আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

ক্ষেতলালে দুই দিনের শিশুকে নিয়ে দাখিল পরীক্ষা দিচ্ছে মা

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
Image

ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে দুই দিনের শিশুকে সঙ্গে নিয়ে দাখিল পরীক্ষা দিচ্ছে মা রিভা খাতুন। আজ বুধবার জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার ক্ষেতলাল খোশবদন জি.ইউ আলিম মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ দৃশ্য দেখা যায়। তবে রিভা খাতুনের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে শিশুটির নানীসহ পরীক্ষাকেন্দ্রের একটি কক্ষে অবস্থানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে জানান কেন্দ্র সচিব। মায়ের পরীক্ষার সময় বাচ্চাটি সেই কক্ষে অবস্থান করছিল।

রিভা খাতুন উপজেলার বিনাই দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থী। তিনি উপজেলার দেওগ্রামের মোরশেদুল ইসলামের স্ত্রী।

রিভা খাতুন বলেন, পরীক্ষা শুরুর ২ দিন পূর্বে (২৮ এপ্রিল) আমার বাচ্চা হয়েছে। অনেক্ষণ সময় ধরে পরীক্ষা দিতে হয় তাই বাড়িতে না রেখে তাকে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছি। বাচ্চাকে বাইরে রেখে পরীক্ষা দিতে সমস্যা হওয়ায় আমার মাকে বাচ্চাসহ কেন্দ্রের অভ্যন্তরীন কোন কক্ষে অবস্থান করার অনুমতির জন্য কেন্দ্র সচিব বরাবর আবেদন করি। পরে অনুমতি সাপেক্ষে আমার মা বাচ্চাকে নিয়ে কেন্দ্রের আলাদা একটি কক্ষে অবস্থান করছে।

ক্ষেতলাল খোশবদন জি.ইউ আলিম মাদ্রাসার কেন্দ্র সচিব ও অধ্যক্ষ একরামুল হক বলেন, রিভা খাতুন নামের বিনাই দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার এক পরীক্ষার্থী দুই দিনের শিশু নিয়ে আমাদের কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে। মেয়েটির প্রতিষ্ঠান সুপারের লিখিত আবেদন ও মানবিক কারণে পরীক্ষার নিয়ম-কানুন মেনে শিশুটির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।

ক্ষেতলাল খোশবদন জি.ইউ আলিম মাদ্রাসার পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার খাযরুইয়ার রহমান বলেন, কেন্দ্র সচিবের মাধ্যমে ঘটনাটি আমি শুনেছি। ২ দিনের শিশুকে রেখে মেয়েটির পরীক্ষায় অংশ নেয়ার বিষয়টি জেনে খুব ভাল লেগেছে। এটি মেয়েদের জন্য অনুপ্রেরণা হবে। এ জন্য তাকে সাধুবাদ জানাই।


আরও খবর



বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৬.৭৫ শতাংশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ। টাকার অংকে যা ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জাতীয় সংসদে নতুন বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সেখানে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য তুলে ধরেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে কিছুটা চাপের সম্মুখীন হলেও প্রাজ্ঞ ও সঠিক নীতি কৌশল বাস্তবায়নের ফলে জিডিপি প্রবৃদ্ধিও গতিধারা অব্যাহত রয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে মধ্যমেয়াদে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছাবে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট। দেশের ইতিহাসে বিশাল এ প্রস্তাবিত বাজেটের ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত এ বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এটি মোট জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। সরকার অভ্যন্তরীণ ঋণ নেবে এক লাখ ৬০ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।


আরও খবর



কাঁচা মরিচের ডাবল সেঞ্চুরি, সবজির দাম চড়া

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকা ছাড়িয়েছে। একদিনের ব্যবধানেই কেজিপ্রতি কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। আজ শুক্রবার (১৪ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, বাড্ডা, মতিঝিল, মুগদা, রামপুরা এলাকার কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে দেশি কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৪০ টাকা পর্যন্ত। ভারতীয় কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি করে। এ ছাড়া অন্যান্য সবজি আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাকরোল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, কচুমুখি প্রতি কেজি ১২০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ধুন্দল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, ঝিঙা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, করোলা প্রতি কেজি ৬০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ৮০ টাকা, শসা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পটল প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা ও লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দোকানিরা জানান, কোরবানির ঈদের আগে সবজির সরবরাহ রাজধানীতে কমেছে। রাস্তায় যানজট এবং বেশিরভাগ পণ্যবাহী গাড়ি পশু বহন করার কারণে সবজির সবরাহ কম। তবে ঈদের পরপর দাম কমতে পারে।


