আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

মনোনয়নবঞ্চিত মন্ত্রী-এমপি স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেই আজীবনের জন্য বহিষ্কার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারবেন না আওয়ামী লীগের মনোনয়ন তালিকায় বাদ পড়া বর্তমান মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তাদের কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের মুখে পড়তে পারেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় থেকে এমন ঘোষণা আসছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, বিএনপিসহ অনেক দল অংশ না নেওয়ায় ২০১৪ সালের নির্বাচনে ১৫৩টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক দেখা দেয়। এবার তার পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না আওয়ামী লীগ। ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন চায় দলটি। বিএনপি ও তাদের মিত্র দলগুলো শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে না এলে নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও ভোটারদের অংশগ্রহণমূলক করতে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিষয়ে খানিকটা নমনীয় থাকবে আওয়ামী লীগ। ভোটকে উৎসবমুখর করে তুলতেই এবার এমন অবস্থান নিয়েছে দলটি। গত রোববার গণভবনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এমন আভাস দিয়েছেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা।

তবে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত এ সুযোগ পাচ্ছেন না সরকারের বর্তমান মন্ত্রী, এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। নৌকার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে তাদের কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে দলে চিরতরে নিষিদ্ধ হতে পারেন তারা। আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ে এরই মধ্যে এমন আলোচনা হয়েছে। শিগগিরই বিষয়টি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল শহীদ ডা. মিলন দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিদ্রোহীদের বিষয়ে বলেন, নতুন নতুন সময়ে নতুন নতুন কৌশলও দলকে গ্রহণ করতে হয়। এ সময়ে যে কৌশল দরকার, নেত্রী সে কৌশল ঠিক করেছেন। দলের অবস্থান অনুযায়ী, ভবিষ্যৎ মাথায় রেখে দলীয় নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেন এবং দেন।

এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যাপারে অনেকটাই ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে আওয়ামী লীগ। বিশেষ করে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ যেন নির্বাচিত হতে না পারে’—আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যকে দলীয় প্রতীকের বিপক্ষে প্রার্থী হতে অনুপ্রেরণার জায়গা হিসেবে দেখছেন নৌকাবঞ্চিতরা। এরই মধ্যে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেড় ডজনের বেশি নেতা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এ তালিকা আরও দীর্ঘ হতে পারে। সরাসরি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা না দিলেও অনেকেই এলাকাবাসীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিচ্ছেন। যাকে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার আলামত বলে মনে করা হচ্ছে।

দলীয় মনোনয়ন নিয়ে টানা তিনবার নির্বাচিত হলেও এবার মনোনয়ন পাননি রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক। গতকাল সোমবার সকালে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এলাকার মানুষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন জানিয়ে বলেন, এ আসনকে আবার সন্ত্রাসের জনপদ হতে দেওয়া হবে না।

তার এই বক্তব্যকে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন অনেকে। এ আসনে নৌকা পেয়েছেন আবুল কালাম আজাদ।

বর্তমান সংসদ সদস্য ও হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর বদলে চট্টগ্রাম-১২ আসনে এবার নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন। তবে মাঠ ছাড়ছেন না সামশুল হকও। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়ার কথা ভাবছেন তিনি।

সিলেট-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কানাডা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সারোয়ার হোসেন। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, নেত্রীর নির্দেশনায় আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হবো।

ঢাকা-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা মশিউর রহমান মোল্লা। ফেসবুকে এ ঘোষণা দিয়েছেন তার ভাই ও ডেমরা থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহফুজুর রহমান মোল্লা।

টানা ষষ্ঠবারের মতো রাজবাড়ী-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী। সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়তে চান রাজবাড়ী সদর উপজেলার টানা চারবারের চেয়ারম্যান ইমদাদুল হক বিশ্বাস। এজন্য সম্প্রতি তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

মানিকগঞ্জ-২ আসনে নৌকার মনোনয়ন চেয়ে পাননি স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সাহাবুদ্দিন আহমেদ চঞ্চল। তার বাবা সামসুদ্দিন আহমেদ এখানকার সাবেক সংসদ সদস্য। সাহাবুদ্দিন আহমেদ এখন স্বতন্ত্র হয়ে লড়বেন এখানে। এ আসনে নৌকার প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম।

যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে এবার প্রথমবারের মতো মনোনয়ন পেয়েছেন চিকিৎসক তৌহিদুজ্জামান তুহিন। তিনি আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের জামাতা। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম মনির। তিনি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এ বিষয়ে স্থানীয় সবার মতামত জানতে চেয়েছেন।

