আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

মিরপুর টেস্টে ধারাভাষ্য দেবেন তামিম

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ক্রীড়া প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ওপেনার তামিম ইকবাল বেশ কিছুদিন ধরেই মাঠের বাইরে রয়েছেন। ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তাকে দলে রাখা হয়নি। এরপর থেকেই আলোচনায় রয়েছেন তিনি। ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান টেস্ট সিরিজেও তামিম দলে নেই। তবে এবার তাকে ম্যাচ চলাকালীন দেখা যাবে।

বুধবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। ম্যাচটিতে ব্যাট হাতে না দেখা গেলেও মাইক্রোফোন হাতে দেখা যাবে ওপেনার তামিম ইকবালকে। বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অফিসিয়াল পেইজে জানিয়েছেন।

ফেসবুকে তামিম লিখেছেন, আগামীকাল বাংলাদেশ এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে ধারাভাষ্য প্যানেলে অল্প সময়ের জন্য অংশ নেব। আন্তর্জাতিক ম্যাচে এটিই আমার প্রথম! আমি থাকছি বেলা ১২ টা ৪০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ১০ মিনিট এবং ১টা ৪০ মিনিট থেকে ২টা ১০ মিনিট পর্যন্ত। আবারও ধারাভাষ্য বক্সের অভিজ্ঞতা নিতে উন্মুখ হয়ে আছি।

আরও পড়ুন>> শীর্ষ করদাতা সাকিব, এরপরেই মাহমুদউল্লাহ-তামিম

এর আগে নিজের ধারাভাষ্য নিয়ে আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন তামিম। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিয়মিত ধারাভাষ্যে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ওই ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়েছেন তিনি। ফলে কমেন্ট্রি বক্সে জনপ্রিয় এই ওপেনারকে দেখা অসম্ভব কিছু না। এ দিকে মাঠের খেলায় তামিমের ফেরা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি।

গত ২৭ নভেম্বর বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের গুলশানের বাসভবনে দেখা করেছিলেন সাবেক ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। বৈঠক শেষে পাপন জানিয়েছিলেন, বিপিএলের পর তামিমের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তার আগে সে ফিরবে না।


আরও খবর
হাথুরুসিংহেকে ‘শোকজ’ করবেন পাপন!

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শবে বরাতে যেসব কাজ থেকে বিরত থাকবেন

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শবে বরাত একটি ফজিলতপূর্ণ রাত। শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে শবে বরাত বলা হয়। হাদিস ভাষায় একে নিসফ শাবান বা শাবান মাসের মধ্যরাত বলা হয়েছে।

শবে বরাত শব্দটি ফারসি। শব মানে রাত, বরাত মানে মুক্তি; শবে বরাত অর্থ মুক্তির রজনী।

শবে বরাতের ফজিলত

হাদিসে এই রাতের বিশেষ ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। হজরত আবু সালাবা  রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, যখন অর্ধ শাবানের রাত আসে, তখন আল্লাহ তায়ালা মাখলুকাতের প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকান; মুমিনদের ক্ষমা করে দেন, কাফিরদের ফিরে আসার সুযোগ দেন এবং হিংসুকদের হিংসা পরিত্যাগ ছাড়া ক্ষমা করেন না। (কিতাবুস সুন্নাহ, তৃতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৮২)।

আরেক হাদিসে হজরত মুআয ইবনে জাবাল রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তায়ালা অর্ধ শাবানের রাতে মাখলুকাতের দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া আর সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস, ৫৬৬৫)।

শবে বরাতে যেসব কাজ করবেন না

এই রাত ফজিলতপূর্ণ এবং ইবাদতের। তবে এ রাতকে ঘিরে আমাদের সমাজে ইবাদত মনে করে বেশ কিছু কাজের প্রচলন রয়েছে ইসলামি শরিয়তে যার কোনো ভিত্তি নেই। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ি, তাবে-তাবেয়িদের যুগে যেসব আমলের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। শবে বরাতে পরিহারযোগ্য- এমন কিছু কাজের তালিকা তুলে ধরা হলো-

>>এই রাতকে উপলক্ষ করে মসজিদে বিপুল পরিমাণ জনসমাগমের আয়োজন করা যাবে না।

>> শুধু শবে বরাতকে কেন্দ্র করে মসজিদে বা ঘরে প্রয়োজন অতিরিক্ত লাইটিং করা যাবে না।

