আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

মেসি ম্যাজিকে বিশ্বকাপ বাছাই শুরু আর্জেন্টিনার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

গত বছর এই মেসির কাধে ভর দিয়েই কাতার বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছে আর্জেন্টিনা। ঘুচিয়েছে ৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান। অনেকের ধারণা ছিল ওখানেই ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন মেসি। সেটি না করে চলিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন ৩৬ বছর বয়সী ফুটবলার।

তার নেতৃত্বে ফের ২০২৬ বিশ্বকাপের মিশন শুরু হলো আলবিসেলেস্তেদের। নিজেদের মাঠে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে আজ ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে মেসির অসাধারণ এক ফ্রি কিক থেকে।

ঘরের মাঠে মেসিদের খেলা দেখতে এদিন কানায় কানায় পূর্ণ ছিল মাঠ। হতাশ করেননি মেসিরা। ম্যাচের পুরোটা সময় আধিপত্য বিস্তার করে একের পর এক আক্রমনে গেছে দলটি। কিন্তু কোনো বারই সফলতার মুখ দেখেনি। কখনো গোল মিস কখনো বা প্রতিপক্ষের কড়া রক্ষণের ফাঁক গলাতে পারেনি মেসির দল। গোল শূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমাধ।

দ্বিতীয়ার্ধেও একই পথে এগিয়েছে ম্যাচ, আক্রমণের গতি বাড়লেও সফলতা পাচ্ছিল না। পরে ম্যাচের ৭৮ মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন মেসি। ডি বক্সের বাইরে থেকে অসাধারণ এক ফ্রি কিকে বল জালে জড়িয়ে সমর্থকদের মধ্যে সস্থি এনে দেন রেকর্ড সাত বারের ব্যালন ডি অর জয়ী।

 এরপর গোল করার আরও বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ পেলেও সে সব কাজে লাগাতে পারেনি আর্জেন্টিনা। তাতে অবশ্য জয় পেতে অসুবিধা হয় নি। ম্যাচ জয়ের আনন্দ নিয়েই মাঠ ছেড়েছে সমর্থকরা। জয়ে বিশ্বকাপ বাছাই শুরু হয়েছে আলবিসেলেস্তেদের।


আরও খবর



বাগেরহাটে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী দিবস পালিত

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বাগেরহাট প্রতিনিধি

Image

‘মাদকের আগ্রাসন দৃশ্যমান প্রতিরোধেই সমাধান -এই প্রতিপাদ্যে বাগেরহাটে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত হয়েছে। রোববার (১৪ জুলাই) সকালে দিবসটি উপলক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বাগেরহাট মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: মো: বুলু শেখের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো: খালিদ হোসেন।

এসময় অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, বাগেরহাটের পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রশাসক মো: আরিফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা: জালাল উদ্দিন আহম্মেদ, সদর হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ডা: অসীম কুমার সমাদ্দার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মিলন মুখার্জী, মোংলা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, মোরেলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী খান প্রমূখ।

বক্তারা, মাদকের ভয়াবহতা থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান।

আলোচনা সভা শেষে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস বিষয়ে রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: বাগেরহাট

আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিলেন কিয়ার স্টারমার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর রাজকীয় প্রথার মাধ্যমে চূড়ান্তাবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন স্যার কিয়ার স্টারমার। শুক্রবার (৫ জুলাই) বাকিংহাম প্রাসাদে রাজা তৃতীয় চার্লস আনুষ্ঠানিকভাবে লেবার পার্টির এই নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।

বাকিংহাম প্রাসাদের প্রকাশ করা একটি ছবিতে দেখা গেছে, রাজা চার্লস স্টারমারের সঙ্গে করমর্দন করছেন। এর আগে রাজা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে কনজারভেটিভ পার্টির নেতা ঋষি সুনাকের পদপত্যাগপত্র গ্রহণ করেন।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে ৪১২টি আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে লেবার পার্টি। অন্যদিকে, কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১২১টি আসন। যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের মোট ৬৫০টি আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য কোনো দলকে এককভাবে পেতে হবে ৩২৬টি আসন।

