আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

মোবাইল ইন্টারনেটে এলো আনলিমিটেড প্যাকেজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মোবাইল ইন্টারনেটে আনলিমিটেড ডাটা প্যাকেজ চালু হলো। একইসঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন মাসিক ইন্টারনেট প্যাকেজেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর রমনায় টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ভবনে মোবাইল ইন্টারনেটের এই দুটি সেবা উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে আনলিমিটেড ডাটা প্যাকেজের মধ্যে গ্রামীণফোনে ১ হাজার ৯৯ টাকায় ১৫ জিবি এবং ৪৪৯ টাকায় ৫ জিবি প্যাকেজ কেনা যাবে।

রবিতে ৩১৯ টাকায় ১০ জিবি, বাংলালিংকে ৩০৬ টাকায় ৫ জিবি এবং টেলিটকে ৩০৯ টাকায় ২৬ এবং ১২৭ টাকায় ৬ জিবি পাওয়া যাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, আনলিমিটেড ডাটা প্যাকেজের মেয়াদ হবে এক বছর।

অনুষ্ঠানে বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার, ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র, কমিশনার মহিউদ্দিন আহমেদ, কমিশনার আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বাজেট: বেতন-ভাতায় বরাদ্দ বাড়ছে সরকারি চাকরিজীবীদের

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৬৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ব্যয় সংকোচন নীতির পথে হাঁটলেও আগামী বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতায় বরাদ্দ বাড়ছে। একইভাবে দেশি ও বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধেও বড় অঙ্ক গুনতে হবে। আর চলমান ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে বেড়ে যাওয়া জ্বালানি তেল, সার, গ্যাসের বর্ধিত মূল্য সমন্বয় করতে হচ্ছে সরকারকে।

এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী বছরের জন্য ভর্তুকি ও প্রণোদনা খাতে বড় ধরনের বরাদ্দ বাড়াতে হচ্ছে। ফলে উল্লেখিত তিনটি খাতে নতুন বাজেটের ৪৯ শতাংশই ব্যয় হবে। টাকার অঙ্কে এটি ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। অবশ্য ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য ধরে আগামী অর্থবছরের (২০২২-২৩) বাজেটের রূপরেখা প্রণয়ন করেছে অর্থ বিভাগ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য। আগামী ৯ জুন জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থ বিভাগ এরই মধ্যে বাজেটের রূপরেখা প্রণয়ন করেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, সরকার ব্যয় সংকোচন নীতির আলোকে বাজেট প্রণয়ন করছে। করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ার সঙ্গে অর্থনীতির সংকট কাটছে ধীরে ধীরে। তবে এখনো সরকারের করোনামুখী ব্যয় নানাভাবে হচ্ছে। এসব দিক বিবেচনা করেই সব খাতে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কিছু এরিয়া আছে যেখানে ব্যয় কমানো কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সেখানে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

আগামী বাজেটের যে রূপরেখা প্রণয়ন করেছে সেটি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সরকারের পরিচালনা ব্যয়ের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৩১ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। এই ব্যয়ের মধ্যে দেশি ও বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধ, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা প্রদান এবং ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ বাবদ ব্যয় করতে হবে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩২ কোটি টাকা। এ ব্যয় নতুন বাজেটের ৪৯.২৪ শতাংশ।

সূত্র জানায়, আগামী বাজেটে সবচেয়ে বেশি চাপ থাকছে ভর্তুকিতে। চলমান রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এটি হয়েছে। এই যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য প্রতি ব্যারেল ১০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত অতিক্রম করেছিল। এখন কিছুটা কমছে। পাশাপাশি সার, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বিশ্ববাজারে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এসব পণ্যের দাম দেশের বাজারে খুব বেশি বাড়ানো হয়নি। বিশেষ করে কৃষকের সারের মূল্য আগের অবস্থায় আছে। গ্যাসের মূল্যও বাড়ানো হয়নি। শুধু জ্বালানি তেলের মূল্য এক দফা সমন্বয় করা হয়েছে।

