আজঃ সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

কুষ্টিয়ায় হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজি এখন প্রকাশ্যে

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১২৩জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কুষ্টিয়া থেকে এস এম সুমন

কুষ্টিয়ায় হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজি এখন প্রকাশ্যে। মহাসড়কে যান চালাতে হলেই চাঁদা দিতে হবে। এমন রীতিই চালু করেছেন কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশ। মেনেও নিয়েছে যান চালকেরা। প্রতিনিয়তই দিচ্ছেন চাঁদা। কুষ্টিয়ার মহাসড়কে অবৈধ যানগুলোও টাকার বিনিময়ে পাচ্ছে বৈধতা।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জুলহাসের নেতৃত্বে টিম গঠনেরর মাধ্যমে প্রতিদিনই বিভিন্ন ধরনের যানবাহন থেকে তোলা হচ্ছে প্রকাশ্যে চাঁদা।

মহাসড়কে চলাচলরত মালামাল বহনকারী প্রতিটি ট্রাক থেকে তোলা হচ্ছে ২০০ থেকে ২০০০ টাকা।

যার সত্যতা মিলেছে অনুসন্ধানী টিমের ভিডিও ফুটেজে। যেখানে দেখা যাচ্ছে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা মহাসড়কে চলাচলরত প্রতিটি যান থেকে তুলছেন টাকা।

এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে কুষ্টিয়া মহাসড়কে অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটো, নসিমন, করিমনসহ তিন চাকার স্টারিংযুক্ত যানগুলো নির্বিঘ্নে চালাতে হাইওয়ে পুলিশকে দিতে হয় নিয়মিত মাসোহারা।

যদিও সরকার মহাসড়কে অবৈধ যানচলাচল বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন তবুও কুষ্টিয়ায় মহাসড়কে অবৈধ যানগুলো চলছে হরহামেসাই।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী একাধিক ট্রাক ড্রাইভার অভিযোগ করে বলেন, মহাসড়কে গাড়ী চালাতে হলে প্রতিনিয়তই হাইওয়ে পুলিশকে চাঁদা দিতে হয়। কোনো যানে ১০০ কোনো যানে ২০০ বা তারও বেশী দিতে হয়।

এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী এক বৃদ্ধ জানায়, কুষ্টিয়া বাইপাস সড়কে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা প্রতিনিয়তই চলাচলরত যান থেকে টাকা তুলে যা শুধু আজ নয়,প্রতিদিনেরই বিষয়।

অন্যদিকে কুষ্টিয়া ঝিনাইদহ মূল হাইওয়েতে যেসকল সিএনজি চলছে তারা অফিসার ইনচার্জ জুলহাসের সাথে প্রতিমাসে ১০ হাজার টাকা করে কন্টাক করে চালিয়ে যাচ্ছে।

অপরদিকে কুষ্টিয়া কুমারখালী খোকসা পর্যন্ত যে সমস্ত সিএনজি চলছে সেগুলোও ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা কন্টাকের মাধ্যমে চলছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজি ড্রাইভার জানিয়েছে।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জুলহাস বলেন, এ ধরনের অভিযোগ সত্য নয়। হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে কোন ধরনের টাকা উত্তোলন করে না।

এ বিষয়ে মাদারীপুর রিজিওনাল অফিসের হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার বলেন, আমি বিষয়টি দেখছি, যদি সত্য হয় জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে প্রতিটা ট্রাক মালিক ড্রাইভার হেলপার অটো, নসিমন করিমন আলমসাধুর চালকসহ এলাকাবাসী সবাই অফিসার ইনচার্জ জুলহাসের উপর ক্ষুব্ধ। তারা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, এই অফিসার ইনচার্জ জুলহাসের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানান।

