আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

লিচুতে অনেক উপকার, তবে যে কারণে আছে ক্ষতির ঝুকি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

বাজারে এখন ফলের সমাহার। হরেক রকম দেশি ফলের ঘ্রাণে সুরভিত আশপাশ। পাকা আমের সঙ্গে রসালো টসটসে লিচু আমাদেরকে আকৃষ্ট করে। এসব দেশি ফল যেমন মুখরোচক সঙ্গে রয়েছে নানা গুণে সমৃদ্ধ। লিচু আমাদের শরীরের হাজারো উপকার করে। তবে এর যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই তা নয়।

লিচুতে যত উপকার

লিচুতে রয়েছে ভিটামিন এ ও সি, নানা খনিজ উপাদান যেমন ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাংগানিজ, কপার, ফলেট যেগুলো রক্তের উপাদান তৈরিতে সহযোগিতা করে। রয়েছে এনটিঅক্সিডেনট যা আমাদের ত্বকের উজ্জল্য বৃদ্ধি করে।

লিচুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম যেটি আমাদের রক্ত ও নালীর চাপ কমিয়ে রক্তের স্বাভাবিক গতি বৃদ্ধি করে। তাই লিচু সেবনের একটি উপকার হল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকা।

ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে থাকায় এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ফলে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস থেকে আমরা রক্ষা পাই।

মাত্রাতিরিক্ত লিচু খেলে যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে

১) রক্তের গ্লুকোজ কমে যায়। লিচু আমাদের রক্তের গ্লুকোজ কমাতে সহায়তা করে। তাই পরিমাণে বেশি খেয়ে ফেললে তা হাইপোগ্লাইসেমিয়া করতে পারে বিশেষত ইফতারের সময় এমনটি করলে। যাদের ডায়াবেটিস আছে, যারা ওষুধের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করেন, তারা লিচু গ্রহণে সাবধান থাকা উচিত। কারণ ওষুধ এমনিতেই রক্তে গ্লুকোজ কমিয়ে রাখে সঙ্গে লিচুও যদি একই কাজ করে তাহলে যেকোনো বিপত্তি ঘটতে পারে। ছোট বাচ্চারা লিচু গ্রহণ করলে কোনও অবস্থাতেই খালি পেটে খাওয়া উচিত নয়। পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে এতে।

২) রক্তচাপ পড়ে যাওয়া- মাত্রাতিরিক্ত লিচু খেলে রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে কমে যেতে পারে। লক্ষণ হিসাবে শ্বাসকষ্ট হওয়া, বুক ধড়ফড় করা, মাতাহ ঘুরানো, বমি ভাব ইত্যাদি হতে পারে।

৩) লিচু একটি গরম ফল- গরম ফল হওয়াতে বেশি পরিমাণে লিচু খেলে আমাদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার ব্যালেন্স নষ্ট হয় ফলে গলা ব্যাথা হওয়া, মুখের ভিতরে ক্ষত হওয়া এমন কি নাক দিয়ে রক্তপাতও হতে পারে বিশেষ করে আমাদের দেশের বর্তমান আবহাওয়ার কারণে।

৪) লিচু খেলে নানা রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যেতে পারে- লিচু একটানা বেশ কয়েকদিন পরিমানের বেশি লিচু খেলে নানা রোগ যেমন রিউমাটয়েড আরথ্রাইটিস, মাল্টিপল স্ক্লেরসিস, লুপাস ইত্যাদি রোগ থাকলে তা বেড়ে যেতে পারে অতিমাত্রায় আমাদের ইমিউনিটি বেড়ে যাওয়ার ফলে।

৫) সার্জারির রোগীদের অতিরিক্ত লিচু খাওয়ার ঝুঁকি: রক্তচাপ এবং রক্তের গ্লুকোজের ওপর সরাসরি প্রভাব থাকাতে যাদের সার্জারির প্রয়োজন তারা সার্জারির পূর্বের দুই সপ্তাহ এবং পরের দুই সপ্তাহ লিচু খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।

৬) লিচু ওজন বৃদ্ধি করে- প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুতে ৬৬ ক্যালোরি রয়েছে। পরিমাণে বেশি লিচু খেলে তাই যে পরিমাণ ক্যালোরি জমা হয় তা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারলে তাতে আমাদের ওজন বেশ ভালোভাবেই বৃদ্ধি পায়।

