আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

মা হতে চলছেন পরীমণি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিনেমার পর্দা হোক কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া, সবখানেই তাকে ঝলমলে-আকর্ষণীয় রূপে দেখা যায়। তবে স্বপ্নজাল সিনেমায় সাদামাটা চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন এ নায়িকা পরীমণি।

এবার পরীমণি সাহসী এক সিদ্ধান্ত নিলেন। একটি সিনেমায় মায়ের চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি। নায়িকা হয়েও মায়ের রূপে অভিনয় করা, শুনতে অনেকটা অবিশ্বাস লাগতে পারে। তবে টিভি পর্দার সফল নির্মাতা অরণ্য আনোয়ারের প্রথম সিনেমাতে এই রূপেই দেখা যাবে পরীকে।

দীর্ঘ দিন দশকের নির্মাণ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো সিনেমা বানাচ্ছেন অরণ্য আনোয়ার। এর নাম দিয়েছেন মা। নির্মিত হবে সত্য ঘটনা অবলম্বনে। ১৯৭১ সালে মৃত ঘোষিত ৭ মাস বয়সী এক সন্তানকে নিয়ে তার অসহায় মায়ের আবেগের ঘটনা দেখা যাবে সিনেমাটিতে। এতে সেই অসহায় মায়ের চরিত্রে থাকছেন পরীমণি।

বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে পরীমণি লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এই সিনেমায়। তবে এ বছর তার কোনো শিডিউল ফাঁকা নেই। তাই আগামী বছরের জানুয়ারিতে সিনেমাটির কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

নতুন এই সিনেমায় যুক্ত হয়ে উচ্ছ্বসিত পরীমণি বলেন, এমন চরিত্রে আমি আর কাজ করিনি। আমার তো মা নেই। এবার সেই মায়ের চরিত্রেই অভিনয় করবো। আশা করছি, নিজেকে ভাঙতে পারবো।

অন্যদিকে নির্মাতা অরণ্য আনোয়ার জানালেন, মায়ের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পরীমণি রাজি হবেন কিনা, সেটা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন। তবে গল্প শুনে পরী মুগ্ধ হয়েছেন এবং সানন্দে রাজি হয়েছেন।

মা সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করছেন প্রকৌশলী পুলক কান্তি বড়ুয়া ও অরণ্য আনোয়ার। পরীমণি ছাড়া আর কে কে থাকছেন এই সিনেমায়, সেটা শিগগিরই প্রকাশ্যে আনা হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।

নিউজ ট্যাগ: পরীমণি

আরও খবর



মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলায় দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালত আজ রোববার এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

যে দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে, তাঁরা হলেনমোহাম্মদ সেলিম ওরফে লম্বা সেলিম ও শওকত উল্লাহ। এর আগে আজ বেলা ১১টার দিকে পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় তাঁদের দুজনকে আদালতে নিয়ে আসা হয়।

কক্সবাজার কোর্ট পরিদর্শক চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলার দুই আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল পুলিশ। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

এরই মধ্যে মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ সেলিম ওরফে লম্বা সেলিম, জিয়াউর রহমান, আব্দুস সালাম ও শওকত উল্লাহ। এর মধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে গত শুক্রবার দুপুরে মোহাম্মদ সেলিম ওরফে লম্বা সেলিমকে এবং দিবাগত রাতে জিয়াউর রহমান ও আব্দুস সালামকে আটক করে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। অপর দিকে, শওকত উল্লাহকে গতকাল শনিবার বিকেলে আটক করে উখিয়া থানা পুলিশ।

এর মধ্যে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় মোহাম্মদ সেলিম ওরফে লম্বা সেলিম ও শওকত উল্লাহকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।

এর আগে রোহিঙ্গানেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর ভাই হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় মামলা করেন।

গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুহিবুল্লাহকে তাঁর নিজ কার্যালয়ে পাঁচ রাউন্ড গুলি করে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা। এ সময় তিন রাউন্ড গুলি তাঁর বুকে লাগে। এতে তিনি ঘটনাস্থলে পড়ে যান। খবর পেয়ে এপিবিএনের সদস্যেরা তাঁকে উদ্ধার করে এমএসএফ’ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে উখিয়া থানা পুলিশকে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

