আজঃ বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১
শিরোনাম

কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২০, শনাক্ত ২৮.২৯ শতাংশ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১১ জন করোনা ও তিন জনের করোনার উপসর্গ ছিল। রবিবার (১৮ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার (১৯ জুলাই) সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এদের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় আরও ২০৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার গত দিনের চেয়ে বেড়ে ২৮.২৯ শতাংশ হয়েছে।

গত ৭ দিনেই কুষ্টিয়ায় করোনা আক্রান্ত ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১ হাজার ৫৮৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত শুধু করোনা আক্রান্ত ৪২০ জনের মৃত্যু হলো।

এদিকে কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেডেট জেনারেল হাসপাতালে রোগীর চাপ অব্যাহত আছে। তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোমেন জানান, ২শ বেডে করোনা ও এর উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন ২৫৩ জন। এর মধ্যে করোনা শনাক্ত রোগীই ১৮৩ জন। বাকীরা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন। প্রায় ৭০ শতাংশ রোগীদের অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে।


আরও খবর



মিথ্যাচার বাদ দিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান : কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ০২ আগস্ট 2০২1 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ আগস্ট 2০২1 | ৫১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিএনপিকে সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপ্রসূত মিথ্যাচার বাদ দিয়ে করোনায় অসহায় ও আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সোমবার (২ আগস্ট) সকালে সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মাঠে থেকে জনমানুষের পাশে রয়েছে, অন্যদিকে বিএনপি গৃহকোণে অবস্থান করছে। করোনা সংকটে সরকার নাকি কিছুই করছে না, বিএনপিই নাকি জনগণের সঙ্গে রয়েছে, বিএনপি মহাসচিবের এসব আজগুবি এবং কাল্পনিক। এটা তাদের অক্ষমতা আর ব্যর্থতা আড়াল করার অপপ্রয়াস। বিএনপি করোনা সংকটে জনগণকে পাশে আছে, এ কথা পাগলেও বিশ্বাস করেনা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি গৃহকোণে আইসোলেশনে থেকে গোয়েবলসীয় কায়দায় বাক্য চর্চা করছে, সংকট দেখলে বিএনপি নেতারা শামুকের মতো খোলসের আড়ালে গুটিয়ে থাকা আর পলায়নপরতা জনগণের কাছে এখন স্পষ্ট। যারা নির্বাচনে অংশ নিয়ে নির্বাচনের দিন ঘরে বসে থাকে আর আন্দোলনের ডাক দিয়ে দরজা-জানালা বন্ধ করে পুলিশের গতিবিধি দেখে, তারা নাকি করোনাকালে জনমানুষের সাথে রয়েছে, একথা এখন কেউই বিশ্বাস করে না।

সরকার নাকি করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে লুকোচুরি করছে, বিএনপি নেতাদের এই হাস্যকর অভিযোগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনার নমুনা পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন, ফলাফলসহ প্রতিটি বিষয়ে প্রযুক্তির সহায়তায় এবং বিভিন্ন অ্যাপসের মাধ্যমে সম্পন্ন হচ্ছে, এখানে তথ্য লুকানোর কোনো সুযোগ নেই।

এ করোনাকালে বিএনপিকে হাজার পাওয়ারের বাতি জালিয়েও কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, তারা করোনা সংকটকে দেখছে চোখ বন্ধ করে অন্ধের হাতি দেখার মতো করে।

গার্মেন্টস খুলে দেওয়ার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিবের নেতিবাচক মন্তব্য সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ফখরুল সাহেব একদিকে শ্রমিকদের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেন, অপরদিকে গার্মেন্টস খুলে দিলেও আবার বিরোধিতা করেন।

ইতোমধ্যেই বিশ্ববাজারে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ থেকে ভিয়েতনাম এগিয়ে গেছে, করোনাকালে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় পোশাক রপ্তানি কমেছে, এই প্রেক্ষাপটে রপ্তানি আদেশসমূহ কোনোভাবে বাতিল হোক- তা চায় না সরকার। জীবন ও জীবিকার সঙ্গে সমন্বয় করে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সরকার সচেষ্ট।

ভ্যাকসিন নিয়ে বর্তমানে কোনো সংকট নেই, অথচ একটি মহল ভ্যাকসিন সংকট আছে বলে আতঙ্ক তৈরির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন এই স্বার্থান্বেষী মহল সংকটে মানুষের মনোবল ভেঙে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী একদিকে টিকাদান কার্যক্রম চলতে থাকবে, অন্যদিকে ভ্যাকসিন আসাও অব্যাহত থাকবে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন একসঙ্গে কয়েক কোটি ভ্যাকসিন জমিয়ে রেখে কার্যক্রম শুরু করার কথা যারা ভাবছেন, তারা সঠিক বলছেন না। ভ্যাকসিন একদিকে আসতে থাকবে পাশাপাশি ভ্যাকসিন প্রদানের কর্মসূচিও চলতে থাকবে। এ নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আগামী সাত আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী গ্রাম পর্যায়ে গণটিকাদান কার্যক্রম। এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সমন্বয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে ইতোমধ্যে সরকার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্র থেকে জেলা,উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে প্রশাসনকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।


