আজঃ শনিবার ০২ মার্চ 2০২4
শিরোনাম

মানুষের মস্তিষ্কে প্রথমবারের মতো চিপ স্থাপন করল মাস্কের নিউরালিংক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

মানুষের মস্তিষ্কে প্রথমবারের মতো চিপ স্থাপন করেছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার এই চিপ স্থাপনের কাজটি করা হয়। ইলন মাস্কে নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করলেও তাঁর প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ইলন মাস্ক আজ সোমবার তাঁর নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এক্সে শেয়ার করা এক পোস্টে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, চিপ স্থাপনের পর প্রাথমিক ফলাফল অনুসারে, চিপটি নিউরনের স্পাইক শনাক্তকরণে বেশ ভালো সক্ষমতা দেখিয়েছে।

সাধারণত নিউরনের কর্মকাণ্ডকে স্পাইক বলে আখ্যা দেওয়া হয়। তবে একে সেল বা কোষও বলা হয়। মূলত, মানুষের মস্তিষ্ক যে বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে সারা দেহে তথ্য আদানপ্রদান করে সেই প্রক্রিয়াকে স্পাইক বলা হয়।

 যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) গত বছর নিউরালিংকে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ বসানোর বিষয়টি পরীক্ষা করার জন্য ছাড়পত্র দিয়েছিল। মূলত পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও স্নায়বিক সমস্যায় ভোগা রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক। এর পর, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ বসানোর আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে নিউরালিংক।

মাস্কের প্রতিষ্ঠান কিছুদিন আগে এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, এই চিপ বসানোর কাজে রোবটের সাহায্য নেওয়া হবে। রোবটের সাহায্যে মানুষের মস্তিষ্কের এমন একটা অংশে এই চিপ বা ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস (বিসিআই) স্থাপন করা হবে যেটি মানুষের চলাফেরার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে।

নিউরালিংক জানিয়েছিল, তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হলোকোনো যন্ত্রের সহায়তা না নিয়ে কেবল মস্তিষ্কের চিন্তার মাধ্যমে কম্পিউটার কারসর বা বা কিবোর্ড নিয়ন্ত্রণে সক্ষম করে তোলা। প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য বলছে, চিপটির আলট্রা-ফাইন থ্রেড যাদের মস্তিষ্কে স্থাপন করা হবে তাদের মস্তিষ্কে সংকেত প্রেরণে সহায়তা করবে।

নিউরালিংকের প্রথম চিপটিকে টেলিপ্যাথি নামে আখ্যা দেওয়া হবে জানিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। তিনি গত ১০ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিলেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান বানরের ওপর এই চিপ স্থাপনের পরীক্ষা চালিয়েছে। কিন্তু এই পরীক্ষায় কোনো বানর মারা যায়নি।


আরও খবর



বাংলাদেশে যে কারণে দানা বাঁধছে ‘ভারতীয় পণ্য বয়কট’ ও ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রচারণা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমানার দৈর্ঘ্য চার হাজার ৯৬ কিলোমিটার। দুই দেশের এই সীমান্তে নানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে গত অর্ধশতক ধরেই। এসব হত্যাকাণ্ডে নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন সময় টানাপড়েন দেখা গেছে।

বাংলাদেশে ভারত বিদ্বেষী মনোভাবের অন্যতম কারণ সীমান্তের হত্যাকাণ্ড। জাতীয় নির্বাচনের দুই সপ্তাহ পর গত ২২ জানুয়ারি যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এর গুলিতে মারা যান বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) একজন সদস্য। হত্যাকাণ্ডের তিনদিন পর তার লাশ ফেরত পায় বাংলাদেশ। ঐ ঘটনার পর হঠাৎই ভারত বিরোধিতার বিষয়টি বেশি লক্ষ্য করা যায়।