ফরিদপুর-৪ আসনে আবারও নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ। এর আগে তিনি পরপর দুবার নৌকা নিয়ে হেরেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান চৌধুরীর (নিক্সন) কাছে। বর্তমান সংসদ সদস্য ও যুবলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নিক্সন এবারও নৌকা চেয়ে পাননি। তবে আগের মতোই স্বতন্ত্র হয়ে থাকছেন ভোটের লড়াইয়ে।

রংপুর-৬ আসনে আবারও নৌকা পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। নৌকা না পেয়ে এখান থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম। তিনি এরই মধ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে নৌকা চেয়ে পাননি আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। ইতোমধ্যে ফেসবুকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তিনি নির্বাচনী কাজ শুরু করে দিয়েছেন বলেও একাধিক পোস্টে জানানো হয়েছে।

চাঁদপুর-৪ আসনে আবারও মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক সংসদ সদস্য শামসুল হক ভূঁইয়া। তিনি চাঁদুপর-৩ আসন থেকেও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

চাঁদপুর-১ আসনে এবার নৌকা পেয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা সেলিম মাহমুদ। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন সাবেক বাণিজ্য সচিব গোলাম হোসেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে নৌকা পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান আলম। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মঈনউদ্দিন মঈন।

নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে এবার নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য মোশতাক আহমেদ রুহী। এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রয়াত সাবেক সংসদ সদস্য জালাল উদ্দিন তালুকদারের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস ঝুমা তালুকদার। তিনি নৌকার মনোনয়ন চেয়ে পাননি। প্রার্থী হওয়ার জন্য দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি।

রাজশাহী-১ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র তুলেছিলেন নায়িকা মাহিয়া মাহি। কিন্তু তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চান। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসন থেকে নির্বাচনের জন্য তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম তুলেছেন মাহি। জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নামানুসারে ফরমে তার নাম লেখা হয়েছে শারমিন আক্তার নিপা। এ আসনে পুনরায় দলের টিকিট পেয়েছেন ওমর ফারুক চৌধুরী।

রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে প্রস্তুতি নিচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের স্ত্রী আয়েশা আখতার ডালিয়াও। দলের অনুমতি সাপেক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া তানোরের মুণ্ডুমালা পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানীও এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আখতারুজ্জামান আক্তারও স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করবেন।

আওয়ামী লীগ নেতা আরিফুর রহমান ফরিদপুর-১ আসন থেকে নৌকার মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু এ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান। আরিফুর রহমান ফেসবুকে লিখেছেন, ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াইয়ের অনুমতি দিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। কৃতজ্ঞতা। প্রধানমন্ত্রী বললেন, স্বতন্ত্র দাঁড়াতে কোনো অসুবিধা নেই। তৈরি থাকুন ফরিদপুর-১ আসনের জনগণ। আপনারাই শক্তি।

জানা গেছে, এবার ৩০০ আসনে দলের মনোনয়ন চেয়েছেন ৩ হাজার ৩৬২ জন। প্রতি আসনে গড়ে নৌকার প্রার্থী হতে মনোনয়ন চান ১১ জন। একজন নৌকা পেলেও বাকি ১০ জন এখন কী করবেনতা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। আর তাতে বেশ জোরেশোরে বাতাস দিচ্ছে বিকল্প প্রার্থী (ডামি) রাখার দলীয় পরামর্শ। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আনতে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিদ্রোহী তকমা দেওয়া হবে নাআওয়ামী লীগের এমন নরম সুরে নৌকাবঞ্চিত অনেকেই ভোটের লড়াইয়ে নামতে পারেন। সেক্ষেত্রে অন্যরা ছাড় পেলেও বর্তমান মন্ত্রী, এমপি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গেলে তারা আজীবনের জন্য বহিষ্কার হতে পারেন। খুব শিগগিরই এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া হতে পারে।


আরও খবর



পাওনা ফেরত পেলেন ইভ্যালির ১৫০ গ্রাহক

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নতুনভাবে ব্যবসা শুরুর পর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি গ্রাহকের পাওনা টাকা ফেরত দিয়েছে। নতুন করে ১৫০ জন গ্রাহককে মোট ১৫ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল।

রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এসব গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়। অধিদপ্তরের সভাকক্ষে মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান উপস্থিত থেকে গ্রাহকদের হাতে এসব পাওনা টাকার চেক তুলে দেন।

