আজঃ শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪
শিরোনাম

মঞ্চ ভেঙে পড়ায় দুঃখ প্রকাশ করল ছাত্রলীগ

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ জানুয়ারী ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান চলাকালে মঞ্চ ভেঙে পড়ার ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। আজ শনিবার ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ দুঃখ প্রকাশ করা হয়। আগের দিন শুক্রবার এ মঞ্চ ভাঙার ঘটনা ঘটে।

ছাত্রলীগের বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপনী মুহূর্তে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। উক্ত ঘটনায় আহত জাতীয় নেতা, সাবেক নেতা, বর্তমান নেতাকর্মী, সংবাদমাধ্যমের বন্ধু ও স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ গভীরভাবে ব্যথিত।

বিবৃতিতে বলা হয়, এমতাবস্থায়ও, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা যে শক্তিশালী, অদম্য ও আদর্শিক মনোবল নিয়ে সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও নান্দনিকভাবে শোভাযাত্রাটি শেষ করেছে, সে শক্তিই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আগামী দিনে পথচলার প্রেরণা, বিজয় কেতনের পূর্বাভাস। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনাকল্পে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ভবিষ্যতে আরও যত্নশীল ও সতর্ক থাকার শপথ গ্রহণ করছে।

এ বিবৃতিতে শোভাযাত্রাটিকে সুশৃঙ্খল, জনদুর্ভোগহীন ও স্মার্ট বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সমাপ্ত করায় ছাত্রসমাজ ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে ছাত্রলীগ।

নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শোভাযাত্রায় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, দেশরত্নের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নের প্রতি তাদের অভূতপূর্ব প্রত্যয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বলীয়ান হয়ে অশুভ-অসুর-অন্ধকারের শক্তি ও সন্ত্রাসী-খুনি-জঙ্গিবাদের দোসরদের বিরুদ্ধে ইস্পাত-দৃঢ়ভাবে লড়ে যাওয়ার অঙ্গীকার বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে মুগ্ধ করেছে, অনুপ্রেরণা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এ সময় মঞ্চ ভেঙে সবাই পড়ে যান। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহন হন।


আরও খবর



সোমালি জলদস্যুদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা নেই আইএমওর

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সোমালি জলদস্যুদের হাতে জাহাজ ছিনতাই বন্ধে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো ক্ষমতা নেই বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির সেক্রেটারি জেনারেল আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আলোচনা অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

আইএমও সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, লোহিত সাগরে বিভিন্ন সময়ে সোমালিয়ান জলদস্যুদের আক্রমণের মুখে পড়েছে জাহাজ। সম্প্রতি বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহর নাবিকদের জিম্মি করা হয়েছে। লোহিত সাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের প্রতিরোধে রাষ্ট্রগুলোকেই উদ্যোগ নিতে হবে।

আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকিতে রয়েছে। সে কারণে সমুদ্রে কার্বন নিঃসরণ কমালে বাংলাদেশেও প্রভাব পড়বে। আইএমও নৌখাতে টেকনোলজি উন্নয়নের লক্ষ্যে নানা প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে। একই সঙ্গে ধাপে ধাপে সমুদ্রে জিরো কার্বন নিঃসরণেও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

চারদিনের সফরে গত বুধবার ঢাকায় আসেন আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আর্সেনিওকে স্বাগত জানান লন্ডনে নিযুক্ত হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ডিজি কমডোর মোহাম্মদ মাকসুদ আলম।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, আন্তর্জাতিক শিপিং বিশ্বের অর্থনীতিকে সচল রাখে। পুরো বিশ্ববাণিজ্যের ৮০ শতাংশ বন্দর থেকে বন্দরে হয়ে থাকে। এ কারণে এ পথ ধরে যথেষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয়। আশা করা হচ্ছে, ২০৫০ সালের মধ্যে সামুদ্রিক বাণিজ্যের পরিমাণ তিনগুণ হবে। এর ফলে এ শিল্পটি সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিতে ব্যর্থ হলে নির্গমনও বাড়বে।

