আজঃ শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১
শিরোনাম

কুড়িগ্রামের দুই ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ জানুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৭৯জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ভূরুঙ্গামারী ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান রোজনের বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণকে লাঞ্ছিত, পূজামণ্ডপের দোকান তুলে দেওয়া, পল্লী বিদ্যুতের

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান রোজন এবং চররাজীবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর ছক্কুকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। রবিবার (১৭ জানুয়ারি) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আলাদা দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদেরকে বরখাস্ত করা হয়।

মন্ত্রণালয়রে সিনিয়র সহকারী সচিব মোঃ আবু জাফর স্বাক্ষরিত আলাদা দুটি পত্রে বলা হয়েছে, ভূরুঙ্গামারী ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান রোজনের বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণকে লাঞ্ছিত, পূজামণ্ডপের দোকান তুলে দেওয়া, পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিতসহ ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের হুমকি প্রদানের অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রেসক্লাবের সম্পাদক এমদাদুল হক মন্টুকে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং তিনি গ্রেপ্তার হন। এমতাবস্থায় প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে তার দায়িত্ব পালন সমীচীন নয় মনে করে জনস্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

অপরদিকে রাজীবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর ছক্কুর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যাতিরিকে হাট-বাজার ইজারা (নিলাম) দেওয়া, ভিজিডি কার্ড প্রদান ও নাম পরিবর্তনে অনিয়ম, হাট সেডের মালামাল সরকারি নিয়ম না মেনে নিলাম দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম ভূরুঙ্গামারী সদর চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান রোজনের সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অপরদিকে চররাজীবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর ছক্কুর সাময়িক বরখাস্তের অফিসিয়াল কোনও কাগজপত্র এখনও পাওয়া যায়নি।

নিউজ ট্যাগ: কুড়িগ্রাম
Share

সবাই নজরদারিতে আছেন: ওবায়দুল কাদের

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১




আওয়ামী লীগ নেতার সাড়ে ৫ হাজার বিঘা জমি ও ৫৫ গাড়ি ক্রোকের নির্দেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অর্থপাচার মামলায় ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হোসেন রুবেলের ৪৮৭টি তফসিলে ৫৭০৬ বিঘা জমি, ৫৫টি বাস ও ১৮৮টি হিসাবসহ পৌনে ১০ কোটি টাকা ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রাজধানীর কাফরুল থানায় মানিলন্ডারিং মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তাপস কুমার পাল এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, অর্থপাচার মামলায় সাজ্জাদ হোসেন বরকত, তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ পাঁচজনের ৮৮টি ব্যাংক হিসাব ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১৮৮টি ব্যাংক হিসাবে থাকা প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং তাঁদের মালিকানাধীন ৫৫টি বাস, ট্রাক ও ব্যক্তিগত গাড়ি ক্রোক করারও আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন বরকত ও রুবেল। এ ছাড়া মাদক ব্যবসা, ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন তারা। এসি, নন-এসিসহ ২৩টি বাস, ড্রাম ট্রাক, বোল্ডার, পাজেরো গাড়ির মালিক ছাড়াও টাকার উল্লেখযোগ্য অংশ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন তারা। প্রথম জীবনে এই দুই ভাই রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে এক বিএনপি নেতার ফরমাশ খাটতেন। তখন তাদের সম্পদ বলতে তেমন কিছুই ছিল না।

Share

অবশেষে নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে মামলা

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১




আগামী বছরই কক্সবাজার-দোহাজারী পথে ট্রেন চলবে : রেলমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রেলপথমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, চট্টগ্রাম থেকে পর্যটন নগরী কক্সবাজার পর্যন্ত  রেলপথ নির্মাণের কাজ প্রায় ৫০ ভাগ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ শেষ হলেই আগামী ২০২২ সালের ডিসেম্বরে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে দোহাজারী-রামু-ঘুমধুম রেলপথ।

আজ শনিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দোহাজারী-রামু-ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত ভূমির ক্ষতিগ্রস্তদের চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেলপথমন্ত্রী এ কথা বলেন।

রেল মন্ত্রণালয়কে একটি অকেজো ও পরিত্যক্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছিল- এমন অভিযোগ করে রেলমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী গভীরভাবে অনুধাবন করেছেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন না হলে দেশ অনেক পিছিয়ে থাকবে। তাই, তিনি দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় এই খাতকে সচল করেছেন। রেল মন্ত্রণায়লকে আলাদা করেছেন। এরই মধ্যে দেশের সব জেলায় রেল পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেছেন। তার মধ্যে তিনি কক্সবাজারকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে অধিগ্রহণকৃত ভূমির ২৮ জন ক্ষতিগ্রস্তের হাতে তিন কোটি টাকার চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে চকরিয়া পালাকাটা-মেধাকচ্ছপিয়া মৌজার ২৭ জন ও সদরের ঝিলংজা মৌজার একজন চেক গ্রহণ করেন।