Share

আরও খবর
করোনায় আক্রান্ত ইবি শিক্ষকের মৃত্যু

বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১




আল-জাজিরার প্রতিবেদন সরাতে রাজি হয়েছে ফেসবুক

প্রকাশিত:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | ৮৫জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল-জাজিরায় সম্প্রচারিত অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন শিরোনামের প্রতিবেদন ও তথ্যচিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সরাতে রাজি হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি জানান, ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়েছে। ফেসবুকের বাংলাদেশ বিষয়ক কর্মকর্তা সাবহানাজ রশীদ দিয়ার সঙ্গেও কথা হয়েছে। ফেসবুক আদালতের নির্দেশনা চেয়েছিল। আমরা আদালতের নির্দেশনা তাদেরকে দিয়েছি। ফেসবুক অফিশিয়ালি জানিয়েছে, তারা খুব দ্রতই আলজাজিরার প্রতিবেদনটি সরিয়ে নেবে।

এছাড়া ইউটিউব থেকেও সরানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা চলছে বলেও জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী।

এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এক রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট আলজাজিরায় সম্প্রচারিত অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন শিরোনামের প্রতিবেদন ও তথ্যচিত্রটি বাংলাদেশের সব ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে অপসারণ করতে বিটিআরসিকে নির্দেশ দেন। তবে বাংলাদেশে আল-জাজিরার সম্প্রচার বন্ধের বিষয়ে কোনো আদেশ আদালত দেননি।

ছয় অ্যামিকাস কিউরি ও রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার বক্তব্য শোনার পর সেদিন এ সংক্রান্ত রিট আবেদনটি নিষ্পত্তি করে ওই আদেশ দেন বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ।

কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আলজাজিরায় ১ ফেব্রুয়ারি রাতে অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন শিরোনামে একটি তথ্যচিত্র প্রচার করা হয়। সেটি বিভ্রান্তিকর, বিদ্বেষমূলক ও মানহানিকর উল্লেখ করে দেশে আলজাজিরার সম্প্রচার ও ওয়েবসাইট বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী এনামুল কবির ৮ ফেব্রুয়ারি রিটটি করেন। এতে বিটিআরসির চেয়ারম্যানসহ আটজনকে বিবাদী করা হয়।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি আদালত রিটের গ্রহণযোগ্যতাসহ কয়েকটি বিষয়ে মতামত দিতে অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসেবে ছয় আইনজীবীর নাম ঘোষণা করেন। গত সোমবার শুনানির ধার্য তারিখে তারা মতামত তুলে ধরেন। বাংলাদেশে আলজাজিরার সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটটি গ্রহণযোগ্য নয় বলে হাইকোর্টের একই বেঞ্চে মত দেন পাঁচ অ্যামিকাস কিউরি। এই পাঁচ অ্যামিকাস কিউরি হলেন- এজে মোহাম্মদ আলী, ফিদা এম কামাল, কামাল উল আলম, প্রবীর নিয়োগী ও শাহদীন মালিক।  এদিন অপর অ্যামিকাস কিউরি আবদুল মতিন খসরু বলেন, রিট আবেদনকারী ব্যক্তিগত ও জাতীয়ভাবে সংক্ষুব্ধ। আদালত ওই তথ্যচিত্র অপসারণের নির্দেশনা দিতে পারেন।

তথ্যচিত্রটির প্রতিবাদ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

Share

আরও খবর



একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৯৭জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২০ যথাযথ ও সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপন করার জন্য ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি বেলা ২টা পর্যন্ত ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় জনসাধারণের চলাচল ও সব ধরনের যানবাহন নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রবেশ

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রবেশের জন্য পলাশী ক্রসিং, এসএম হল এবং জগন্নাথ হলের সামনের রাস্তা ব্যবহার করা যাবে। অন্য কোনো রাস্তা ব্যবহার করে শহীদ মিনার এলাকায় ঢোকা যাবে না।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বের হওয়া

শহীদ মিনার থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে দোয়েল চত্বরের দিকের রাস্তা অথবা ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তা ব্যবহার করতে হবে। ঢোকার রাস্তা দিয়ে বের হওয়া যাবে না।

যেসব রাস্তা বন্ধ থাকবে

১। বকশিবাজার-জগন্নাথহল ক্রসিং সড়ক

২। চাঁনখারপুল-রোমানা চত্বর ক্রসিং সড়ক

৩। টিএসসি-শিববাড়ী মোড় ক্রসিং

৪। উপচার্য ভবন-ভাস্কর্য ক্রসিং (ফুলার রোড)

