আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪
শিরোনাম

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যা বললেন সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটি।

সোমবার (২০ মে) দিবাগত রাতে ইউনাইটেড স্টেট ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ ঘটনার পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক এই সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ২০২১ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি আল জাজিরায় অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস ম্যান নামক একটি নাটক মঞ্চস্থ হয়েছিল। তার সাথে এই নিষেধাজ্ঞা সম্পৃক্ত ওতোপ্রতোভাবে। অভিযোগ দুইটা একই, কিন্তু এখানে বিস্তারিত বলা হয়নি।

প্রথম অভিযোগ হল- আমি আমার ভাইকে বাংলাদেশের যে আইন আছে, তার (ভাই) অপরাধ কর্মকাণ্ড থেকে সে যেন এড়িয়ে চলতে পারে; সেজন্য আমি আমার পদ-পদবি ব্যবহার করে তাকে সহযোগিতা করে আমি করাপসন করেছি। এর উত্তর হলো- আমার সেই ভাই, আমি জেনারেল হওয়ার অনেক আগেই বিদেশে গেছে। সে নিশ্চয়ই বৈধ পাসপোর্ট নিয়েই বিদেশে গেছে। তার চলে যাওয়া বা দেশের প্রচলিত আইন ফাঁকি দেয়ার ব্যাপারে আমি আমার পদ-পদবি ব্যবহার করেছি এই অভিযোগটা আমি মেনে নিচ্ছি না। মেনে নিতে পারি না, এটা সঠিক নয়।

দ্বিতীয়ত, আমি আমার ভাইকে সামরিক কন্ট্রাক্ট দিয়ে আমি ঘুষ নিয়েছি। আমি আরেকটা দুর্নীতি করেছি। এখানে যে ইকুয়েপ্টের কথা বলা হচ্ছে, আমি এটা পরে বলতে চাই, আমি চার বছর বিজিবি থাকাকালীন এবং তিন বছর সেনাপ্রধান থাকাকালীন কেউ যদি একটা প্রমাণ দিতে পারে যে, আমি আমার কোনো ভাইকে বা কোনো আত্মীয়কে বিজিবি বা সেনাবাহিনীতে কোনো কন্ট্রাক্ট দিয়েছি। তাহলে আমি যেকোনো কনসেকুয়েন্স মেনে নিতে প্রস্তুত আছি। আমি দেইনি। আমার উত্তর আমি দেইনি।

সাবেক এই সেনাপ্রধান আর বলেন, আমার কোনো ভাইকে সেনাবাহিনী বা বিজিবিতে ঠিকাদারি করার জন্য কোনো ধরনের লাইসেন্স আছে কিনা আপনারা খুঁজে বের করুন। আমি যে আমার ভাইদের কন্ট্রাক্ট দিয়েছি, তার প্রমাণ তারা (যুক্তরাষ্ট্র) দিক। আমি মেনে নেব। তথ্য প্রমাণ ছাড়া তো এটা প্রমাণিত না। আমি জোড় দিয়ে বলছি, আমি তাদের কোনো কন্ট্রাক্ট দেইনি।


আরও খবর



ডিমের বাজার মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

এক যুগের বেশি সময় ধরে মুরগির ডিম উৎপাদন করছেন ঢাকার ধামরাই এলাকার বাসিন্দা সুলতান উদ্দিন। তার খামারে মুরগির সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। খাদ্য, ওষুধ, বিদ্যুৎ ও আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে একেকটি মুরগির পেছনে দৈনিক ৭ থেকে সাড়ে ৮ টাকা ব্যয় হয় তার। তবে ডিমপ্রতি ১ টাকা লাভ ধরে খামারি পর্যায়ে প্রতি পিস ডিম বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৯ টাকা দরে। যা বাজারে বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১২ টাকায়।

