আজঃ বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

মাজারে যাওয়ার সময় নৌকা থেকে পড়ে ২ নারীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীতে নৌকা থেকে পড়ে গিয়ে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন  আরও পাঁচ যাত্রী।

বৃহস্পতিবার (০৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে জেলার চৌহালী উপজেলার এনায়েতপুর স্পার বাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার পাতাসি গ্রামের জহির উদ্দিনের স্ত্রী ঝালিমন বেগম (৬০) ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার খুড়মা মধ্য পাড়া গ্রামের জব্বার আলীর স্ত্রী ফুলজান বেগম (৫০)।

নিখোঁজরা হলেন- জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের খুরমা তোতা মিয়ার ছেলে জাহিদ হোসেন (৮), ওমর আলীর স্ত্রী সুফি বেগম (৫০), মিন্টু হোসেনের স্ত্রী হেলেনা খাতুন (৩০) ও তার ছেলে ইয়াসিন (৬) এবং আব্দুস সাত্তার (৬০)।

এনায়েতপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন মোল্লা জানান, আগামী বছর এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী দরবার শরীফের বাৎসরিক ওরস মাহফিল। এ উপলক্ষে জামালপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মাহফিলের জন্য বাঁশ সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেগুলো নিয়েই দরবারে আসছিলেন মুরিদরা।

তবে তাদের বহন করা নৌকাটি এনায়েতপুর স্পার বাঁধ এলাকায় এলে বেশ কয়েকজন যাত্রী বাঁশসহ পড়ে যায়। এ সময় অন্যান্যরা সাঁতার কেটে তীরে উঠলেও সাতজন নিখোঁজ হন। এদের মধ্যে স্থানীয়রা দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল আনা হচ্ছে বলে জানান পরিদর্শক জাকির হোসেন।

নিউজ ট্যাগ: নারীর মৃত্যু

আরও খবর
সিরাজগঞ্জে তীব্র নদী ভাঙন অব্যাহত

রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১




তালেবান নেতাকে চ্যালেঞ্জ আদনান সামির

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কাবুলের বুকে এখন তালেবানদের উত্তপ্ত নিঃশ্বাস। অনেক নাগরিকই তাদের জীবন ও ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কিত। তালেবানের ভয়ে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিন শত শত মানুষ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। দেশটির নাগরিকেরা মনে করছেন তালেবানের কট্টর শাসনের মুখে চ্যালেঞ্জে পড়ে যাবে দেশটির স্বাভাবিক জীবনযাত্রাশিল্প-সংস্কৃতি অঙ্গনের লোকেরাও আছেন আতঙ্কে।

এদিকে তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইসলামে সংগীত নিষিদ্ধ। তাই আশা করছি, আমরা লোকজনকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড না করার বিষয়টি বোঝাতে পারব, তবে চাপ প্রয়োগ করে না।

জাবিউল্লাহ মুজাহিদের এমন বক্তব্যে তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় সংগীত তারকা আদনান সামি।

গেলো রবিবার (২৯ আগস্ট) যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গণমাধ্যম ডেইলি মেইলের একটি খবর নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, প্রিয় জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ, আমি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করছি এটা দেখান যে পবিত্র কোরানের কোথায় উল্লেখ আছে সংগীত হারাম বা ইসলাম পরিপন্থি! এটাও আমাকে দেখান যে কোনো একটা হাদীস, যেখানে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (স.) এমন কিছু উল্লেখ করেছেন। কোথাও নেই।

আদনান সামির এই পোস্টটি ভাইরাল হয়েছে। নজর কেড়েছে নেটাগরিকদের। সেখানে অনেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অনেকে আদনান সামির পক্ষে মত প্রকাশ করলেও কেউ কেউ তার ইসলামিক জ্ঞান ও জীবনযাত্রা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন আদনান সামি। বড় হওয়া এবং পড়াশোনা ইংল্যান্ডেই। তার বাবা আরশাদ সামি খান ছিলেন পাশতুন প্রজাতির। পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর পাইলট আরশাদ পরে কূটনীতিক হন। ১৪টি দেশে তিনি পাকিস্তানের দূত হয়ে কাজ করেছেন। আদনান সামির মা নৌরিন ছিলেন জম্মু কাশ্মীরের মেয়ে। ২০০১ সালে থেকে পর্যটক ভিসায় ভারতে থেকেছেন আদনান সামি। ২০১৫ সালে তিনি ভারত সরকারের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন করেন। ২০১৬ সালে তার আবেদন মঞ্জুর হয়। তাকে বলা হয় সঙ্গীতের সুলতান।

