আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

মা-ভাইকে আটকে রেখে ঘরে আগুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাইবান্ধায় মা ও সৎ ভাইকে ঘরে আটকে রেখে আগুন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে।

বুধবার সন্ধ্যার দিকে গাইবান্ধা পৌর শহরের খানকাহ শরীফ এলাকার একটি বাসার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মা মামুনি বেগম ও তিন বছরের শিশু ছেলে প্রাণে বাঁচলেও আগুনে পুড়ে গেছে ঘরের আসবাবপত্রসহ মূল্যবান জিনিসপত্র।

জানা যায়, মামুনি বেগমের সাবেক স্বামী আবদুর রশিদ প্রধানের তৃতীয় ছেলে অনিক। বাবার সঙ্গে অনিক গাইবান্ধা পৌর শহরের কুঠিপাড়া এলাকার বাড়িতে থাকে।

স্থানীয়রা জানান, ২০১৬ সালে অনিকসহ তিন ছেলেকে রেখে মামুনি বেগম বিয়ে করেন জিয়াউর রহমানকে। বর্তমানে মামুনি ও জিয়াউরের তিন বছরের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে প্রথম স্বামীর ছেলে অনিক মামুনির কাছে টাকা দাবিসহ নানা কারণে নির্যাতন করে আসছিলেন।কিন্তু তিনি টাকা দিতে পারেননি। একারণে তাকে হুমকিও দেয় অনিক।

সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ খানকা শরীফ এলাকার বাসায় এসে মামুনিকে গালিগালাজ করতে থাকে অনিক। একপর্যায়ে ঘরে আগুন দিয়ে বাইরে থেকে দরজা লাগিয়ে পালিয়ে যান অনিক। পরে আশপাশের লোকজন দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করে।

মামুনি বেগমের অভিযোগ, সম্প্রতি চুরির মামলায় জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে অনিক। টাকা চেয়ে না পাওয়ায় সৎ ভাইসহ তাকে (মামুনি) হত্যার উদ্দেশে ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছে।

গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগুনে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: ঘরে আগুন

আরও খবর



চার মাস পিছিয়ে গেলো রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডিসেম্বরে উৎপাদনে আসার কথা থাকলেও রামপাল মৈত্রী সুপার ক্রিটিক্যাল বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে আসার সময়সীমা চার মাস পেছানো হচ্ছে। চলতি মাসেই কেন্দ্রটি উৎপাদনে আসার কথা থাকলেও আগামী বছর মার্চ নাগাদ এটি উৎপাদনে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকারী ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (বিআইএফসিএল) সূত্র বলছে, আর চার মাস নাগাদ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের নির্মাণ শেষ হবে।

২০১২ সালে ভারত সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং বাংলাদেশ একটি বৃহৎ কয়লা চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে সম্মত হন। এরপর বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (এনটিপিসি) কেন্দ্রটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। উদ্যোগের নয় বছর পর কেন্দ্রটির উৎপাদনে আসার সময় সীমা নির্ধারণ করা হলেও তা ঠিক রাখা সম্ভব হলো না। সাধারণত এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য কার্যাদেশের পর প্রথম ইউনিট উৎপাদনে আসতে ৩৬ মাস সময় প্রয়োজন হয়।

বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যে খবর রয়েছে তাতে দেখা গেছে কেন্দ্রটির কাজ শেষের দিকে। কেন্দ্র নির্মাণে এই দেরির কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিআইএফসিএল থেকে আমাদের জানানো হয়েছে অর্থ ছাড়ে দেরি হওয়ায় ও  করোনার কারণে নির্ধারিত সময়ে হচ্ছে না। তবে ভারতের ঠিকাদার কোম্পানি ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যাল লিমিটেড (ভেল) কাজ করতে দেরি করায় এই সংকট তৈরি হয়েছে।

রামপালের তিন বছর পরে উদ্যোগ নিয়ে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রর দুটি ইউনিটই উৎপাদনে এসেছে। পায়রাতে একটি ১৩২০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট উৎপাদনে আসার পর সমান ক্ষমতার আরেকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে। যেটির ২০ ভাগ নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। চীনের একটি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল) কেন্দ্রটি নির্মাণ করছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানায়, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদনে আসার সময় চলতি মাসে ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু করোনার মধ্যে কেন্দ্রটির নির্মাণকাজে স্থবিরতা আসে। কেন্দ্রটি নির্মাণের দক্ষ শ্রমিক ভারত থেকে আনা হয়েছে। যারা মূলত কারিগরি দিকটি দেখে থাকে। তাদের আসা যাওয়াতেও সমস্যা ছিল। ফলে কেন্দ্রটি নির্মাণ কাজ মাঝে বেশ কিছুদিন অনেকটা বন্ধ ছিল। দেশীয় শ্রমিক দিয়ে যে কাজগুলো করানো সম্ভব তাই করানো হয়েছে। এখনও ভারত-বাংলাদেশ যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়নি। ফলে বিশেষ ব্যবস্থায় শ্রমিকদের নিয়ে আসা হয়েছে।

