আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

কুড়িগ্রামে পাসপোর্ট করাতে গিয়ে দুই রোহিঙ্গা তরুণী আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
মোঃ মাসুদ রানা, কুড়িগ্রাম

Image

কুড়িগ্রাম পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে আসা দুই রোহিঙ্গা তরুণীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। পাসপোর্ট অফিসের কাউন্টারে তাদের দেখে সন্দেহ হলে এবং নাম ঠিকানা জিজ্ঞাসা করলে তা ঠিক মতো বলতে না পারায় তাদের দুজনকে সদর থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয় কুড়িগ্রাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ সহকারী পরিচালক মো: কবির হোসেন। পরে পুলিশ তাদের সদর থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করে রোহিঙ্গার বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আটককৃতরা, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বালুখালি-১ এর ডি-ব্লকের খুরশিদা আক্তার (১৯)। তার পিতা নাম সৈয়দ আহম্মদ এবং মাতা সৈয়দা খাতুন। অপরজন ২৭ নং ক্যাম্পের ব্লক-৯ এর হাসিনা আক্তার বেবি (১৮)। তার পিতার নাম তৈয়ব আলী এবং মাতার নাম আরফা বেগম।

পুলিশ হেফাজতে নেয়া দুই তরুণীর বিষয়ে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায় সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো: শাহরিয়ার।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-সহকারি পরিচালক কবির হোসেন বলেন, হাসিনা আকতার কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের ব্যাপারি পাড়া বালিয়ামারী গ্রামের পিতা-আজিজুল হক, মাতা- নুরনেসা বেগম। আদিজা আক্তার ওরফে খুরশিদা চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ বাউনিয়ার চর গ্রামের ফয়জার শেখ, মাতা-রাবেয়া খাতুন নামসহ জন্ম নিবন্ধনসনদ দিয়ে পাসপোর্ট করতে আসে। এসময় তাদের সাথে কথা বলে মনে হয় তারা রোহিঙ্গা। পরে তাদেরকে কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়।

তারা সৌদিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে এসে ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে পাসপোর্ট করতে এসেছিল বলে জানায় পুলিশ।

নিউজ ট্যাগ: কুড়িগ্রাম

আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদেশীয় সিরিজ

শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া বাংলাদেশের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল নিয়ে আয়োজিত ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে এখন পর্যন্ত অপরাজিতই ছিল বাংলাদেশের নারীরা। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে নেমেছিল জুনিয়র টাইগ্রেসরা। তবে আসরজুড়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করা টাইগ্রেসরা তীরে এসে তরী ডোবাল। লঙ্কানদের বিপক্ষে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগে ব্যর্থ হয়ে কাছাকাছি গিয়েও ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা অধরাই রয়ে গেল বাংলাদেশের।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে গিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জবাবে বাংলাদেশ তাদের ২০ ওভারে ১১২ রানের বেশি তুলতে পারেনি।

১৪৮ রানের বড় লক্ষ্য তাড়ায় কখনোই ম্যাচে ছিল না বাংলাদেশ। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ইভা। আরেক ওপেনার সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণাও ১১ বলে মাত্র ২ রান করেন।

হাবিবা ইসলাম পিংকি ও সুমাইয়া আক্তারও অল্প রানে ফিরলে ২৩ রানে ৪ উইকেট হয়ে যায় বাংলাদেশের। বিপর্যয়ে পরা দলের হাল ধরেন রাবেয়া ও উন্নতি আক্তার। আসরজুড়ে দুর্দান্ত খেলা রাবেয়া এদিনও ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। তবে তা পর্যাপ্ত ছিল না। রাবেয়া ছাড়া আর কেই বলার মতো কোনো রান করতে না পারায় বড় ব্যবধানে হেরেই আসর শেষ করল বাংলাদেশ।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে দারুণ শুরু করেন দুই লঙ্কান ওপেনার নেতমি পর্না ও দেভিমি বিহাঙ্গা। দুজনে মিলে উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ১০৪ রান। নতুন বলে বাংলাদেশি বোলারদের পাত্তাই দেননি তারা। শুরুতে কিছুটা রক্ষণাত্মক খেললেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন দুজনেই।

ইনিংসের ১৫তম ওভারে এসে প্রথম উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। বিহাঙ্গাকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন নিশিতা আক্তার নিশি।