সংশ্লিষ্ট তথ্য বলছে, দেশে প্রতিদিন ডিমের চাহিদা প্রায় চার কোটি। যার বিপরীতে উৎপাদন হচ্ছে প্রায় সাড়ে চার কোটি ডিম। তবে খামারিরা ১ টাকা লাভে সাড়ে ৯ টাকা দরে ডিম বিক্রি করলেও রাজধানীর বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১২ টাকা দরে। বাড়তি এই ৩ টাকা যাচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে।

সুলতান উদ্দিন বলেন, আমরা যারা উৎপাদন করি, তারা আসলে ন্যায্যমূল্য পাই না। আবার যারা ক্রেতা, সাধারণ মানুষ তারাও কিন্তু চড়া মূল্যেই ডিম কিনে। মাঝখানে যারা ব্যবসায়ী তারাই এতে লাভবান হচ্ছে।

গেলো বছর লাগামহীন পণ্যমূল্যের আলোচনায় বাড়তি অস্বস্তি যোগ হয় মুরগির ডিমের দামের ঊর্ধ্বগতিতে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ডিম আমদানির ঘোষণা দেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের বাজারে আসে প্রায় ৬২ হাজার ভারতীয় ডিম। তবুও গেলো কয়েক মাসে ডিমের দামের সূচক উঠানামা করে ঠিকই। এরমধ্যেই সপ্তাহখানেক আগে থেকে নতুন করে ভোক্তাদের মধ্যে দাম নিয়ে অস্বস্তি শুরু হয়েছে। কারণ, খোলাবাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়।

এক ক্রেতা বলেন, আমাদের দেশে তো অনেক ফার্ম আছে। তারা যদি ডিম সরবরাহ করে তাহলে তো এমনিতেই ডিমের দাম কম থাকা উচিত। অপরজন বলেন, বর্তমান সময়ে কৃষক দাম পাচ্ছে না, মধ্যস্বত্বভোগীরা দাম পাচ্ছে- এমন ঘটনাই ঘটছে। ক্ষুব্ধ আরেক ক্রেতা বলেন, সরকার তো কোনো পদক্ষেপই নেয় না। ফলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ ধুঁকে ধুঁকে মরছে।

এদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীদের দাবি, ডিমের চাহিদার তুলনায় যোগান কম। আবার মধ্যস্বত্বভোগীদের কৃত্রিম কারসাজিও রয়েছে। তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. আমানত উল্লাহ বলেন, খামারি কত পাবে, আমরা আড়তদাররা কততে নিয়ে আসবো, যারা ক্রেতা তারা কততে ডিম নিতে পারবে- এসবের জন্য একটা সিস্টেম করা উচিত। প্রকৃতপক্ষে কিন্তু এরকম কোনো প্রক্রিয়া নেই। দেশের বাজারে চাহিদা নেই, বাজার কমছে, খামারি লোকসান গুনছে।


আরও খবর



আমতলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
Image

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

আমতলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এক চেয়ারম্যান প্রার্থী ও এক নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। রবিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে তারা মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন।

জানা গেছে, আমতলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আগামী ৫ জুন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এম এ কাদের মিয়া এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান মাকসুদা আক্তার জোসনা মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন। রবিবার ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ওই দিন তারা তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছে। 

আমতলী উপজেলা নির্বাচন অফিসার সেলিম রেজা বলেন, একজন চেয়ারম্যান এবং একজন নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, মনোনয়নপত্র করে নেয়ায় আমতলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম সারোয়ার ফোরকান, এলমান আহাম্মেদ সুহাদ তালুকদার, আলতাফ হাওলাদার ও মোশাররফ হোসেন মোল্লা, নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে জেসিকা তারতিলা জুথি এবং তামান্না আফরোজ মণি ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোয়াজ্জেম হোসেন খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম শামসুদ্দিন, এডভোকেট মাহবুবর রহমান, নাজমুল হাসান সোহাগ ও সৈয়দ নাজমুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।


আরও খবর



চট্টগ্রামে ঝুটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রামে ঝুটের গোডাউনে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর সিটি গেট এলাকার ওই গোডাউনে এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ করছে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আবদুল্লাহ জানান, বেলা ১১টার দিকে নগরীর সিটি গেট এলাকার ওই ঝুটের গোডাউনে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।


