আজঃ শনিবার ১৫ জুন ২০২৪
শিরোনাম

লাঠিতে ভর দিয়ে ভাতিজার হাত ধরে ভোট দিলেন ৯২ বছরের ইউনূস

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | পত্রিকায় প্রকাশিত
মামুন হোসাইন, চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

Image

মো. ইউনূস। বয়স তার ৯২ বছর। এই বয়সেও ভোট দেওয়ার প্রবল ইচ্ছে জাগে তার মনে। অসুস্থ শরীর নিয়ে ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না, তারপর ভোট দেবেন তিনি। তার এই আগ্রহ দেখে তার ভাতিজা তাকে ভোট দিতে কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। লাঠিতে ভর দিয়ে ভাতিজার হাত ধরে কেন্দ্রে এসে ভোট দেন ইউনূস। ভোট দিতে পেরে অনেক খুশি তিনি।

বুধবার (৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড ১১ নম্বর সাকুচিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন ইউনূস। তিনি ওই একই এলাকার বাসিন্দা।

ভোট দেওয়ার পর ইউনূস তার অনুভূতির কথা জানান। তিনি বলেন, বয়স প্রায় শেষ। দীর্ঘদিন ধরে আমি অসুস্থ। ঠিকমতো হাঁটা-চলা করতেও পারি না। ভাবলাম জীবনে শেষবারের মতো উপজেলা নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেই। সেকারণেই কেন্দ্রে আসা। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে আমি আনন্দিত। আমার ভাতিজা কেন্দ্রে আসতে আমাকে সহযোগিতা করেছে। তার সহযোগিতায় আমি ভোট দিতে পেরেছি।

বৃদ্ধের ভাতিজা মো. শহিদ বলেন, ভোট দেওয়া গণতান্ত্রিক অধিকার। আমার চাচা শেষ বয়সে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে আসেন। তার ভোট দেওয়ার আগ্রহ দেখে তাকে কেন্দ্রে নিয়ে আসি। এই বৃদ্ধ বয়সে, অসুস্থ শরীর নিয়ে তার ভোট দেওয়ার আগ্রহ দেখে পরিবারের সবাই অবাক।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো.আলমগীর হোসেন জানান, সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। নির্বাচন সুস্থ ভবে হচ্ছে। তাছাড়া দুইটি উপজেলায় পুলিশ ও আনসার সদস্য ছাড়াও কাজ করছে র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার, পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। দুইটি উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ২৬টি ইউনিয়নে ৩১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত আছেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

চরফ্যাশন ও মনপুরা এই দুই উপজেলায় ৩টি পদে মোট ১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই দুই উপজলায় ২৬টি ইউনিয়নের ১৫৫টি ভোট কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ চলছে। তা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এরপর ব্যালট গণনা শেষে ফল ঘোষণা করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: ভোলার চরফ্যাশন

আরও খবর



এমপি আজীম হত্যা: ঢাকায় আসছেন ভারতীয় পুলিশের দুই সদস্য

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ড তদন্তে ভারতীয় পুলিশের দুই সদস্যের একটি দল বাংলাদেশে আসছেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ২টা নাগাদ ভারতীয় পুলিশের দুইজন সদস্য ঢাকায় পৌঁছাবেন। তারা আনোয়ারুল হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন।

ভারতের পুলিশের ওই দুই সদস্য এমপি আনোয়ারুল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাংলাদেশে গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন তিন আসামিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করবেন বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খ. মহিদ উদ্দিন।

সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ভারতের কলকাতায় যান। প্রথম দুদিন যোগাযোগ থাকলেও ১৪ মে থেকে পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজ পাচ্ছিলেন না।

পরে আনোয়ারুলের পরিবারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হয়। সেখান থেকে ভারতের দিল্লি দূতাবাস ও কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে ওই সংসদ সদস্যের খোঁজে তদন্ত শুরু করে কলকাতা পুলিশ। সংস্থাটি জানায়, দিল্লি ও কলকাতা দূতাবাসের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পরই তার খোঁজে তৎপরতা শুরু করে পুলিশ।

জানা গেছে, কলকাতায় এমপি আনোয়ারুল আজিম তার কথিত বন্ধু স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল বিশ্বাসের বাড়িতে উঠেছিলেন। এরপর ১৮ মে কলকাতার বরাহনগর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন গোপাল বিশ্বাস। গোপাল বিশ্বাস বুধবার (২২ মে) সকালে পুলিশের কাছ থেকে এমপি আজিমের হত্যার খবর পান বলে স্থানীয় গণমাধ্যমে জানিয়েছেন।

৮ দিন নিখোঁজ থাকার পর কলকাতার নিউ টাউনের বিলাসবহুল আবাসন সঞ্জিভা গার্ডেনে আনোয়ারুল হত্যার শিকার হন। এটিকে পরিকল্পিত খুন উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এমপি আনার খুনের ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু বলা যাবে না।