নূরুল ইসলাম সুজন আরও বলেন, জাতীয় স্বার্থে কক্সবাজারে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে অনেকে সরকারকে জমি দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বার্থে এই জমি নিচ্ছেন। তার বদৌলতে দিচ্ছেন তিনগুণ ক্ষতিপূরণ। এই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল রেল নিয়ে। অনেকে কথা দিয়ে কথা রাখেনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনে মানুষের জন্য রেলপথ নির্মাণসহ নানা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। মনে রাখতে হবে, এটি শুধু কক্সবাজারের না পুরো দেশের সম্পদ। আর রেল এলে আন্তর্জাতিকভাবে আরও সমাদৃত হবে কক্সবাজার। এতে পাল্টে যাবে অর্থনৈতিক চিত্র। রেলকে কেন্দ্র করে স্বাবলম্বী হবে মানুষ।

রেলমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে সিঙ্গেল লাইন থেকে ডাবল লাইন ট্র্যাক নির্মাণ করা হবে। উন্নয়নের জন্য রাজনীতিবিদদের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ রাজনীতিবিদদের ডিঙিয়ে কোনো উন্নয়ন সম্ভব না। তাই সবার ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রীর জনকল্যাণমূলক এই প্রকল্প অচিরেই আলোর মুখ দেখবে ইনশাল্লাহ।

জেলা প্রশাসক ড. মো. মামুনুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য জাফর আলম, সংসদ সদস্য কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম রেজা, রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আমিন আল পারভেজ।

এর আগে মন্ত্রী চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের রামু অংশের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনে যান। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

Share



বরেণ্য অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামানের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | ৩৮২জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

মন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোক বার্তায় মন্ত্রী আরো জানান, "দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র এ টি এম শামসুজ্জামানের মৃত্যু অপূরণীয় ক্ষতি। চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন নাটকের অপ্রতিদ্বন্দ্বী এই অভিনেতা তাঁর অসামান্য অভিনয়ের মাধ্যমে দেশের মানুষের হৃদয়ে দীর্ঘকাল বেঁচে থাকবেন।"

অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান, সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে কোয়েল আহমেদ।

শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ০৬ মিনিটে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কোয়েল আহমেদ বলেন, ‘আব্বা আর নেই। আব্বা আর নেই। শুক্রবার বিকেলে আব্বাকে বাসায় নিয়ে আসছিলাম। উনি হাসপাতালে থাকতে চাইছিলেন না। তাই বাসায় নিয়ে আসছিলাম। আমি রাত ২টা ৩০ মিনিটে আব্বার বাসায় আসছি।

অভিনেতা কখন মারা গেছেন জানতে চাইলে ‘জানি না’ বলেই আবারও অঝোরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তার মেয়ে। বাবার আত্মার শান্তির জন্য দোয়া চেয়েছেন কোয়েল।

এর আগে গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুরান ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এটিএম শামসুজ্জামানকে। তার অক্সিজেন লেভেল কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে ডা. আতাউর রহমান খানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন জনপ্রিয় এ অভিনেতা।

১৯৬৫ সালে অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র আগমন হয় এটিএম শামসুজ্জামানের। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় আসেন তিনি। প্রবীণ এ অভিনেতা আজও দর্শকের কাছে নন্দিত।

Share



সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে মুরগির

প্রকাশিত:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | ৭৩জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ব্রয়লার, সোনালি মুরগি ও লেবুর। তবে দাম কমেছে আলুর ও সবজির। অপরদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজ, গরু, খাসির মাংসসহ অন্য পণ্যের দাম।

সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, শালগম বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা, গাজর ২০ টাকা, শিম ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ২০ থেকে ৩০ টাকা, করলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পাকা টমেটো ২০ টাকা, কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, বরবটি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। প্রতিটি লাউ আকারভেদে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়, ফুলকপি ২০ থেকে ৩০ টাকা, বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। মিষ্টি কুমরার কেজি ৩০ টাকা, আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা কেজি, সিসিংগা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি।

হালিতে ৫ টাকা কমে কলা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকায়, জালি কুমড়া ৩০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে। ২০ টাকা দাম বেড়ে লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা।

এছাড়াও আদা প্রতিকেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, রসুনের কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকা। 

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়। প্রতি কেজি বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৪ টাকা, মিনিকেট ৬৫ টাকা, নাজির ৬৫-৬৮ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪৮ টাকা, পোলাওয়ের চাল ১০০ টাকা। খোলা ভোজ্যতেলর লিটারের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা।

গত সপ্তাহের দামে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়, হাঁসের ডিম ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা। 

প্রতি কেজিতে ৫০ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে সোনালি মুরগি (কক) ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়।

বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা, মহিষ ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা।

বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মাগুর মাছ ৬০০ টাকা, প্রতি এক কেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, মৃগেল ১১০ থেকে ১৫০ টাকা, পাঙাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, ইলিশ প্রতি কেজি (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ১,০০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, ফোলি মাছ ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, পোয়া মাছ ২০ আগের ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, পাবদা মাছ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, টেংরা মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, টাটকিনি মাছ ১০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কৈ দেশি মাছ ১৫০ থেকে ৭০০ টাকা, কাঁচকি ও মলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, আইর মাছ ৫০০, রিডা মাছ ২২০ টাকা ও কোরাল ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, গুড়া বাইলা ১২০ টাকা, রূপচাঁদা মাছ প্রতিকেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: বাজার দর
Share