আরও খবর



গৃহকর্মীদের নিবন্ধন করছে শ্রীলঙ্কা সরকার

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ জুলাই ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শ্রীলংকার যারা গৃহকর্মীর কাজ করছে কিংবা যারা এই পেশায় নিয়োগ পেতে চায়, তাদের সবাইকে স্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে নিবন্ধন করার আদেশ দিয়েছে দেশটির সরকার। এ মাসে বিরোধী দলীয় এক রাজনীতিবিদের বাড়িতে কর্মরত ১৬ বছর বয়স্ক একটি মেয়ের মৃত্যুর পর এই পদক্ষেপ নেয়া হলো। এ খবর বিবিসি বাংলার।

ওই ঘটনাটির পর শ্রীলংকায় হাজার হাজার গৃহকর্মীর কাজের পরিবেশ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। সেই মেয়েটি আগুনে পোড়ার ক্ষতের কারণে মারা যায়। কিন্তু ময়না তদন্তে দেখা যায়, তার ওপর যৌন অত্যাচার চালানো হয়েছিল।

রিশাদ বাথিউদিন নামে ওই রাজনীতিবিদের তিনজন আত্মীয়কে এ ব্যাপারে গ্রেফতার করা হয়েছে। দেশটির একজন মন্ত্রী বলেছেন, নতুন এই পদ্ধতির ফলে তাদের যেন জোর করে কাজ করানো না হয় তা নিশ্চিত হবে।

শ্রীলংকার আইন অনুযায়ী, বাবুর্চি ও অন্যান্য গৃহকর্মীদের জন্য ন্যূনতম বেতন ঠিক করা নেই। এদের বেশিরভাগই তামিল জাতিগোষ্ঠীর, ব্রিটিশ জামানায় যাদের পূর্বপুরুষকে চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে ভারত থেকে আনা হয়েছিল।

অনেকেই গৃহকর্তার বাড়িতে থেকেই কাজ করেন এবং গড়পড়তা মাসে ১০০ ডলার সমপরিমাণ অর্থ বেতন পান। অধিকার কর্মীরা অভিযোগ করছেন, এই গৃহকর্মীদের অনেককেই কোন বিরতি ছাড়া দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয় এবং নানা রকম নির্যাতন ভোগ করতে হয়।



আরও খবর
ভারতে আবারও বেড়েছে মৃত্যু

বুধবার ০৪ আগস্ট ২০২১




সাতক্ষীরা সীমান্তে বাংলাদেশি নারীকে ধর্ষণ গ্রেফতার বিএসএফ কর্মী

প্রকাশিত:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ | ১০১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাতক্ষীরা থেকে দিলীপ কুমার দেব:

ভারত থেকে স্থলপথে দেশের ফেরার সময় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) হেফাজতে থাকা এক বাংলাদেশিকে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। এই অভিযোগে বিএসএফ-এর এক এসআইকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ওই বিএসএফকর্মীর নাম রামেশ্বর কয়াল। তাকে দুই দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বনগাঁ মহকুমা আদালত।

সাতক্ষীরা সীমান্তের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওই নারী বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের বাসিন্দা। তিন বছর ধরে গুজরাটের একটি শাড়ির শোরুমে কাজ করছেন তিনি। বুধবার বৈধ পাসপোর্ট ছাড়াই দালালের সাহায্যে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরছিলেন। এ জন্য দালালকে তিনি ও তার বান্ধবী মিলে মোট ৩০ হাজার রূপি দেন। কিন্তু সাতক্ষীরার সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা সীমান্তের ওপারে ভারত সীমান্তের গাইঘাটা এলাকার বিএসএফ-এর ১৫৮ ব্যাটালিয়ন সদস্যদের হাতে আটক হন তারা। এরপর রাতে ক্যাম্পে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী।

ওই নারীর অভিযোগ, আমি এবং আমার এক বান্ধবী ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরার পথে বিএসএফ-এর হাতে ধরা পড়ি। কিন্তু দালালকে ধরা যায়নি। এরপর ক্যাম্পে আমাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে রামেশ্বর নামে এক বিএসএফ কর্মকর্তা একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে আমাকে ধর্ষণ করে। তিনি আরও বলেন, তাদের কোনো বৈধ পাসপোর্ট ছিল না। তাই চোরাই পথে তারা বাংলাদেশে ফিরছিলেন।

এদিকে, ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে বিএসএফ কর্মকর্তা গ্রেফতার করেছে স্থানীয় গাইঘাটা থানার পুলিশ। এরপর তাকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হলে দুই দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন আদালত।