তিনি বলেন, শিল্পনেতারা এরই মধ্যে জলবায়ুবান্ধব বিকল্প জ্বালানি এবং জ্বালানি দক্ষতা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। আমি বিশ্বাস করি নেট জিরো ভিশন অর্জনে আইএমও সব সদস্য রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করবে। গত বছরের জুনে বাংলাদেশ জাহাজের নিরাপদ এবং পরিবেশগতভাবে সঠিক পুনর্ব্যবহার করার জন্য হংকং কনভেনশন অনুমোদন করেছে। আমরা এ কনভেনশনের বিধি ও আমাদের রিসাইক্লিং শিল্প অর্জনে আইএমওর অব্যাহত সমর্থন আশা করি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইমস অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশেদ আলম।


আরও খবর



হাত-পা বেঁধে মাদরাসাছাত্রকে শিক্ষকের নির্যাতন

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

Image

ঝিনাইদহে চুরির অভিযোগে মাদরাসার এক ছাত্রকে অমানবিক নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। রাতের আঁধারে হাত-পা বেঁধে ২ ঘণ্টা ধরে চলে এ অত্যাচার। এতেও ক্ষ্যান্ত হননি শিক্ষকদ্বয়, এরপরের দুই দিন তাকে আটকে রাখা হয়। পরে সুযোগ বুঝে ওই ছাত্র পালিয়ে যায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে।

সরেজমিন দেখা যায়, ছাত্রটির বয়স মাত্র ৯ বছর, নাম তাওহীদ। ঝিনাইদহরে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিছানায় কাতরাচ্ছে সে। না পারছে শুতে, না পারছে বসতে। সারা শরীরে চরম অমানবিকভাবে পেটানোর ছাপ। শরীরের এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে নেই দগদগে ক্ষত চিহ্ন।

জানা গেছে, গত ২৭ মে হাটফাজিলপুর মুহাম্মাদিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। হুজুরের ঘড়ি চুরির অভিযোগে হাত-পা বেঁধে রাত ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলে এ নির্যাতন। এতেই ক্ষ্যান্ত হয়নি শিক্ষক মাহমুদ হাসান ও মাহাদী হাসান। তাকে পরের দুই দিন আটকে রাখা হয় ওই রুমেই।

তাওহীদ জানায়, সে চুরি করেনি। অত্যাচারের সময় অনেক কাকুতি মিনতি করলেও তাকে ছাড়েনি হুজুররা। পরে কৌশলে মাদরাসা থেকে পালিয়ে যায় সে। প্রথমে যায় ফুফু বাড়ী। এরপর বাবা-মাকে খবর দিলে তারা তাওহীদকে বুধবার (২৯ মে) শৈলকূপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি কারে।

ঘটনার পরে, গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০মে) দুই শিক্ষকের নামে শৈলকূপা থানায় মামলা করে নির্যাতিত ওই ছাত্রের বাবা। পরে পুলিশের তৎপরতায় গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে।

তাওহীদের বাবা মান্নান বিশ্বাস জানান, বিচার ছাড়া কিছু চাই না। আমার ছেলে ওই মাদরাসায় পড়ে ৩ বছর ধরে। কখনই তারা আমাকে এ ধরনের কিছু জানায়নি। আমার ৪ ছেলে-মেয়ে, তাদেরও এমন ঘটনার কোনো রেকর্ড নেই। সবসময় শিক্ষকরা বলেছে ভালো ছেলে। ভালো করে পড়াশুনা করছে। কিন্তু এখন তারা যে অভিযোগ এনেছে সেটা বিশ্বাসযোগ্য না, তা মিথ্যা।

এলাকাবাসী জানান, তাওহীদের বাড়ী একই উপজেলার রঘুনন্দনপুর গ্রামে। তার বাবা একজন কৃষক। এমন নির্যাতনের সঠিক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও দাবি করেন তারা।

শৈলকুপা স্বাস্থ কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডাঃ শোহেলি ইসলাম জানান, আগের চেয়ে রোগীর অবস্থা এখন অনেকটা উন্নতির দিকে। ঝিনাইদহ শৈলকূপা ওসি সফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় আমরা দুই শিক্ষককে গ্রেফতার করেছি।

মাদরাসা সূত্রে জানা যায়, ৩ বছর আগে পিতা-মাতা ঝিনাইদহের শৈলকুপার হাটফাজিলপুর মুহাম্মাদিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি করে তাওহীদকে। মাদরাসার বর্তমান ছাত্রের সংখ্যা আড়াইশর বেশী। তবে বোডিং-এ থাকে একশর মতো ছাত্র। মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে।