জয়ী হওয়ার পর কিয়ার স্টারমার বলেছিলেন, এখন থেকে পরিবর্তন শুরু হলো। আর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার প্রথম ভাষণে স্টারমার বলেছেন, জনগণ সুচিন্তিতভাবে পরিবর্তন এবং জনগণের সেবামূলক রাজনীতির জন্য ভোট দিয়েছে। তবে দেশকে পরিবর্তন করা সুইচ চাপার মতো নয়। এর জন্য সময় প্রয়োজন হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচনের ভোট শুরু হয়। ১৯৪৫ সালের পর এই প্রথম দেশটিতে জুলাই মাসে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের নির্বাচনে হেরে যুক্তরাজ্যে টানা ১৪ বছর পর ক্ষমতা থেকে সরে গেলো কনজারভেটিভ পার্টি।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




মধ্যরাতে যেভাবে আন্দোলন ছড়াল সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে উত্তপ্ত হয় ওঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ (ঢাবি) দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। ফলে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হলগুলো থেকে মিছিল নিয়ে রাজপথে নেমে এসে তাদের বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকেন।

এ সময় তারা, তুমি কে আমি কে, রাজাকার-রাজাকার, কে বলেছে কে বলেছে, সরকার-সরকার, রাজাকার আসছে, রাজপথ কাঁপছে, চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

রোববার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার পর থেকে একে একে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ ক্যাম্পাস ও রাজপথে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

ঘটনার সূত্রপাত রোববার (১৪ জুলাই) বিকেলে গণভবনে চীন সফর উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে। গত কয়েক দিন ধরে কোটাবিরোধী আন্দোলনে রাজপথ উত্তাল করে রেখেছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? তাদের নাতিপুতিরা পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিপুতিরা পাবে? এটা আমার দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন। তাদের অপরাধটা কী? নিজের জীবন বাজি রেখে, নিজের পরিবার সব ফেলে যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে, দিন-রাত খেয়ে না খেয়ে, কাদামাটি পেরিয়ে, ঝড়বৃষ্টি সব মোকাবিলা করে যুদ্ধ করে বিজয় এনে দিয়েছে। বিজয় এনে দিয়েছে বলেই তো আজ সবাই উচ্চপদে আসীন। আজ গলা বাড়িয়ে কথা বলতে পারছে। তা না হলে পাকিস্তানিদের বুটের লাথি খেয়ে থাকতে হতো।

প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্য অবমাননাকর দাবি করে মধ্যরাতে একযোগে প্রতিবাদে নামেন দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা বলেন, এত দিন তারা কোটার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে আসছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্য তাদের ব্যথিত করেছে। সমাধানের কোনো পথ বাতলে না দিয়ে উল্টো তিনি তাদের রাজাকারের বাচ্চা বলে সম্বোধন করেছেন। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল থেকে বের হয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা তুমি কে আমি কে, রাজাকার-রাজাকার, এই বাংলার মাটি, রাজাকারের ঘাঁটি ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

এক সময় খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, ঢাবির মাস্টারদা সূর্যসেন, বিজয় একাত্তর ও মুহসিন হলের শিক্ষার্থীদের গেটে তালা দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। পরে তাদের ছাড়িয়ে নিতে অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীরা বিজয় একাত্তর হলের সামনে জড়ো হন। রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে বেগম রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা গেটের তালা ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

পরে সম্মিলিত মিছিল নিয়ে হাজী মুহম্মদ মুহসিন হল, সূর্যসেন হল, বিজয় একাত্তর হল, জিয়াউর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু হল, জসিম উদ্দীন হল, শহীদুল্লাহ হল, জগন্নাথ হল, এফএইচ হল, একুশে হল এবং রোকেয়া হলের শিক্ষার্থীরা জড়ো হন টিএসসিতে।

এ সময় তাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, রাষ্ট্র কারও বাপের না, চেয়েছিলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার, আমার স্বাধীন বাংলায়, একের কথা চলে না, তুমি কে আমি কে, বাঙালি-বাঙালি, লাখো শহীদের রক্তে কেনা, দেশটা কারও বাপের না ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা বলার জেরে রোববার রাত ১১টার দিকে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। তারা বলেন, আজ সংবাদ সম্মেলনে কোটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য আমাদের রক্তে আগুন ধরিয়েছে। যখন কারও রক্তে দাগ লাগানো হয়, তখন কেউ ঘরে বসে থাকতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী যদি তার বক্তব্য প্রত্যাহার না করেন, তাহলে আমরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।