আরও খবর



কোন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ কত টাকা পেলো

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। সেখানে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর জন্য আলাদা আলাদা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ৩৩, জাতীয় সংসদ ৩৪৭, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ৪ হাজার ৬০০, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১২২, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ২৪৮, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ১ হাজার ২৩০, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৫ হাজার ৩৭৭, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ১৬৬, অর্থ বিভাগ ২ লাখ ৪৮ হাজার ২০৫, বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ২৯০, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ৩ হাজার ২১৭, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ৩ হাজার ৪১৮, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ২১ হাজার ৩০৮, পরিকল্পনা বিভাগ ৬ হাজার ৪৯২, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ ১৯৫, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ ৬৬২, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ৯৩২, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১ হাজার ৭২৬, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ৪২ হাজার ৩১৫, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ ৪৬, আইন ও বিচার বিভাগ ২ হাজার ২২, জননিরাপত্তা বিভাগ ২৬ হাজার ৮৭৭, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ৪৫, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ৩৮ হাজার ৮১৯, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ ৪৪ হাজার ১০৮, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ১৩ হাজার ৫৭৩, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ৩০ হাজার ১২৫, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ২ হাজার ৮৭২, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ১২ হাজার ৮৬৯, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৫ হাজার ২২২, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ৪৬৩ কোটি টাকা বরাদ্দ পাচ্ছে।

অন্যদিকে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ৬ হাজার ৯২৯, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ১ হাজার ১০৮, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৭৭৯, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৬০২, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ২ হাজার ২১২, স্থানীয় সরকার বিভাগ ৪৫ হাজার ২০৬, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ ১ হাজার ৩৪৬, শিল্প মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৫১০, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ১ হাজার ২১৭, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় ৫৭৪, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ১ হাজার ৮৭, কৃষি মন্ত্রণালয় ২৭ হাজার ২১৪, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ৪ হাজার ২৮৮, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ২ হাজার ১৩০, ভূমি মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পাচ্ছে।

এ ছাড়া, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ১১ হাজার ১৯৪, খাদ্য মন্ত্রণালয় ৬ হাজার ৭৫৭, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ১১ হাজার ৩, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ৩৮ হাজার ১৪৩, রেলপথ মন্ত্রণালয় ১৮ হাজার ৭২, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ১১ হাজার ২৭০, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ৫ হাজার ৬৯৫, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ২ হাজার ৪২০, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১ হাজার ৪০০, বিদ্যুৎ বিভাগ ২৯ হাজার ২৩০, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৭ হাজার ৪৭৪, দুর্নীতি দমন কমিশন ১৯১, সেতু বিভাগ ৭ হাজার ৩১৮, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ ১১ হাজার ৭৮৩, সুরক্ষা সেবা বিভাগ ৪ হাজার ১৩৭ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগকে ১১ হাজার ২৮২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে সরকার।

প্রসঙ্গত, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে সাত লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। এবার বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ কমছে। চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় আগামী অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি কম ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। অনুদান ছাড়া বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে দুই লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। তবে, অনুদানসহ সামগ্রিক ঘাটতি দাঁড়াবে দুই লাখ ৫১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগামী অর্থবছর চার হাজার ৪০০ কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ ২৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হবে ৩৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এতে নিট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়াবে ৯০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ নেওয়া হবে এক লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে এক লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা; যার ৭২ হাজার ৬৮২ কোটি টাকা দীর্ঘমেয়াদি ঋণ এবং ৬৪ হাজার ৮১৮ কোটি টাকা স্বল্পমেয়াদি। ব্যাংকবহির্ভূত ঋণ নেওয়া হবে ২৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ৯৩ হাজার কোটি টাকা। আর বৈদেশিক ঋণের সুদ ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা চার লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত কর ধরা হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। করব্যতীত প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা।

দেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবারই প্রথম বাজেট পেশ করেছেন। এটি দেশের ৫৩তম বাজেট।


আরও খবর



টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদির শপথ আজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

টানা তৃতীয় মেয়াদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। রোববার (৯ জুন) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি শপথ নেবেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বেশ কয়েকজন বিদেশি সরকারপ্রধান ইতোমধ্যেই দিল্লি পৌঁছেছেন।

এদিকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে দেশটির রাজধানী দিল্লিতে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতকর্তা। এদিন মোদির সঙ্গে শপথ নেবেন ৩০ মন্ত্রীও।

রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে সাত দফায় ভোটগ্রহণের পর লোকসভা নির্বাচনে ফের জয়ী হয় বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। তাই তারাই ফের গড়ছে সরকার। রোববার প্রধানমন্ত্রী পদে মোদির শপথ গ্রহণের পাশাপাশি মন্ত্রী পদে শপথ নিতে পারেন কমপক্ষে ৩০ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যও।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, প্রধানমন্ত্রী পদে নরেন্দ্র মোদি রোববার শপথ নিলেও, পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার শপথ কয়েকদিন পর হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রী পদে আজই শপথ গ্রহণ হবে। প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি আজ ৩০ জন মন্ত্রী শপথ নিতে পারেন। এর মধ্যে বিজেপির মন্ত্রীদের সংখ্যাই বেশি হবে। জোটের অন্য দলগুলোর কয়েকজন সংসদ সদস্যও শপথ নিতে পারেন।