মূলত, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি থেকে অর্ডার করে পণ্য না পেয়ে যারা জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করেছিলেন এমন গ্রাহকরাই আজ (রোববার) টাকা ফেরত পেয়েছেন। অধিদপ্তরের শুনানির পর ২৩৬টির মতো অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইভ্যালির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত এক মাসে ইভ্যালির ব্যবসায়িক মুনাফার অংশ থেকে এই অর্থ প্রদান সাপেক্ষে অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অভিযোগ) মাসুম আরেফিন বলেন, ইভ্যালির ব্যাপারে ভোক্তা অধিকারে প্রায় ৭ হাজারের মতো অভিযোগ পড়েছে। এর মধ্যে আজ (রোববার) ১৫০টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এসব গ্রাহকদের ১৫ লাখ টাকার ফেরত দেওয়া হয়েছে।

এ সময় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মাদ রাসেল উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সর্বোচ্চ বেতন পেতে যে আট দক্ষতার দরকার

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জীবন ধারা ডেস্ক

Image

কর্মজীবনকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আয় বাড়ানোর দিকেও নজর দিতে হবে। কিন্তু চলতি বছর আয় বাড়ানোর চিন্তা করতে হলে নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কারণ, চাকরির বাজার ও শিল্প নিয়মিত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পূরণের জন্য নতুন নতুন কাজের সৃষ্টি হচ্ছে। এ জন্য দরকার নতুন দক্ষতা অর্জন করা।

২০২৪ সালে প্রতিযোগিতামূলক অগ্রগতির জন্য অন্তত আটটি দক্ষতা অর্জন করতে হবে। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস’–এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, অন্তত আটটি দক্ষতা অর্জন করতে পারলে এই বছর সর্বোচ্চ বেতন ও নিরাপদ পদোন্নতির সম্ভাবনা অনেক।

১. ডেটা অ্যানালাইসিস : তথ্য বিশ্লেষণের দক্ষতা নেতৃত্বের ভূমিকাসহ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কর্মজীবনে কাজে আসে। চলতি বছর আপনি তথ্য বিশ্লেষণের দক্ষতা বাড়িয়ে ডেটা বিশ্লেষক হতে পারেন। এই দক্ষতা মূল সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হতে সহায়তা করে।

২. প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট : বিশ্বব্যাপী একাধিক শিল্পের চাহিদাসম্পন্ন আরেকটি দক্ষতা হলো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট। প্রকল্প পরিচালকদের চাহিদা ২০৩২ সাল পর্যন্ত আগামী আট বছরের জন্য ৬ শতাংশ বাড়ছে। এর মধ্যে পুঙ্খানুপুঙ্খ সাংগঠনিক ও পদ্ধতিগত দক্ষতা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, সম্পর্কনির্মাণ দক্ষতা ও শক্তিশালী দল ব্যবস্থাপনা, সহযোগিতা এবং যোগাযোগের দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত।

৩. ইউএক্স বা ইউআই : প্রযুক্তির এই যুগে প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা, মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপস এবং এসব পণ্যের ব্যবহারকারী ইন্টারফেস ডিজাইন করা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজের জন্য ইউএক্স বা ইউআইয়ের দক্ষতা বাড়াতে হবে। স্ট্যাটিস্টার তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের অক্টোবর প্রায় ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করেছেন। তাই এই দক্ষতা অর্জন করলে গ্রাহক, সরকারিবেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা খাতে উচ্চ বেতনের সম্ভাবনা বাড়বে।

৪. ডিজিটাল মার্কেটিং : ডিজিটাল মার্কেটিংও ইউএক্স বা ইউআই দক্ষতার মতোই। এই দক্ষতা অনলাইন অভিজ্ঞতার ওপর ফোকাস করে এবং সম্ভাব্য গ্রাহকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে, যাতে তাঁরা পণ্য বা পরিষেবার সঙ্গে জড়িত থাকেন। যদি ভিডিও সম্পাদনা, গ্রাফিক ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া, প্রভাবশালী বিপণন পছন্দ করেন বা ব্লগের জন্য কনটেন্ট লেখার অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার ডিজিটাল বিপণন দক্ষতা রয়েছে। ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করে নিজের দক্ষতা আরও বাড়িয়ে তুলতে হবে।

৫. এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) : বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিষয়ে দক্ষতা ছাড়া কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করা কষ্টসাধ্য হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি, যা প্রায় সারা বিশ্বের প্রতিটি শিল্প বা সংস্থায় সংযোজন করা হচ্ছে। ম্যাককিনসে অ্যান্ড কোম্পানির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই খাতে ২ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন থেকে ৪ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত পূর্বাভাস করা অর্থনৈতিক উন্নতিসহ অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।

