আজঃ শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪
শিরোনাম

কুষ্টিয়ায় ছাত্রলীগের ৯ নেতাকর্মী বহিষ্কার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের নয় নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানানো যাচ্ছে, শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকায় শেখ সজিব (সহ-সভাপতি, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ), ফেরদৌস মাহমুদ অন্তর (সহ-সভাপতি, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ), মীর আহসানুল হাসান অভি (সহ-সভাপতি, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ), সিজান আহমেদ রনি (কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ), অনিক আহম্মেদ (মানবসম্পদ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ), জুয়েল আহমেদ, (কর্মী, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ), আব্দুর রাফি রাতুল, (উপ কৃষি সম্পাদক, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ), মো. নাজমুস সাকিব (সহ-সম্পাদক, কুষ্টিযা জেলা ছাত্রলীগ), হাসিব কোরাইশীকে (সাবেক আহ্বায়ক, কুষ্টিয়া পৌর ছাত্রলীগ) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হলো।

গত ২২ নভেম্বর দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই সড়কে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজ ওরফে চ্যালেঞ্জকে তার খালার বাসা থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ২৪ নভেম্বর রাতে হাফিজ বাদী হয়ে ছাত্রলীগের বেশিরভাগ নেতাকর্মীসহ ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩৫ থেকে ৪০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ যে নয়জন নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করেছে, তারা সবাই শেখ হাফিজের করা মামলার আসামি।


আরও খবর



বাজেট: শিল্প খাতে বরাদ্দ কমেছে ৫১৪ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে শিল্প খাতে ৫১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ কমিয়ে ২ হাজার ৫১০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের বাজেটে ছিল ৩ হাজার ২৪ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এ বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তার আগে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হয় এবং পরে ওই প্রস্তাবে সই করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী লিখিত বক্তব্যে বলেন, টেকসই অর্থনীতি গড়ে তুলতে শিল্প পণ্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বেসরকারি খাতকে গতিশীল করতে উৎপাদন প্রযুক্তি এবং পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন, নতুন পণ্য উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি এবং বেসরকারি খাতের শিল্প উদ্যোগকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছি। ইউরিয়া সারের ক্ষেত্রে আমদানি নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কারখানা এবং ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা চালু করা হয়েছে।

কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের বিষয়ে তিনি বলেন, এ খাতের উন্নয়নে সরকার সহজ শর্তে ঋণ প্রদান, পুনঃঅর্থায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় ও রফতানিমুখী ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনের লক্ষ্যে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় ২০০ একর জমিতে অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) শিল্প পার্ক স্থাপন করা হয়েছে।

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের লক্ষ্যে এ পর্যন্ত মোট ৪৪টি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের বিষয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এসব দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির পাশাপাশি আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমেও রফতানি সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছি। রফতানি পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণে স্থানীয় শিল্পের সুষম বিকাশ, বিনিয়োগ উৎসাহিতকরণ, পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমরা ন্যাশনাল ট্যারিফ পলিসি ২০২৩ প্রণয়ন করেছি এবং রফতানি নীতি ২০২৪-২৭ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছি। এছাড়া ই-কমার্স/ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠাকল্পে ডিজিটাল বিজনেস আইডেনটিটি (ডিবিআইডি) প্লাটফর্ম চালু করা হয়েছে।


আরও খবর



ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার আলোচিত টিকটকার প্রিন্স মামুন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

লায়লা আখতার ফারহাদের ধর্ষণ মামলায় টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে কুমিল্লার পুলিশ। আজ মঙ্গলবার তাকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হবে।

প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে লায়লা আখতার রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় ফৌজদারি বিধির ৩২৩, ৩০৭ ও ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর ০৫(১২)২০২৩)। পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ হিসেবে আদালত থেকে প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