মূল্য সমন্বয় না করায় সরকারের ভর্তুকি ও প্রণোদনা খাতে ব্যয় বেড়েছে। নতুন বাজেটে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণে বরাদ্দ থাকছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ৪ শতাংশের সমান। চলতি বছরের তুলনায় এ খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে ২৭ হাজার ৯১০ কোটি টাকা। এ বছর ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ বাবদ বরাদ্দ দেওয়া আছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ২৩৫ কোটি টাকা।

এদিকে কৃষি ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি না কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক সিনিয়র অর্থ সচিব মাহবুব আহমেদ। তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষিতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখতে হবে। রাজস্ব আহরণ বাড়িয়ে ভর্তুকি বরাদ্দ সমন্বয় করার প্রতি জোর দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, রপ্তানির সব খাতে প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। আদৌ সব খাতে প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা উচিত। তবে কিছু এরিয়াতে এই মুহূর্তে ব্যয় সংকোচন করতে হবে। বিশেষ করে কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থ ব্যয় কমাতে হবে। এদিক থেকে কিছু অর্থ সাশ্রয় হবে।

জানা গেছে, অর্থনীতির নানা দিক থেকে চাপের মধ্যে আছে সরকার। ফলে ব্যয় সংকোচন নীতি কৌশল নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কিছু বরাদ্দ খাত আছে যেখানে ব্যয় কাটছাঁট করা সম্ভব নয়। এর একটি হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা। আগামী বছরে এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ৭৬ হাজার ৪১২ কোটি টাকা। এটি চলতি বছরের চেয়ে ৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা বেশি। চলতি বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ আছে ৬৯ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। অর্থ বিভাগ মনে করছে করোনার কারণে দীর্ঘদিন জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি তা শুরু হয়েছে। এজন্য আগামী বছরে অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হবে। এছাড়া চাকরিজীবীদের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়। সেজন্যও অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে। যে কারণে বেতন-ভাতা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে।

ব্যয়ে একটি বড় খাত ঋণের সুদ পরিশোধে। আগামী অর্থবছরে শুধু সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে ৮০ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা। এটি অর্থনীতিতে এক ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। এই সুদ পরিশোধ হবে মূলত দেশি ও বিদেশ থেকে ঋণ গ্রহণের বিপরীতে। নতুন বছরে সুদ খাতে চলতি বছরের তুলনায় বেশি ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। এ বছর সুদ পরিশোধে বরাদ্দ আছে ৬৮ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা।

নিউজ ট্যাগ: বাজেট

আরও খবর
ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




ঈদের নামাজের নিয়ত ও নিয়ম

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ০২ মে 2০২2 | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ। মুমিন মুসলমান প্রতি বছরে দুটি ঈদ উদযাপন করে থাকেন। যে কারণে অনেকেই ঈদের নামাজের নিয়ত, নিয়ম এবং তাকবির ভুলে যান। কেননা তাকবির হলো ঈদের দিনের প্রথম কাজ। মুসলিম উম্মাহর জন্য ঈদের নামাজ পড়া ওয়াজিব। ঈদের দিন যথাযথভাবে ঈদের নামাজ পড়ার জন্য নিয়ত, নিয়ম এবং তাকবির তুলে ধরা হলো-

ঈদের নামাজের নিয়ত

'নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ইদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াঝিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াঝঝিহান ইলা ঝিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি 'আল্লাহু আকবার'।'

অর্থ : আমি ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ৬ তাকবিরের সঙ্গে এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর জন্য আদায় করছি- 'আল্লাহু আকবার'।

ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম

১. ঈমামের সঙ্গে তাকবিরে তাহরিমা আল্লাহু আকবার বলে উভয় হাত বাঁধা।

২. তাকবিরে তাহরিমার পর ছানা পড়া-

'সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।

৩. এরপর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেওয়া।

৪. এক তাকবির থেকে আরেক তাকবিরের মধ্যে তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় বিরত থাকা।

৫. প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেওয়া।

৬. তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত তাকবিরে তাহরিমার মতো বেঁধে নিতে হয়।