আরেক ওপেনারন পর্ণা শেষ পর্যন্ত ৫৭ বলে ৬৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন। ভিশমি গুনারত্নে তিনে নেমে করেন ১৩ বলে ১৪ রান। সবমিলিয়ে ১৪৮ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে লঙ্কানরা। বাংলাদেশের হয়ে একটি করে উইকেট পেয়েছেন রাবেয়া, নিশি ও জান্নাতুল মাওয়া।

নিউজ ট্যাগ: শ্রীলঙ্কা

আরও খবর
৪ বছরের জন্য ফুটবলে নিষিদ্ধ বিশ্বকাপজয়ী পগবা

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মিয়ানমার ইস্যুতে জটিল সমীকরণে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সীমান্তের ওপারে রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া সীমান্তরক্ষীদের (বিজিপি) ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ পর্যন্ত ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। একেই বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জটিলতা কাটছে না। এমতাবস্থায় নতুন করে সীমান্তরক্ষীদের আশ্রয়দানের পর যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তাতে করে বাংলাদেশকে বুঝেশুনে পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। এসব বিষয় যত দ্রুত সম্ভব আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে ধরারও পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

গত কয়েকদিন থেকে রাখাইনে চলছে বিরামহীন গুলির আওয়াজ। বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি ও সেনাসদস্যসহ মোট ৩২৮ জন বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। প্রায় ১৫ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা মাথায় নিয়ে চলা বাংলাদেশের সামনে তাই স্বাভাবিকভাবে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, মিয়ানমারের সেনাদের পালিয়ে অন্য দেশে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। তিনি বলেন, ভারতের সীমান্তে এর আগে এমনটা হয়েছে। গত বছরও দেশটিতে আশ্রয় নেয়। ভারত সরকার দ্রুত তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। চীনও তাই করেছে।

ড. ইমতিয়াজ জানান, পশ্চিমা সমর্থিত মিয়ানমারের বিদ্রোহী গ্রুপ পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ) জান্তা সরকারের ওপর হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে। তবে চীন চায় না পিডিএফ একক ক্ষমতা কাঠামো তৈরি করুক। সে কারণে তারা আরাকান আর্মিসহ বিভিন্ন গ্রুপকে সহায়তা দিচ্ছে। তিনি বলেন, আরাকান আর্মি সব দিক থেকে তাদের ক্ষমতা শক্তিশালী করেছে। অনেক জায়গা দখলও করেছে। যার প্রভাবে মিয়ানমারের জান্তা সেনারাও অনেক সময় পিছু হটছে। যাদের অনেকে বাংলাদেশে আশ্রয় পর্যন্ত নিয়েছে। যত দ্রুত পারা যায় তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো দরকার। তার আগে দেখে নিতে হবে ভারত ও চীন কীভাবে বিষয়টি সমাধান করছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশনা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ড. ইমতিয়াজ বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর নতুন করে হামলা হলে গণহত্যা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ কারণে তাদের ওপর হামলার ঘটনা দেখা যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সুযোগ নেই বলে মনে করেন এই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক।

রাখাইনে সংঘর্ষ চলতে থাকলে তা ভারত ও চীনের জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে বলে জানান ড. ইমতিয়াজ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উচিত বড় আকারে এ দুই দেশের সঙ্গে আলোচনায় বসা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে যাওয়ার আগে ইতোমধ্যে জানিয়েছেন তিনি ভারতের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন। সেই আলোচনায় ভারতকেও কথা বলতে হবে। আর যদি বাংলাদেশের দিকে হতাহত আরও বেড়ে যায় এবং মর্টারশেল বন্ধ না হয়, তা হলে আন্তর্জাতিকীকরণ আরও বাড়ানো দরকার। পাশাপাশি জাতিসংঘে যদি বিষয়টি উঠাতে হয়, তা হলে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। বিভিন্ন ফোরামকে কাজে লাগাতে হবে।

রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি ভবিষ্যৎ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ওপর প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, রাখাইনের সংঘাতের ওপর এ অঞ্চলে চীন-ভারতের দ্বন্দ্বও নির্ভর করবে। পালিয়ে আসারা কোনো বন্দি নয়, আবার শরণার্থীও নয়। তারা একটা পক্ষ ত্যাগ করে প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছেন। এখন বিজিবির হেফাজতে রাখা মানে হচ্ছে, তারা যে এখানে এসে আত্মসমর্পণ করেছে, সেটা গৃহীত হয়েছে।