সুন্দরবনের পাশেই কেন্দ্রটি নির্মাণ করায় পরিবেশবাদীদের তীব্র আপত্তি রয়েছে কেন্দ্রটি ঘিরে। তবে সরকারের তরফ থেকে বারবারই বলা হয়েছে এটিতে সুন্দরবনের পরিবেশের কোনও ক্ষতি হবে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ কেন্দ্রর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি  লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী কাজী আবসার উদ্দিন আহমেদ বলেন, করোনার কারণে আমাদের সব কাজের লোক এতদিন আসতে পারেনি। এখন অল্প অল্প করে আসতে শুরু করেছে আমরা কাজও শুরু করেছি। গত ৪ ডিসেম্বর বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমান নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানতে চান, ১৬ ডিসেম্বর চালু হবার কথা, এখনেও তো কাজ শেষ হয়নি। আসলে আমরা কবে নাগাদ কাজ শেষ করতে পারবো। আমাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আগামী মার্চে কাজ শেষ করার আশা করছি। সচিব বলেন, মার্চ হলে সেটা যেন ২৬ মার্চের আগেই শেষ করা হয়। সুতরাং আমরাও তার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।


আরও খবর
চট্টগ্রামে পাট গুদামে ভয়াবহ আগুন

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




৪৬ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ হাজার শিক্ষক পদ শূন্য : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ নভেম্বর ২০২১ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি বলেছেন, দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ হাজার ১৫০টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

সোমবার (১৫ নভেম্বর) সংসদ অধিবেশনে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৫৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৩৫৮ জন ছাত্র ও ১ লাখ ৪ হাজার ৫৯৯ জন ছাত্রী রয়েছেন। মোট শিক্ষক রয়েছেন ১৫ হাজার ২৯৩ জন। ৪৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪ হাজার ১৫০টি শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

অন্য এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে ডা. দীপু মণি বলেন, ভূমি জরিপ শিক্ষার উন্নয়নকল্পে বাংলাদেশ ভূমি জরিপ শিক্ষার উন্নয়ন শীর্ষক একটি প্রকল্প কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের চারটি জেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। তার মধ্যে দুটি সার্ভে প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন করা হচ্ছে।

বিদ্যমান দুটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- কুমিল্লায় বাংলাদেশ সার্ভে ইনস্টিটিউট ও রাজশাহীর ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউট। নতুন করে ভূমি জরিপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হচ্ছে পটুয়াখালীর দশমিনার পটুয়াখালী ল্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউট ও যশোরের মনিরামপুরের যশোর ল্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউট।


আরও খবর



ফেসবুক লাইভে এসে যা বললেন মেয়র আব্বাস

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৫৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল করলে পাপ হবে অবশেষ ফেসবুক লাইভে এসে এ মন্তব্যে কথা স্বীকার করেছেন রাজশাহী কাটাখালি পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী। তিনি এক বড় হুজুরের আপত্তির কারণে এইসব মন্তব্য করেন বলে ফেসবুক লাইভে উল্লেখ করেন।

শুক্রবার বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে তার পৌর মেয়র আব্বাস তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে এ কথা স্বীকার করেন। প্রায় ২০ মিনিটের ফেসবুক লাইভে ভিডিওতে তিনি বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বলেন তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

পৌর মেয়র আব্বাস ফেসবুক লাইভে বলেন, কাটাখালি জামিয়া উসমানিয়া মাদরাসার বড় হুজুর জামাল উদ্দিন সন্দীপি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নির্মাণে আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন। আমি একজন মুসলমান একজন আল্লাহওয়ালা লোকের কথা শুনে আমি আমার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি, এটা আমার যদি ভুল হয়ে থাকে, তবে এর জন্য আমাকে নানা ধরনের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। যে শাস্তি আমি সহ্য করতে পারছি না। তবে ম্যুরাল নির্মাণ আর যে করা হবে না, এ কথা আমি বলিনি।

আব্বাস আরও বলেন, এ ঘটনার পর থেকে আমার পরিবারকে ফাঁসানোর জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। ছোট একটি ভুলের কারণে আমার বিরুদ্ধে এত ষড়যন্ত্র কেন করা হচ্ছে, আগামীতে এর পেছনের গুরুত্বপূর্ণ কারণ তুলে ধরব ফেসবুক লাইভে।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নিয়ে সোমবার (২২ নভেম্বর) রাত থেকে পৌর মেয়র আব্বাসের কটূক্তিমূলক বক্তব্য অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ১ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের অডিও ক্লিপে মেয়র আব্বাসকে বলতে শোনা যায়, ওই গেটটি দ্রুত নির্মাণ হবে। তবে আমরা যে ফার্মকে কাজটি দিয়েছি, তারা গেটের ওপরে বঙ্গবন্ধুর যে ম্যুরাল বসানোর ডিজাইন দিয়েছে, সেটি ইসলামী দৃষ্টিতে সঠিক না। তাই আমি সেটিকে বাদ দিতে বলেছি।