রাত দেড়টার দিকে অবস্থান কর্মসূচি শেষে তারা নিজ নিজ হলে ফিরে যান।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

একই বক্তব্যের প্রতিবাদে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে-মেয়েরা হল থেকে বেরিয়ে তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করেন। 

এ সময় শিক্ষার্থীরা তুমি কে আমি কে, রাজাকার-রাজাকার, কে বলেছে কে বলেছে, সরকার-সরকার স্লোগান দিতে থাকেন।

ইডেন কলেজ

ঢাকা, জবি, রাবির পাশাপাশি কোটা সংস্কারের দাবিতে মধ্যরাতে ইডেন মহিলা কলেজে কোটা বিরোধীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। রোববার (১৪ জুলাই) রাত ১২টার দিকে ছাত্রীরা ক্যাম্পাসে মিছিল বের করেন। প্রায় একই সময়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলসহ প্রত্যেকটি হলের শিক্ষার্থীরা এই বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন।

অপরদিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা তাতীবাজার মোড় অবরোধ করেছেন। রোববার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১২টার দিকে মিছিল নিয়ে এসে তারা ওই সড়কে অবস্থান নেন।

এর আগে রাত পৌনে ১১টার দিকে ছাত্রীরা হল থেকে এবং আশেপাশে মেসে থাকা ছেরে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে জড়ো হন।

উল্লেখ্য, দুপুরে রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া স্মারকলিপিতে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছেন কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা। এ সময়ের মধ্যে সরকার যদি কোনো সিদ্ধান্তে না যায় তাহলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে কোটাবিরোধী আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

রোববার (১৪ জুলাই) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দিয়ে বঙ্গভবন থেকে বের হয়ে গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু চত্বরে এসে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

এ সময় রাজধানীর শাহবাগ থানায় কোটাবিরোধীদের নামে করা মামলা প্রত্যাহারে পূর্বে দেওয়া আল্টিমেটামের ২৪ ঘণ্টার সঙ্গে আরও ২৪ ঘণ্টা বাড়িয়ে দেন তিনি।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

গতকাল রাত ১১টার দিকে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে স্লোগান দিতে দিতে রাস্তায় নেমে আসেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন হল শেখ লুৎফর রহমান হল থেকে মিছিল নিয়ে বের হন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার, এই বাংলার মাটি-রাজাকারের ঘাঁটি, শেরেবাংলার মাটি, রাজাকারের ঘাঁটি-ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভে হামলা করেছে ছাত্রলীগ। রোববার দিবাগত রাত পৌনে তিনটার দিকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এই হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা।

এর আগে রাত নয়টার দিকে বিভিন্ন আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা, তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার, চাইতে গেলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার ইত্যাদি স্লোগান দিইয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে তারা বিভিন্ন হল থেকে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ক্যাম্পাসের বটতলায় জড়ো হতে থাকেন।

এসময় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলে দুজন আন্দোলনকারীকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই খবর জানাজানি হলে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁদের মুক্ত করার জন্য বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা হলের সামনে অবস্থান নেন।

এ সময় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীকে নিয়ে বৈঠকে বসেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের প্রাধ্যক্ষ নাজমুল হাসান তালুকদার। তখনো শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন হলের সামনে ও ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছিলেন। পরে রাত দেড়টার দিকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। মিছিলটি রাত সোয়া দুইটার দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে এলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বাধা দেন এবং মুখোমুখি অবস্থান নেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমগীর কবিরসহ কয়েকজন শিক্ষক দুই পক্ষকে থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের জামায়াত-শিবির আখ্যা দেন ও নারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে গালাগাল করেন।