এই নিরাপত্তা বিশ্লেষক বলেন, রাখাইন অঞ্চলে ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বলয় তৈরি হয়েছে। কাজেই রণক্ষেত্র না হলেও বাংলাদেশ একটা বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে যাচ্ছে। ভূ-রাজনৈতিক আঙ্গিকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশেষ করে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সীমান্ত এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের পথ খোঁজা জরুরি। পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেবে, সেটা সরকারকে বিবেচনা করতে হবে।


আরও খবর



ঘানায় সমকামী হিসেবে চিহ্নিত হলেই তিন বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

আফ্রিকার দেশ ঘানার সংসদে সমকামী বিরোধী কঠোর আইন পাস করা হয়েছে। এই আইনে বলা হয়েছে, কেউ যদি সমকামী (এলজিবিটিকিউ+) হিসেবে চিহ্নিত হয় তাহলে তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

এছাড়া যে বা যারা সমকামী গ্রুপ তৈরি ও অর্থায়ন করবেন তাদের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে। প্রথমে সমকামীদের কারাদণ্ডের বদলে সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং কাউন্সেলিংয়ের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। কিন্তু এটি হতে দেননি আইনপ্রণেতারা।

পূর্ব আফ্রিকার দেশটি কয়েক বছর ধরেই সমকামীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। এই আইনের মাধমে এটি আরও পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠল।

ঘানার প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলই এই নতুন আইনে সম্মতি দিয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-এড্ডো স্বাক্ষর করার পরই এটি কার্যকর করা শুরু হবে।

প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-এড্ডো এর আগে বলেছিলেন, যদি ঘানার বেশিরভাগ মানুষ এই আইনের পক্ষে রায় দেন; তাহলে এ সংক্রান্ত আইনে তিনি সম্মতি জানাবেন।

সমকামীদের পক্ষের লোকেরা জানিয়েছেন, তারা আশঙ্কা করছেন এই আইনের মাধ্যমে এখন সমকামী ও এবং তাদের সমর্থকদের খুঁজে খুঁজে বের করা হবে।

এছাড়া আইনে বলা হয়েছে, সমকামীদের বিষয়ে কোনো তথ্য জানা থাকলে সেটি কর্তৃপক্ষকে জানাতে। যেন তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

২০২১ সালের জানুয়ারিতে ঘানার রাজধানীতে একটি এলজিবিটিকিউ+ সেন্টার খোলা হয়। ওই সময় সাধারণ মানুষের প্রতিবাদে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ঘানার আইনপ্রণেতারা জানিয়েছেন, ওই সেন্টার খোলার কারণেই সমকামীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন করা হয়েছে।


আরও খবর



ভালোবাসা দিবসে সেন্টমার্টিনে গিয়ে যে আট কাজ করতে ভুলবেন না

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ভ্রমণ ডেস্ক

Image

বছরের এই সময়ে সমুদ্র অনেকটাই থাকে শান্ত। সূর্যের মিষ্টি আলো দিনভর আনন্দ দেয়। সৈকতের ধারে মৃদু ঠাণ্ডার রাতগুলো দেয় অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। সবমিলিয়ে এ সময়টাতে সেন্টমার্টিন নিঃসন্দেহে আদর্শ গন্তব্য। প্রবাল এবং সুন্দর বালুকাময় সমুদ্রসৈকত, তাজা নীল জলরাশির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য অবাক করে দেবে ভ্রমণপিপাসুদের।

বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিন রুটে সাধারণত সরকারি অনুমোদন নিয়ে জাহাজ পরিচালনা করা হয়। এই সময়ে কক্সবাজার থেকে জাহাজে করে সেন্টমার্টিন যেতে পারেন। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘর্ষের কারণে টেকনাফ রুটটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এই মৌসুমে অনেক লোক সেন্টমার্টিন-এ ভ্রমণ করে তাই সম্ভাবনা বেশি যে আপনি আপনার পছন্দসই হোটেল পেতে সমস্যার সম্মুখীন হবেন। ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে হোটেল-রিসোর্টগুলো আগে থেকেই বুকিং করে রাখা ভালো।