৭. আউজুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ পড়া

৮. সুরা ফাতেহা পড়া

৯. সুরা মিলানো। এরপর নিয়মিত নামাজের মতো রুকু ও সেজদার মাধ্যমে প্রথম রাকাত শেষ করা।

দ্বিতীয় রাকাত

১. বিসমিল্লাহ পড়া

২. সুরা ফাতেহা পড়া

৩. সুরা মিলানো।

৪. সুরা মিলানোর পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেওয়া।

৫. প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেওয়া।

৬. তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত তাকবিরে তাহরিমার মতো বেঁধে নিতে হয়।

৭. এরপর রুকুর তাকবির দিয়ে রুকুতে যাওয়া।

৮. সেজদা আদায় করে

৯. বৈঠকে বসা; তাশাহহুদ, দরূদ, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা।

১০. নামাজের সালাম ফেরানোর পর তাকবির পড়া-

উচ্চারণ : আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

১১. নামাজের পর ইমাম সাহেবের দুইটি খুতবা দেওয়া।

ঈদের নামাজ পড়ার পর ইমাম খুতবা দেবে আর মুসল্লিরা খুতবা মনোযোগের সঙ্গে শুনবে। অবশ্য অনেকেই খুতবা না দেওয়ার ব্যাপারে শিথিলতার কথা বলেছেন। খুতবা না দিলেও ঈদের নামাজ আদায় হয়ে যাবে বলে মত দিয়েছেন।

অতিরিক্ত তাকবির

অতিরিক্ত তাকবিরের ক্ষেত্রে অন্যান্য মাজহাবসহ অনেকেই প্রথম রাকাতে তাকবিরে তাহরিমাসহ ৭ তাকবির আর দ্বিতীয় রাকাআতে ৫ তাকবিরে দিয়ে থাকেন। যদি কেউ অতিরিক্ত ৬ তাকবির দেয় কিংবা অতিরিক্ত এগারো তাকবির দেয় তাতে নামাজের অসুবিধা হবে না বরং নামাজ হয়ে যাবে।

ঈদের নামাজের তাকবির পড়া

ঈদের চাঁদ দেখার পর থেকে অর্থাৎ ৩০ রমজান ইফতারের পর প্রথম কাজই হচ্ছে তাকবির তথা আল্লাহর কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপন করা। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে তাকবির পড়া। এটিই ঈদের প্রথম কাজ। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমেও তাকবির পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন এভাবে-

'আর তোমাদের আল্লাহ তাআলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর।( সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৫)

তাকবির হলো-

উচ্চারণ : আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ।

আল্লাহ তাআলা রোজাদার মুমিন মুসলমানকে ঈদের নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

নিউজ ট্যাগ: ঈদের নামাজ নিয়ম

আরও খবর



ঈদে সাবিলা নূরের ডিগবাজি

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিতুকে বিয়ে দিতে চাইছে তার পরিবার। কিন্তু সে বিয়ে করতে প্রস্তুত নন। কারণ সে ওয়ার্ল্ড ট্রাভেলার হবে, বিয়ে করে রান্নাঘরে খুন্তি-কড়াই নিয়ে ঠুকঠাক করার ইচ্ছে তার নেই। এমন এক ব্যতিক্রমী নারী চরিত্র নিয়ে নির্মাণ হলো ঈদের বিশেষ নাটক ডিগবাজি

সিএমভির ব্যানারে নাটকটি রচনা ও নির্মাণ করেছেন জাকারিয়া সৌখিন। নাটকটিতে নিতু চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাবিলা নূর। তার বিপরীতে আবীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। নাটকের গল্প প্রসঙ্গে নির্মাতা জানান, এক পর্যায়ে আবীরের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয় নিতুর। মজার তথ্য হলো- আবীর নিজেও এখনই বিয়ে করার পক্ষে নন! বাবা-মায়ের চাপেই তিনি পাত্রী নিতুকে দেখতে যান।