আরও খবর



ভিয়েতনামে আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ১৪

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে একটি জনবহুল আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। পুলিশ জানিয়েছে শুক্রবার (২৪ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে। খবর রয়টার্সের

দেশটির জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভিয়েতনামের রাজধানীতে একটি সরু গলিতে পাঁচতলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার ফাইটার সাতজনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, কী কারণে ওই ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। এছাড়া যারা নিহত হয়েছে তাদের পরিচয়ও সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে রাজধানী হ্যানয়কে একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় শিশুসহ আরও ৩৭ জন আহত হয়।


আরও খবর



পুড়ছে চুয়াডাঙ্গা, তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

Image

চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪২ শতাংশ।

শনিবার (২৫ মে) বিকেল ৩টায় জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক রাকিবুল হাসান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ৬ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত ৩৪-৪০ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা ওঠানামা করছিল। গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে মৃদু, মাঝারি ও তীব্র তাপপ্রবাহ শুরু হয়। আজ (শনিবার) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমে জনজীবনে ভোগান্তি বেড়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪২ শতাংশ।

আবহাওয়া কার্যালয় সূত্র জানায়, এখানে দিন-রাতের তাপমাত্রার পার্থক্যও থাকছে কম। দিনের বেলায় প্রচণ্ড রোদ আর সন্ধ্যার পর ভ্যাপসা গরম নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমের শুরু থেকে বেশিরভাগ দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হয়ে আসছে এ জেলায়। গত ৩০ এপ্রিল মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।


আরও খবর



ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে ১০ অভিবাসীর মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

লিবিয়ার জোয়ারা উপকূল থেকে ৬১ জন অভিবাসী নিয়ে যাত্রা করা একটি কাঠের নৌকা থেকে ১০ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নৌকাটিতে গ্যাসোলিনের ধোঁয়া থেকে সৃষ্ট বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। জার্মান এনজিও রেসকিউশিপ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জার্মান দাতব্য সংস্থা রিসকিউশিপ জানিয়েছে, গতকাল সোমবার (১৭ জুন) ল্যাম্পেডুসা দ্বীপের কাছে তারা একটি ডুবন্ত কাঠের নৌকা থেকে ৫১ জনকে উদ্ধার করেছেন। এ সময় নৌকার নীচের ডেকে ১০ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

সংস্থাটি বলছে, বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সোমবার সকালে ইতালীয় কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের তীরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে মৃতদের ল্যাম্পেডুসা দ্বীপে নেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর, ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এবং জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, নৌকাটি লিবিয়া থেকে যাত্রা করেছিল। এতে সিরিয়া, মিসর, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অভিবাসীরা ছিলেন। তবে কোন দেশের কত যাত্রী ছিলেন, তা জানানো হয়নি।

একই দিনে পৃথক আরেক নৌকাডুবির ঘটনায় ৬০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৬ জনের মতো শিশু রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দক্ষিণ ইতালির ক্যালাব্রিয়ার উপকূল থেকে প্রায় ১২৫ মাইল দূরে এই ঘটনা ঘটে। মেডেসিনস সানস ফ্রন্টিয়েরস (এমএসএফ) নামে একটি সংগঠন এই তথ্য জানিয়েছে।

এই ঘটনায় ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের সবাইকে তীরে নেয়ার পর একজন মারা যান বলে জানিয়েছে ইতালীয় কোস্টগার্ড।

ভূমধ্যসাগর বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাইগ্রেশন রুট হিসেবে পরিচিত। জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, ২০১৪ সাল থেকে এই রুটে ২৩ হাজার ৫০০ জনের বেশি অভিবাসী মারা গেছে বা নিখোঁজ হয়েছে।


আরও খবর