সেন্টমার্টিনে জাহাজ থেকে নেমেই আপনি ছোট বাজারের মধ্য দিয়ে একটি দীর্ঘ হাঁটা পথ দেখতে পাবেন। কিছুটা এগিয়ে গেলেই গভীর নীল সমুদ্রের সাক্ষী হবেন। সাগরের বাতাস স্পর্শ করলেই আপনার সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে। সেন্টমার্টিনে থাকাকালীন অনেক কিছুই আছে, যা উপভোগ্য। আপনার ভ্রমণকে করবে মোহনীয়। এসব উপভোগের সুযোগ কোনোভাবেই হাতছাড়া করা উচিত না। সেই বিষয়গুলোই এই লেখায় তুলে ধরছি।

১. সাইকেল নিয়ে সমুদ্র সৈকতে ঘোরাঘুরি : সেন্টমার্টিনের সকালটা থাকে খুব মনোরম। সকালের দৃশ্য উপভোগের সময় সমুদ্র সৈকতে সাইকেল চালাতে পারেন। বাজার এলাকা থেকে প্রতি ঘণ্টায় সাইকেল ভাড়া নিতে পারেন। খেয়াল রাখবেন, সাইকেল নেওয়ার সময় সাইকেল মালিক সময়টা সঠিক লিখেছেন কি-না। সাধারণত প্রতি ঘণ্টা ভাড়া আনুমানিক ৬০-১০০ টাকা পর্যন্ত হয়। রাইড শেষ করার পরে সাইকেলটি দোকানে ফেরত দিতে ভুলবেন না।

২. বার বি কিউ পার্টি : সেন্টমার্টিনে থাকাকালীন সন্ধ্যেটা উপভোগ্য করে তুলতে চাইলে বার বি কিউ পার্টি হতে পারে অন্যরকম সুন্দর। দ্বীপটি রেস্টুরেন্ট দিয়ে ঘেরা। এসব খাবারের দোকান থেকে সামুদ্রিক মাছ কিনে নিতে পারেন। ওয়াটার পমফ্রেট, টুনা, স্যামন, গলদা চিংড়ি, কাঁকড়া এবং আরও অনেক ধরনের মাছ রয়েছে। যেটা আপনার পছন্দ হয়, কিনে নিতে পারবেন।

৩. ভ্যানে ঘোরা : দ্বীপটি এতই ছোট যে সেখানে খুব কম পরিবহনের বিকল্প পাওয়া যায়। এক গন্তব্য থেকে অন্য গন্তব্যে যেতে স্থানীয়রা বেশিরভাগই হাঁটা পছন্দ করেন। তবে হাঁটতে ভালো না লাগলে আপনি ভ্যান ভাড়া করতে পারেন। চার থেকে পাঁচজন ভ্যানে চড়ে দ্বীপের চারপাশটা দেখে আসতে পারেন।

৪. রোমাঞ্চকর চাঁদের আলো উপভোগ : আপনার সফরের তারিখগুলো যদি জ্যোৎস্নার সঙ্গে মেলে, তাহলে আপনি চাঁদের আলোর নিচে সবচেয়ে মোহনীয় অভিজ্ঞতা পেতে পারেন। চাঁদের আলো সবকিছুকে আরও একটু জীবন্ত করে তোলে। সেন্টমার্টিনে পূর্ণিমার সৌন্দর্য এমন একটি বিষয়, যা আপনি সেখানে পর্যবেক্ষণ করতে না যাওয়া পর্যন্ত বুঝতে পারবেন না।

৫. সমুদ্র সৈকতে একটি রাত : যদি আপনি চাঁদনী রাতের অভিজ্ঞতার সুযোগটি হাতছাড়া করেন, সৈকতের পাশে একটি রাত- আপনার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সেন্টমার্টিনে বিদ্যুৎ না থাকায়, নারকেল গাছের মৃদু আওয়াজসহ রাতগুলো আপনাকে শান্তি দেবে ভীষণ। সমুদ্রের শান্ত শব্দ পুরো সফরটিকে সার্থক করে তুলতে যথেষ্ট।