স্বরূপকাঠিতে রিক্সা চালকদের কাছ থেকে চাঁদা নেয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৭৮জন দেখেছেন
Share
হযরত আলী হিরু, স্বরূপকাঠি

Image
সম্প্রতি আরাফাত নতুন একটি বউ গাড়ী কিনলে ওই তিন ব্যাক্তি পূর্বের ন্যায় তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। উপায়ন্তর না দেখে আরাফাত বিষয়টি পৌর মেয়র গোলাম কবির

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে রিক্সা চালানোর ক্ষেত্রে চালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বরূপকাঠি পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের রিক্সা চালক মো. আরাফাত হোসেন বাদী হয়ে মো. মোস্তফা, আব্দুস সালাম ও নূর ইসলাম নামের তিন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে নেছারাবাদ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেন অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

থানায় দায়ের হওয়া অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, স্বরূপকাঠি পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের আব্দুল আউয়ালের ছেলে আরাফাত হোসেন (৩০) কিছুদিন পূর্বে জীবিকার তাগিদে একটি বউ গাড়ি (রিক্সা) ক্রয় করে চালানো শুরু করে। এসময় রিক্সা চালাতে হলে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত শওকত আলীর ছেলে মো. মোস্তফা (৫৫), আব্দুল খালেকের ছেলে আব্দুস সালাম (৪৫) ও উপজেলার কামারকাঠি এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে নূর ইসলাম। অন্যথায় রিক্সা চালাতে দেয়া হবেনা মর্মে হুমকি দেয়। ভয়ে আরাফাত তাদের দাবীকৃত পাঁচ হাজার টাকা তাদের দিয়ে দেয়। এর কিছুদিন পর ওই গাড়ীটি পুরোনো হলে নতুন একটা গাড়ী ক্রয়ের উদ্দেশ্যে সেটা বিক্রি করলে ওই তিন ব্যাক্তি তার কাছে আরো দুই হাজার টাকা চাঁদা দাবী করলে আরাফাত তাদের এক হাজার টাকা প্রদান করে।

সম্প্রতি আরাফাত নতুন একটি বউ গাড়ী কিনলে ওই তিন ব্যাক্তি পূর্বের ন্যায় তার কাছে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। উপায়ন্তর না দেখে আরাফাত বিষয়টি পৌর মেয়র গোলাম কবিরকে জানালে মেয়র ঘটনাটি শুনে তাকে ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য থানায় যাবার পরামর্শ দেয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধীক রিক্সা চালকরা অভিযোগ করেন এ উপজেলার পূর্ব পাড়ে রিক্সা চালাতে হলে ওই সকল ব্যাক্তিকে এভাবে চাঁদা দিয়ে রিক্সা চালাতে হয়। এটা এখন এক প্রকারের নিয়মে পরিনত হয়েছে।

গতকাল রবিবার সকালে আল আমিন নামের এক বৌ গাড়ি চালক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শিশু রোগী সহ দুই মহিলা যাত্রী নিয়ে সেহাংঙ্গল যাবার সময় অভিযুক্ত মোস্তফা স্বরূপকাঠি কেন্দ্রিয় পূজা মন্দিরের কাছে গাড়িটি আটকায়। এসময় ওই যাত্রীরা রোগীর কথা উল্লেখ করে গাড়ীটি ছেড়ে দিতে অনুরোধ করলেও মোস্তফা বেশ সময় গাড়িটি আটকিয়ে রাখেন। গাড়ী আটকানোর কারণ জানতে চাইলে ওই চালক আল আমিন জানায় তিনি পূর্বে ভ্যানগাড়ি চানাতেন সেসময় তিনি মোস্তফাকে টাকা দিয়েছেন এখন বৌ গাড়ি কিনলে মোস্তফা আবার তার কাছে তিন হাজার টাকা চাঁদা দাবী করছে সেই টাকার জন্যই তার গাড়ী আটকানো হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে পৌর মেয়র গোলাম কবির বলেন, ওই রিক্সা চালক বিষয়টি নিয়ে আমার কাছে আসলে প্রাথমিকভাবে আমি এর সত্যতা খুজে পাই তাই আইনি ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য তাকে থানায় যাবার পরামর্শ দেই। পরবর্তীতে আরও কয়েকজন চালক একই অভিযোগ নিয়ে আমার কাছে আসলে তাদেরকেও একই পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়াও এখানে রিক্সা চলাচলের ক্ষেত্রে চাঁদা উত্তোলন, অতিরিক্ত ভাড়া সহ বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অতিদ্রুতই এসকল অনিয়ম বন্ধে কার্যকরী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ ব্যাপারে নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেন বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে চাঁদাবাজীর ক্ষেত্রে কাউকে কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবেনা। বিষয়টি তদন্তপূর্বক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  

Share

স্বরূপকাঠিতে চার জুয়াড়ির কারাদণ্ড

বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১