ডাইভারশন

(ক) ১৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা পর্যন্ত রাস্তায় আলপনা আঁকানোর জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের রাস্তা বন্ধ থাকবে। ওই সময় শিববাড়ী, জগন্নাথ হল ও রোমানা চত্বর ক্রসিংগুলোতে গাড়ি ডাইভারশন করে দেওয়া হবে।

(খ) ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা পর্যন্ত নীলক্ষেত, পলাশী মোড়, ফুলার রোড, বকশীবাজার, চাঁনখারপুর, শহিদুল্লাহ হল, দোয়েল চত্বর, জিমনেশিয়াম, রোমানা চত্বর, হাইকোর্ট, টিএসসি, শাহবাগ ইন্টারসেকশনগুলোতে গাড়ি ডাইভারশন করে দেওয়া হবে।

(গ) ২১ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টা থেকে সাইন্সল্যাব হতে নিউমার্কেট ক্রসিং, কাঁটাবন ক্রসিং হতে নীলক্ষেত ক্রসিং এবং ফুলবাড়িয়া ক্রসিং হতে চাঁনখারপুল ক্রসিং পর্যন্ত প্রভাতফেরি উপলক্ষে সকল প্রকার যাত্রীবাহী গাড়ি প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।

গাড়ি পার্কিং

(ক) একুশের প্রথম প্রহরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিমনেশিয়াম মাঠে ভিআইপি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।

(খ) নীলক্ষেত-পলাশী, পলাশী-ঢাকেশ্বরী সড়কে গাড়ি পার্ক করা যাবে।

সাধারণ নির্দেশনা

(ক) কবরস্থান এবং শহীদ মিনারে যারা শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করতে যাবেন তাদের অসুবিধার কথা বিবেচনায় রাস্তায় বসা বা দাঁড়িয়ে থাকা থেকে বিরত থাকতে হবে।

(খ) সর্বসাধারণের চলাচলের সুবিধার জন্য উপরে বর্ণিত রাস্তায় কোনো প্রকার প্যান্ডেল তৈরি করা যাবে না।

(গ) শহীদ মিনারে প্রবেশের ক্ষেত্রে আর্চওয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা তল্লাশী শেষ করে সবাইকে প্রবেশ করতে হবে।

(ঘ) শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ হতে প্রচারকৃত নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

(ঙ) কোন ধরনের ব্যাগ বহন করা যাবে না।

(চ) যে কোন পুলিশি প্রয়োজনে শহীদ মিনার এলাকায় স্থাপিত অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করা যাবে।

Share

আরও খবর



আল জাজিরার প্রকাশিত সংবাদ দেশের মানুষ বিশ্বাস করেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরায় প্রচারিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক দাবি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, আল জাজিরা যেগুলো সংবাদ প্রকাশ করেছে, দেশের মানুষ এগুলো কেউ বিশ্বাস করেনি। যে ধরনের ষড়যন্ত্রের কথা আপনারা দেখেছেন, এগুলো বাস্তবসম্মত নয়, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যমূলক।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়ে সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, আমি প্রথম দিনেই বলেছি একটি ষড়যন্ত্র নিয়ে তারা কাজ করছে। যতগুলো তথ্য তারা দিয়েছে, এগুলোর বাস্তব ভিত্তি নেই। সাংবাদিকতার কর্ম নয়, গোপনে গোপনে ফোনে কী বলল সেটা প্রচার করে দেওয়া। আমি মনে করি, বাংলাদেশ এই সমস্ত ষড়যন্ত্র পেরিয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

এসবের উদ্দেশ্য কীএমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখেছেন আগে থেকেই আমাদের দেশে নানান ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে একটা চক্র অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে। এ ধরনের একটা গুজব রটিয়ে মানুষের মনে অন্য ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করার একটা ষড়যন্ত্র ছিল। আজকে আমি জোর গলায় বলতে পারি এ দেশের কেউ এটা বিশ্বাস করে নাই।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ১৯ বার হত্যার প্রচেষ্টা হয়েছে। তাঁকে একের পর এক নানা ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে চলতে হয়েছে। অনেক ষড়যন্ত্র, অগ্নিসন্ত্রাস অনেক কিছু তাঁকে মোকাবিলা করতে হয়েছে। এই জায়গায় নতুন আরেকটা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মিডিয়ার মাধ্যমে কিছু মানুষকে বিভ্রান্ত যায় কি না সে জন্যই এই প্রচেষ্টা। আমাদের সেনাপ্রধান মহোদয় যেটা বলেছেন, সেটা যথার্থই বলেছেন।