৭) অন্যন্য প্রয়োজনীয় উপাদানের ঘাটতি- লিচুতে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, জরুরি ফ্যাটি এসিড নেই। ফলে বেশি পরিমাণে লিচু খেলে তা শরীরের স্বাভাবিক ব্যালেন্স নষ্ট করে।


আরও খবর



সোনিয়া গান্ধীর রেকর্ড ভেঙে ৪ লাখ ভোটে জিতলেন রাহুল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভোটগণনার সাত ঘণ্টা যেতে না যেতেই নিশ্চিত হয়ে গেছে, উত্তর প্রদেশের রায় বরেলি আসনে জয়ী হয়েছেন রাহুল গান্ধী। সেটিও রেকর্ডগড়া ব্যবধানে। ওই আসনে নিকটতম প্রার্থীর চেয়ে চার লাখের বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন এ কংগ্রেস নেতা।

রাহুলের মা সোনিয়া গান্ধী রায় বরেলি আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য। এবার সেই আসনে নির্বাচন করেন তার পুত্র রাহুল গান্ধী। ২০১৯ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীকে যে ব্যবধানে হারিয়েছিলেন সোনিয়া, এবার সেই ব্যবধান প্রায় দ্বিগুণ করেছেন রাহুল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, রায় বরেলি আসনে রাহুল ৬ লাখ ৭০ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী দিনেশ প্রতাপ সিংয়ের চেয়ে তিনি প্রায় চার লোখ ভোট বেশি পেয়েছেন।

কংগ্রেসের দুর্গ বলে পরিচিত রায় বরেলি আসনে ২০১৯ সালের নির্বাচনে সোনিয়া গান্ধীর কাছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ভোটে হেরেছিলেন দিনেশ।

ইন্ডিয়া টুডের খবরে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে নির্বাচনে রাহুল গান্ধীর কাছে হার স্বীকার করে নিয়েছেন বিজেপির এ নেতা।

সোশ্যাল মিডিয়ার এক পোস্টে তিনি জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং বলেছেন, দলীয় নেতাকর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করলেও সিদ্ধান্তটি তাদের হাতে ছিল না।

নিউজ ট্যাগ: রাহুল গান্ধী

আরও খবর



পোল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বঙ্গবন্ধু কাপ-২০২৪ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ মে, ২০২৪) মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে গ্রুপপর্বে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে পোল্যান্ডকে ৭টি লোনাসহ ৭৯-২৮ পয়েন্ট হারিয়ে টানা চার ম্যাচ তুলে নেয়। পাশাপাশি এ জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম দল হিসেবে (গ্রুপ-এ) শেষ চার নিশ্চিত করে আসরের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ৩৮-১৫ পয়েন্ট এগিয়ে ছিল।

দারুণ ক্রীড়াশৈলী দেখিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তারকা রেইডার আরদুজ্জামান মুন্সি। প্রতিপক্ষের কাছ থেকে তিনি একাই ২৫ পয়েন্ট তুলে নেন।

আগামীকাল শুক্রবার (৩১ মে) গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে নামবে লাল-সবুজরা। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ নেপাল। সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

আজ ম্যাচের শুরু থেকেই পোলিশদের চেপে ধরেন মিজান, আরদু, আল-আমিন, রাজিব, ইয়াসিনরা। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই প্রথম লোনা তুলে নেয় বাংলাদেশ। এ সময় স্বাগতিকরা ১০-১ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। ষষ্ঠ মিনিটে দ্বিতীয় লোনার দেখা পায়। ফলে লাল-সবুজরা এগিয়ে যায় ১৯-২ পয়েন্টে। এরপর ১৪ মিনিটে তৃতীয় লোনা পায় বাংলাদেশ। এ সময় দুদলের পয়েন্টের পার্থক্য ছিল ৩০-১০। প্রথমার্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেনি এ আসরে ইউরোপের একমাত্র প্রতিনিধি পোল্যান্ড।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই (২১ মিনিট) চতুর্থ লোনা তুলে নেয় বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের চেয়ে ৪১-১৫ পয়েন্ট ব্যবধানে ছিল আব্দুল জলিলের শিষ্যরা। ২৯ মিনিটে পঞ্চম লোনাসহ ৫১-২১ পয়েন্টে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধের ৩৪ মিনিটে ষষ্ঠ লোনা স্বাগতিকদের। এ সময় দল এগিয়ে ছিল ৬১-২৪ পয়েন্টে। ৩৯ মিনিটে সপ্তম লোনা লাভ করে বাংলাদেশ। এ সময় ৭১-২৭ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।