এক পর্যায়ে রাত পৌনে তিনটার দিকে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রত্যাশী ৪৬ ব্যাচের ছাত্র প্রাচুর্যসহ বেশ কয়েকজন হামলা করছেন। হামলায় আহসান লাবিব নামের একজন আন্দোলনকারী ও একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের প্রাধ্যক্ষ নাজমুল হাসান তালুকদার ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের উসকে দিয়েছেন।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদার।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের অর্থসম্পাদক ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ নেতা তৌহিদুল আলম বলেন, আন্দোলনকারীরা আমাদের হলের সামনে এসে কোটা আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও ছাত্রলীগকে অবমাননা করে স্লোগান দিচ্ছিল। তখন আমরা একটা শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে যেতে চাইলে তারা বাধা দেন এবং গালিগালাজ করেন। তাদের কোনো হামলা করিনি, যথেষ্ট সম্মান দেখিয়েছি। আমরা হলে ফিরে যাওয়ার সময় তারা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।

এদিকে সোমবার (১৫ জুলাই) বেলা ১১টায় সহউপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ বিষয়টি নিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন, এমন আশ্বাস পেয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ভোর সাড়ে চারটার দিকে নিজ নিজ হলে ফিরে যেতে থাকেন।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রধানমন্ত্রীর একই বক্তব্যের প্রতিবাদে রাত ১১টার পর থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল থেকে স্লোগান দিতে শুরু করেন ছাত্ররা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল এবং নারী ছাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত শেখ হাসিনা হল থেকে ভেসে আসে স্লোগানের শব্দ।

তুমি কে আমি কে, রাজাকার-রাজাকার, কীসের তোমার অধিকার, তুমি একটা রাজাকার ইত্যাদি স্লোগানে মুখরিত ছিল ক্যাম্পাসের হলগুলো। রাত ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের মূল গেটে মিছিল করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 

নৃবিজ্ঞান বিভাগের সাইফুল গণমাধ্যমকে বলেন, সরকার এখন পর্যন্ত মোটেই যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেয়নি। একটি বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি লাখ লাখ শিক্ষার্থীদের ঢালাওভাবে রাজাকারের নাতি-নাতনি বলে সম্বোধন করেছেন। একটা ঘৃণিত শব্দ এখন অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরাধিকারীদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। অনতিবিলম্বে কোটার যৌক্তিক সংস্কার দাবি করছি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

এদিন রাতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা আন্দোলনকারীরাও। বিভিন্ন হল ও কটেজ থেকে মিছিল করতে করতে বেরিয়ে হাজারো শিক্ষার্থী জড়ো হন বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে। এ সময় চাইলাম অধিকার, হইলাম রাজাকার, তুমি কে, আমি কে-রাজাকার, রাজাকার-এমন বিভিন্ন স্লোগান শোনা যায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে৷

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মিছিল বের করেন আন্দোলনরত কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীরা। রাত ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুজ্জোহা চত্বরে একত্রিত হয়ে মিছিল নিয়ে বিভিন্ন হল প্রদক্ষিণ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনের ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

রোববার (১৫ জুলাই) রাতে জিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ মিলিত হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে পুনরায় জিয়া মোড়ে এসে বিক্ষোভের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করেন।

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

রাত সাড়ে ১১টা থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো থেকে স্লোগান দিতে শুরু করেন ছাত্ররা। বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, শহীদ মুখতার ইলাহি হল থেকে ভেসে আসে স্লোগানের শব্দ। এ সময় মিছিল বের করে মিছিলটি রংপুরের মর্ডান মোড়, দর্শনা, লালবাগ হয়ে আবারও পার্ক মোড় হয়ে আবারও মর্ডান মোড়ে গিয়ে অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় মিছিল থেকে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। এর মধ্যে তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার, কীসের তোমার অধিকার, তুমি একটা রাজাকার ইত্যাদি স্লোগানে মুখরিত ছিল। 

শাবিপ্রবিতে মুখোমুখি অবস্থানে ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীরা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে শিক্ষার্থীদের তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার স্লোগানে মাঝরাতে উত্তাল হয়ে উঠেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ক্যাম্পাস। বিপরীতে তুমি কে আমি কে, বাঙালি বাঙালি পাল্টা স্লোগান দিয়ে মিছিল বের করেন শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