বনগাঁ মহকুমা আদালতের মুখ্য সরকারি আইনজীবী জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ওই নারীর বয়ান রেকর্ড ও তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে।


আরও খবর



অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকায় ৯৮ শতাংশ অ্যান্টিবডি

প্রকাশিত:সোমবার ০২ আগস্ট 2০২1 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ আগস্ট 2০২1 | ৬৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৯৮ শতাংশ মানুষের দেহে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। তবে এর মধ্যে যারা টিকা গ্রহণের আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং সুস্থ হওয়ার পর টিকা নিয়েছেন, তাদের দেহে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি বেশি পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।

সোমবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) প্রকাশিত টিকা সংক্রান্ত একটি গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ হোসেন, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. সালাহউদ্দীন শাহ সহ-গবেষক হিসেবে প্রকল্পটিতে যুক্ত ছিলেন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত এবং সেরাম ইন্সটিটিউট ভারতে প্রস্তুত করা কোভিশিল্ড দিয়ে দেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে আরও কয়েক ধরনের টিকা এ কর্মসূচিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। টিকাদানের উদ্দেশ্য হলো মানবদেহে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করা, যা ভবিষ্যতে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার এবং আক্রান্ত হলেও রোগের তীব্রতার আশঙ্কা কমায় বলে আগের গবেষণায় জানা গেছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৯৮ শতাংশ মানুষের দেহে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

জানা যায়, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত করোনার টিকা গ্রহণকারী ২০৯ জন এই গবেষণায় স্বেচ্ছায় অংশ নেন। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তিন-চতুর্থাংশ পুরুষ এবং অর্ধেকের বেশি স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে জড়িত। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৩১ শতাংশের আগে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ইতিহাস আছে। অর্ধেকেরও বেশি অংশগ্রহণকারী আগে থেকেই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানিসহ অন্যান্য রোগে ভুগছিলেন। তবে এ ধরনের রোগের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টিকাগ্রহণের পর অ্যান্টিবডি তৈরিতে কোনো পার্থক্য দেখা যায়নি।

এছাড়া ৪২ শতাংশ অংশগ্রহণকারী টিকাগ্রহণের পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছেন। তাদের সবার ক্ষেত্রেই উপসর্গ মৃদু ছিল। রক্ত জমাট বাঁধা বা এ ধরনের অন্য কোনো জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গবেষণাকালীন সময়ে দেখা যায়নি। গবেষণায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সঙ্গে অ্যান্টিবডির উপস্থিতির কোনো সম্পর্কও পাওয়া যায়নি। সার্বিক বিবেচনায় টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৯৮ শতাংশের দেহে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যারা আগেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাদের শরীরে তুলনামূলক বেশি অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে।

এ গবেষণা থেকে বাংলাদেশের জনগণের ওপর টিকা প্রয়োগের পর কার্যকর অ্যান্টিবডি তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে সময়ের সঙ্গে অ্যান্টিবডির উপস্থিতির পরিবর্তন এবং টিকাদান কর্মসূচিতে নতুন অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য টিকার অ্যান্টিবডি তৈরির কার্যক্ষমতা পর্যালোচনার জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন বলে জানানো হয় এবং করোনা মোকাবিলায় টিকাদান কর্মসূচিকে সার্থক করার বিকল্প নেই। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সব ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে এই গবেষণা প্রতিবেদনে।


আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১




২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে দেশের আপামর জনগণের জন্য ২১ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন।

তিনি বলেন, ২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা হয়েছে। আগামী বছর পর্যন্ত সেগুলো পর্যায়ক্রমে দেশে আসবে। এখন আমাদের হাতে আছে ৩ কোটি চায়নার টিকা, ৭ কোটি কোভ্যাক্সের টিকা, ১ কোটি রাশিয়ার টিকা, ৩ কোটি অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ও ৭ কোটি জনসনের টিকা আসবে। এসব ভ্যাকসিন পেলে তাহলে ৮০ ভাগ মানুষকে দেওয়া যাবে।

শনিবার বিকালে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি প্রতিরোধ, অক্সিজেন সংকট, হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধা ও শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি শীর্ষক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ এসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মতবিনিময় সভায় এক জুম মিটিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, এ পর্যন্ত ১ কোটি ২০ লাখের মতো মানুষ ভ্যাকসিন নিয়েছেন।

জাহিদ মালেক স্বপন আরও বলেন, আগস্টের মধ্যে দেশের ৪০টি হাসপাতালে ৪০টি অক্সিজেন জেনারেটর বসবে। যার কারণে আমাদের অক্সিজেনের কোনো সংকট হবে না।


আরও খবর
করোনায় আরও ২৩৫ জনের মৃত্যু

মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১