Share

আরও খবর



অনেকবার আওয়ামী লীগের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১১০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে, তারপরও অনেক সংগ্রামের মধ্যে আবারও গণতন্ত্র ফিরে এসেছে।

আজ বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আওয়ামী লীগসহ যুবলীগকে নিয়ে নানা অপপ্রচার করা হয়েছে, হত্যা-নির্যাতন করা হয়েছে নেতাকর্মীদের ওপর। যুবলীগের নেতাকর্মীদের লোভের বশবর্তী না হয়ে মানুষের জন্য কাজ করার তাগিদ দেন, তিনি। বিএনপির মতো দলের নেতাকর্মীদের টাকার পেছনে না ছোটার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী যুবলীগের নেতা-কর্মীদের জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আদর্শবিহীন রাজনীতি টিকে থাকতে পারে না। যুবলীগের নেতা-কর্মীদের বলব জাতির পিতার আদর্শ যদি কেউ বুকে ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে রাজনীতি করে তাহলে সেই রাজনীতিতে টিকে থাকে। কিন্তু যে রাজনীতি করতে গিয়ে লোভের বশবর্তী হয়, অর্থ-সম্পদ যাদের কাছে বড় হয়ে যায়, তারা কিন্তু বেশি দিন টিকতে পারে না, এটা বাস্তবতা।

প্রধানমন্ত্রী এ সম্পর্কে আরও বলেন, সংগঠনকে শক্তিশালী করে আদর্শ ভিত্তিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সবসময় মনে রাখতে হবে, আমাদের রাজনীতি যাতে দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য হয়, কারণ সেটিই সঠিক রাজনীতি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনীতি করতে এসে যারা ভাগ্য তৈরি করতে লেগে পড়ে তারা কিছু টাকা পয়সা করতে পারলেও পরে তাদের কোনো অস্তিত্ব থাকে না-এটাই প্রমাণিত সত্য।

শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তর পরবর্তী ক্ষমতা দখলকারীরা ক্ষমতাকে ভোগের বস্তু হিসেবে নেওয়ায় মুষ্টিমেয় কিছু লোকের ভাগ্যের বদল করতে পারলেও দেশ ও জনগণের কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারেনি। তাই, আজকে জনগণের কাছে তাদের কোনো স্থান নেই, এই স্থান আসলে থাকে না।

এই উপমাহাদের প্রাচীন সংগঠন আওয়ামী লীগ জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে চলাতেই আজ পর্যন্ত টিকে রয়েছে উল্লেখ করে যুবলীগ নেতা-কর্মীদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুবলীগকে আমি বলব, জাতির পিতার সেই আদর্শকে বুকে নিয়েই সংগঠন করতে হবে। তাহলেই এদেশের তরুণ সমাজের জন্য কাজ করা যাবে। কারণ, তারুণ্যই হচ্ছে কাজের সময়।

অনুষ্ঠানে সাবেক যুবলীগ নেতাদের মধ্যে শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আজম এমপি ও হারুনুর রশীদ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন নিখিল সঞ্চালনা করেন।

Share

আরও খবর



জামিন পেলেন সিকদার গ্রুপের এমডি রন হক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১০১জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিকদার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক সিকদার মানবিক বিবেচনায় জামিন পেয়েছেন। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তাকে জামিন দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমাম। জামিনে মুক্ত হয়ে এখন তিনি বাবার জানাজায় অংশ নিতে পারবেন।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের গুলশান জোনাল টিমের এসআই রিপন উদ্দিন আসামি রন হককে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। রন হকের পক্ষে তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। বিকেলে আদালতে জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পরপরই রন হককে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাবা সিকদার গ্রুপের মালিক জয়নুল হক সিকদার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

এক্সিম ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে নির্যাতন ও গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানিজের এমডি রন হক সিকদার ও তার ভাই দীপু হক সিকদারের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা রয়েছে।

Share

আরও খবর