>> ইবাদত মনে করে হালুয়া-রুটির আয়োজন করা যাবে না।

>> ইবাদত মনে করে খাশি জবেহ করা যাবে না।

>> আতশবাজি,পটকা ফোটানো যাবে না।

>> নফল ইবাদত-বন্দেগি বাদ দিয়ে অযথা ঘোরাফেরা করা যাবে না।  

>> গর্হিত ও অশ্লীল কোনো কাজ করা যাবে না।

>> অন্য কারও ইবাদতের বা ঘুমের বিঘ্ন ঘটানো যাবে না

>> দলবেঁধে কবরস্থানেও যাওয়া যাবে না।

>> শিরকে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত থাকা।

>> হিংসাত্মক কাজ না করা।

>> আল্লাহর নাফরমানীমূলক কাজ না করা।

>> মাজার ও কবরস্থান আলোকসজ্জায় সজ্জিত না করা।

>> এ রাতে মৃত ব্যক্তির আত্মা তার গৃহে ফিরে আসে এমন ধারণা পোষণ না করা।


আরও খবর
শবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা বলা হয়েছে

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কালীগঞ্জে সরিষার বাম্পার ফলন, আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
উপজেলা প্রতিনিধি

Image

গাজীপুরের কালীগঞ্জে বিগত বছরের তুলনায় এ বছর রেকর্ড পরিমাণ জমিতে বিভিন্ন জাতের সরিষার চাষ করা হয়েছে। স্থানীয় চাষিরা বলছেন, বর্তমান বাজারে সরিষার দাম ও চাহিদা ভালো থাকায় অনেকেই সরিষা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তাছাড়া সরিষা সিজনে গ্রাম-বাংলার প্রকৃতি সাজে অন্যরকম এক সাজে। যা পথচারী ও প্রকৃতি প্রেমিদের মুগ্ধ করে।

উপজেলার কৃষি অফিসের তথ্যমতে, কালীগঞ্জ পৌরসভাসহ ৭টি ইউনিয়নেই সরিষার চাষ হয়। তবে উপজেলার তুমলিয়া ও জামালপুর ইউনিয়নে সরিষার চাষ একটু বেশি হয়। এ উপজেলায় বারি সরিষা ৯, ১৪, ১৭ ও ১৮ এবং বিনা সরিষা ৯ ও ১১ উচ্চ ফলনশীল জাত ছাড়াও স্থানীয় টরি সেভেন ও মাঘি প্রজাতির রেকর্ড পরিমাণ সরিষা চাষ হয়েছে।

সূত্র আরো জানায়, চলতি বছর এ উপজেলায় ২৯৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের সরিষা চাষ হয়েছে। গেল বছর ১৫০ হেক্টর জমিতে ২৩৭ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদন হলেও এ বছর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৭২ মেট্রিক টন। গত বছরের তুলনায় এ বছর ১৪৫ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ বেশি হয়েছে।

উপজেলা তুমলিয়া ইউনিয়নের পিপ্রাশৈর গ্রামের কৃষাণী স্টেলা জোৎস্না বলেন, আমি প্রতি বছর সরিষার চাষ করি। তবে এবার কৃষি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বীজ ও পরামর্শ পাওয়ায় সরিষা চাষ ভালো হয়েছে। সেই সাথে আবহাওয়া ভালো থাকায় ফলন বেশ ভালো হয়েছে।

কৃষক নয়ন মিয়া জানান, গত বছর ২ বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছিলাম, ফলন খুব ভালো হয়েছে। গত বছরের ভাল ফলন দেখে এবার দ্বিগুন জমিতে সরিষার চাষ করেছি। এবারও ফলন খুব ভালো হয়েছে। আগামীতে হয়তো আরো বেশি জমিতে সরিষার চাষ করার চেষ্টা করবো।

একই এলাকার আরেক কৃষক দিপু রোজারিও বলেন, গত বছর আমি ৩ বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছি ফলন খুব ভালো হয়েছে। তবে এবারও আমি ৩ বিঘা জমিতেই সরিষার চাষ করেছি এ বছরও ফলন খুব ভালো হয়েছে।