এআই দক্ষতা শেখার অর্থ এই নয় যে মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার বা এআই বিজ্ঞানী হওয়ার জন্য বছরের পর বছর পড়াশোনা করতে হবে; বরং নির্দিষ্ট কাজের প্রেক্ষাপটে নিজেকে এবং এআইয়ের আধুনিক ব্যবহারগুলো জেনে রাখতে হবে। এতে নিজের কাজের গুণমান ও আউটপুট বাড়বে এবং কাজের সময় কমবে। এই দক্ষতা ব্যবসায়িকভাবে সফল করতে পারে এবং ক্যারিয়ারের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে পারে।

৬. নেতৃত্ব : নেতৃত্বের দক্ষতা একটি বিস্তৃত বিষয়, যা অন্যান্য দক্ষতার সঙ্গে বিশ্লেষণাত্মক চিন্তা, কৌতূহল, আজীবন শিক্ষা, পিপল ম্যানেজমেন্ট, স্থিতিস্থাপকতা, প্রেরণা ও আত্মসচেতনতার মতো বিভিন্ন দক্ষতাকে অন্তর্ভুক্ত করে। এসব দক্ষতাকে গত বছর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের চাকরির ভবিষ্যৎ প্রতিবেদনে উচ্চ স্থান দেওয়া হয়েছে। এই দক্ষতাগুলোকে উত্থানশীল দক্ষতা হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এ কারণে চলতি বছর এসব দক্ষতার ওপর বেশ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তাই এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করলে কর্মজীবনকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আয় বাড়ারও অনেক সম্ভাবনা আছে।

৭. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট : অন্যান্য অনলাইন দক্ষতার পাশাপাশি নিয়োগকর্তাদের ওয়েব ডেভেলপমেন্টের দক্ষতাও প্রয়োজন। ইউএস ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিকস আগামী কয়েক বছরে এই কাজের চাহিদা ১৬ শতাংশ বাড়ানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছে। অনলাইন কোর্স, বুটক্যাম্প ও কম্পিউটার সায়েন্সে ডিগ্রি নেওয়ার মাধ্যমে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব।

৮. সেলস : আপনার যদি দৃঢ় আন্তব্যক্তিক, সম্পর্ক-নির্মাণের দক্ষতা ও বহির্গামী ব্যক্তিত্ব থাকে, তাহলে সেলস ক্যারিয়ারের জন্য দক্ষতা অর্জন করা আপনার জন্য সহজ হবে। এই দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে আয় বাড়ার সম্ভাবনা সীমাহীন। কারণ, এই পেশাদাররা কেবল কমিশনই অর্জন করেন না, এ ক্ষেত্রে নেতৃত্ব ও বিভাগের পরিচালনার মাধ্যমে উচ্চ বেতনের পদের দিকে এগিয়ে যান।

অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এ ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের কোর্স করায়। এসব কোর্স করে নিজের দক্ষতাকে আরও তীক্ষ্ণ করে তুলতে পারেন।

নিউজ ট্যাগ: কর্মজীবন

আরও খবর
নারীর জন্য প্রয়োজনীয় পাঁচ ভিটামিন

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

২৩ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসে আজকের এই দিনে

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পেলেন এরশাদ আলী

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডর ১৪তম মহাপরিচালক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল মীর এরশাদ আলী।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ অধিশাখার প্রজ্ঞাপনে মীর এরশাদ আলীকে কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।

রিয়ার অ্যাডমিরাল মীর এরশাদ আলী ১৯৮৯ সালের পহেলা জুলাই বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীতে এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে চাকরি জীবনে সামুদ্রিক অভিজ্ঞতা এবং দেশে বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হয়েছে। তিনি জার্মানি থেকে নেভাল অফিসার বেসিক কোর্স, ভারত থেকে গুনেরি স্পেশালাইজেশন কোর্স করেছেন।

মীর এরশাদ মিরপুর ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ থেকে স্নাতক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিফেন্স স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি জার্মান স্টাফ কলেজ Führungsakademie der Bundeswehr এর Alumni, যেখানে তিনি কোর্সের সেরা অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সম্মানজনক 'Scharnhorst Award' লাভ করেন। তিনি মিরপুর National Defence College থেকে NDC কোর্স সম্পন্ন করেছেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের National Intelligence University থেকে ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছেন। সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) এর অধীনে Security And Strategic Studies এর বিষয়ে এম ফিল সম্পন্ন করেছেন।