এ ব্যাপারে সোশ্যাল মিডিয়ার পরিচিত মুখ প্রিন্স মামুন বলেন, গত ডিসেম্বরে মাঝরাতে লায়লা ও আমার দু’জনার মধ্যে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। তখন উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। যা পরবর্তীতে মামলায় গড়ায়। বিষয়টি এখন আইনিভাবে মোকাবিলা করব আমি।’

এছাড়া প্রিন্স মামুন বলেন, যিনি মামলা করেছেন তিনি বলেছিলেন মামলাটি তুলে নেবেন। এ কারণে আমিও আর আদালতে কোনো হাজিরা দেইনি। আর আদালতে হাজিরা না দেওয়ার জন্যই আমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।’

ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর রহমান বলেন, সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে ক্যান্টনমেন্ট থানায় ধর্ষণ মামলা রয়েছে। কুমিল্লার পুলিশ প্রিন্স মামুনকে হস্তান্তর করবে।’

কে এই বহুল আলোচিত টিকটকার প্রিন্স মামুন?

প্রিন্স মামুনের উত্থান মূলত সোশ্যাল মিডিয়া টিকটক’ ও লাইকি’র সুবাদে। বাংলাদেশে এসব অ্যাপ জনপ্রিয়তার পেছনে কিছুটা হলেও মামুনের ভূমিকা আছে। নিজের করা মিউজিক ভিডিও সেখানে পোস্ট দিতেন মামুন। সেখান থেকেই তার পরিচিতি এবং জনপ্রিয়তা।

একটা সময়ে নাচ শিখেছেন মামুন। সেই নাচের ভিডিও অনলাইনে শেয়ার দিতেন। শেয়ার দিতেন অনেক মজার ভিডিও। এভাবেই তার ফলোয়ারের সংখ্যা বাড়তে থাকে। অনলাইন থেকে তার জনপ্রিয়তার ঢেউ এসে পড়লো অফলাইনেও। বলা যায়, বাংলাদেশে টিকটকারদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এই টিকটকার মামুন। তার ফলোয়ার বা অনুসারীর সংখ্যাও অগণিত। এখন তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে শোরুম বা দোকান উদ্বোধন করেন।

প্রিন্স মামুন ও লায়লা আক্তার ফারহাদ টিকটকের আলোচিত নাম। ফেসবুক-ইউটিউবের সামাজিক মাধ্যমে লায়লাকে সঙ্গে করে বিনোদনভিত্তিক কন্টেন্ট বানিয়ে বরাবরই আলোচনায় ছিলেন মামুন। এই জুটি নানা সময়ে আলোচনায় থেকেছেন। কখনও ঝগড়া করে, কখনও মামুনের নামে টাকা নেয়ার অভিযোগ তুলে। আবার কখনও মামুনের নামে লায়লা অভিযোগ তুলেছেন শারীরিক অত্যাচারেরও। তবে এবার সব ছাপিয়ে লায়লা মামুনের নামে করলেন বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা!

মামলার এজাহারে লায়লা লিখেছেন, মামলার বিবাদী আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনের সঙ্গে আমার গত তিন বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন আমাকে বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে। সে আমাকে জানায়, তার ঢাকায় থাকার মত নিজস্ব কোনো বাসা নেই। যেহেতু প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয় এবং মামুন আমাকে বিয়ে করবে বলে জানায়, তাই তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তাকে আমার বাসায় থাকার অনুমতি দিই।

তিনি আরও লিখেছেন, ২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাসায় এসে বসবাস করতে থাকে। ওইদিন থেকে সে আমার বাসায় আমার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে। মামুন আমার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝেমধ্যেই সেখানে এসে অবস্থান করতো। আমি মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে সে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে।

সর্বশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আমাকে আবার ধর্ষণ করে। পরবর্তী সময়ে আমি তাকে বিয়ের বিষয়ে বললে সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। আমাকে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে।


আরও খবর
গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ

বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪




এমপি আনারের নৃশংস খুনে দুই ‘কসাই’