উল্লেখ্য, নব্বইয়ের দশকে তালেবান শাসনকালে দেশটিতে সংগীত, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র কড়াভাবে নিষিদ্ধ ছিল। আর কেউ এই নিয়ম অমান্য করলে তাকে গুরুতর শাস্তি পেতে হতো।


আরও খবর
হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আমার পছন্দের পুরুষকে একটু রাফ হতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেলে ১২-১৮ বছর বয়সীদের টিকা’

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেলেই ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের করোনার টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। আজ সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের টিকা দিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে আবেদন করা হয়েছে। তাদের অনুমোদন পেলেই ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের করোনার টিকা দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, চলতি মাসেই দেশে আড়াই কোটি ডোজ টিকা আসবে। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের টিকা দিতে আমরা ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বস্থ্য সংস্থার কাছে আবেদন করেছি। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর চাপ কিছুটা কম। করোনা ইউনিটগুলোতে বেড খালি আছে। তাই নন-কোভিড রোগীদের জন্য কিছু বেড ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, শনিবার করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার শিশুদের ফাইজার ও মডার্নার টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। স্কুল শিক্ষার্থীরা কোন টিকা পাবেন কী না-এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়স ১৮ বছরের ওপরে হলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী যেকোনো ধরনের টিকা দেওয়া যাবে। ১৮ বছরের নিচে যেসব শিক্ষার্থী আছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা ও অন্যান্য দেশে যেভাবে দেওয়া হচ্ছে সেভাবেই তাদেরকে টিকা প্রদান করা হবে। তবে এর পরদিন ১৮ বছরের কম বয়সীদের আপাতত টিকা দেওয়া হবে না বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর।

দেশে এ পর্যন্ত ২ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ১৫৬ ডোজ করোনা করোনা (কোভিড-১৯) টিকা প্রয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৯৩ লাখ ৪০ হাজার ৪০৮ এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৮৭ লাখ ৩৩ হাজার ৭৪৮ জন মানুষ। এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ১ কোটি ১০ লাখ ৬২ হাজার ৭০২ আর নারী ৮২ লাখ ৭৭ হাজার ৭০৬ জন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৫৩ লাখ ১১ হাজার ৩০০ আর নারী ৩৪ লাখ ২২ হাজার ৪৪৮ জন।

এর মধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিড শিল্ড প্রয়োগ হয়েছে ১ কোটি ১৬ লাখ ৯২ হাজার ৩৩৬ ডোজ। ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা প্রয়োগ হয়েছে ১ লাখ ৩৭২ ডোজ। চীনের সিনোফার্মের টিকা প্রয়োগ হয়েছে ১ কোটি ২৬ লাখ ৯২ হাজার ৪২২ ডোজ। আর মডার্নার টিকা প্রয়োগ হয়েছে ৩৫ লাখ ১৮৯ হাজার ৬৪৪ নারী ৪৩ লাখ ৯৪ হাজার ১৫১ জন। এই টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৬৩ লাখ ৩৮ হাজার ৭২১ জন প্রথম ডোজ এবং ৫৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬১৫ জন দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী ৩৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৬৬ জন পুরুষ এবং নারী ২৪ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৫ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারী পুরুষ ৩৩ লাখ ৪১ হাজার ৬৩৩ এবং নারী ২০ লাখ ১১ হাজার ৯৮২ জন।



আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




গবেষণায় সফল বিএফআরআই: আবার পানিতে ঢেউ তুলবে কাকিলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৫৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা জানান, কাকিলা বা কাখলে একটি বিলুপ্তপ্রায় মাছ। এর দেহ সরু, ঠোঁট লম্বাটে এবং ধারালো দাঁতযুক্ত। বাংলাদেশে যে জাতটি পাওয়া যায় সেটি মিঠা পানির। মাছটি বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলে

স্বাদুপানির অন্যতম মাছ কাকিলা। খেতে সুস্বাদু এ মাছটির দোপেঁয়াজা ভোজনরসিকদের কাছে অমৃতসম। মানবদেহের জন্য উপকারী অণুপুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ এবং কাঁটা কম থাকায় সবার কাছে প্রিয়। একসময় মুক্ত জলাশয়ে বিশেষ করে নদী-নালা, হাওর-বাঁওড়, খাল-বিলে প্রচুর পাওয়া গেলেও এখন বিলুপ্তপ্রায় কাকিলা। অঞ্চলভেদে কিছু কিছু এলাকায় পাওয়া গেলেও পরিমাণে খুবই কম। জলবায়ুর প্রভাব, প্রাকৃতিক বিপর্যয়সহ প্রজনন ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এ মাছ আর পানিতে বিচরণ করতে দেখা যায় না।

আশার কথা, বদ্ধপরিবেশে অভ্যস্তকরণ ও কৃত্রিম প্রজনন কলাকৌশল উদ্ভাবনে সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) স্বাদুপানি উপকেন্দ্র, যশোরের বিজ্ঞানীরা। ইনস্টিটিউটের কোর গবেষণা কার্যক্রমের আওতায় তিন বছর নিবিড় গবেষণার পর এ সাফল্য পান মাৎস্যবিজ্ঞানীরা। ফলে আবার পানিতে ঢেউ তুলবে কাকিলা, রক্ষা পাবে বিলুপ্তির হাত থেকে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) স্বাদুপানি উপকেন্দ্র, যশোরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শিশির কুমার দে ওই গবেষণা করেন।

এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় দেশি মাছের প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র ইতিমধ্যে অনেক বিনষ্ট হয়ে গেছে। ফলে প্রাকৃতিক জলাধার যেমন হাওর-বাঁওড়, খাল-বিল ও নদ-নদীতে এসব মাছের প্রাপ্যতা হ্রাস পেয়েছে। মৎস্য অধিদফতর অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এসব দেশি মাছ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি বলেন, আমরা হারিয়ে যাওয়া দেশি মাছের স্বাদ মানুষের খাদ্যের সঙ্গে যুক্ত করতে চাই। এজন্য দেশি বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মাছ পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণে বর্তমানে ইনস্টিটিউটের যশোর, সৈয়দপুর ও ময়মনসিংহ গবেষণা কেন্দ্র থেকে গবেষণা করা হচ্ছে। এতে সাফল্যও আসছে।

সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা জানান, কাকিলা বা কাখলে একটি বিলুপ্তপ্রায় মাছ। এর দেহ সরু, ঠোঁট লম্বাটে এবং ধারালো দাঁতযুক্ত। বাংলাদেশে যে জাতটি পাওয়া যায় সেটি মিঠা পানির। মাছটি বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলে কাইকল্যা, কাইক্কা নামেই পরিচিত। বৈজ্ঞানিক নাম Xenentodon cancila. মাছটিকে ইংরেজিতে  Freshwater garfish. বলে। এটি ইবষড়হরফধব পরিবারের অন্তর্গত। বাংলাদেশ ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে এ মাছ পাওয়া যায়। তবে রং ও আকারে কিছু পার্থক্য থাকে।

গবেষক দলের প্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রবিউল আউয়াল হোসেন বলেন, কাকিলার দেহ লম্বা, সামান্য চাপা এবং প্রায় সিলিন্ডার আকৃতির। এগুলো লম্বায় ২৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার হয়। পরিণত পুরুষ মাছের মাথার শীর্ষে লাল চূড়া দেখা যায়, যা থেকে সহজেই স্ত্রী ও পুরুষ মাছ আলাদা করা যায়। এ ছাড়া পুরুষ মাছের দেহ স্ত্রী মাছের তুলনায় সরু এবং আকারে একটু ছোট হয়। এটি শিকারি মাছ। মূলত ছোট মাছ খেয়ে থাকে। প্রাকৃতিকভাবে প্রবহমান জলাশয়ে বিশেষ করে নদীতে এবং বর্ষাকালে প্লাবিত অঞ্চলে প্রজনন করে থাকে। পরিণত মাছেরা ভাসমান জলজ উদ্ভিদ নেই এমন স্থানে বসবাস করলেও জলজ উদ্ভিদের পাতার নিচে ও ভাসমান শিকড়ে এদের স্ত্রীরা ডিম পাড়ে। কাকিলা মাছের কৃত্রিম প্রজনন এটিই বাংলাদেশে প্রথম এবং বিশ্বের কোথাও এ মাছের কৃত্রিম প্রজননের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, রাজবাড়ী জেলাসংলগ্ন কুষ্টিয়ার পদ্মা নদী থেকে কাকিলা ব্রুড (মা-বাবা মাছ) সংগ্রহ করে যশোরের স্বাদুপানি উপকেন্দ্রের পুকুরে ছাড়া হয়। পরে হ্যাচারিতে উৎপাদিত কার্পজাতীয় মাছের জীবিত পোনা এবং নানা জলাশয় থেকে সংগৃহীত জীবিত ছোট মাছ খাইয়ে পুকুরের আবদ্ধ পরিবেশে মাছকে অভ্যস্ত করা হয়। এরপর চলতি বছরের মে থেকে বৈজ্ঞানিক প্রটোকল অনুসরণ করে কৃত্রিম প্রজননের উদ্দেশ্যে উপকেন্দ্রের হ্যাচারিতে নির্দিষ্টসংখ্যক মা-বাবা মাছকে বিভিন্ন ডোজে হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয়।