৬. সূর্যোদয় বা সূর্যাস্ত : সেন্ট মার্টিন দ্বীপে, আপনাকে অবশ্যই সকালে উঠতে হবে। প্রতিদিন সূর্যোদয় দেখাটা বাধ্যতামূলক। সূর্যোদয়ের সময় সকালের তাজা বাতাস বুক ভরে নিলে ঘুমের জন্য অনুশোচনা থাকবে না। অন্যদিকে, সূর্যাস্তও একইভাবে আকর্ষণীয়। সৈকতে দুর্দান্ত সব ছবি তোলার জন্য এটি উপযুক্ত সময়। এ সময়টাতে আকাশ রঙ পরিবর্তন করে এবং সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ।

৭. শুটকির জন্য যুদ্ধ : শুটকি মাছ উপকূলীয় মানুষের মধ্যে খুব জনপ্রিয়। স্থানীয় দোকানদাররা পর্যটকদের কাছে বেশি দাম দাবি করে। তাই স্বস্তায় পেতে কেনাকাটা করার সময় দর কষাকষি করতে ভুলবেন না।

৮. ছেড়াদ্বীপ : ছেড়াদ্বীপ, দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য। জোয়ারের সময় সেন্টমার্টিন থেকে এটি বিচ্ছিন্ন থাকে। ভাটার সময়, প্রায় দেড় ঘন্টা হেঁটে সেখানে যাওয়া সম্ভব। তবে নৌকা এবং মোটরবোটেও সেখানে যেতে পারবেন। সেজন্য বাজারেই ঘাঁটে নৌকার মালিকদের কাছ থেকে ভাড়া ঠিক করে নিতে হবে।


আরও খবর
সময় এখন ক্যাম্পিংয়ের

বুধবার ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ফি কমাল চীন

শনিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২৩




চিতাবাঘটির হত্যাকাণ্ড তদন্তে মতপার্থ্যক্য

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

Image

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার তোড়িয়া ইউনিয়নের দ্বারখোর সীমান্ত এলাকার নাগর নদ থেকে উদ্ধার মৃত চিতাবাঘটিকে হত্যা করা হয়েছে প্রাথমিক তদন্তে এই তথ্য উঠে এসেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের ধরন নিয়ে মতপার্থ্যক রয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে মৃত্যুর আসল কারণ যাবে বলছেন তারা।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাঘটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধারের পর বন বিভাগ থেকে জানানো হয়, তাদের ধারণা বাঘটি ভারত থেকে এসেছে। বাঘের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে নামে দুটি টিম। একটির তদন্ত করছেন বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের তিন সদস্য। অপরটি স্থানীয়ভাবে জেলা বন বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর সমন্বিতভাবে তদন্ত করছে।

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের তদন্ত কমিটির প্রধান বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক বলেন, আমরা স্থানীয় লোকজন, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে তথ্য নিয়েছি। প্রাথমিক তদন্তে আমরা পেয়েছি বাঘটিকে হত্যায় স্থানীয়রা জড়িত ছিল। হত্যা করা হয় শ্বাসরোধে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে সম্পূর্ণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

স্থানীয়ভাবে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান আটোয়ারী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হত্যার কারণ হিসেবে পিটিয়ে, বিষ প্রয়োগসহ তিন ধরনের তথ্য এসেছে। ময়নাতদন্তে এ ধরনের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ভিসেরা পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এজন্য ঢাকায় ল্যাবে নমুনা পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন কত দিনের মধ্যে আসবে তা বলা যাচ্ছে না।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় দ্বারখোর সীমান্ত এলাকার মানুষ বাঘটিকে লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া করছেন। তখন বাঘটি ভয়ে নদের পানিতেই ছোটাছুটি করছে। মানুষজন নদীতে নেমে মাছ ধরার জাল দিয়ে বাঘটিকে তাড়া করতে থাকেন। তখন নদের তীরে একটি জঙ্গলে আশ্রয় নেয় বাঘটি। সেখানেও ধাওয়া দিলে আবার নদীতে নামে বাঘটি। একপর্যায়ে বাঘটি ক্লান্ত হয়ে স্থানীয়দের জালে ধরাশায়ী হয়। পরে বাঘটিকে ধরে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হত্যার পর বাঘটিকে একটি বাঁশে বেঁধে নেওয়া হয় বোধঁগাঁও বিজিবি ক্যাম্পে। সেখান থেকে বাঘটিকে নেওয়া হয় বারঘাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে। সেখান থেকে বাঘটিকে ময়নাতদন্তের জন্য আটোয়ারী উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে নেওয়া হয়।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল জব্বার বলেন, চেঁচামেচি শুনে আমি কাছে যাই। দেখি বাঘটি বসে আছে। কাছে গেলেও বাঘটি নড়াচড়া করতে পারছিল না। আমরা তখন একটি জাল দিয়ে বাঘটিকে ঢেকে দেই। তখন বাঘটি নড়াচরা শুরু করলে একটি লাঠি দিয়ে ভালো করে জালে পেঁচিয়ে ধরি। তখন বাঘটি মনে হয় মারা গিয়ে নদীতে ডুবে যাচ্ছিল। পরে নদী থেকে ডাঙায় নিয়ে একটি বাশঁ দিয়ে বাঘের চার পা বেঁধে সামনে নিয়ে আসি।