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

যে কায়দায় এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যা করা হয়– তা গা শিউরে ওঠার মতো কাহিনি। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, কিলার ভাড়া করা হয়েছিল। কিলিং মিশনে কসাইয়ের’ ভূমিকা রাখে বাংলাদেশি দুই যুবক। তারা হলো– খুলনার দিঘলিয়ার বারাকপুরের বাসিন্দা জিহাদ হাওলাদার ও ভোলার সিয়াম। জিহাদ এখন ভারতীয় পুলিশের হেফাজতে আর সিয়াম নেপালে পালিয়েছে।

গোয়েন্দারা হত্যা মিশনে জিহাদ ও সায়েমের নানা নৃশংসতার কথা জানতে পেরেছেন। জিহাদ অনেক আগে থেকে পেশায় কসাই। হত্যা পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার আগে ভারতে দীর্ঘদিন অবস্থান করা জিহাদকে ভাড়া করা হয়।

জানা গেছে, জিহাদ কয়েক বছর আগে অবৈধভাবে ভারতে যায়। কখনও দিল্লি আবার কখনও মুম্বাইয়ে বসবাস করত। সেখানে দক্ষ কসাই’ হিসেবে তার পরিচিতি আছে। হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত হওয়ার পর দুই মাস আগে তাকে মুম্বাই থেকে কলকাতায় আনা হয়।

হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি আখতারুজ্জামান শাহীনই তাকে নিয়ে আসেন। আজীম হত্যার ঘটনায় জড়িত ভাড়াটে সন্ত্রাসী শিমুল ভূঁইয়ার সহযোগী জিহাদ। হত্যায় তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর গতকাল শুক্রবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উত্তর চব্বিশ পরগনার বারাসাত আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

জিহাদ প্রথমে নিজেকে সিয়াম বলে পরিচয় দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। অবশ্য পরে তার প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।

জিহাদ জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেছে, ১৪ মে কলকাতার নিউ টাউন এলাকায় ওই ফ্ল্যাটে ঢোকার পরপরই বাইরে থেকে আসা ক্লান্তির ধকল সারতে বেসিনে হাতমুখ পরিষ্কার করেন আজীম। এ সময় ক্লোরোফর্ম দিয়ে তাকে অচেতন করা হয়। এরপর পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আজীমকে বালিশচাপা দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে সে।

আজীম মারা যাওয়ার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে লাশ টুকরো টুকরো করে সে। চামড়া থেকে মাংস আলাদা করে জিহাদ। এরপর লাগানো হয় হলুদ। হলুদ মেশানো টুকরো টুকরো অংশ ফ্রিজেও রাখা হয়। সবশেষে লাশের টুকরো ব্যাগে ভরা হয়। এরপর ব্যাগভর্তি লাশের টুকরো দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় একটি খালে ফেলা হয়েছে।

জানা গেছে, আজীমকে হত্যার জন্য জিহাদকে নিউ টাউন এলাকায় চিনার পার্কের একটি ফ্ল্যাটে রাখা হয়। এরপর তাকে মূল ঘটনাস্থল সঞ্জিভা গার্ডেনে আনা হয়। আজীম ঢোকার আগে থেকেই সে সেখানে অবস্থান করছিল।

এদিকে পলাতক সিয়ামের ব্যাপারে এখনও খুব বেশি তথ্য জানা যায়নি। সেও অবৈধভাবে ভারতে যাতায়াত এবং অবস্থান করছে। এমনকি তার কাছে ভারতের আধার কার্ডও (নাগরিক পরিচয়পত্র) রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা শাহীনের বাসায় পরিকল্পনা বৈঠকে সেও ছিল বলে একটি সূত্রে তথ্য মিলেছে। হত্যার ঘটনায় সে সরাসরি অংশ নেয়। লাশের টুকরো ব্যাগে ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলার ক্ষেত্রেও সে ছিল বলে ধারণা করছেন গোয়েন্দারা। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



জামালপুরে ৩ লক্ষাধিক শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জামালপুর প্রতিনিধি