পোল্যান্ডকে বিপক্ষে বড় জয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশের কোচ আব্দুল জলিল। ম্যাচশেষে তিনি বলেন, গ্রুপপর্ব থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছি। যা প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল। পোল্যান্ডের বিপক্ষে বড় জয় দলকে আরও উজ্জীবিত আত্মবিশ্বাসী করেছে। আগামীকাল গ্রুপপর্বে আমাদের শেষ ম্যাচ রয়েছে নেপালের বিপক্ষে। ওই ম্যাচেও জিততে চাই। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে যেতে চাই। আশাকরি টানা চার ম্যাচের মতো নেপালের বিপক্ষেও আমরা জিতব।


আরও খবর



ফিলিস্তিনকে তিন দেশের স্বীকৃতি নিয়ে ইসরায়েলের ক্ষোভ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে আয়ারল্যান্ড, স্পেন ও নরওয়ে। কিন্তু বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদকে স্বীকৃতি দেয়া হচ্ছে এবং তারা ইসরায়েলে কোনো শান্তি চায় না। খবর আল জাজিরা

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে শয়তান আখ্যা দিয়ে নেতানিয়াহু আরও বলেন, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলে ৭ অক্টোবরের মতো ঘটনা আবারও ঘটবে।

নরওয়ে বলছে, ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনের কারও সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এজন্য তারা এমন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এছাড়া অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধভাবে ইহুদিরা বসতি স্থাপন করেই যাচ্ছে।

আগামী সপ্তাহে দেশ তিনটি ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে এ পথে হাঁটছে না ফ্রান্স।

প্যারিসে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাতজের সঙ্গে আলোচনার পর ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেজোর্ন বলেন, এই সিদ্ধান্তের জন্য শর্তগুলো পূরণ হয়েছে, তা মনে করে না ফ্রান্স। এটি কেবল একটি প্রতীকী ইস্যু বা রাজনৈতিক অবস্থানের প্রশ্ন নয়। দুই দেশের শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে পাশাপাশি বসবাস করতে দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের কূটনৈতিক হাতিয়ারও।


আরও খবর



সাংবাদিকের কার্ড ঝুলিয়ে ভোটকেন্দ্রে ছাত্রলীগ নেতা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রবিউল বাশার খান, কুমিল্লা

Image

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাংবাদিকের কার্ড বুকে ঝুলিয়ে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের কক্ষে ঘুরে বেড়াচ্ছেন উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আবদুল জলিল। বুধবার (৫ জুন) নাঙ্গলকোটের মৌকরা ইউনিয়নের চাঁনগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ওই ছাত্রলীগ নেতাকে দেখা গেছে।

আবদুল জলিল নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। বুকে লাগানো সেই কার্ডে লেখা রয়েছে, নাম - মো. আবদুল জলিল। পত্রিকার নাম- দৈনিক প্রতিদিনের চিত্র।

সাংবাদিক কার্ড লাগিয়ে কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করেছেন দোয়াত-কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমুল হাসান ভূঁইয়া বাছির। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রলীগ নেতা আবদুল জলিল সাংবাদিক কার্ড লাগিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরছেন। তিনি আনারস প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে প্রভাব বিস্তার করছেন। প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।

একই অভিযোগ করেন পালকী প্রতীকের ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী বাপ্পা সোহাগ। তিনি বলেন, এ ছাত্রলীগ নেতা কেন্দ্রে অবস্থান করে আমার ভোটে বাধা দিচ্ছেন। তিনি কখনো সাংবাদিক ছিলেন না। নির্বাচন উপলক্ষে সাংবাদিক কার্ড নিয়ে আধিপত্য বিস্তার করছেন।

অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগের নাঙ্গলকোট উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলকে ফোন দিলে তিনি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দেন। তিনি সাংবাদিক কি না এমন প্রশ্নের পর নেটওয়ার্ক সমস্যা বলে ফোন কেটে দেন।

কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, সে ছাত্রলীগ নেতা কি না সেটা জানি না। সে কোনো একটি পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দেখিয়ে আবেদন করায় আমরা কার্ড ইস্যু করেছি।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন খান গণমাধ্যমকে বলেন, এমন খবর পাইনি। দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজেস্ট্রেটকে বলেছি তাকে পেলে যেন ধরে ফেলে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি।


