আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

মেয়ের বিয়ের বাজার নিয়ে ফিরলেন ঠিকই, তবে লাশ হয়ে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ৬১০জন দেখেছেন
আব্দুল্লাহ আল মামুন

Image

ভোলার লালমোহনে মেয়ের বিয়ের বাজার করতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে ফিরলেন বাবা। শুক্রবার (০৬ মে) বিকালে উপজেলার ইসলামপুর বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভোলার লালমোহনে ইজিবাইকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী আবদুল রশিদ মাল(৪৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়।

নিহত আবদুল রশিদ লালমোহন উপজেলা বদরপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সরদার বাড়ির মৃতঃ আবদুল ওহাদ আলী মালের ছোট ছেলে। আবদুল রশিদ চট্টগ্রামে সিএনজি চালক। সেই ঈদের ছুটিতে মেজো মেয়ের বিয়ের উদ্দেশ্য বাড়িতে আসেন।

আবদুল রশিদ মালের বড় ভাই শাজাহান মাল জানান, তার ছোট ভাই জুম্মা নামাজ শেষে মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য দুই কিনতে বাড়ি থেকে নাজিরপুর বাজার উদ্দেশ্য মোটরসাইকেল নিয়ে রওয়ানা দেন ইসলামপুর বাজারে উত্তর পাশে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ইজি বাইকের সাথে সংঘর্ষ হয়।

এতে ঘটনাস্থলেই তার ভাই মারা যান। মেয়ের বিয়ের বাজার করতে গিয়ে এভাবে লাশ হয়ে ফিরবেন তার বাবা এটা বুঝতে পারিনি’ বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) এনায়েত হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর
হুমকির মুখে ভোলার শতকোটি টাকার শহর রক্ষা বাঁধ

বৃহস্পতিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২




শ্রীলঙ্কা আরও কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে : শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ২১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেউলিয়া হয়ে যাওয়া শ্রীলঙ্কা আগামী দিনে আরও কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। তিনি বলেন, আগামী কয়েক মাস আমাদের জীবনের বাঁচানো সবচেয়ে কঠিন হবে। সত্যকে আড়াল করার এবং জনগণের কাছে মিথ্যা বলার কোনও ইচ্ছা আমার নেই।

জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে এসব কথা বলেন রনিল বিক্রমাসিংহে। তিনি বলেন, সঙ্কটে বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কায় পেট্রোল ফুরিয়ে গেছে এবং প্রয়োজনীয় আমদানির জন্য ডলার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই মুহূর্তে (সোমবার) আমাদের কাছে মাত্র আর এক দিনের পেট্রোল মজুত আছে।

নতুন এই লঙ্কান প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকার তেলের তিনটি চালানের অর্থ পরিশোধের জন্য ডলার সংগ্রহ করতেও অক্ষম হয়েছে। অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় বর্তমানে জাহাজগুলো থেকে কার্গো নামানো যাচ্ছে না। এসব জাহাজ কলম্বো বন্দরের বাইরে অপেক্ষা করছে।


আরও খবর



সরকারের পদক্ষেপ ও প্রান্তিক কৃষকের পরিশ্রমে দেশে খাদ্য সংকট নেই

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ ও প্রান্তিক কৃষকের পরিশ্রমে দেশে এখন খাদ্য সংকট নেই বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

বুধবার (২০ এপ্রিল) পিরোজপুরের সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ২০২১-২২ অর্থবছরে ও ২০২২-২৩ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধান বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর সচিবালয়ের নিজ দপ্তর কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। পিরোজপুর সদর উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পিরোজপুর সদর এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, কৃষকদের সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদানের জন্য বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন সরকার এতো কাজ করেনি, যেটা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার করছে। তাঁর সরকার বিদেশ থেকে কৃষি উপকরণ, সার-কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয় করে অর্ধেকের বেশি ভর্তুকি দিয়ে কৃষকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন কৃষিনির্ভর বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে কৃষককে বাঁচাতে হবে। আর কৃষককে বাঁচাতে হলে, কৃষকের পরিশ্রমের মূল্য দিতে হলে কৃষি উপকরণ ও অন্যান্য সহযোগিতা তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষক এখন ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলতে পারছে। বিনা জামানতে কৃষি ঋণ গ্রহণ করছে। তাদের বিনামূল্যে বীজ, কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে। এ বছর ৩০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে কৃষককে সার বিতরণ করা হচ্ছে।

শ ম রেজাউল করিম এ সময় আরো বলেন, বিএনপি সরকারের সময়ে বিদ্যুতের দাবির কারণে কানসাটে ও ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষককে নির্মমভাবে বুলেটবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে। শেখ হাসিনার সময়ে কৃষকদের ভেতরে কোথাও অসন্তোষ নেই। তিনি কৃষককে ভালোবাসেন, কৃষিকে ভালোবাসেন। কৃষকের কাছে তিনি বিদ্যুৎ পৌঁছে দিচ্ছেন, কৃষি উপকরণ পৌঁছে দিচ্ছেন। সার-বীজ, কৃষি যন্ত্রপাতি, প্রণোদনা পৌঁছে দিচ্ছেন। এ রকম কৃষকবান্ধব প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে অতীতে কখনও আসেনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, কৃষককে সবল করতে না পারলে, খাদ্যে যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বাংলাদেশ অর্জন করেছে সে জায়গা থেকে আমরা পেছনে পড়ে যাব। প্রধানমন্ত্রীর পরিষ্কার বক্তব্য খাদ্যে কোনভাবেই সংকটের মুখোমুখি হওয়া যাবে না। পরনির্ভরশীল থাকা যাবেনা। সে জন্য এক ইঞ্চি জায়গাও পতিত রাখার সুযোগ নেই। একই জমিতে তিন ফসল উৎপাদনে সরকার কাজ করছে। লবণাক্ত এলাকায় লবণসহিষ্ণু ধান ও অন্যান্য শস্য উৎপাদন করা হচ্ছে। বিদেশী মূল্যবান ফল এখন দেশে উৎপাদন করা হচ্ছে।

কৃষকদের উদ্দেশে এ সময় মন্ত্রী যোগ করেন , কৃষিনির্ভর সমাজ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জনশক্তি আপনারা। আপনাদের ত্যাগ ও পরিশ্রমে উৎপাদিত শস্য খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে ভূমিকা রাখছে। শুধু ধান, গম, ভুট্টার উপর নির্ভর না করে অন্যান্য যে সব ফসল ফলানো সম্ভব, সে বিষয়েও আপনাদের এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, করোনার প্রাথমিক অবস্থায় অনেক দেশ বলেছিল বাংলাদেশে খাদ্য সংকট দেখা দেবে। কিন্তু বাংলাদেশে এখন খাবারের কোন হাহাকার নেই, সংকট নেই। তবে কৃষি উৎপাদন প্রক্রিয়ার দুর্বার গতি রক্ষা করতে না পারলে এ সংকট যে কোন সময় দেখা দিতে পারে।

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পিরোজপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শিপন চন্দ্র ঘোষ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিকসহ উপজেলায় কর্মরত অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পিরোজপুর সদর উপজেলার ১৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধান বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।


আরও খবর



সুকুমার মৃধার মেয়ের ফোনের সূত্র ধরে মেলে পিকে হালদারের খোঁজ

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৪৬৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের পর ভারতে পালিয়েও রেহাই পেলেন না বহুল আলোচিত পিকে হালদার ওরফে প্রশান্ত কুমার হালদার।

পশ্চিম বঙ্গের বর্ধমান জেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রনালয়ের তদন্তকারি সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট-ইডি।

শিবশঙ্কর হালদার নামের ছদ্ম পরিচয়ে তিনি বর্ধমানের কাটোয়া এলাকায় পালিয়ে ছিলেন। একই অভিযানে আটক হয়েছে তার বড় ভাই প্রাণেশ হালদারও।

বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানসহ দশটি এলাকায় অভিযান শুরু করে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রণালয়ের তদন্তকারি সংস্থা-ইডি।

শুক্রবারের অভিযানে আটক হন পিকে হালদারের ক্যাশিয়ার হিসাবে পরিচিত সুকুমার মৃধার মেয়ে অতশী। সুকুমার মৃধা এরিমধ্যে বাংলাদেশের কারাগারে আটক রয়েছেন।

অতশীর ফোনে তল্লাশি চালিয়ে শিব শঙ্কর হালদারের ফোন নম্বর পান ভারতীয় গোয়েন্দারা। তাদের কাছে তথ্য ছিলো এই শিব শঙ্করই মূলত পিকে হালদার।

যিনি জালিয়াতি করে ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড, রেশন কার্ড ও আঁধার কার্ড নিয়েছেন। আর এভাবেই মেলে দেশের হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের হোতা পিকে হালদারের সন্ধান।

তার সাথে আরও আটক হয়েছেন পিকে হালদারের বড় ভাই প্রাণেশ কুমার হালদার, ছোট ভাই প্রিতীশ কুমার হালদার।

এছাড়াও আটক হয়েছে স্বপন ও উত্তম মৈত্র নামের আরও দুই ভাই। এর আগে স্বপনের সঙ্গে সাথে পিকের টাকা পাচারের যোগসূত্র পায় বাংলাদেশে ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স।

পিকে হালদারের অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত কমপক্ষে ৭০ জনের একটি তালিকা করেছিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ইউনিট এবং দুর্নীতি দমন সংস্থা- ও দুদক।

যাদের অনেকেই ছদ্ম পরিচয়ে ভারতে অবস্থান করছিলো। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় তারা নামে বেনামে প্রচুর সম্পদের মালিক হয়েছেন।

তাদের সন্ধানেই শুক্রবার দিনভর বর্ধমানসহ ১০টি এলাকায় অভিযানে নামে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রনালয়ের তদন্তকারি সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট।

আর এই অভিযানেই নিশ্চিত হওয়া যায় শিব শঙ্কর হালদার ওরফে পিকে হালদারের অবস্থান। জানা গেছে ২০১৯ সালে কানাডায় পালিয়ে গিয়েও নিয়মিত ভারতে যাতায়াত করতেন পিকে।

স্থায়ীভাবে সেখানে আত্মগোপনের জন্যই জালিয়াতি করে তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব নেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে পিকে হালদার তার সহযোগীদের দিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে অন্তত ৩০০ কোটি টাকা পাচার করেছে।

এই টাকায় বর্ধমান, চব্বিশ পরগনা ও কলকাতার বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় বিলাসবহুল বাড়ি ও বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কিনেছেন। নামে বেনামে খুলেছেন একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। যা নিয়ে তদন্ত করছে ভারতের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা।


আরও খবর



মেক্সিকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক চোরাচালান সুড়ঙ্গের সন্ধান

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মেক্সিকোর তিজুয়ানা থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়েগোর একটি গুদাম পর্যন্ত একটি বিশাল মাদক চোরাচালান সুড়ঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেছে। এক হাজার ৭৪৪ ফুট (৫৩১ মিটার) দৈর্ঘ্যের সুড়ঙ্গটিতে রেললাইন, বিদ্যুৎ এবং বায়ু নির্গমনের ব্যবস্থা রয়েছে।

মার্কিন কর্তৃপক্ষ কোকেন চোরাচালানের জন্য আগে ব্যবহৃত একটি সম্পত্তির ওপর নজরদারি চালাতে গিয়ে তারা এই সুড়ঙ্গটি আবিষ্কার করে। সেখান থেকে কোকেন, মেথামফেটামিন ও হেরোইন জব্দ করা হয়েছে। মাদক পাচারের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের অ্যাটর্নি অফিস জানায়, সুড়ঙ্গটির গভীরতা ৬১ ফুট (১৮ মিটার) এবং ৪ ফুট (১ মিটার) ব্যাস।

প্রসিকিউটররা জানান, সুড়ঙ্গটি আবিষ্কারের আগে ১৩ মে (শুক্রবার) কর্মকর্তারা তিজুয়ানা এবং গুদাম থেকে বেশ কয়েকটি গাড়ি আসা-যাওয়া করতে দেখেছিল। তখন তাদের থামিয়ে তল্লাশি করে মাদক জব্দ ও গ্রেপ্তার করা হয়। কর্মকর্তারা গুদামে প্রবেশ করে দেখতে পান আন্তঃসীমান্ত সুড়ঙ্গের বের হওয়ার মুখে মেঝেতে খোদাই করে রাখা হয়েছে।

অ্যাটর্নির অফিস জানায়, এক হাজার ৭৬২ পাউন্ড (৭৯৯ কেজি) কোকেন, ১৬৪ পাউন্ড (৭৪ কেজি) মেথামফেটামিন এবং সাড়ে ৩ পাউন্ড (দেড় কেজি) হেরোইন জব্দ করা হয়েছে। সন্দেহভাজন আটককৃত ব্যক্তিরা ৩১ থেকে ৫৫ বছর বয়সী। দোষী প্রমাণিত হলে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ মার্কিন ডলার জরিমানা হতে পারে।

মার্কিন অ্যাটর্নি রেন্ডি গ্রসম্যান বলেন, এই মাদক চোরাচালান সুড়ঙ্গের শেষের দিকে আর আলো নেই। তিনি বলেন, আমরা যেসব ভূগর্ভস্থ মাদক চোরাচালান পথ খুঁজে পেয়েছি, তা আমরা গুঁড়িয়ে দেব। অবৈধ মাদক যেন আমাদের রাস্তায় পৌঁছতে না পারে এবং আমাদের পরিবার ও সম্প্রদায়কে ধ্বংস করতে না পারে।

২০২০ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় সন্ধান পাওয়া সুড়ঙ্গটি এখন পর্যন্ত দীর্ঘতম। এর দৈর্ঘ্য চার হাজার ৩০৯ ফুট (১ হাজার ৩১৩ মিটার)। ১৯৯৩ সাল থেকে এই ধরনের ৯০টি গোপন সুড়ঙ্গ আবিষ্কৃত হয়েছে।


আরও খবর



এপ্রিলে রেমিট্যান্স এলো ২০০ কোটি ডলার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এপ্রিল মাসে প্রবাসীরা ২০০ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। এটি আগের ১১ মাসের মধ্যে অর্থ্যাৎ ২০২১ সালের মে মাসের পর এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স।

এর আগে, গত বছরের মে মাসে ২১৭ কোটি ১১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। মে মাসের পর এবার সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো। বাংলাদেশি মুদ্রায় (১ ডলার ৮৬ টাকা ৫০ পয়সা ধরে) ১৭ হাজার ৩৮২ কোটি টাকা। এ ছাড়াও গত মার্চ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৬ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম সারাবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রেমিট্যান্সের ওপর সরকারের প্রণোদনা বেড়েছে। এ ছাড়া পবিত্র রমজান এবং ঈদকে কেন্দ্র করে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ বাড়িয়েছে।’

তিনি বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২/৩ মাস রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী সদ্যবিদায়ী এপ্রিলে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫ কোটি ৪৯ লাখ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬১ কোটি ২৭ লাখ মার্কিন ডলার। এছাড়াও বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৭৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার এবং বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ মার্কিন ডলার।

বরাবরের মতো এবারই রেমিট্যান্স আনার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৪২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। যা বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় স্থানে রযেছে ডাচ–বাংলা ব্যাংক। এ ব্যাংকের মাধ্যমে রোমট্যান্স এসেছে ২৮ কোটি ২৮ লাখ ডলার। এছাড়াও অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে ১২ কোটি ৫৭ লাখ ডলার, সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ কোটি ৮ লাখ ডলার এবং ব্যাংক এশিয়ায় মাধ্যমে ৯ কোটি ৪১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা ১৯৬ কোটি ২৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠায়। ফেব্রুয়ারিতে তা কমে ১৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারে নেমে আসে। মার্চ থেকে তা আবার বাড়তে শুরু করে। গত মার্চে ১৯১ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, এপ্রিলে ২০৬ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, মে মাস ২১৭ কোটি ১১ লাখ ডলার, জুন মাসে ১৯৪ কোটি ৮ লাখ ডলারে। গত বছরের প্রথম ছয় মাসে রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ১৮৪ কোটি ১২ লাখ ডলার।

অন্যদিকে চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের জুলাই মাস থেকে নভেম্বর পর‌্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ কমতে আবার শুরু করে। গত জুলাই মাসে রেমিট্যান্স আসে ১৮৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার, আগষ্টে ১৮১ কোটি, সেপ্টেম্বরে ১৭২ কোটি ৬৩ লাখ ডলার, অক্টোবরে ১৬৪ কোটি ৬৮ লাখ ডলার, নভেম্বরে ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ১৬২ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

সদ্য বিদায়ী জানুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স আসে ১৭০.৪৪ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার এবং মার্চে ১৮৬ কোটি ডলার।এপ্রিলে ২০০.৯৫ কোটি ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৭৩০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার।

অর্থবছর ভিত্তিক রেমিট্যান্স:

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রবাসীরা রেকর্ড পরিমাণ ২৪.৭৭ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১ হাজার ৮২০ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১ হাজার ৬৩১ কোটি ডলার, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১ হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ডলার, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার এবং ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ ডলার।

অন্যদিকে পঞ্জিকা বছর হিসাবে রেমিট্যান্স :

২০২১ সালে করোনার মধ্যেও প্রবাসীরা অতিথের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করে রেমিট্যান্স পাঠায় ২ হাজার ২০৭ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। ২০২০ সালে প্রবাসীরা ২ হাজার ১৭৪ কোটি ১৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।এর আগে ২০১৯ সালে প্রবাসীরা ১ হাজার ৮৩৩ কোটি মাকির্ন ডলার, ২০১৮ সালে ১ হাজার ৫৫৩ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, ২০১৭ সালে ১ হাজার ৩৫৩ কোটি ডলার, ২০১৬ সালে ১ হাজার ৩৬১ কোটি ডলার এবং ২০১৫ সালে ১ হাজার ৫৩১ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আসে।


আরও খবর
ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২