নাহিদ হত্যার ভিডিও ফুটেজ দেখে হত্যাকারী শনাক্তের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

গ্রেপ্তারে বিলম্ব হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ঢাকা কলেজের হোস্টেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই বাড়ি চলে গেছেন অথবা আত্মগোপনে আছেন। তবে ডিবির একাধিক টিম তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শিগগিরই এ বিষয়ে ভালো ফল জানানো হবে।

গত ১৮ এপ্রিল রাতে ও পরেরদিন নিউ মার্কেটের দোকানমালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই জনের প্রাণহানি এবং অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হন।

এ সংঘর্ষের ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর আক্রমণ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ভাঙচুর ও জখম, হত্যার অভিযোগে নিউ মার্কেট থানায় মোট ৪টি মামলা করেছে পুলিশ। একটি মামলায় আসামিদের নাম উল্লেখ করা হলেও বাকিগুলোর আসামি অজ্ঞাত। এ ঘটনায় মকবুল হোসেন নামে এক বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


আরও খবর



খালেদাকে পদ্মায় ফেলতে আর ইউনূসকে চুবিয়ে তুলতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পদ্মা সেতুকে জোড়াতালির বলায় বিএনপি চেয়ারপারসন  খালেদা জিয়াকে সেতুর ওপর থেকে পদ্মা নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা, আর টাকা বন্ধের চেষ্টা করা ড. মুহম্মদ ইউনূসকে পদ্মা নদীতে চুবানোর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘খালেদা জিয়া বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে।’’ পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে (খালেদা জিয়াকে) টুস করে নদীতে ফেলে দেওয়া উচিত। আর যিনি আমাদের একটা এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করেছেন, তাকেও আবার পদ্মা নদীতে নিয়ে দু’টা চুবানি দিয়ে উঠিয়ে নেওয়া উচিত। মরে যাতে না যায়। একটু পদ্মা নদীতে দু’টা চুবানি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত। তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়।’

বুধবার (১৮ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। দলের  সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কানফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন।

শেখ হাসিনা বলেন, পদ্মা সেতুর অর্থ বন্ধ করালো ড. ইউনূস। কেন? গ্রামীণ ব্যাংকের একটা এমডির পদে তাকে থাকতে হবে। তাকে আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম গ্রামীণ ব্যাংকের উপদেষ্টা হতে। একটা উপদেষ্টা হিসেবে থাকা আরও উচ্চ মানের। সেটা সে ছাড়বে না, তার এমডিই থাকতে হবে। কিন্তু তার বয়সে কুলায় না। ড. ইউনুস কিন্তু আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিল। কিন্তু কোর্ট আর যাই পারুক, তার বয়স তো কমিয়ে দিতে পারে না, ১০ বছর। কারণ, গ্রামীণ ব্যাংকের আইনে আছে ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তখন তার বয়স ৭১ বছর। এই বয়সটা কমাবে কীভাবে? সেই মামলায় সে হেরে যায়। কিন্তু প্রতিহিংসা নেয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ড. ইউনূস এবং যেটা আমরা শুনেছি মাহফুজ আনাম, তারা আমেরিকায় চলে যায়। স্টেট ডিপার্টমেন্টে যায়। হিলারির কাছে ইমেইল পাঠায়। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মি. জোলি যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তার শেষ কর্মদিবসে কোনও বোর্ড সভায় না, পদ্মা সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়। যাক, একদিকে শাপেবর হয়েছে। কেন হয়েছে? বাংলাদেশ যে নিজের অর্থায়নে পদ্মা সেতু করতে পারে, সেটা আজকে আমরা প্রমাণ করেছি। কিন্তু আমাদের এখানের একজন জ্ঞানী লোক বলে ফেললেন যে, পদ্মা সেতুতে যে রেল লাইন হচ্ছে— ৪০ হাজার কোটি টাকার খরচ হচ্ছে। ৪০ হাজার কোটি টাকা তো ঋণ নিয়ে করা হচ্ছে। এই ঋণ শোধ হবে কীভাবে? দক্ষিণবঙ্গের কোনও মানুষ তো রেলে চড়বে না। তারা তো লঞ্চে যাতায়াত করে। তারা রেলে চড়তে যাবে কেন? এই রেল ভায়াবল হবে না।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘‘সেতুর কাজ হয়ে গেছে, এখন সেতু নিয়ে কথা বলে পারছে না। এখন রেলের কাজ চলছে, এখন রেলের কাজ নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন। আমার মনে হয়, আমাদের সবার উনাকে চিনে রাখা উচিত। রেল গাড়ি যখন চালু হবে, তখন উনাকে নিয়ে রেলে চড়ানো উচিত। আর খালেদা জিয়া বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে।’ কারণ, বিভিন্ন স্প্যানগুলো যে বসাচ্ছে, ওটা ছিল তার কাছে জোড়াতালি দেওয়া। তো বলেছিল, জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ওখানে চড়া যাবে না, চড়লে ভেঙে পড়বে।’ তার সঙ্গে তার কিছু দোসররাও। এখন তাদেরকে কী করা উচিত?’’

