আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে নির্মম নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশিত:বুধবার ১০ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ মার্চ ২০২১ | ২২০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক


চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের এক শিশু শিক্ষার্থীকে শিক্ষকের নির্মম নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। মায়ের কাছে ছুটে যাওয়ায় মো. ইয়াসিন ফরহাদ (৮) নামে ওই শিশু শিক্ষার্থীকে অমানবিকভাবে পিটিয়েছেন ওই শিক্ষক। এই ঘটনায় সমালোচনার ঝড় বইছে। এদিকে এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে হাটহাজারী পৌরসভার ফটিকা গ্রামের মারকাজুল কোরআন ইসলামিক একাডেমিতে অভিযান চালিয়ে ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ মো. ইয়াহইয়াকে আটক করে পুলিশ। তবে ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসাশিক্ষককে ক্ষমা করে দিয়েছেন মর্মে একটি লিখিত বক্তব্য দেয়ায় প্রশাসন এ ঘটনায় দোষী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি।

এর আগে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে মায়ের পেছনে ছুটে যাওয়ার কারণে ওই শিক্ষক অমানুষিকভাবে হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসিন ফরহাদকে প্রহার করে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে শিক্ষার্থী ইয়াসিন ফরহাদকে দেখতে যায় তার মা পারভিন আক্তার। দেখা শেষে ফিরে আসার সময় ইয়াসিন ফরহাদ তার মায়ের পেছন পেছন ছুটে আসে। এ সময় হেফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ মো. ইয়াহইয়া তাকে ধরে এনে বেদম প্রহার করে। এদিকে ওই শিক্ষার্থীর ওপর শিক্ষকের অমানুষিকভাবে বেদম প্রহারের একটি ৩৩ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, তাকে নির্মমভাবে প্রহার করা হচ্ছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অনেকেই। তবে এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিষয়ে একাডেমিপ্রধানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



দুই শিশু সন্তানকে হাসপাতাল চত্বরে রেখে লাপাত্তা মা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন সাগরী খাতুন (২৩)। চারদিন পর বুধবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে শিশুটির সন্ধান পাওয়া যায়। কিন্তু পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে সাগরী খাতুন। তার ভাগ্যে কি ঘটেছে সেটি এখন নিশ্চিত নয় কেউ।

সাগরী খাতুন যশোরের চৌগাছা উপজেলার পাতিবিলা গ্রামের আক্তারুল ইসলামের স্ত্রী। উদ্ধার দুই শিশুর নাম সাগর হোসেন সাফিন (৫) ও মোহনা আক্তার জুলেখা (২০ মাস)। তাদেরকে পরিবারে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

হাসপাতালের সাইকেল গ্যারেজের দায়িত্বে থাকা মফিজুর রহমান জানান, সকালে এসে বাচ্চা দুটিকে বসে থাকতে দেখি। ভেবেছিলাম তাঁদের মা হয়ত বসিয়ে রেখে ডাক্তার দেখাতে গেছেন। প্রায় একঘণ্টা পরে সাড়ে ৯টার দিকে বাচ্চা দুটি খুব কান্নাকাটি করতে দেখে ম্যাডামকে (উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা) জানাই। এ সময় ওদেরকে স্থানীয় কয়েকজন জিজ্ঞেস করলে ছেলেটি তার বাবার নাম আক্তারুল আর বাড়ি হায়াতপুর বলতে পারে। তখন তারা পরিচিতজনদের মাধ্যমে পরিবারকে খবর দেয়।

সাগরীর স্বামী আক্তারুল ইসলাম জানান, রবিবার দুই সন্তান নিয়ে বাড়ি থেকে সাগরী সবার অগোচরে কোথাও চলে যায়। তিনদিন ধরে সাগরীর বাবার বাড়িসহ (উপজেলার চুটারহুদা গ্রাম) বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে মঙ্গলবার চৌগাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি। এরপর স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে এসে তার দুই সন্তানকে পুলিশ হেফাজতে পান। তাদের ধারণা সাগরীর অন্য কোনো ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক আছে। সেই সূত্রেই হয়ত সে চলে গেছে।

আক্তারুল ইসলাম আরও জানান, একটা নাম্বারে মাঝে মধ্যে কথা বলতো। আমি এ নিয়ে তাকে বকাঝকাও করেছি। একদিন মেরেছিও। তবে গত কোরবানির ঈদে ওর বাপের বাড়ি থেকে ঘুরে আসার পর হুমকিও দেয় আমার কাছ থেকে চলে যাবে। যাওয়ার সময় বাড়ি  থেকে নগদ ২০ হাজার টাকাসহ ভালো কাপড় চোপড় সব নিয়ে গেলেও বাচ্চাদের যে পোশাকে নিয়ে গিয়েছিলো সেই পোশাকেই আছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুন্নাহার বলেন, বুধবার সকাল নয়টার দিকে সাইকেল গ্যারেজের দায়িত্বে থাকা মফিজুর জানায় সেখানে দুটি বাচ্চাকে তার মা রেখে চলে গেছে। তারা খুব কান্নাকাটি করছে। তখন বিষয়টি সাংবাদিক ও থানা পুলিশকে জানাই। শিশু দুটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চৌগাছা থানার এসআই রাজেশ কুমার বলেন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছ  থেকে মোবাইল ফোনে সংবাদ পেয়ে হাসপাতালে এসে শিশু দুজনকে উদ্ধার করি। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে থানার সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে স্থানীয় ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে শিশুদেরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে


আরও খবর



ইকবালকে খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১ | ২৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সেখানে অবস্থান করে মসজিদের দুজন খাদেম ছিলেন, তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছে। আমাদের অভিজ্ঞ টিম দীর্ঘক্ষণ এটা অ্যানালাইসিস করে সুনিশ্চিত হয়েছে

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন রাখা ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত হওয়া ইকবাল হোসেন মোবাইল ব্যবহার করছে না জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, তাকে খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা নিয়েছি।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সচিবালয়ে বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানান।

ইকবাল হোসেনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। কখন নাগাদ তাকে জনসম্মুখে হাজির করা হবে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কুমিল্লার যে টার্গেট...আমি আগেই বলেছি আমরা সুনিশ্চিত, যে লোকটি করেছে, আমাদের ক্যামেরার মাধ্যমে তাকে আমরা চিহ্নিত করেছি। যে মাজারের সঙ্গে মসজিদ, ওটা খুব প্রসিদ্ধ মসজিদ। দেখা গেছে সেই মসজিদে রাত ৩টার দিকে সে গেছে। একবার নয় তিনবার গেছে।

তিনি বলেন, সেখানে অবস্থান করে মসজিদের দুজন খাদেম ছিলেন, তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছে। আমাদের অভিজ্ঞ টিম দীর্ঘক্ষণ এটা অ্যানালাইসিস করে সুনিশ্চিত হয়েছে। এই ব্যক্তিটি (ইকবাল) মসজিদ থেকে কোরআন এনে রেখেছে, সেটা তারই কর্ম। রেখে সে মূর্তির গদাটি কাঁধে করে নিয়ে এসেছেন, সেই দৃশ্যটিও আপনারা দেখেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এই লোকটি (ইকবাল) কার প্ররোচনায় কার নির্দেশে, কীভাবে এই কর্মটি কররো... সেই কাজটি পরিকল্পনা মাফিক করলো। দুই তিনবার যাওয়া আসার মধ্যে সে এই কর্মটি শেষ করেছে। কাজেই এটি নির্দেশিত হয়ে কিংবা কারও প্ররোচনা ছাড়া করেছে বলে আমরা এখনও মনে করি না। তাকে ধরতে পারলে বাকি সব উদ্ধার করতে পারবো বলে বিশ্বাস করি।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, সে (ইকবাল) কোনো মোবাইল ব্যবহার করছে না। যারা তাকে পাঠিয়েছিল তারাও হয়তো... এখনও বলতে পারছি না...লুকিয়ে রাখতে পারেন। তাকে খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা নিয়েছি।’


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




বাজারে ডিম-মুরগির দাম অনেক কম: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাজারে ডিম-মুরগির দাম অনেক কম। দীর্ঘদিন ধরে এসব পণ্যের দাম খুব একটা বাড়েনি। আবার কিছু কিছু পণ্যের দাম বেশ বেড়েছে। এর মধ্যে পেঁয়াজ একটি। তবে পেঁয়াজের দাম কিছুদিনের মধ্যেই কমে আসবে।

সোমবার বিকালে রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) অডিটরিয়ামে শাকসবজি, আলু, ফলমূল ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণীত খসড়া রোডম্যাপ উপস্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সামগ্রিকভাবে মানুষ এখন খাদ্যের কষ্টে নেই। আমরা দানাদার খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। কিছু কিছু খাবারের ক্ষেত্রে দামের সমস্যা হলেও দেশে মঙ্গা বা না খেয়ে থাকার মতো পরিস্থিতি নেই।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমরা পেঁয়াজ নিয়ে অনেকগুলো উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করা হয়েছিল, যেন চাষিরা ভালো দাম পায়। তার একটি প্রভাব বাজারে পড়েছে। কিন্তু আমদানি এখন চালু রয়েছে, বাজার স্বাভাবিক করতে বেশকিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, অন্যদিকে দেখুন বাজারে ডিম-মুরগির দাম অনেক কম। দীর্ঘদিন ধরে এসব পণ্যের দাম খুব একটা বাড়েনি। সে ক্ষেত্রে আবার খামারিরা লোকসান দিচ্ছেন। ভালো দাম পাচ্ছেন না।


আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




ইসি হওয়া উচিত সব দলের ঐকমত্যে : সিইসি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) হওয়া উচিত বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য কীভাবে হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কে এম নূরুল হুদা বলেন, সেটা মহামান্য রাষ্ট্রপতি করতে পারেন। যেমন গতবার রাষ্ট্রপতি সব দলের নেতাদের সঙ্গে সংলাপ করেছিলেন। তবে সেটা রাষ্ট্রপতির বিষয়। কী করবেন সেটা ওই স্টেজের বিষয়, আমাদের করণীয় কিছু নেই।

সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ইসি নিয়োগের রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের বিষয়টির ওপর জোর দিয়ে সিইসি আরও বলেন, পরের ইসি গঠন করার ব্যাপারে রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। সেটা আমি সমর্থন করি। সমর্থনযোগ্য নির্বাচন কমিশন যেন হয়।

এ সময় ইসি গঠনে আইন প্রণয়নের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বলেন, আইন প্রণয়নের বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয় ও সংসদের বিষয়। এ নিয়ে ইসির মতামত দেওয়ার কিছু নেই। নির্বাচন কমিশনের কাছে এই বিষয়ে মতামত চাওয়া হয় না। যদি মতামত চাওয়া হয় তবে সেটি সেসময় ভাবা যাবে বলেও জানান তিনি।

বর্তমান পাঁচ সদস্যের ইসির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ফেব্রুয়ারিতে। রাষ্ট্রপতি প্রধান দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করে সার্চ কমিটির মাধ্যমে এই কমিশন নিয়োগ দিয়েছিলেন। সংবিধানের আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশন গঠনের দাবি উঠলেও ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে।

যদিও নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার বিষয়ে অভিজ্ঞরা বলছেন যে, সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ প্রদানের নির্দেশনা থাকলেও গত ৫০ বছরে কোনো সরকারই এমন একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে। উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোনো আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করবেন।

সেই ধরনের কোনো আইন হতে পারে কি না- জানতে চাইলে কে এম নূরুল হুদা বলেন, আইন তৈরি করে পার্লামেন্ট। এটা আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে হয়। তাদের কাছ থেকে এমন কোনো ইঙ্গিত আসেনি আইন করতে হবে, কি হবে না। তারা বলে যে, সাংবিধানিক যে ব্যবস্থা রয়েছে সে অনুযায়ী হবে।

এটা আমরা টেলিভিশন, পত্রপত্রিকায় দেখি। এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো আলোচনা হয়নি। আইন করার বিষয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি, যোগ করেন সিইসি।

৬০-৮০ ভাগ ভোট পড়ে, ইসি আস্থায়

এ সময় নির্বাচন কমিশনের প্রধান দাবি করেন, বর্তমান ইসি আস্থা সংকটে নেই। তিনি বলেন, ইসি মোটেই অনাস্থার জায়গা নয়। জনগণের আস্থা নেই একথা বলা যাবে না, জনগণ তো বলেনি আস্থা নেই।

সিইসি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলের লোকেরা যেটা বলেন, অনেক সময় তারা নির্বাচনে প্রতিযোগিতা করে, তারা বলে জনগণের আস্থা নেই। যদি আস্থা না থাকে যেসব নির্বাচন হচ্ছে তাতে উপচেপড়া ভোটার থাকে কীভাবে, লাইন থাকে, ৬০-৮০ শতাংশ লোক ভোট দেয়। এটা আস্থার জায়গা।

জনগণের আস্থা অবশ্যই আছে, জনগণ ঠিকই ভোট দিতে যায়, জোর দিয়ে বলেন কে এম নূরুল হুদা।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




গর্ভপাতের অধিকার চেয়ে বিক্ষোভ

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সম্প্রতি টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে গর্ভপাতবিষয়ক পাস হওয়া একটি আইন ঘিরে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। এই আইনে কারও গর্ভধারণের সময় ছয় সপ্তাহের মতো হয়ে গেলে তাদের গর্ভপাত নিষিদ্ধ করা হয়েছে

গর্ভপাতের ওপর বিধিনিষেধ বৃদ্ধির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ করেছেন হাজারো নারী।

আল-জাজিরা তাদের প্রতিবেদনে বলছে, শনিবার যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে গর্ভপাতের অধিকারের দাবিতে ৬৬০টি বিক্ষোভ হয়। গর্ভপাতবিরোধী আইনের সমালোচনামূলক বিভিন্ন ব্যানার ছিল নারীদের হাতে।

সম্প্রতি টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে গর্ভপাতবিষয়ক পাস হওয়া একটি আইন ঘিরে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। এই আইনে কারও গর্ভধারণের সময় ছয় সপ্তাহের মতো হয়ে গেলে তাদের গর্ভপাত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ড্রাম বাজিয়ে নানান স্লোগানে তারা উত্তাল করে তোলেন। তাদের নানান স্লোগানের অন্যতম ছিল, আমার শরীর, আমার পছন্দ।

অনেককে পরতে দেখা যায় ১৯৭৩ লেখা টি-শার্ট। এটি মনে করিয়ে দেয় ১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রো বনাম ওয়েড নামের ঐতিহাসিক রায়ের বিষয়টি। যাতে আমেরিকান নারীদের গর্ভপাতে বৈধতা দেয়া হয়েছিল।

এই আইনটি গত মাস থেকে কার্যকর হয়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের গর্ভপাতবিষয়ক সবচেয়ে কঠিন আইন।


আরও খবর