তিনি তার দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য চাকুরি জীবনে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বিভিন্ন জাহাজ ও নৌ সদর দপ্তরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সর্ববৃহৎ ফ্লিট চট্টগ্রাম এর কমান্ডার বিএন ফ্লিট ও পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ডের কমান্ডার ফ্লোটিলা ওয়েস্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগে তিনি নৌ সদর দপ্তরে নৌ গোয়েন্দা পরিচালক (ডিএনআই), নৌ পরিকল্পনার পরিচালক (ডিএনপি), ডিরেক্টর অব পার্সোনেল সার্ভিসেস (ডিপিএস), নৌ প্রশিক্ষণের পরিচালক (ডিএনটি), নৌ অপারেশন পরিচালক (ডিএনও) হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

এছাড়াও ডিরেক্টর স্টাফ ডিউটিস অ্যান্ড সেরিমোনি (DSD&C) এবং ইন্ডিয়ান ওশান নেভাল সিম্পোজিয়াম (IONS) এর সেক্রেটারি হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। নৌবাহিনীতে তার কর্মজীবনের অগ্রগতির সাথে সাথে তিনি বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর ফ্ল্যাগশিপ, বিএনএস বঙ্গবন্ধুসহ পাঁচটি ভিন্ন ধরনের ফ্রন্টলাইন জাহাজের কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রিয়ার অ্যাডমিরাল এরশাদ নৌবাহিনীতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার অসামান্য অবদানের জন্য অসাধারণ সেবা পদক (ওএসপি), নৌবাহিনীর দক্ষতা পদক (এনপিপি) এবং তিনবার নৌ প্রধানের প্রশংসা প্রাপ্ত হন।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক হিসেবে নিযুক্তির আগে সর্বশেষ তিনি মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।


আরও খবর
জানুয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮৬ মৃত্যু

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




তিউনিসিয়া উপকূলে নিহত ৯ জনের বেশিরভাগ বাংলাদেশি

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

তিউনিসিয়া উপকূলে নৌকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ৯ জন মারা গেছেন। যাদের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানা গেছে। বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যে লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানায়।

দূতাবাস জানায়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি লিবিয়া উপকূল থেকে ৫২ জনের একদল অভিবাসীর সাগরপথে ইউরোপ যাত্রাকালে তিউনিসিয়া উপকূলে তাদের বহনকারী নৌকাটিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সেখানে ৪৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার অভিবাসীদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উদ্ধার বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দূতাবাস তিউনিসিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং আইওএম এর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে।

এ ছাড়াও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও উদ্ধারকৃতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের সহযোগিতা নিশ্চিতকরণ এবং মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশিদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে দূতাবাসের একটি দলকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিউনিসিয়া পাঠাসো গচ্ছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।


আরও খবর



ভোলায় এসএসসি সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২১ হাজার ৪৪ জন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আশরাফুল আলম সজিব, ভোলা

Image

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধিনে ভোলা জেলায় মোট ২১৪১৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে এবারে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৪১ হাজার ৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে মাধ্যমিকে ১৩৮৩০ জন, মাদ্রাসা থেকে ৬২৩২ জন এবং কারিগরি থেকে ৯৮২ জন শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। পরীক্ষায় অংশ নেয়নি ৩৭২ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে মাধ্যমিকের ১৬৬, মাদ্রাসার ১৭৭, ও কারিগরির ২৯ জন।

জেলার ৭ উপজেলার মোট ৪৯ টি কেন্দ্রে মাধ্যমিক ও সমমানের এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৬ টি, মাদ্রাসার ১৫টি ও কারিগরির ৮টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা হয়েছে। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দ্বীপক কেন্ডি হাওলাদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯টা থেকেই কেন্দ্রে কেন্দ্র শিক্ষার্থীরা উপস্থিত হতে দেখা গেছে। তবে কেন্দ্রের বাহিরে অভিভাবকদের ছিল উপচে পড়া ভীড়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জেলার কোথায়ও কোনো শিক্ষার্থী বহিষ্কার ও অপৃতিকর কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ভোলার জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান বলেন, সম্পূর্ণ নকল মুক্ত ও সুন্দর পরিবেশে এবারের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এবারের পরীক্ষা নিয়ে একাধিক মিটিং করেছি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ যেই হোক কোনো অপৃতিকর ঘটনা হলে সবাই আইনের আওতায় আসবে। কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবেনা। আমি কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। এখন পর্যন্ত কোনো বহিস্কার বা কোনো ধরনের অপৃতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আগামী পরীক্ষাগুলোতেও এমন পরিবেশ থাকবে বলে আমি আশাকরি।


আরও খবর