আরও খবর



কঙ্গনাকে থাপ্পড় মারা সেই নারী জওয়ানের জন্য পুরস্কার ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

ভারতের চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতকে থাপ্পড় মারা দেশটির কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (সিআইএসএফ)ওই নারী সদস্যের জন্য এক লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছেন পাঞ্জাবের এক ব্যবসায়ী। তার নাম শিবরাজ সিং বেইনস।

এ ঘটনায় তিনি কুলবিন্দর কাউর নামে সাহসী ওই নারী নিরাপত্তারক্ষীকে অভিবাদন জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। তাতে তিনি পাঞ্জাবের জনগণ ও পাঞ্জাবের সংস্কৃতি রক্ষার জন্য কুলবিন্দরকে অভিবাদন জানানা।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন কঙ্গনা। নির্বাচনে তিনি দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপির প্রার্থী হিসেবে হিমাচল প্রদেশের মান্ডি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। গত মঙ্গলবার লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দুই দিন পর বৃহস্পতিবার বিকালে দিল্লি আসার পথে চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত ওই ঘটনার মুখোমুখি হন কঙ্গনা।

কঙ্গনা বলেছেন, ওই কনস্টেবল আমার মুখে আঘাত করেন এবং আমাকে নিপীড়ন করতে শুরু করেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম তিনি কেন এটা করছেন। তখন তিনি (নারী নিরাপত্তারক্ষী) বললেন যে তিনি কৃষক আন্দোলন সমর্থন করেন।”

ভিডিও বার্তায় কঙ্গনা আরও বলেন, আমি নিরাপদ আছি। কিন্তু আমি উদ্বিগ্ন পাঞ্জাবে যেভাবে উগ্রপন্থা বাড়ছে...তা কীভাবে আমরা সামলাব?

কনস্টেবল কুলবিন্দর কী বললেন?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ক্ষুব্ধ কুলবিন্দর কাউর উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে কথা বলছেন। ধারণা করা যায়, ঘটনাটির পর তিনি এ কথা বলেন। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, কঙ্গনা বলেছিলেন- কৃষকেরা দিল্লিতে বিক্ষোভ করছেন; কারণ, তাদের ১০০ বা ২০০ রুপি করে দেওয়া হয়েছিল। সেই বিক্ষোভকারীদের একজন ছিলেন আমার মা।”

কৃষক আন্দোলন নিয়ে কঙ্গনা রানাউতের অবস্থানের কারণে তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন কনস্টেবল কুলবিন্দর কাউর। ঘটনাটির পর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও দায়ের হয়েছে। বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করা সিআইএসএফ এ ঘটনা তদন্তেরও পদক্ষেপ নিয়েছে।

কুলবিন্দরের বিরুদ্ধে এসব ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে তার পক্ষে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন এই নিরাপত্তাকর্মীর ভাই শের সিং মহীভাল। যিনি নিজে কৃষক আন্দোলনের একজন সংগঠক। একটি ভিডিওতে তিনি বলেছেন, সংবাদমাধ্যমের খবরে আমি চণ্ডীগড় বিমানবন্দরের ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেরেছি। আমি এখন বুঝতে পেরেছি যে ঘটনাটি ঘটেছে কঙ্গনার মুঠোফোন ও পার্স তল্লাশির সময়ে। কঙ্গনা বলেছিলেন যে কৃষক বিক্ষোভের সময় নারীরা সেখানে গেছেন ১০০ রুপির জন্য। এই তর্কাতর্কির মধ্যে আমার বোনের ক্ষুব্ধ হওয়াটাই স্বাভাবিক। সেটা থেকেই ঘটনাটি ঘটেছে।”

সেনা ও কৃষক—উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রতিদিন তারা তাঁদের দায়িত্ব পালন করছেন উল্লেখ করে শের সিং মহীভাল বলেন, এ ঘটনায় আমরা তাঁকে সর্বাত্মক সমর্থন করছি।”