নয়াদিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। যে মন্ত্রীরা আজ শপথ নেবেন, তাদের আজ সকালেই ফোন করে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে।

বেশ কিছু সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হচ্ছে, ভারতের এবারের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৭৮ থেকে ৮১ জনের মধ্যে হতে পারে। এছাড়া এবারের মন্ত্রিসভায় খুব কম সংখ্যক মন্ত্রীকেই একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হবে।

শরিক দলগুলো বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দাবি জানালেও, গুরুত্বপূর্ণ চার মন্ত্রণালয়- স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, অর্থ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিজেপি নিজের হাতেই রাখছে। আজই এই পদের মন্ত্রীরা শপথ নিতে পারেন।

এর পাশাপাশি রেল, শিক্ষা, সড়ক ও পরিবহন, আইন, তথ্য প্রযুক্তি, স্টিল, কয়লা ও বেসামরিক বিমান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও বিজেপি নিজের হাতে রাখবে। এই মন্ত্রীরাও আজ শপথ নিতে পারেন।

এদিকে ভারতের সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে দিল্লিতে জারি করা হয়েছে সর্বোচ্চ সতকর্তা। শপথগ্রহণকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠানস্থল রাষ্ট্রপতি ভবনে পাঁচ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান ছাড়াও এনএসজি কমান্ডো, ড্রোন এবং স্নাইপার নিয়ে বহুস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান চলার সময় যেকোনও অপরধমূলক বা সন্ত্রাসী হুমকি রোধ করতে দিল্লিতে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়েছে। এই বিধিনিষেধ সোমবার পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।


আরও খবর



‘জয় বাংলা ম্যারাথনে’ দৌড়ালেন ৩৫০০ অংশগ্রহণকারী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল জয় বাংলা ম্যারাথন-২০২৪। বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাথলেটিক্স ও সাইক্লিং ক্লাবের উদ্যোগে এ  হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তিন হাজার ৫০০ দৌড়বিদ অংশ নিয়েছেন। শুক্রবার (৭ জুন) ভোর ৫টায় শুরু হয়ে ম্যারাথন শেষ হয় সকাল ৯ টায়।

প্রধান অতিথি হিসেবে ম্যারাথন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাত ৩টা থেকে হাতিরঝিলে ৬৫০ জন পুলিশ সদস্যকে আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় মোতায়েন ছিল।

এতে ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করা হয়। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয় এক্সপ্লুসিভ রিকভারি অ্যান্ড বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ক্রাইম সিন টিম, ডগ স্কোয়াড এবং সোয়াট টিম।

এদিকে সকাল ১০টার পর হাতিরঝিলে জয় বাংলা ম্যারাথনে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বনজ কুমার মজুমদার এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন পুলিশ অ্যাথলেটিক্স ও সাইক্লিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান।

আরও খবর



আমেথিতে ৫০ হাজারের ব্যবধানে পিছিয়ে বিজেপির স্মৃতি ইরানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভারতে চলছে ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল আটটায় এই ভোট গণনা শুরু হয়। বিকালে ঘোষণা করা হবে ৫৪৩ আসনের ফল।

এদিকে, উত্তর প্রদেশের আমেথিতে বিজেপির প্রার্থী স্মৃতি ইরানি কংগ্রেস প্রার্থী কিশোরী লাল শর্মার কাছে ৫০ হাজারের ব্যবধানে পিছিয়ে আছেন।

আমেথি কংগ্রেসের পারিবারিক আসন। সেখানে রাহুল গান্ধীর প্রার্থী না হওয়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। বিজেপি স্মৃতি ইরানিকে প্রার্থী করে, বিপরীতে কংগ্রেস প্রার্থী করে পুরোনো সৈনিক কিশোরী লাল শর্মাকে।

খবর অনুযায়ী, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্মৃতি ইরানি পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৬৯ ভোট। কিশোরী লাল শর্মা পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮২৭ ভোট।

এদিকে কিশোরী লাল এগিয়ে থাকায় তাকে ইতোমধ্যে অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেছেন রাহুল গান্ধীর বোন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

উল্লেখ্য, মোট ৫৪৩ আসনের মধ্যে সরকার গঠন করতে যেকোনও জোটের ২৭২ আসনে জয় দরকার। এর আগে দীর্ঘ দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচনি কার্যক্রম। মোট সাত দফার এই নির্বাচনের শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ হয় গত ১ জুন।

রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিকাল ৩ টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ এগিয়ে ছিল ২৯২ আসনে। অন্যদিকে, শক্তিশালী বিরোধীদল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট এগিয়ে ছিল ২২৯ আসনে।


আরও খবর