Image

ভিটামিন 'এ' খাওয়ান শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কামান এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জামালপুরে জাতীয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা পর্যায়ে সাংবাদিকদের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলায় এ বছর ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাসের শিশু ৩৭ হাজার ৪৩১ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু রয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৩৮৪ জন।

আগামী ১ জুন জামালপুর জেলার ৬৭ টি ইউনিয়নে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হবে। ৬-১১ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন 'এ' খাওয়ানো হবে।

মঙ্গলবার বিকালে জামালপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. নজরুল ইসলাম সভাকক্ষে সাংবাদিকদের অবহিতকরণ সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামালপুর সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ ফজলুল হক বলেন, জামালপুর জেলায় সাড়ে ৩ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি হাতে নেয়া হয়েছে। ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল নিয়ে কেউ যেনো বিভ্রান্ত না ছড়ায় সে বিষয়ে সকলকে সজাগ থাকতে হবে। ভিটামিন খাওয়াতে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে না বরং শিশুটি আরো সুস্থ থাকবে। শিশুর সুস্থতা ও বেড়ে উঠতে সরকারিভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

 সিভিল সার্জন আরো বলেন, জামালপুর জেলায় এবার ৬৭ টি ইউনিয়নের ৬৭ টি ওয়ার্ডে ১ হাজার ৬৯২টি অস্থায়ী কেন্দ্রে ও স্থায়ী ১২টি কেন্দ্রের টিকা খাওয়ানো হবে। এছাড়া জেলার ৮ টি পৌরসভার ২৭ ওয়ার্ডের ৮৪ টি কেন্দ্রে ৯৩৪ জন স্বেচ্ছাসেবক ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়াবেন। উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর সকল স্বেচ্ছাসেবীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। জেলায় মোট স্বেচ্ছাসেবী রয়েছেন সব মিলিয়ে প্রায় ৩ হাজার ৪০৮ জন। ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এসয় উপস্থিত ছিলেন জামালপুরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রেজওয়ানা রশীদ, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ রাফিয়া বিনতে রউফ, কো-অর্ডিনেটর (এমও) ডাঃ কাওসারা, মেডিকেল অফিসার ডাঃ রুখশাত শাহরীন রুথী, জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আনিছুর রহমান, জামালপুর অনলাইন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্কের সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম, সিনিয়র সাংবাদিক মোখলেছুর রহমান লিখন, সাংবাদিক এড. ইউসুফ, সাংবাদিক এম সুলতান আলম, সাংবাদিক মোস্তফা মনজু প্রমুখ।

এছাড়াও সভায় জামালপুরে কর্মরত বিভিন্ন গনমাধ্যমের সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: জামালপুর

আরও খবর



গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনার কাজ করা হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সাংবাদিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনার কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত বিএসআরএফ বার্তার মোড়ক উন্মোচন ও মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়টি (গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনা) নিয়ে আমি এরই মধ্যে কাজ করছি। বিষয়টি একটু জটিল। জটিল এ কারণে যে, সংখ্যা নির্ণয় করার যে ফলাটা আছে তার মধ্যেও কিছু গলদ আছে, সেটিকেও ম্যানুপুলেট করা যায়। যদি বলি ফর্মুলা অলরেডি আছে সেটি দিয়ে সঠিক তালিকা করে ফেলবো, এর মধ্যেও দেখা যাবে সঠিক হয়তো অনেক কিছু হবে না। কারণ, পেছন দিকে ম্যানুপুলেশন সমস্যা। যে কারণে আমি ফর্মুলাটা নিয়ে কাজ করছি।

তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে ক্রোড়পত্র দিই, তা কিন্তু ডিএফপির লিস্ট দেখে দিচ্ছি না। আমি কিন্তু একটি লিস্ট বানিয়েছি, বিশেষ সোর্সের মাধ্যমে। যেটি আমাকে মোটামুটি সঠিক একটি সার্কুলেশনের চিত্র দিয়েছে, তার ভিত্তিতে আমি এখন সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছি।

