আজঃ সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১
শিরোনাম

লাইভে এসে সিনেমা ছাড়ার কারণ জানালেন শাকিল খান

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | ১৫৩জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

১৯৯৭ সালে আমার ঘর আমার বেহেশত সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে চিত্রনায়ক শাকিল খানের। ১০ বছরেরও কম সময় দারুণ জনপ্রিয়তা পান এই অভিনেতা।

তবে দীর্ঘদিন ধরে সিনেমা থেকে দূরে রয়েছেন তিনি। বর্তমানে ব্যবসা ও সংসার নিয়েই তার ব্যস্ততা।

শাকিল খানের স্ত্রী শারমিন হোসেন একজন নারী উদ্যোক্তা। তার একটি বুটিক হাউজ রয়েছে। ক্রেতাদের অনুরোধে সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্বামীকে তিনি তার ব্যবসায়ীক ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে আসেন। আর স্ত্রীর লাইভে সিনেমা থেকে দূরে থাকার কারণ জানান শাকিল খান এবং ব্যবসা করতে স্ত্রীকে উৎসাহও দেন তিনি।

লাইভে এক দর্শক শাকিল খানকে প্রশ্ন করেন, তিনি কেনো এখন আর সিনেমায় অভিনয় করেন না? উত্তরে বিয়ের ফুলখ্যাত এই অভিনেতা হলেন, কারণ দেখাতে হলে অনেক কথা বলতে হয়। আপনারা জানেন, এক সময় সিনেমা ছিল বাংলাদেশে বিনোদনের সবচেয়ে বড় একটি মাধ্যম। কিন্তু এমন একটা সময় এলো, যখন সিনেমা নিয়ে মানুষের খারাপ ধারনা তৈরি হলো ও নির্মাণের মান খারাপ হলো। ঠিক তখনই আমি পেছনে চলে গেলাম। কারণ, আমি সবসময় চেয়েছি মানুষের কাছে সুন্দর কিছু উপস্থাপন করতে। চিন্তা ছিল সুন্দর ও ভালো কাজ উপহার দেওয়ার।

সিনেমায় ফেরা প্রসঙ্গে শাকিল খান বলেন, এখনো যে ভালো কিছু উপহার দেওয়ার ইচ্ছা নেই, বিষয়টি তা নয়। সামনে ভালো কিছু এলে চিন্তাভাবনা করবো। তবে জানি না সেটা কখন। অপেক্ষায় থাকতে হবে।

ব্যবসায় স্ত্রীকে উৎসাহ দিয়ে এই তারকা বলেন, আমি মনে করি সবার কিছু না কিছু করা দরকার। ওকে (স্ত্রী) নিয়ে আমি গর্ববোধ করি। অনেকে আমাকে বলেন ভাবি কাজ করেন-তাতে কী? আমি মনে করি এখন সকল নারীদের কাজ করার উচিৎ। তারা কাজ করলে দেশ এগিয়ে যাবে। পরিবার নিয়ে যাতে ভালো থাকতে পারি সবাই সেই দোয়া করবেন।

পরিবারকে নিয়ে অবসর কাটাতে কক্সবাজারে গিয়েছেন শাকিল খান। সমুদ্রের পার থেকে সস্ত্রীক ফেসবুক লাইভে যুক্ত হন তিনি।

নিউজ ট্যাগ: শাকিল খান
Share

আরও খবর



আবরার হত্যা : ২৫ আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন ১৪ মার্চ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বী (২২) হত্যা মামলায় ২৫ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত করেছেন আদালত। একই সঙ্গে আগামী ১৪ মার্চ এ মামলার আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য করা হয়েছে।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের আদালতে আজ বৃহস্পতিবার এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবু আব্দুল্লাহ মিঞা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবু আব্দুল্লাহ মিঞা বলেন, আজ এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামানের জেরা শেষ করেন আইনজীবীরা। এরপরই বিচারক আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।

পিপি আরও বলেন, আত্মপক্ষ সমর্থনের পরই এ মামলায় যুক্তিতর্ক ও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আসামিরা সাফাই সাক্ষ্য না দিলে মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করবেন বিচারক।

২০১৮ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরের দিন ৭ অক্টোবর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন আবরারের বাবা।

মামলার ২৫ আসামি

মামলায় আসামিরা হলেন- বুয়েট ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহতামিম ফুয়াদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মো. অনিক সরকার ওরফে অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন ওরফে শান্ত, আইনবিষয়ক উপসম্পাদক অমিত সাহা, উপসমাজসেবাবিষয়ক সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, গ্রন্থ ও প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক ইশতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, কর্মী মুনতাসির আল জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, মো. মুজাহিদুর রহমান, মো. মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. মাজেদুর রহমান মাজেদ, শামীম বিল্লাহ, মুয়াজ ওরফে আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, আবরারের রুমমেট মিজানুর রহমান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম, এস এম মাহমুদ সেতু, মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল ওরফে জিসান, এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম ও মুজতবা রাফিদ।