রোববার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও অ্যাকাডেমিক ভবন ডিএর সামনে মুখোমুখি অবস্থান নেয় দুই পক্ষ। এ সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে ভুয়া, ভুয়া স্লোগান দিতে দেখা যায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের।

প্রসঙ্গত, চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিরা চাকরি পাবে না কি রাজাকের নাতি-নাতনিরা চাকরি পাবে? তারই প্রতিবাদে রাতেই রাজপথে নেমে আসেন শিক্ষার্থীরা।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাবিসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভে মধ্যরাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি)। রোববার (১৪ জুলাই) রাত ১১টার দিকে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা মিছিল বের করেন। এ সময় তারা কোটা বিরোধী স্লোগান দেন।

প্রথমে বঙ্গবন্ধু হল ও শেরে বাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা স্লোগান শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা মিছিল নিয়ে হল থেকে বের হয়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে চলে আসেন। সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থান করে স্লোগান দিতে দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ডে এসে মিছিলটি শেষ করেন।

এদিকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ও শেখ হাসিনা হলের ছাত্রীরা হলের ভেতরে মিছিল বের করেন। মিছিলটি হলের ভেতরেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়।

শেরে বাংলা হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আসছি। আমাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিলে আমরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাব।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




কোপার ফাইনালের দিন কলম্বিয়ায় সরকারি ছুটি ঘোষণা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

সবশেষ ২০০১ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলেছিল কলম্বিয়া। মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই শেষে সেবারই শিরোপা উৎসব করেছিল দেশটি। ২৩ বছর পর ফের শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে উঠেছে তারা। নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার কোপা শিরোপা জয়ের জন্য মুখিয়ে আছে দলটি।

কোপা আমেরিকার ফাইনাল ম্যাচে সোমবার (১৫ জুলাই) আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে কলম্বিয়া। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

এদিকে ফাইনালকে ঘিরে আশার সঞ্চার করছেন দেশটির ভক্ত-সমর্থকরা। তাই তো ফাইনালের দিন নাগরিক ছুটি ঘোষণা করেছেন দেশটির সরকার প্রধান গুস্তাভো পেত্রো।

সম্প্রতি জাতিসংঘের এক শান্তি মিশনে নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট। সেখানে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি।

কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ভাষ্য, কলম্বিয়ার জাতীয় দল একতার প্রতিনিধিত্ব করে, সংঘাত কিংবা মেরুকরণের নয়। কলম্বিয়ার পতাকাও একতার প্রতীক। তাই আমরা সোমবার, জয়ের দিনে নাগরিক ছুটির দিন উদযাপন করব।

পেত্রো আরও বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যনির্বাহী কমিটিকে আমি উৎসাহ দিচ্ছি কর্মীদের নিয়ে একসঙ্গে কলম্বিয়ান ঐক্য উদযাপন করার জন্য। সরকারি এবং বেসরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এদিন তাদের কর্মীদের আনন্দ করার সুযোগ করে দেবে। এক হয়ে থাকা যে সম্ভব, চলুন সেটা বিশ্বাস করি।


আরও খবর



সিলেট বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষাগুলো ১১ আগস্টের পর

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বন্যা পরিস্থিতিতে সিলেট বিভাগের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৩০ জুন থেকে আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ছিল। সিলেটে স্থগিত বোর্ড পরীক্ষাগুলো ১১ আগস্টের পরে হবে নেওয়া হবে।

রোববার (৩০ জুন) সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার।

তপন কুমার সরকার বলেন, বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। স্থগিত পরীক্ষাগুলো ১১ আগস্টের পর থেকে শুরু হবে।

এর আগে বন্যা পরিস্থিতির কারণে সিলেট বিভাগের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, সিলেট অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় সিলেট বিভাগের আওতাধীন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট; বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন আগামী ৩০ জুন থেকে অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছিল, ৯ জুলাই থেকে সিলেট বিভাগে যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিল সেগুলো যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। আর স্থগিত পরীক্ষার সময়সূচি পরে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।


আরও খবর
আরও ৩ দিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