নিউজ ট্যাগ: ঝিনাইদহ

আরও খবর



বাড়ছে নদ-নদীর পানি, নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে বাড়তে শুরু করেছে নদ-নদীর পানি। দেশের ভেতরে ও উজানে ভারী বৃষ্টিতে পানির উচ্চতা বাড়ছে। এ কারণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য অঞ্চলের কিছু নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গাসহ দেশের নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরদিকে পদ্মা নদীর পানি কমছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। অপরদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি কমতে পারে।

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদীর পানি বাড়ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় এই অঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে এবং উজানের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী, কোথাও কোথাও অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে, দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোথাও কোথাও বিপদসীমা অতিক্রম করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। কেন্দ্রের ১১০টি স্টেশনের মধ্যে ৮৯টির পানি বেড়েছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার এবং দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য অঞ্চলের ফেনী, বান্দরবান, চট্টগ্রাম জেলার কতিপয় নিম্নাঞ্চল স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। বর্তমানে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে খোয়াই নদীর পানি।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে চাঁদপুরে ২৫৭ মিলিমিটার, দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চট্টগ্রাম ও সিলেটে ২৪৯, তৃতীয় ঢাকা ২২৪, চতুর্থ শ্রীমঙ্গলে ২১৮, পঞ্চম মাদারীপুরে ২০৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

এছাড়া ১০০ মিলিমিটাররের ওপর বৃষ্টি হয়েছে বান্দরবানে ১৭৮, সন্দ্বীপে ১৭৬, গোপালগঞ্জে ১৬৭, কুতুবদিয়া ও ফেনীতে ১৬২, বরিশালে ১৪৭, পটুয়াখালীতে ১৪৫, মোংলা ১৩৭, খুলনায় ১২৫, কুমিল্লা ১২২, হাতিয়া ও সীতাকুণ্ডে ১১২, টাঙ্গাইলে ১০৭, মাইজদি কোর্টে ১০৪ মিলিমিটার। এছাড়া দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে কম বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।


আরও খবর



কাশ্মীরে ওমর আবদুল্লাহ হার মানলেন কারাবন্দি নেতার কাছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ভোট গণনার মাঝেই লোকসভা নির্বাচনে হার মেনে নিলেন জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। কারাবন্দি নেতা সাবেক বিধায়ক ইঞ্জিনিয়ার আবদুল রশিদের কাছে হার মেনে নিলেন তিনি। ফলাফলের শেষ খবর অনুযায়ী শেখ আবদুল রশিদের থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন আবদুল্লাহ।

ন্যাশনাল কনফারেন্সের সহসভাপতি ওমর আবদুল্লাহ বারামুল্লা আসনে নির্বাচন করেন। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন সাবেক বিধায়ক শেখ আবদুল রশিদ। বর্তমানে তিনি তিহার জেলে রয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, বুথফেরত জরিপে বলা হয়েছিল, এ আসনে জিততে চলেছেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওমর আবদুল্লাহ। কিন্তু আজ মঙ্গলবার ভোট গণনা শুরুর কিছু সময় পর থেকেই পিছিয়ে ছিলেন তিনি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আবদুল রশিদের চেয়ে ১ লাখ ২৯ হাজার ভোটে পিছিয়ে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক টুইটে ওমর আবদুল্লাহ বলেন, আমার মনে হচ্ছে এটা মেনে নেওয়ার সময় এসে গেছে। উত্তর কাশ্মীরে ইঞ্জিনিয়ার আবদুল রশীদের জয়ের জন্য তাকে অভিনন্দন। তবে, এই জয়ের কারণে তিনি দ্রুত জেল থেকে ছাড়া পাবেন বলে মনে হচ্ছে না। এমনকি দ্রুতই কাশ্মীরবাসী তাদের নেতাকে পাবেন না। তবে, কাশ্মীরবাসী গণতন্ত্রের পক্ষে ভোট দিয়েছে।

এ পর্যন্ত যে হিসাব এসেছে তাতে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের ৬ আসনের মধ্যে ন্যাশনাল কনফারেন্স এগিয়ে আছে দুটি আসনে। আর বিজেপি ও স্বতন্ত্র এগিয়ে দুটি করে আসনে।