আসামিদের মধ্যে মুহাম্মদ মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল ওরফে জিসান, এহতেশামুল রাব্বি ওরফে তানিম ও মুজতবা রাফিদ পলাতক। বাকি ২২ জন গ্রেপ্তার আছেন। এ মামলায় আটজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার বিবরণ

২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ওই বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি এ মামলার বিচারকাজ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর জন্য ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটরের (পিপি) কার্যালয়ে আবেদন করেন নিহত আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ। গত বছরের ১২ মার্চ আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক আবরার হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর ফাইল অনুমোদন করেন।

Share

আরও খবর



ফেসবুকে অ্যামাজন বন বিক্রির বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ আদালতের

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
Share
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অ্যামাজন বনের সংরক্ষিত অঞ্চল বিক্রির বিষয়ে তদন্তের আদেশ দিয়েছেন ব্রাজিলের সুপ্রিম ফেডারেল আদালত। বিবিসির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সূত্র ধরে গত শুক্রবার এ আদেশ দেয়া হয়।

আদালত বলছেন, সংশ্লিষ্ট অপরাধীদেরকে দেশটির সরকারের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বলছে, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত তারা। তবে অ্যামাজন বন বিক্রি বন্ধের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে কি না সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ফেসবুক।

বিশ্বে সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট বনাঞ্চল অ্যামাজন এবং বনাঞ্চলটিতে পর্যাপ্ত কার্বন থাকার কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কম হচ্ছে। এই বনে ৩০ লাখ প্রজাতির গাছ ও প্রাণী রয়েছে এবং ১০ লাখ আদিবাসীগোষ্ঠী বসবাস করে।



অনলাইনে বিক্রি

ব্রাজিলের সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি লুইস রবার্টো বারোসো দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল ও বিচার মন্ত্রীকে বিবিসির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তের আহবান করেছেন। আর্টিকুলেশন অব ইনডেজিনাস পিপলস অব ব্রাজিল এনজিও ও ৬ রাজনৈতিক দলের করার মামলার দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।

বাদীপক্ষের অভিযোগ, দেশটির সরকার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে বিক্রি করায় তাদের বিচারের মুখোমুখি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিচারপতি লুইস রবার্টো বারোসো। তিনি উরু ইউ ওয়াউ ওয়াউ আদিবাসী গোষ্ঠীর প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছেন।

বিবিসির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়, বনভূমিটির সংরক্ষিত অঞ্চলে তারা বসবাস করে। তাদের আবাসস্থলকেই স্থানীয় ১৬ হাজার ৪০০ পাউন্ডে বিক্রি করে দেয়ার চেষ্টা চলছে।

নেই কাগজপত্র



বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছিলো যে ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে বিজ্ঞাপন দিয়ে বনটি বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মটি সেসব পোস্ট এখন অবধি মুছে দেয়নি। এ তালিকায় আদিবাসীদের অঞ্চল এবং জাতীয় বনাঞ্চলও রয়েছে।

স্যাটেলাইট ছবি ও জিপিএসের সাহায্যে বিষয়টি জানা যায়। তবে বেশিরভাগ বিক্রেতা বনের বৈধ মালিকানা প্রমাণ করতে সমর্থ হয়নি।

ফেসবুকে বিবিসি চার বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলেছিলো। অনুসন্ধানের সময় তারা নিজেদের সম্পদশালী বিনিয়োগকারী হিসেবে দাবি করে।

দখলকৃত বন

যারা আদিবাসীদের সংরক্ষিত অঞ্চলকে দখল করতে চায়, ব্রাজিলের সিনেটের পরিবেশ কমিশনের প্রধান জ্যাকস ওয়াগনার তাদেরকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, ফেসবুকের নীতিমালা পর্যালোচনার জন্য আহবান জানিয়ে আইনসভার সদস্যরা এক প্রস্তাব পেশ করেছে এবং তারা দখলদারদের কঠোরভাবে দমনের দাবি জানিয়েছেন।

ফেসবুক আগেই বলেছিলো, তারা মনে করছে অ্যামাজন বনাঞ্চল বিক্রির বিষয়টি অবৈধ এবং জটিলতার কারণে এ বিষয়ে তাদের পক্ষে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব নয়। তবে দেশটির নিম্নকক্ষের কংগ্রেসম্যান নিলটো ট্যাটো বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আদিবাসীদের প্রতি সহিংস উপায়ে বনাঞ্চল ও মাদক বিক্রির মধ্যে তফাৎ কোথায়? ফেসবুক কি মাদক বিক্রি করতে পারে? আইনসভার সদস্য হিসেবে আমি এ প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারি।

আন্তর্জাতিক চাপ