নির্মাতা সৌখিন বলেন, অবশেষে দুই পরিবারই তাদের বিয়ে দিতে সম্মত হয়। এতে বিপাকে পড়ে যায় বিয়ে করতে না চাওয়া নিতু ও আবীর। শুরু হয় বিয়ে ভাঙার নিজ নিজ প্ল্যান! একটা সময় নিতু তার পরিবারের কাছে প্রমাণ করে- আবীরের চরিত্র ভালো না! নাটকে মোড় নেয় নতুন চমক। বাকিটা দেখার আমন্ত্রণ জানালাম সবাইকে।

প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ঈদে ডিগবাজি উন্মুক্ত হচ্ছে সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে।

নিউজ ট্যাগ: সাবিলা নূর

আরও খবর



মামলা করলেন নিহত নাহিদের বাবা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২১ এপ্রিল ২০২২ | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউ মার্কেটের দোকানকর্মীদের সংঘর্ষে নিহত কুরিয়ারকর্মী নাহিদের বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) রাতে নিউ মার্কেট থানায় মামলাটি করা হয়। মামলায় আসামিদের নাম পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি। বুধবার (২০ এপ্রিল) রাতে নিউ মার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার শরীফ মুহাম্মদ তারিকুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের মধ্যে পড়েন নাহিদ। বেধড়ক মারধরে জ্ঞান হারিয়ে দীর্ঘ সময় রাস্তায় পড়েছিলেন। পরে শুভ নামের এক ব্যক্তি আহত অবস্থায় নাহিদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন বিকেলে নাহিদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে। পরে ঢামেকের জরুরি বিভাগে ওয়ানস্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিসের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

মাত্র ছয় মাস আগে বিয়ে করেন নাহিদ। তিনি এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যাল এলাকার একটি কুরিয়ার সার্ভিসে চাকরি করতেন। কামরাঙ্গীরচরের রনি মার্কেটের পাশে দেওয়ানবাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি।

নাহিদের বাবার নাম নাদিম হাসান। তিনি ম্যাটাডোর ইন্ডাস্ট্রিতে চাকরি করেন। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে নাহিদ সবার বড়।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাতে নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ বাধে। রাত ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত চলে সংঘর্ষ। মঙ্গলবার সকাল থেকে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১টার দিকে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


আরও খবর



নান্দাইলের সেই আতশবাজি কারখানার মালিক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ৪৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহের নান্দাইলের অবৈধ আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণে ২ নারী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় কারখানাটির মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির একটি দল অভিযান চালিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে তাকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম বোরহান উদ্দিন (৫০)।

২০ এপ্রিল ভোরে নান্দাইলের চণ্ডিপাশা এলাকায় ওই কারখানায় আতশবাজি তৈরীর সময় বারুদ ও রাসায়নিক দ্রব্য হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান দুই শ্রমিক নাছিমা আক্তার (৩০) ও আফিয়া খাতুন (৪৫)। পরদিন কারখানার মালিক বোরহান উদ্দিনের বিরুদ্ধে নান্দাইল থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে এবং হত্যা মামলা করা হয়।

আসামিকে গ্রেফতারের পর শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তাধর বলেন, বোরহান ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে সেই কারখানায় অবৈধভাবে আতশবাজি তৈরি করে আসছিলেন।

৫০ শ্রমিকের ওই কারখানায় ছোট ছোট চকলেট বাজি, তারাবাজি, পটকা ইত্যাদি তৈরি করা হত। তা স্থানীয় বিভিন্ন বাজার ও আশেপাশের এলাকার বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হত।

মুক্তা ধর বলেন, ঘটনার দিন ভোরে আতশবাজি তৈরির সময় দুজন নারী শ্রমিক আতশবাজির প্রচণ্ড বিস্ফোরণে মারা যান।

বোরহান জানিয়েছেন তিনি ঢাকার চকবাজার থেকে আতশবাজি তৈরির জন্য কাঁচামাল কিনতেন। তার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে নান্দাইল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছিল বলে জানায় সিআইডি।


আরও খবর