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুতে নিয়ে গিয়ে ওখান থেকে টুস করে নদীতে ফেলে দেওয়া উচিত। আর যিনি আমাদের একটা এমডি পদের জন্য পদ্মা সেতুর মতো সেতুর টাকা বন্ধ করেছে, তাকেও আবার পদ্মা নদীতে নিয়ে দু’টা চুবানি দিয়ে উঠিয়ে নেওয়া উচিত। মরে যাতে না যায়। একটু পদ্মা নদীতে দু’টা চুবানি দিয়ে সেতুতে তুলে দেওয়া উচিত। তাহলে যদি এদের শিক্ষা হয়। বড় বড় অর্থনীতিবিদ, জ্ঞানী-গুণী এই ধরনের অর্বাচিনের মতো কথা বলে কীভাবে? সেটাই আমার প্রশ্ন। মেগা প্রজেক্টগুলো করে নাকি  খুব ভুল করছি। তারা আয়েশে বসে থাকে, আর আমার তৈরি করা সব টেলিভিশনে গিয়ে কথা বলে। বিদ্যুৎ সরবরাহ করি। সেই বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি, সেটা নিয়েও এত টাকা দিয়ে স্যাটেলাইট করে কী হবে? এই প্রশ্নও কিন্তু তুলেছে তারা। অর্থাৎ বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু করলে তাদের গায়ে লাগে। কেন? তাহলে তারা কি এখনও সেই পাকিস্তানি সামরিক জান্তাদের পদলেহনকারী, খোশামদি, তোষামদির দল? গালিটালি দিই না, দেওয়ার রুচিও নাই। তবে একটু না বলে পারি না, যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে বাংলাদেশের মেয়েদের ওপর অত্যাচার করেছে, গণহত্যা চালিয়েছে, অগ্নিসংযোগ করেছে, পোড়ামাটি নীতি নিয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল, সেই পাকিস্তানিদের পদলেহনকারীর দল এখনও বাংলাদেশে জীবিত— এটা হচ্ছে সব থেকে দুঃখজনক। এখনও তারা বাংলাদেশের ভালো কিছু হলে ভালো দেখে না। বাংলাদেশ এগিয়ে গেলে তাদের ভালো লাগে না।’

সরকার প্রধান বলেন, আজকের বাংলাদেশে আমরা ২০০৯-এর পরে যে সরকার গঠন করেছি, তার পরেও আমাদের কম ঝামেলা পোহাতে হয়নি। অগ্নি সন্ত্রাস করে বিএনপি জীবন্ত মানুষগুলোকে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মারে। পেট্রোল বোমা মারে। আমরা রাস্তাঘাট বানাই, তারা রাস্তাঘাট কাটে। আমরা বৃক্ষরোপণ করি তারা গাছ কাটে। এ ভাবে দেশকে তারা বার বার ধ্বংসের দিকে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। সরকার উৎখাত করার তারা উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত। তাদের ডাকে তো জনগণ সাড়া দেয়নি।’

তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করেছে। ওই ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় এবং একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক জিয়া। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে মুচলেকা দিয়েছিল জীবনে কোনও দিন রাজনীতি করবে না। এই মুচলেকা দিয়েই কিন্তু দেশ ছেড়ে চলে যায়। কিন্তু এই মামলায় বিচারের রায়ে সে সাজাপ্রাপ্ত। এতিমের অর্থ আত্মসাতের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া।’


আরও খবর



ডিআইজি পদে পুলিশের ৩২ কর্মকর্তার পদোন্নতি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পুলিশের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) পদমর্যাদার ৩২ কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়ে উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হয়েছেন। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

ডিআইজি পদে পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের তালিকায় প্রথম নামটি হচ্ছে র‌্যাব- ৪ এর পরিচালক মোজাম্মেল হকের আর সর্বশেষ নামটি হচ্ছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের। এ ছাড়া আরও পদোন্নতি পেয়েছেন, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি রেজাউল হক, এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের মো. মনিরুজ্জামান, ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান আসাদুজ্জামান, ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মাহাবুব আলম, র‌্যাবের পরিচালক শেখ মোহাম্মদ রেজাউল হায়দার, র‌্যাব ১০ এর অধিনায়ক মাহফুজুর রহমানস, রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, রংপুর রেঞ্জের শাহ মিজান শফিউর রহমান, ডিএমপির সৈয়দ নুরুল ইসলাম, হারুন অর রশীদ, নৌ পুলিশের মোল্যা নজরুল ইসলামসহ মোট ৩২ জন।

পুলিশ সদর দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের (এসএসবি) এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গ্রেড-৩ পদমর্যাদার ডিআইজি পদে পুলিশের ৩২ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এবারের পদোন্নতির জন্য ১৮ ও ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের বিবেচনা করা হয়েছে। ডিআইজি পদে পদোন্নতির জন্য পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রায় ১৫০ জনের একটি প্রাথমিক তালিকা পাঠানো হয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। সেখানে মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পর্যালোচনার পর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়। ওই তালিকা পাঠানো হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে।

জানা গেছে, ডিআইজি হিসেবে একসঙ্গে এত বেশি সংখ্যক পদোন্নতি বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে এই প্রথম। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ডিআইজি পদে পদোন্নতি হয়। এরপর গত প্রায় দেড় বছর এই পদে (ডিআইজি) কোনো পদোন্নতি হয়নি। সর্বশেষ পদোন্নতি হয় ২০২০ সালের ডিসেম্বরে।


আরও খবর



সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে গ্যারি টুনিক্লিফের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ২৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে সফররত যুক্তরাজ্যের রয়েল কলেজ অব ডিফেন্স স্টাডিজ (আরসিডিএস) এর প্রতিনিধি দল গত সোমবার (১৬ মে) সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতকালে প্রতিনিধি দলের দলনেতা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রয়েল কলেজ অব ডিফেন্স স্টাডিজ এর ডেপুটি কমান্ড্যান্ট এয়ার ভাইস মার্শাল গ্যারি টুনিক্লিফ সিভিও, এমএ, বিএ, ডিপ্লোডি, এমএপিএম, আরএএফ।

সাক্ষাতকালে কুশলাদি বিনিময়ের পর সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশে সফরের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানান এবং সামরিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সেনাবাহিনী প্রধানের আমন্ত্রণে প্রতিনিধি দলটি ঢাকা সেনানিবাসে নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেন। উক্ত নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে অবস্থিত যুক্তরাজ্য দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেলসহ ব্রিটিশ হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ ফরেন সার্ভিস একাডেমি, বাংলাদেশ রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং ব্রাক এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।

উল্লেখ্য, ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি গত ১৪ মে ঢাকায় আগমন করে। সফর শেষে তাঁরা আগামী ২১ মে ভারতের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন।


আরও খবর