রোহিঙ্গানেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জেলা পুলিশ ও এপিবিএনের টহল বাড়ানো হয়। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার নাঈমুল হক।


আরও খবর



পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব নৌ দিবস’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নাবিকগণই নৌ ভবিষ্যতের সোপান এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পালিত হচ্ছে বিশ্ব নৌ দিবস। বিশ্ব অর্থনীতিতে বিশেষ করে নৌখাতের অবদানকে তুলে ধরতে আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থা (ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন) এবং এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রতিবছর বিশ্ব নৌ দিবস পালন করে থাকে।

বিশ্ব সংস্থার সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন নৌপরিবহন অধিদফতর বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব নৌ দিবস উদযাপন করছে।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে নৌপরিবহন অধিদপ্তর ঢাকায় ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এক সেমিনারের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে ভিডিও চিত্র প্রদর্শন, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের নতুন অনলাইন সেবা উদ্বোধন এবং নৌপরিবহন সেক্টরে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হবে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর এ জেড এম জালাল উদ্দিন।


আরও খবর



নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে নতুন সদস্য বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বাংলাদেশের উন্নয়নের সঙ্গে বৈদেশিক সহায়তার চাহিদাও বাড়ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি উভয়ের জন্য লাভজনক হবে

ব্রিকস জোটের নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সমন্বয়ে গঠিত ব্রিকস জোটের বাইরে বাংলাদেশ প্রথম দেশ হিসেবে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করল।

আজ শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ব্রাজিল সরকারের কাছে বাংলাদেশ 'Instrument of Accession' দাখিল করে। গত ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত ব্রিকস জোটের 'বোর্ড অব গভর্নরস' এর সভায় নতুন সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের যোগদান অনুমোদিত হয়।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের উন্নয়নের সঙ্গে বৈদেশিক সহায়তার চাহিদাও বাড়ছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি উভয়ের জন্য লাভজনক হবে। উন্নয়নকে টেকসই করতে এবং বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সুখি-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এ পর্যন্ত জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ভৌত ও সামাজিক অবকাঠামো এবং নগর উন্নয়ন সংক্রান্ত মোট ৮০টি বিভিন্ন প্রকল্পে প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে।


আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১

নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




‘মমতা ব্যানার্জি জিতবেন ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে’

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুর আসনে উপনির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামীকাল রবিবার ভোট গণনার পর ফল প্রকাশ করা হবে। এ আসনে লড়ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এ নির্বাচনকে দেখা হচ্ছেতার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ধরে রাখার লড়াই হিসেবে। যে কারণে ফল প্রকাশের আগে কে জিতবেন তা নিয়ে নানা মহল থেকে নানা মত আসতে শুরু করেছে। কিন্তু বিজেপির এক নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, এ নির্বাচনে তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি কমপক্ষে ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন। তার এই বক্তব্যে অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি। জয়ের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন রাজ্যের সাবেক বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে ভোট গ্রহণের পর বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দলের সমালোচনা করে বলেন, ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। তিনি কমপক্ষে ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতবেন। তার মতে, বিধান সভার পর ভবানীপুর উপনির্বাচনের ভোটেও একই ভুল করেছে বিজেপি। মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে অবাঙালি প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালকে প্রার্থী করা বিজেপির বড় ভুল হয়েছে।

তার এই বক্তব্যের সমালোচনা করে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, যারা নির্বাচনে কাজ না করে ঘরে বসে এসব কথা বলেন, তাদের কথার কোনো গুরুত্ব নেই। জয়-বিজয়ের কথায় বিজেপি চলে না। প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালকে প্রার্থী করা হয়েছিল বলে ভবানীপুরে বড় লড়াই হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনেরও সমালোচনা করেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জিকে জেতানোর জন্য উপনির্বাচন করা হয়েছে। শুধু ভবানীপুরে উপনির্বাচন ঘোষণা, তারপর বিজেপি নেতাদের প্রচারণা চালাতে না দেওয়া, নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তা সেটাই প্রমাণ করে। তার অভিযোগ, বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে হামলা হয়েছে কিন্তু নির্বাচন কমিশন কোনো উদ্যোগ নেয়নি। আবার ভুয়া ভোটার ধরা পড়েছে, তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই হলো অবস্থা!

এদিকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেছেন, মমতা ব্যানার্জি আগেও জিতেছেন ভবানীপুর থেকে, এবারও জিতবেন। কিন্তু আরো বেশিসংখ্যক মানুষ যদি ভোট দিতেন, তাহলে বার্তা যেত যে, মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে জয়ী করেছেন। কিন্তু তা হয়নি। ৫০ শতাংশের সামান্য বেশি ভোট পড়েছে। অর্থাৎ প্রায় ৫০ শতাংশ ভোটার কোনো রায় দেননি।

যদিও আনন্দবাজার পত্রিকার এক খবরে বলা হয়েছে, গত এক দশকে ভবানীপুরের উপনির্বাচনের চিত্র বদলেছে অনেকটাই। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি কর্মকর্তার দপ্তর জানিয়েছে, এবার ভবানীপুরে ভোটদানের হার ৫৭ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০১১ সালে ভবানীপুরে উপনির্বাচনের ভোট পড়েছিল ৪৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ।


আরও খবর



‘একই অপরাধে একই ব্যক্তিকে ফৌজদারি আইনে দুইবার দণ্ডিত করা যাবে না’

প্রকাশিত:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, মানুষের অধিকার মানবাধিকার। বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারগুলো সু-স্পষ্টভাবে সন্নিবেশিত আছে। সেখানে অধিকারগুলোর ২৭ অনুচ্ছেদ থেকে শুরু করে ৪৩ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার। সেই অধিকারগুলো নিশ্চিতকল্পে আমরা প্রতি মুহূর্ত স্টেট সহ আমরা যারা আইনজীবী, মামলার সাথে যারা জড়িত তারা প্রত্যেকেই স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করে যাই। ঠিক এখানেও বিশেষ করে বিচার এবং দণ্ড  সম্পর্কে মৌলিক অধিকার, অর্থাৎ এর তৃতীয় ভাগের ৩৫ অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে সেখানে কিভাবে প্রটেকশন দেয়া হবে তা রয়েছে। সেখানে যেভাবে সন্নিবেশিত আছে সেখানে যদি ৩৫ (১) ধারায় যদি কেউ কোন অপরাধ একবার সংগঠিত করে অর্থাৎ যেখানে অপরাধটি সংগঠিত হলো যে সময়কালে সেই সময়কালে যে আইনটি বলবত ছিল সেই অনুসারে সেখানে সেই দণ্ডের বা অপরাধের বিচার এবং দণ্ড প্রদান করতে হবে।

মানবাধিকার সহ আইনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন এসব কথা বলেছেন।

অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, দেখা গেছে ১৯৯৫ সালের নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে যদি বলা থাকে এই অপরাধের সাজা মৃত্যুদণ্ড। সেটা পরবর্তীতে কোন আইন করে সেখানে দেখা গেছে সেই দণ্ড কমিয়ে আনা হয়, কোন অবস্থাতেই সেই দণ্ড কমিয়ে আনা যাবে না। অর্থাৎ দণ্ড যেটা ছিল সেটার আলোকেই বিচার করতে হবে। অথবা দেখা গেছে দণ্ড যদি থেকে থাকে ১০ বছর সর্বোচ্চ সেখানে পরবর্তীতেও যদি কোন আইন করে সেটাতে আরও বেশি অর্থাৎ ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট বা মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলো। কিন্তু সেই মৃত্যুদণ্ডও দেয়া যাবে না। অর্থাৎ ঘটনার কার্যকরী কালে যে সময় এই অপরাধ সংগঠিত হয়েছিল সেই সময়কালে যে দণ্ড যে আইনে লিপিবদ্ধ ছিল সেই আইন দ্বারাই সেটা প্রতিপালন করতে হবে। কোন অবস্থাতেই এ ক্ষেত্রে ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না।