গত কয়েক সপ্তাহ হলো বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, এক্স ও ইউটিউবের মাধ্যমে সাম্প্রতিক ইন্ডিয়া আউট নামে ভারত বিরোধী এক ধরনের প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেখানে প্রতিবেশী দেশ ভারতের পণ্যসহ দেশটিকে 'বয়কট' নিয়ে করা বিভিন্ন ধরনের ক্যাম্পেইন চলছে। যারা এসব প্রচারণা চালাচ্ছেন, তাদের বেশিরভাগই আওয়ামী লীগ কিংবা সরকার-বিরোধী হিসেবে পরিচিত। এর সঙ্গে ছোটখাটো কয়েকটি রাজনৈতিক দলও রয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এসব প্রচারণা ভারতেও অনেকের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। বাংলাদেশের এসব প্রচারণার বিরুদ্ধে ভারতের অনেকে ইউটিউবে পাল্টা জবাব দিচ্ছেন।

সম্প্রতি ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকার অলিগলিতে এক তরুণ হ্যান্ডমাইক হাতে ভারতের পণ্য বর্জনের প্রচারণা চালাচ্ছেন। সে গণঅধিকার পরিষদের একজন নেতা। সেই সঙ্গে এবি পার্টির মতো কয়েকটি ক্ষুদ্র দলের নেতা-কর্মীরা সম্পৃক্ত হয়েছেন। এসব দল গত ৭ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর থেকে নানাভাবে ভারত-বিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে।

এদিকে নির্বাচন বয়কটের ডাক দেয় বিরোধী রাজনৈতিক জোট বিএনপি। ফলে অনেকটা একতরফা নির্বাচনে জয় নিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় বসে আওয়ামী লীগ। এ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়েও ছিল নানা প্রশ্ন।

বাংলাদেশের বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষের একটা অংশ মনে করছে, আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর নয়াদিল্লীর কুটনৈতিক সমর্থনের কারণেই বাংলাদেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। যে কারণে এবার নির্বাচন বয়কট করে এই সামাজিক আন্দোলনে তরুণদের একটা অংশ।

এই নির্বাচনের পরপর দেশ ও দেশের বাইরে থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ধরনের প্রচারণা শুরু হয়। হ্যাশট্যাগ ইন্ডিয়াআউট এই প্রচারণায় তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই যোগ দেন। হ্যাশট্যাগের এই প্রচারণাটি ফেসবুক, এক্স(টুইটার), ইন্সটাগ্রামেও এখন শীর্ষে দেখা যাচ্ছে। যেখানে বেশিরভাগ পোস্টদাতাই বলছেন, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে অযাচিতভাবে হস্তক্ষেপ করেছে। যে কারণে এই ধরনের প্রচারাভিযানের মাধ্যমে তারা ভারতীয় পণ্য বয়কটেরও ডাক দিচ্ছেন।

বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারতের রাজনীতি ও কুটনৈতিক অঙ্গনে। দুটি দেশের দায়িত্বশীল সূত্রই এই ইন্ডিয়াআউট নিয়ে কথা বলছেন। এতে বাংলাদেশে এবং দেশের বাইরে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের অনেককেই এই ধরনের প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। এমন অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত বিদ্বেষী মনোভাবের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে কি ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। এ নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের প্রভাবশালী দুই মন্ত্রী কথাও বলেছেন সাম্প্রতিক।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বাংলাদেশের জনগণ 'ভারত বিদ্বেষী' হয়ে উঠছে, সেক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্কে কোন প্রভাব পড়বে কী-না? জবাবে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের কোন টানাপড়েন নেই