জানা গেছে, শের সিং মহীভাল একজন কৃষকনেতা। তিনি পাঞ্জাবের কাপুরথালা শহরের কিষান মজদুর সংহর্ষ কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক।


আরও খবর



২৯ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

দেশের ২৯ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের (ভিসি) পদ শূন্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রো-ভাইস চ্যালেন্সর ৮০ টি এবং ৩৫ টি ট্রেজারার পদ শূন্য আছে।

আজ রোববার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ফরিদা ইয়াসমিনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে ১১৪ টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমিত দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে ১০৫ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু আছে।

স্বতন্ত্র এমপি মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, সারা দেশের কওমী মাদ্রাসাগুলোতে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো সুযোগ-সুবিধা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করার পরিকল্পনা সরকারের আছে। তবে, কওমী মাদ্রাসাসমূহ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের কারিকুলামে চলছে না। এ লক্ষ্যে সমন্বিত একটি নীতিমালা প্রণয়ন এবং কওমী মাদ্রাসা সংক্রান্ত বর্তমানে পৃথক পৃথকভাবে পরিচালিত ৬টি বোর্ডকে সমন্বিত করে একটি কওমী শিক্ষা বোর্ড গঠনের বিষয়টি সরকারের পর্যালোচনাধীন আছে।

ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজমের প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী জানান, দেশে ৭৩ টি কৃষি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে রংপুরে বিভাগে সর্বোচ্চ ১৯ টি এবং সিলেটে বিভাগে সর্বনিম্ন ২টি কৃষি কলেজ রয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগে ৩টি, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ৬টি করে, রাজশাহী বিভাগে ১১টি ঢাকা ও খুলনা বিভাগে ১৩টি করে কৃষি কলেজ রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে আধুনিক টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ স্থাপন করা হচ্ছে। যাতে কৃষি, মৎস্য, প্রাণি সম্পদ বিষয়ে আধুনিক ট্রেড অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে করে পৃথকভাবে কৃষি কলেজ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। তাই দেশের জেলা সমূহে নতুন করে কৃষি কলেজ স্থাপনের পরিকল্পনা নেই।

নাটোর-৪ আসনের সরকার দলীয় এমপি সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারীর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বেসরকারি শিক্ষকদের অবসরভাতা ও কল্যাণ ভাতায় পর্যাপ্ত অর্থসংস্থান না থাকায় মূলত বেশি সময় লাগছে এবং সমস্যা তৈরি হচ্ছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সমস্যার উত্তরণে কমিটি গঠন করেছে। কমিটি এখন তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সরকার দলীয় এমপি এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সারা দেশে এমপিওবিহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৪ হাজার ৬১৩ টি।

এম লতিফের আরেক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করার পরিকল্পনা সরকারের আছে। সে জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। আশা করা যায় যুক্তিসংগত সময়ের মধ্যে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নকল সার্টিফিকেট যারা চাকরি করছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে কি না বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মুজিবুল হকের এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড জাল সার্টিফিকেট শনাক্তের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (IICT) বিভাগের সঙ্গে গত ১২ মে চুক্তি করা হয়েছে। উক্ত বিভাগের বিশেষজ্ঞগণ ইতিমধ্যে জাল সার্টিফিকেট শনাক্তের কার্যক্রম শুরু করেছেন। শনাক্তের পর প্রাপ্ত সকল জাল সার্টিফিকেট বাতিল এবং জাল সার্টিফিকেটধারীদের তথ্য অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৬৯৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত চালু

চট্টগ্রাম ১১ আসনের সরকার দলীয় এমপি এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী বলেন, এখন পর্যন্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে ৬৯৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ আলোচনার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে চালু করার বিষয়টি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

স্বতন্ত্র এমপি পঙ্কজ নাথের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানান, সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের মধ্যে ৫০ জনেরও কম শিক্ষার্থী আছে এমন স্কুলের সংখ্যা ৯৪৪ টি।


আরও খবর