অনন্তনাগ-রাজৌরিতে হার মেনে নিয়েছেন পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। তিনি হার মেনেছেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রার্থী মিয়া আলতাফের কাছে।


আরও খবর



সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে: আরাফাত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ শুক্রবার (২৪ মে) বিকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে দুইদিন ব্যাপী আয়োজিত লিডারশিপ, টেকনোলজি অ্যান্ড ট্রেন্ডজ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন 'ইনফোকম ঢাকা ২০২৪' এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, দি ডেইলি স্টার, আইসাকা ঢাকা চ্যাপ্টার এবং জেসিআই বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় ভারতের এবিপি গ্রুপ এ সম্মেলন আয়োজন করে। সম্মেলনের এবারের থিম নির্ধারণ করা হয়েছে 'সাসটেইনেবল ডিসরাপশন'।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন উন্নয়নই মানবজাতির জন্য উপকারী হতে পারে না, যদি সেটা টেকসই না হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার টেকসই উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। আমরা শুধু উন্নয়নেই বিশ্বাস করিনা, আমরা সুষম ও টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করি। এ জন্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের অধিকাংশ সূচকে বাংলাদেশ অনেক দেশের চেয়ে ভালো করেছে। এটিই প্রমাণ করে শেখ হাসিনার সরকার টেকসই উন্নয়নে কতটা গুরুত্ব দেয়।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রযুক্তি দ্রুত পরিবর্তনশীল। কিন্তু পরিবর্তিত প্রযুক্তি সমাজে ইতিবাচক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে কিনা সেটাই মূল বিষয়। এটি জনগণের জীবন উন্নতভাবে গড়ে তুলছে না ধ্বংস করছে সেটিই বিবেচ্য। আমরা এখন ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। তাই প্রযুক্তির মাধ্যমে যেসব ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে সেগুলো আমাদের জন্য সত্যিকার অর্থেই বড় ভাবনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এমনকি এসব ঝুঁকি মানব সম্প্রদায়ের একত্রিত অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি প্রযুক্তির ইতিবাচক দিকগুলোই মানব সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি আরো বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে যে পরিবর্তনগুলো ঘটছে, সেটাকে আমরা এখন টেকসই করার চিন্তা করছি। এটা ভালো একটা বিষয়। প্রযুক্তির মাধ্যমে কোন কিছুর পরিবর্তনের ফলাফল যদি ইতিবাচক হয়, সেটাকে টেকসই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভাবনা।

তিনি আরো যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, প্রযুক্তির বিশ্বে আমাদের ডাটা সুরক্ষায় যদি পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকে তাহলে এক্ষেত্রে আমাদের সার্বভৌমত্ব থাকবে না। এ জন্য ডাটা ব্যবস্থাপনাসহ এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে পুনরায় চিন্তা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য প্রযুক্তির বিষয়টি মাথায় রেখেই একসাথে সম্পূর্ণ নতুন এক বিশ্ব তৈরির ব্যাপারে নতুন করে ভাবতে হবে। এ বিষয়টি সব ধরণের সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে। মানবতা, মানবাধিকার এবং মানুষের কল্যাণই মূল বিষয়। দেশ-রাষ্ট্র নির্বিশেষে ভালো চিন্তার মানুষগুলোকে একত্রিত হতে হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি ভালো পৃথিবী গড়ে তোলার জন্য একসাথে চেষ্টা করতে হবে।

তিনি বলেন, যত বেশি আমাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা একসাথে চলতে পারবো, তত ভালো আউটপুট তৈরি সম্ভব হবে এবং আমরা উন্নত বিশ্ব তৈরি করতে পারবো। এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের জনগণ উপকৃত হবে। তাই সবকিছুর মূলে জনগণ এবং জনগণের সুবিধা বিবেচনায় নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবিপি প্রাইভেট লিমিটেডের সিইও ধ্রুব মুখার্জি। ভারত ও সার্কের পালো আলতো নেটওয়ার্কস এর সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ারিং পরিচালক হুজেফা মতিওয়ালা, সার্ক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন, সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির কাউন্সিল ফর কমিউনিকেশন অ্যান্ড আইটি-এর চেয়ারম্যান শাফকাত হায়দার, জেসিআই বাংলাদেশ এর ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমরান কাদির প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।


আরও খবর