অপরদিকে গত মঙ্গলবার ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট আয়োজিত এক প্রশ্নোত্তর যোগ দিয়েছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানে নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, মালদ্বীপের পর ভারতেও এক ধরনের ইন্ডিয়া আউট ক্যাম্পেইন চলছে। এর প্রভাব কী হতে পারে? তিনি বলেন, গণমাধ্যমে যা দেখবেন তার সবটুকু বিশ্বাস করবেন না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ভারতীয়দের বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে যেতে এবং বাংলাদেশি বন্দর ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে। যা ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। আগে উত্তর-পূর্বের মানুষদের শিলিগুড়ি করিডোর দিয়ে নেমে পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে যেতে হতো। এখন তারা চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারে। এটি সমগ্র পূর্ব ভারতীয় অর্থনীতি বদলে দিবে।

ভারতীয় গণমাধ্যম ফার্স্টপোস্টের একটি ইউটিউব পেইজে সাংবাদিক পালকি শর্মাকে বাংলাদেশের এই ইন্ডিয়া আউট ক্যাম্পেইন নিয়ে একটি বিশ্লেষণ করতে দেখা গেছে। সেখানে বলা হচ্ছে, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানই এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পেছন থেকে। যদিও 'ভারতীয় পণ্য বয়কট' কিংবা 'ইন্ডিয়া আউট' প্রচারণা নিয়ে বিএনপি দল হিসেবে কিছু বলেনি বা প্রচারণায়ও অংশ নেয়নি।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা রাজনৈতিকভাবে এমন কোন সিদ্ধান্ত এখনো নেই নাই। যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন আন্দোলনের ডাক দিয়েছে সেটা তাদের অধিকার। দলের পক্ষ থেকে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তবে কিছুদিন আগে তিনি গণমাধ্যমে বলেছিলেন, এই সরকার ভারত, রাশিয়া ও চীনের সরকার।


আরও খবর
বাংলাদেশের অর্ধেক পানিতেই আর্সেনিক : গবেষণা

বৃহস্পতিবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৪




বেইলি রোডে আগুনে ৪৩ জন নিহত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে আগুনে ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।

সামন্ত লাল সেন বলেন, বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ৩৩ জন এবং পার্শ্ববর্তী শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১০ জন মারা গেছেন। জরুরি বিভাগ ও বার্ন ইনস্টিটিউট মিলিয়ে এখন পর্যন্ত আহত ২২ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি সংবাদ পেয়ে দ্রুত চলে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে দ্রুত যেতে বলেছেন। এখানে এসে ভয়াবহ অবস্থা দেখলাম। যারা এখন পর্যন্ত বেঁচে আছেন, তাদের বেশির ভাগের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা বেঁচে আছেন তাদের বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন। বাইরে কেউ আছে কি না, সে তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আহত ও দগ্ধদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে ভবনের দ্বিতীয় তলায় কাচ্চি ভাই নামের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এরপর ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন হতাহতদের সম্পর্কে জানান।

ওই ভবনটি সাত তলা। উপরের তলাগুলোতেও রেস্তোরাঁ এবং তৃতীয় তলায় একটি পোশাকের দোকান ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগার পর তা উপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কিত লোকজন উপরের দিকে উঠে যায়। এ সময় ভবন থেকে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে কয়েকজন আহত হন। তাঁদের মধ্যে ১২ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আগুন নেভানোর পাশাপাশি ভবনে আটকা পড়া ব্যক্তিদের মই দিয়ে নামিয়ে আনেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।


আরও খবর



সংরক্ষিত আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন ৫০ নারী

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে জমা পড়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সব মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। ফলে ৫০ জন নারী প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছে ইসি। এসব প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করে মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) গেজেট প্রকাশ করা হবে। রোববার সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মুনিরুজ্জামান তালুকদার এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে ৫০ প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন রাখা হয়েছিল। কোনো প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় সবাইকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৮ জন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও দুজন জাতীয় পার্টির। এসব প্রার্থীদের নামে মঙ্গলবার গেজেট ঘোষণা হবে, যেহেতু সোমবার সরকারি ছুটির দিন।

সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত এমপিরা হলেন:

১. রেজিয়া ইসলাম (পঞ্চগড়)