তিনি আরও বলেন, যদি কোন সময় এ রকম ব্যত্যয় ঘটে তাঁর জন্য আদালতে এসে প্রত্যেকটি বিচার প্রার্থী মানুষ এর প্রতিকার লাভ করতে পারে। অপর দিকে ৩৫ (২) ধারা অর্থাৎ সেখানে যদি ফৌজদারি অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করে থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে একবারই একমাত্র সোপর্দ করা যাবে বিচারে এবং তাকে সাজা দেয়া যাবে। ওই একই অপরাধের জন্য যদি একই সময়ে সংগঠিত হয়ে থাকে তাহলে কোন অবস্থাতেই তাকে দ্বিতীয়বার বিচারের আওতায় সোপর্দ করা যাবে না, তাকে দণ্ডও দেয়া যাবে না। আমরা মাঝে মধ্যে অনেক ঘটনা দেখি। দেখা যাচ্ছে একই ব্যক্তি দ্বিতীয়বারও একই রকম প্রসিকিউড হচ্ছে অর্থাৎ আইনের কাছে সোপর্দ হচ্ছে। পুলিশ ল-ইনফোর্সিং এজেন্সি তাকে এরেস্ট করে নিয়ে যাচ্ছে। ঠিক সে সময় আমরা এ বিষয়গুলো আইনজীবী হিসেবে কোর্টের দৃষ্টিতে নিয়ে আসি। যদি আসলেই একই অপরাধ একবার সংগঠিত হয়েছে, সেকেন্ড অপরাধ সেটা না ঘটার পরেও আগের অপরাধকে কেন্দ্র করে সেকেন্ড একটি মামলা হয়েছে তাহলে সেটা কোর্ট আমলে নিয়ে প্রথম যে অপরাধ সেটাকে, সেই মামলাটাকেই কন্টিনিউ করে দ্বিতীয় মামলা সেটাকে ক্রস করে দেয় বা বাদ করে দিয়ে প্রথমটাকে নিয়েই অগ্রসর হতে থাকে।

অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, এই বিষয়গুলো আমরা প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যারা বিশেষ করে রুজু করেন, ল-ইনফোর্সিং এজেন্সি তারা, মামলা যারা পরিচালনা করেন তারা, সঠিক বিচার প্রার্থী ব্যক্তিকে সঠিক পরামর্শ অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ৩৫ (২) বলবত করার জন্য আমরা সঠিক পরামর্শ দিবো। অপরদিকে, একই অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অনেক সময় দেখা গেছে অভিযুক্ত ব্যক্তি আমরা প্রাথমিক ভাবে মনে করতেছি সে কোন অবস্থাতেই আসলে অভিযুক্ত না। তাকে যদি কোন সময় বাধ্য করা হয় অর্থাৎ ল-ইনফোর্সিং এজেন্সি বা পুলিশ যদি বলে তোমাকে এটা বলতে হবে কোর্টে যেয়ে তাহলে সেটাও আমরা বাধ্য করতে পারি না। অর্থাৎ যে ব্যক্তি যেটা বলতে ইচ্ছুক না সেই কথা গুলো, সেই অপরাধগুলো তাঁর মুখ দিয়ে আমরা জোর করে বাধ্য করতে পারি না। এটা ৩৫ (৩) -এ বাধিত, এটা কোন অবস্থাতেই করা যাবে না। অপর দিকে দেখা যাচ্ছে যে, অনেক অনেক সময় কোন ব্যক্তিকে এরেস্ট করার পর বা ফৌজদারি অপরাধে প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে তাকে এরেস্ট করার পর পরবর্তীতে দেখা গেছে তাকে নিয়ে থানাতে বা অন্য যে কোন সেন্টারে নিয়ে যন্ত্রণা দিছে, টর্চার করছে। এ বিষয়গুলো টোটালি করা যাবে না সেটাও কিন্তু ৩৫ (৪) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে নির্দেশনা দেয়া আছে। যদি এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে সেটা সংশ্লিষ্ট কোর্টের দৃষ্টিতে আনতে পারে একজন বিচার প্রার্থী মানুষ তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে, অথবা সরাসরি হাইকোর্টে এসে সে বিষয়ের আলোকে কোর্টের দৃষ্টিতে এনে মামলা ফাইল করে তাঁর প্রতিকারের ব্যবস্থা করতে পারে।


আরও খবর