আরও শোনা গেছে, যেভাবে বুঝেছে তাতে আমার মনে হইছে, ম্যুরালটা হইলে আমার ভুল হয়ে যাবে। এ জন্য চেঞ্জ করছি। এই খবরটাও যদি আবার যায় রাজনীতি শুরু হয়ে যাবে। ওই বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল দিতে চাইয়া দিচ্ছে না! বঙ্গবন্ধুকে খুশি করতে যাইয়া নারাজ করব নাকি? এইডা লিয়েও রাজনীতি করবে কিন্তু আমি শিওর।


আরও খবর



তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়ে যা বললেন তনুশ্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয় পুরো ভারতে বিভিন্ন দল থেকে নেতাদের ভাগিয়ে এনে দল ভারি করছে তৃণমূল। এমন সময় বিজেপির হয়ে নির্বাচনে লড়ে হেরে যাওয়া প্রার্থীদের তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়ে গুঞ্জন থাকবে এটিই স্বাভাবিক।  ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী তনুশ্রীর ক্ষেত্রেও ঘটেছে এমনটি।

১০ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়-তনুশ্রী চক্রবর্তীর ছবি অন্তর্ধান। সিনেমা ও সামনের দিনে তার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের সঙ্গে।

আলাপে রাজনীতির প্রসঙ্গ এলে তনুশ্রী বলেন, এক সঙ্গে দুটো কাজ তখনই করতে পারব যখন দুটো কাজেই সমান পারদর্শী হব। রাজনীতিতে এসে বুঝলাম, অনেক কিছুই শেখা বাকি রয়ে গেছে। আমায় আরও রাজনীতি শিখতে হবে। এখন সিনেমায় মন দিলাম।

তা হলে  শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, বনি সেনগুপ্তের মতোই কি রাজনীতি থেকে নির্বাসন নিতে চাইছেন অভিনেত্রী?

যদিও ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগে তনুশ্রী বলেছিলেন, জনসেবা করতে চাই। তার জন্য রাজনৈতিক মঞ্চ দরকার। যে মঞ্চ আমায় দ্রুত সাধারণের কাছে পৌঁছে দেবে।

কিন্তু জনগণ তাকে সেবার করার সুযোগ দেয়নি। অর্থাৎ বিজেপির এ প্রার্থী হেরেছেন নির্বাচনে। এবার এ অভিনেত্রী সরাসরি জানিয়ে দিলেন, রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে চাওয়ার কথা। রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে চাওয়ার বিষয় আসতেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল প্রসঙ্গ চলে আসে।  তাই তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় তৃণমূল থেকে ডাক এলে কি করবেন?

এবার উত্তর দেওয়ার সময় একটু সংযত মনে হয় তনুশ্রীকে। তিনি বলেন, আমি যা করব তা সবাই জানতে পারবেন। কোনো কিছুই গোপনে করব না।

রাজনীতি থেকে দূরে থাকলেও ব্যস্ত সময় পার করবেন তনুশ্রী। অন্তর্ধান ছাড়াও মুক্তির পথে টনিক, আবার বছর ২০ পরে, আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা। সেই সব ছবির প্রচারে থাকতে হবে তাকে।  চলছে জিৎ প্রযোজিত এবং অভিনীত রাবণ ছবির শুটিং। সবমিলিয়ে রাজনীতি থেকে দূরে থাকলেও ব্যস্ততা পিছু ছাড়ছে না তনুশ্রীর।


আরও খবর



টাটকা রুটির চেয়েও বাসি রুটি অনেক বেশি উপকারী

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাসি রুটি ফেলে দেন? তবে জানেন কি বাসি রুটি খেলে ভালো থাকবে স্বাস্থ্য। এমনকি টাটকা রুটির চেয়েও বাসি রুটি অনেক বেশি উপকারী। বিশেষ করে যারা দুধ-রুটি খেতে ভালবাসেন, তারা পাবেন বেশি সুবিধা।

যে কারণে দুধ দিয়ে বাসি রুটি খাওয়া উচিত-

১. রক্তচাপের সমস্যা এখন প্রায় প্রতিটি ঘরেই। দুধের সঙ্গে বাসি রুটি খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে এই অসুখ। অন্যদিকে ডায়াবেটিসের জন্যও উপকারী বাসি রুটি। কারণ, বাসি রুটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

২. বাসি রুটিতে থাকা ফাইবার হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এমনকি নিয়মিত কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলেও বাসি রুটি হতে পারে তার সহজ সমাধান।

৩. শরীরের নিঃশব্দ ঘাতকের নাম স্ট্রোক। আর বাসি রুটি খেলে কমবে স্ট্রোকের ঝুঁকিও। এই রুটি শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

৪. সহজে রোগা হওয়ার নানান উপায় তো রয়েছেই। রোজ রাতে যদি দুধের সঙ্গে বাসি রুটি খাওয়া যায়, তাহলে ওজন বাড়বে দ্রুত।পক তফসির উদ্দিন খান, রেডক্রিসেন্টের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক গাজী মোজাম্মেল হোসেন প্রমুখ।


আরও খবর
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১