কারা কত ক্রোড়পত্র পেয়েছেন তা এক্সেল সিটের মাধ্যমে মেইন্টেইন করি। কাছাকাছি সার্কুলেশনের দুটি পত্রিকার মধ্যে একটি পত্রিকা কম পেলে পরে তা ব্যালেন্স করার চেষ্টা করি। আমি ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করি। ৬০-৭০ শতাংশ সিদ্ধান্ত সার্কুলেশনের ওপর ভিত্তি করে নিই। কারণ, এখানে সরকারের স্বার্থ আছে, বেশিরভাগ মানুষের হাতে এটি আমি পৌঁছাতে চাই।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত আরও বলেন, কিছু পত্রিকার সার্কুলেশন চ্যালেঞ্জ আছে, কিন্তু হয়তো সেই পত্রিকার ইতিহাস ঐতিহ্য আছে। আবার কিছু পত্রিকার সার্কুলেশন চ্যালেঞ্জ থাকলেও সেখানে হয়তো নামকরা সম্পাদক আছেন, যার নিজেরই ইতিহাস-ঐতিহ্য ব্র্যান্ডিং আছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করে ব্যালেন্স করে ক্রোড়পত্র দিয়েছি।,কোনো ব্যক্তির সুপারিশে ক্রোড়পত্র দিইনি। সুপারিশ করেছে- নিয়েছি, দেখেছি; কিন্তু দিন শেষে আমার ফর্মুলাই অ্যাপ্লাই করেছি।

ডিএফপিতে নতুন ডিজি নিয়োগ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা সার্কুলেশনের কাজ করেন তাদের নিয়ে আমি বসবো। ফর্মুলা ফাইনটিউন করবো আমরা। সত্যিকার অর্থে সার্কুলেট, অর্থাৎ শুধু প্রিন্ট করলে হবে না, বিক্রিত নম্বরটাও পাওয়ার ফর্মুলা বের করবো আমরা, যেখানে ম্যানুপুলেশনের সুযোগ থাকবে না। আমার কাছে আসল লিস্টটা যেন থাকে। সব জায়গায় আমি এক ধরনের স্বচ্ছতা ও অবজেকটিভিটি আনার চেষ্টা করছি। আপনারা সবার সামনে যে বিয়য়টি বলবেন, আমাকে একা পেলেও সে কথাটিই বলবেন।

সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বেঁধে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে এক প্রশ্নে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি নিয়ে এ মুহূর্তে আমি বলতে পারবো না, আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এ মুহূর্তে আমি গণমাধ্যমকর্মী আইন নিয়ে কাজ করছি।

গণমাধ্যমকর্মী আইন পাস হলে এটি মোটামুটি সবকিছু কাভার করে ফেলবে। কারণ, এখানে অনলাইন, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মোটামুটি সবকিছুই কাভার করবে। গণমাধ্যমের সমস্যাগুলোর সমাধানও হবে- এ প্রসঙ্গে বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শ্রম আইনের অধীনে যত সুরক্ষা দেওয়া আছে সেগুলোকে রেখে বাকি বিষয়গুলো গণমাধ্যমকর্মী আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, বিটিভিসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ১৫টি ডিপার্টমেন্টের দিকেই তাকাবো। সবগুলোর ভেরতে ঢুকবো, শুধু ভেতরেই ঢুকবো না, একেবারে তলদেশ পর্যন্ত যাবো। ভেতর থেকে আমার সাধ্যের মধ্যে, সামর্থ্যের মধ্যে যতটুকু পরিবর্তন-পরিবর্ধন ও সংস্কারের সুযোগ আছে সবটুকু করবো। তবে এটিও প্রায়োরিটি বেসিসে করবো। সব জায়গায় কিছু না কিছু পরিবর্তন আপনারা দেখতে পাবেন।


আরও খবর