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্কুলের বরাদ্দের টাকা আত্মসাতে গুলসান আরা বেগম নামে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করেছে আব্দুর রশীদ নামে এক ব্যক্তি। গুলসান আরা বেগম ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের বোচাপুকুর পোকাতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত রয়েছে। আর আব্দুর রশীদ ওই এলাকার মৃত খাদেম আলীর ছেলে।

গত সোমবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে রুখব দুর্নীতি গড়ব দেশ, হবে সোনার বাংলাদেশ স্লোগানে আয়োজিত গণশুনানিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের সামনে ওই প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উত্থাপিত হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন দশ দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসককে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলে।

গত রোববার (৯ জুন) দ্বিতীয় শুনানিতে তাদের উভয় পক্ষকে ডাকা হয় এবং সোমবার (১০) দুইজন উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রবিউল আলম ও মুমিনুল ইসলাম সরেজমিনে তদন্তের জন্য ওই স্কুলে যান।

তবে তদন্তের বিষয়ে এই দুই কর্মকর্তা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

দুদকে দেওয়া সেই অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, বোচাপুকুর পোকাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৪৫ সালে স্থাপিত হয়। বিদ্যালয়টির ২.৮৩ একর জমি রয়েছে। প্রধান শিক্ষিকা গুলসান আরা বেগমের স্বামীর বাড়ি পোকাতিতে হওয়ার সুবাদে তিনি এ বিদ্যালয়ে প্রায় ১৫ বছর ধরে কর্মরত আছেন।

প্রধান শিক্ষিকা বিদ্যালয়ের জমি নিজের ইচ্ছামতো চুক্তি দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করছে। এলাকার নিজস্ব লোকজন নিয়ে স্কুলের কমিটি করেন। ইতিপূর্বে জমি দাতাগণ ও ছাত্র অভিভাবকগণ অবৈধ স্কুল কমিটির অনুমোদন না দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের বরাবরে আবেদন করেন। তৎকালীন প্রধান শিক্ষক মতিয়র রহমান বিদ্যালয়ের জমিতে ৪২টি কাঁঠাল গাছ, ৪টি আম গাছ, ৩টি ডাব গাছ ও বিভিন্ন বনজ গাছ আছে বলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লিখিত ভাবে জানান। কিন্তু বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা বনবিভাগকে না জানিয়ে উক্ত গাছগুলোর মধ্যে কতগুলো গাছ বিক্রি করে দেয়। প্রতিনিয়তই প্রধান শিক্ষিকা সরকারি নিয়মনীতি অমান্য করে আসছে বলে অভিযোগে পাওয়া যায়।

অভিযোগকারী আব্দুর রশীদ বলেন, প্রধান শিক্ষিকা ১৫ বছর ধরে একই স্কুলে থাকার সুবাদে বিভিন্ন অনিয়ম করে আসছে। তিনি ব্যক্তির স্বার্থে স্কুলের জমি ও হাট লিজ দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করছেন। স্কুলের গাছ বিক্রি করেছে। তিনি তাঁর লোক দিয়ে রাতের অন্ধকারে কমিটি গঠন করেন। জমিদাতার কোনো নাম নেই। যারা জমি দান করেছে তাদের তিনি স্কুলে ঢুকতে দেয় না। প্রবেশ করলে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয় বলে জানান তিনি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষিকা গুলসান আরা বেগম বলেন, স্কুলের কোন জমি বা হাট লিজ দেওয়ার কোন প্রশ্নেই আসে না। আর সকলের সামনে প্রকাশ্যে কমিটি করা হয়েছে। আমার নামে যেসকল অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা-বানোয়াট।

তিনি আরো বলেন, আইন অমান্য করার কোন সুযোগ আমার নাই। যদি কোনো অন্যায় করে থাকি তাহলে অবশ্যই শিক্ষা অফিস আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

আর স্কুল কমিটি সভাপতি ও নারগুন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেরেকুল ইসলাম বলেন, গুলসান আরা বেগম চাকুরি আর বেশি দিন নেই। তাকে হয়রানি করার জন্যই আব্দুর রশীদ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্নীতি বা টাকা আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই। স্বচ্ছভাবেই কমিটি করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষিকাকে মানসিকভাবেই দুর্বল করার জন্য তিনি মামলা ও অভিযোগ দিয়ে আসছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সৈয়দ মো: মোকাদ্দেস ইবনে সালাম জানান, প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তা তদন্তের জন্য দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া অবধি এ ব্যাপারে কোন কিছুই বলা যাবে।


আরও খবর