২. দ্রৌপদী দেবি আগরওয়াল (ঠাকুরগাঁও)

৩. আশিকা সুলতানা (নীলফামারী)

৪. রোকেয়া সুলতানা (জয়পুরহাট)

৫. কোহেরী কুদ্দুস মুক্তি (নাটোর)

৬. জারা জেবিন মাহবুব (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)

৭. রুনু রেজা (খুলনা)

৮. ফরিদা আক্তার বানু (বাগেরহাট)

৯. ফারজানা সুমি (বরগুনা)

১০. খালেদা বাহার বিউটি (ভোলা)

১১. ফরিদা ইয়াসমিন (নরসিংদী)

১২. উম্মে ফারজানা সাত্তার (ময়মনসিংহ)

১৩. নাদিরা বিনতে আমির (নেত্রকোনা)

১৪. মাহফুজা সুলতানা মলি (জয়পুরহাট)

১৫. পারভীন জামান কল্পনা (ঝিনাইদহ)

১৬. আরমা দত্ত (কুমিল্লা)

১৭. লায়লা পারভীন (সাতক্ষীরা)

১৮. মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা)

১৯. বেদৌরা আহমেদ সালাম (গোপালগঞ্জ)

২০. শবনম জাহান (ঢাকা)

২১. পারুল আক্তার (ঢাকা)

২২. সাবেরা বেগম (ঢাকা)

২৩. শাম্মী আহমেদ (বরিশাল)

২৪. নাহিদ ইজহার খান (ঢাকা)

২৫. ঝর্ণা আহসান (ফরিদপুর)

২৬. ফজিলাতুন নেছা (মুন্সীগঞ্জ)

২৭. সাহেদা তারেক দীপ্তি (ঢাকা)

২৮. অনিমা মুক্তি গোমেজ (ঢাকা)

২৯. শেখ আনার কলি পুতুল (ঢাকা)

৩০. মাসুদা সিদ্দিক রোজী (নরসিংদী)

৩১. তারানা হালিম (টাঙ্গাইল)

৩২. শামসুন নাহার (টাঙ্গাইল)

৩৩. মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর)

৩৪. অপরাজিতা হক (টাঙ্গাইল)

৩৫. হাসিনা বারী চৌধুরী (ঢাকা)

৩৬. নাজমা আক্তার (গোপালগঞ্জ)

৩৭. ফরিদুন্নাহার লাইলী (লক্ষ্মীপুর)

৩৮. আশরাফুন নেছা (লক্ষ্মীপুর)

৩৯. কানন আরা বেগম (নোয়াখালী)

৪০. শামীমা হারুন লুবনা (চট্টগ্রাম)

৪১. ফরিদা খানম (নোয়াখালী)

৪২. দিলারা ইউসুফ (চট্টগ্রাম)

৪৩. ডরথি তঞ্চঙ্গা (রাঙ্গামাটি)

৪৪. সানজিদা খানম (ঢাকা)

৪৫. নাছিমা জামান ববি (রংপুর)

৪৬. নাজনীন নাহার রোশা (পটুয়াখালী)

৪৭. ওয়াসিকা আয়শা খান (চট্টগ্রাম)

৪৮. রুমা চক্রবর্তী (সিলেট)

অন্যদিকে জাতীয় পার্টি থেকে সাবেক সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান নুরুন নাহার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪




নাফ নদে সর্বোচ্চ সতর্ক পাহারায় বিজিবি

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

মিয়ানমারের রাখাইনে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে যাতে রোহিঙ্গারা ঢুকতে না পারে, সে ব্যাপারে নাফ নদে সর্বোচ্চ সতর্ক পাহারায় রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ লক্ষ্যে সোমবার সকালে টেকনাফের দমদমিয়ায় নাফ নদ সীমান্তে স্পিড বোট দিয়ে জালিয়ার দ্বীপে টহল বাড়িয়েছে বিজিবি।

রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ ঠেকানো হচ্ছে জানিয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (বিজিবি-২) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, নাফ নদ অতিক্রম করে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের পাশাপাশি কোনো লোকজন যাতে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। সকাল থেকে দমদমিয়ার নাফ নদ সীমান্তে বিজিবির তিনটি স্পিড বোটের টহল অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে মিয়ানমারের মংডু থেকে ছোট ছোট ট্রলারে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে কয়েকদিন ধরে সীমান্তে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে অনেক রোহিঙ্গা। তবে একজন রোহিঙ্গাও যাতে সীমান্ত ডিঙাতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বিজিবি। 

আরও পড়ুন>> শিবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারে ৪০ ককটেল বিস্ফোরণ

কর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে লোকজন অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে কিন্তু আমরা নতুন করে কাউকে ঢুকতে দিচ্ছি না। আজকে পর্যন্ত ১৩৭ জনকে প্রতিহত করা হয়েছে। অন্য দিনের তুলনায় এ দিন সীমান্ত শান্ত ছিল।

অন্যদিকে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে আরাকান আর্মির চলমান তুমুল লড়াই ও গোলাগুলির শব্দে ৪ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সেনাসহ ৩৩০ জন বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। তাদের ফেরত যাওয়ার বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।


আরও খবর



ছয়টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি বন্ধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছয়টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এ বছর এমবিবিএস প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। তাদের মধ্যে চারটি মেডিকেল কলেজের ২০২৩২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। দুটি মেডিকেল কলেজের নিবন্ধনই বাতিল করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২৩২৪ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলা হয়। বিশেষ কারণে এই সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আয়োজন না করে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে করা হয়। আগামীকাল শুক্রবার এই ভর্তি পরীক্ষা হবে।

যে চারটি মেডিকেল কলেজে এ বছর কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারবে না তার মধ্যে আছে, রাজধানীর উত্তরার আইচি মেডিকেল কলেজ, ধানমন্ডির নর্দার্ন মেডিকেল কলেজ, রংপুরের নর্দান, মেডিকেল কলেজ ও রাজশাহীর শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ। অন্যদিকে রাজধানীর কেয়ার মেডিকেল কলেজ ও আশুলিয়ার নাইটিঙ্গেল মেডিকেল কলেজের নিবন্ধন বাতিল করেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন বলেন, ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ ৫ হাজার ৩৮০টি ও ৬৭টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৬ হাজার ২৯৫টি আসন আছে। ১০৪টি কলেজের ১১ হাজার ৬৭৫টি আসনের জন্য ১ লাখ ৪ হাজার ৩৭৪ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তিনি বলেন, ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস বা অন্য কোনো অসত কাজে শিক্ষার্থীরা বা তাঁদের অভিভাবকেরা যেন জড়িয়ে না পড়েন, সে জন্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তৎপর আছে।

দেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৪৪টি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মেডিকেল ভর্তিপ্রক্রিয়া ডিজিটাইলেজশন করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র বহনকরী প্রতিটি ট্রাঙ্কে এমন একটি যন্ত্র রাখা হয়েছে, তাতে বোঝা যাবে ট্যাঙ্কটি কোথায় আছে, কোনো স্থান থেকে কোথায় যাচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্য বলেন, পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়। চলবে বেলা ১১টা পর্যন্ত। কিন্তু শিক্ষার্থীরা যেন নিজ নিজ কেন্দ্রে সকাল ৮টার মধ্যে পৌঁছে যান। সকাল সাড়ে নয়টার পর কোনো শিক্ষার্থীকে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না। প্রবেশপত্র এবং বল পয়েন্ট কলম ছাড়া কোনো ধরনের ইলেকট্রোনিক ডিভাইস কেন্দ্রের মধ্যে নেওয়া যাবে না। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর দেহ তল্লাশি করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিএমএর সভাপতি, স্বাচিপের ও বিএমডিসির সভাপতি উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর