আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | ৬৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ বুধবার (৬ অক্টোবর) ভোরে দেবীর আবাহনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে। চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গার আবাহন করেন অনুসারীরা। শারদীয় দুর্গাপূজার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ এই মহালয়া। মহালয়ার ছয়দিন পরেই শুরু হবে দেবীর আরাধনা।পঞ্জিকা অনুসারে, দেবী দুর্গা এবার আসবেন ঘোড়ায় চড়ে আর বিদায় নেবেন দোলায় চড়ে।

আগামী ১১ অক্টোবর সোমবার বোধনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ওইদিনই ষষ্ঠী আর পরেরদিন ১২ অক্টোবর সপ্তমী। ১৩ অক্টোবর অষ্টমী, ১৪ অক্টোবর নবমী ও ১৫ অক্টোবর দশমীর দিন বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

শাস্ত্র অনুযায়ী, পিতৃপক্ষের শেষ দিনটিকে মহালয়া বলে। এ দিন পূর্বপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করা হয়। কৃষ্ণপক্ষের সমাপ্তি ও শুক্লপক্ষ বা দেবীপক্ষের সূচনার আগের অমাবস্যাকে মহালয়া বলা হয়। যদিও এ নিয়ে নানা মত প্রচলিত রয়েছে। মহালয়ার দিনে দেবী দুর্গা মহিষাসুর বধের দায়িত্ব পান।

দিনটি উপলক্ষে আজ (৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টায় রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি। দেবীর আগমনী উপলক্ষে দিনটি উদযাপন করতে গুলশান বনানী সর্বজনীন পূজা পরিষদের আয়োজনে ভোরে বনানী মাঠে দেবীবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অপরদিকে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জানায়, গত বছর সারাদেশে দুর্গাপূজার মণ্ডপের সংখ্যা ছিল ৩০ হাজার ২১৩টি। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ১১৮টিতে। যা গত বছরের চেয়ে এক হাজার ৯০৫টি বেশি। আর ঢাকা মহানগরে পূজা মণ্ডপের সংখ্যা ২৩৮টি; যা গত বছর থেকে চারটি বেশি।


আরও খবর
আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




এসএম হলে ফাটল, আসবাব সরানোর নির্দেশ

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
হল প্রভোস্ট অধ্যাপক মজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের দক্ষিণ ব্লকের দক্ষিণ ও পশ্চিমের বারান্দায় ফাটল দেখা দিয়েছে

ফাটল দেখা দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের বারান্দায়। এর ফলে আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে বারান্দায় থাকা শিক্ষার্থীদের আসবাবপত্র অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হল কর্তৃপক্ষ।

হল প্রভোস্ট অধ্যাপক মজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের দক্ষিণ ব্লকের দক্ষিণ ও পশ্চিমের বারান্দায় ফাটল দেখা দিয়েছে। ওই বারান্দায় কোনও ধরনের খাট কিংবা ভারী আসবাবপত্র রাখা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বারান্দায় কোনও ছাত্র অবস্থান করতে পারবে না। আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে বারান্দায় রাখা নিজ নিজ বিছানাপত্র ও খাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ছাত্রদের নির্দেশনা দেওয়া হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা নিজেরা সরিয়ে না ফেললে হল কর্তৃপক্ষ এসব খাট বা বিছানাপত্র সরিয়ে ফেলবে। একইসঙ্গে বারান্দায় অবস্থানরত ছাত্রদের অনতিবিলম্বে হল অফিসে যোগাযোগ করে সিটের জন্য আবেদন করতে বলা হচ্ছে।


আরও খবর



করোনামুক্তির প্রার্থনা ভক্তদের আজ মহাষ্টমী

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মহাষ্টমীতে সকালের শুরুতে দুর্গাদেবীর মহাষ্টমীবিহিত পূজা হবে। এরপর পুষ্পাঞ্জলি ও মধ্যাহ্ন প্রসাদ। রাত সোয়া ৮টায় সন্ধিপূজা হবে

শারদীয় দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী নবপত্রিকা স্নান ও প্রতিস্থাপনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকঢোল, উলুধ্বনিতে মন্দির ও মণ্ডপগুলো মুখরিত হয়ে ওঠে। ফুল, বেলপাতা দিয়ে অঞ্জলি শেষে ভক্তরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন। পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং করোনাভাইরাস থেকে বিশ্ববাসীকে মুক্ত করার জন্য তারা প্রার্থনা করেন। ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরসহ সব মন্দির ও পূজামণ্ডপে ভক্ত-দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। আজ বুধবার মহাষ্টমী পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনে দুর্গাপূজার দ্বিতীয় দিন মহাসপ্তমীতে ভোর ৬টা ৪৫ মিনিটে পূজা শুরু হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় বিপুলসংখ্যক ভক্তের অংশগ্রহণে পুষ্পাঞ্জলি হয়। পূজা শেষে দুপুর সাড়ে ১২টায় জাতিধর্মনির্বিশেষে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রসাদ দেওয়া হয়। মহাষ্টমীতে সকালের শুরুতে দুর্গাদেবীর মহাষ্টমীবিহিত পূজা হবে। এরপর পুষ্পাঞ্জলি ও মধ্যাহ্ন প্রসাদ। রাত সোয়া ৮টায় সন্ধিপূজা হবে।

মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কিশোর রঞ্জন মণ্ডল বলেন, মহাসপ্তমী পূজা শেষে বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্বকে করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য আমরা প্রার্থনা করেছি। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির পক্ষ থেকে গরিবদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজি সেলিম বস্ত্র বিতরণ করেন। এ সময় বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের উপদেষ্টা নির্মল গোস্বামী, সাধারণ সম্পাদক নির্মল চ্যাটার্জি, মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি শৈলেন্দ্রনাথ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: দুর্গাপূজা

আরও খবর
আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে টানা চার দিন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | ৬৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা চার দিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোলে। তবে এ সময় বেনাপোল কাস্টম হাউজের কার্যক্রম, বন্দরে পণ্য খালাস এবং বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

ভারতের পেট্রাপোল বন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ১২ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি থাকবে। এই সময়কালে পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বেনাপোল বন্দরের সঙ্গে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে।  ১৬ অক্টোবর সকাল থেকে আবার আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চালু হবে।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, দুর্গাপূজার ছুটির কারণে টানা চার দিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে বলে পেট্রাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন থেকে পত্র দিয়ে আমাদের জানিয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমস চেকপোস্ট কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা সাইফুর রহমান মামুন বলেন, দুর্গাপূজার ছুটি থাকায় ১২ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে বলে ওপারের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন। আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বন্দরে পণ্য লোড-আনলোড ও কাস্টমসের কাজ চলবে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ রাজু আহমেদ জানান, পূজার ছুটিতে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।



আরও খবর



খালেদার দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ৪ নভেম্বর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৫ অক্টোবর ২০২১ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে খালেদা জিয়াসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়েছে। পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৪ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) মামলাটির অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর আবেদন করেন। পরে ঢাকার ৯ নম্বর (অস্থায়ী) বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক নজরুল ইসলাম আবেদন মঞ্জুর করে শুনানির নতুন এ দিন ধার্য করেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী হান্নান ভূইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে খালেদা জিয়াসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এসএম সাহেদুর রহমান। এতে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ (মারা গেছেন), সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন (মারা গেছেন), তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এমএএইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

নিউজ ট্যাগ: খালেদা জিয়া

আরও খবর



আজ আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
কন্যাশিশুকে সুনাগরিক করে গড়ে তুলতে হবে। তাহলে তারা দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করতে পারবে। কন্যাশিশুদের শিক্ষার পাশাপাশি ক্ষমতায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস আজ ১১ অক্টোবর সোমবার। পৃথিবীজুড়ে লিঙ্গবৈষম্য দূর করতে ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর থেকে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রতিবছর এ দিবসটি পালন করে থাকে। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

নারীদের শিক্ষার অধিকার, আইনি সহায়তা ও ন্যায় অধিকার, চিকিত্সা সুবিধা, বৈষম্য থেকে সুরক্ষা, নারীর বিরুদ্ধে হিংসা ও বাল্যবিয়ে বন্ধে কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে এ দিবসের যাত্রা শুরু। প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল বাল্যবিবাহ বন্ধ করা। এবারের প্রতিপাদ্য ডিজিটাল প্রজন্ম আমাদের প্রজন্ম

সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থার (স্কাস) চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা বলেন, বেশির ভাগ পরিবারে কন্যাশিশুরা খাওয়াদাওয়া, পোশাক-পরিচ্ছদ এমনকি সামাজিক মর্যাদার ক্ষেত্রেও অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হতে দেখা যায়। দেশে শিশু সুরক্ষার জন্য শিশু অধিকার আইন ও নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও অঞ্চলভেদে বৈষম্য রয়েছে। করোনা মহামারিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে কন্যাশিশুদের বাল্যবিয়েসহ নানামুখী সংকট বেড়েছে।

এ বিষয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি  বলেন, কন্যাশিশুকে সুনাগরিক করে গড়ে তুলতে হবে। তাহলে তারা দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করতে পারবে। কন্যাশিশুদের শিক্ষার পাশাপাশি ক্ষমতায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে হবে। সরকার এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে। কিন্তু সরকারের এককভাবে এই কাজটি করা অসম্ভব। এ বিষয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের কারণ আমি একজন মেয়ে নামক আন্দোলনের ফসল। এ আন্দোলনের মূল কর্মসূচি হলো বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুর পরিপুষ্টি সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। এ সংস্থার কানাডার কর্মচারীরা এ আন্দোলনকে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত করতে কানাডা সরকারের সহায়তা নেয়। কানাডাই প্রথম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালনের প্রস্তাব দেয়।

পরে ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এ প্রস্তাব গৃহীত হয়। এরপর ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালন করা হয়। বাংলাদেশ সরকার এই দিবসটি পালনের পাশাপাশি একই লক্ষ্য নিয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালন করে থাকে।


আরও খবর