এভাবে কয়েকবার বিভিন্ন ডোজের ট্রায়াল দেওয়া হলেও মাছের প্রজননে সাফল্য আসেনি। অবশেষে ২৫ আগস্ট প্রজননকৃত মাছের ডিম থেকে পোনা বের হয় এবং কাকিলা মাছের কৃত্রিম প্রজননে সাফল্য আসে।

প্রধান গবেষক জানান, কাকিলা মাছের প্রজননের জন্য পিজি হরমোন ব্যবহার করা হয়। ১৮ আগস্ট পুকুর থেকে মাছ ধরে চার জোড়া মা-বাবা নির্বাচন করে হ্যাচারির চৌবাচ্চায় নির্দিষ্ট সময় ঝরনাধারা দিয়ে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয়। পরে মা-বাবা মাছকে একত্রে একটি চৌবাচ্চায় রেখে ঝরনাধারা দিয়ে সেখানে কচুরিপানা রাখা হয়। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর মা মাছ ডিম ছাড়ে। ডিমের ভিতরে বাচ্চার বিভিন্ন দশা ও উন্নয়ন অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। ডিম ছাড়ার ৯০ থেকে ১০০ ঘণ্টার মধ্যে নিষিক্ত ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়।

গবেষকরা জানান, প্রতি ১০০ গ্রাম খাবার-উপযোগী কাকিলা মাছে ১৭.১ শতাংশ প্রোটিন, লিপিড ২.২৩ শতাংশ, ফসফরাস ২.১৪ শতাংশ এবং ০.৯৪ শতাংশ ক্যালসিয়াম রয়েছে যা অন্যান্য ছোট মাছের তুলনায় অনেক বেশি। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, দেশের বিলুপ্তপ্রায় ৬৪টি মাছের মধ্যে ৩০টির কৃত্রিম প্রজননে ইতিমধ্যে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট সাফল্য পেয়েছে। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ৩১তম মাছ হিসেবে কাকিলা যুক্ত হলো।’


আরও খবর
ইভ্যালির সিইও রাসেলের বাসায় র‌্যাবের অভিযান

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১




২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ২৬৬ জন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আরও ২৬৬ জন ভর্তি হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ২৬৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ২২০ জন ও ঢাকার বাইরে ৪৬ জন ভর্তি হয়েছেন। এর আগে সোমবার (৩০ আগস্ট) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ২৩৩ জন।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত হাসপাতালে মোট রোগী ভর্তি হয়েছে ১০ হাজার ৩৫৬ জন ডেঙ্গু রোগী। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ১১০ জন। আর ডেঙ্গুতে ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

ডেঙ্গু বাসায় থাকা এডিস মশার কামড়ে হয়। নগরীর চার পাশের ময়লা-আবর্জনার স্তূপ থাকা, নোংরা ড্রেন পরিষ্কার না করায় চলতি বর্ষা মৌসুমে মশার প্রজনন বেড়ে গেছে। অথচ নগরীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে এবং মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করলেই মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে ন্যান্সি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০২ সেপ্টেম্বর 2০২1 | ৮১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অবশেষে তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সি। গত মাসে হয় আংটি বদল।পাত্র মেহেদী মহসীন একজন গীতিকবি এবং দেশের খ্যাতনামা সংগীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান অনুপম-এর চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও)।

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সি ও গীতিকার মহসীন মেহেদীর। আগস্ট মাসে হয়েছে তাদের বিয়ে। তবে তারিখ জানাতে চাননি এ কণ্ঠশিল্পী।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পারিবারিকভাবেই আমাদের বিয়ে হয়েছে। ইচ্ছা ছিল বিয়ের আয়োজন করার। কিন্তু কোভিডের কারণে আয়োজন করা হলো না। ন্যান্সি আরও জানান, ঢাকাতে বাসা নিয়েছেন তারা। বিয়ের পর নতুন দম্পতি সেখানেই থাকবেন।

নিউজ ট্যাগ: ন্যান্সি

আরও খবর
হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আমার পছন্দের পুরুষকে একটু রাফ হতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১