স্থানীয়দের দাবি নয় দিন আগে এক কৃষকের গরু খেয়ে ফেলেছিল বাঘটি। পরে গরুটিতে বিষ ছিটিয়ে রাখা হয়। সেই গরুটি আবারো খেয়ে নদীতে পানি খেতে নামে বাঘটি। সেখানেই মরে পড়ে থাকতে দেখেন নাগর নদে মাছ ধরতে যাওয়া কয়েকজন। পরে বাঘটিতে উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় গৃহবধূ ময়না বেগম বলেন, গত রবিবার আমার একটি গরু মারা যায়। গরুটিকে বাঘ নাকি শিয়াল আক্রমন করেছিল জানি না। তবে আমার ছোট ছেলে বলেছিল আমাদের এতবড় ক্ষতি করল, আমি তাকেও মেরে ফেলব। এরপর সে গরুর মধ্যে অল্প করে দানাদার বিষ দিয়েছে বলে শুনেছি। এখন বাঘটি বিষ খেয়ে মারা গেছে, নাকি ঠান্ডায় অসুস্থ বা অন্য কোনো কারণে মারা গেছে আমি জানি না।

তোড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে আমার বাড়ি সাড়ে তিন কিলোমটিার দূরে। স্থানীয়দের কাছে শুনতে পাই একটি বাঘ গরু খেয়েছে। পরে গরুতে বিষ দেওয়া হলে বাঘটি গরুটি খেয়ে মারা যায়। বাঘটিকে পিটিয়ে হত্যার বিষয়টি আমি জানতাম না। ঢাকা থেকে একটা টিম এসেছে শুনেছি, আমার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি।

বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক বলেন, আমরা বিশেষ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাঘের শরীর এবং উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত জাল থেকে কিছু নমুনা সংগ্রহ করেছি। বিষ টোপের কারণে না কি আঘাতে বাঘের মৃত্যু হয়েছে, সেটা পরে নিশ্চিত করে বলা যাবে। আমাদের তদন্তে উঠে আসা বিষয়গুলো নিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করব।

বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি চিতা বাঘ হত্যা করলে তিনি সর্বোচ্চ তিন বছর কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটাইলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে শর্ত থাকে চিতা বাঘ কোনো ব্যক্তিকে আক্রান্ত করলে এবং এতে তার জীবনশঙ্কার সৃষ্টি হলে জীবন রক্ষার্থে আক্রমণকারী চিতা বাঘ হত্যার ক্ষেত্রে এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না। তবে আরও শর্ত থাকে এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো মামলা দায়েরের প্রশ্ন দেখা দিলে, সংশ্লিষ্ট স্টেশন কর্মকর্তা ওয়ার্ডেনের সঙ্গে পরামর্শ করে মামলা দায়ের করতে পারবেন। বাঘের মৃত্যুর ঘটনায় শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা বা অভিযোগ দায়ের হয়নি।

জানতে চাইলে পঞ্চগড় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মধুসুধন বর্মন বলেন, হত্যা হলেও সেটা পিটিয়ে না কি শ্বাসরোধে তা নিশ্চিত হয়। ঢাকা থেকে বন বিভাগের লোকজন এসে তদন্ত করছে। স্থানীয়ভাবেও তিন সদস্যর একটি তদন্ত দল তদন্ত করছে। মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যারা দোষী শনাক্ত হবেন আইন অনুযায়ী অবশ্যই তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: পঞ্চগড়

আরও খবর
৯ ছাত্রীর চুল কাটার ঘটনায় শিক্ষিকা বরখাস্ত

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