আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

মোবাইলের কারণে বদলে যাচ্ছে চোখের গড়ন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ক্রমশ বাড়ছে মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের ব্যবহার। বিশেষ করে অতিমারির সময় থেকে এই ব্যবহার আরও বেড়ে গিয়েছে। তার প্রভাব পড়ছে চোখে। চোখের গড়ন বদলে যাচ্ছে পাকাপাকি ভাবে। এমনই বলছে হালের গবেষণা।

মোবাইল ফোনের ব্যবহারের সময়ে আমরা সেটিকে চোখের খুব কাছে ধরি। সেই যন্ত্রের আলোর সঙ্গে খাপ খাওয়াতেই চোখের গড়ন বদলে যাচ্ছে। বিজ্ঞান বইতে চোখের যে গোলাকার গড়নের ছবি দেখে আমরা অভ্যস্ত, তা বদলে এখন অনেকটা জলপাইয়ের আকার নিচ্ছে অক্ষিগোলক। চোখের সামনের দিকটা বাইরের দিকে বেরিয়ে আসছে এর ফলে। এমনই বলছেন ইংল্যান্ডের কয়েক জন চক্ষুবিদ।

তবে এর শেষ এখানেই নয়। এই হারে চোখের গড়নে বদল আসলে, তার প্রভাব পড়বে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উপরেও। এমনই আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের।

কী বলা হয়েছে এই গবেষণাপত্রে? বলা হয়েছে, প্রতি দিন গড়ে ৬ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকেন মানুষ। যত ক্ষণ জেগে থাকেন, তার প্রায় ৪৬ শতাংশ সময়ই কাটে ফোন বা কম্পিউটার সামনে বসে। তার ফলেই চোখের গড়নে বদল আসছে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে শিশুদের উপর। বড়দের চোখ আগের অবস্থায় ফিরে যেতেও পারে।

কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে তেমন কিছু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ ১৬-১৭ বছর বয়সের আগে পর্যন্ত তাদের চোখের বিকাশ সম্পূর্ণ হয় না। এই সময়ে মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার তাদের চোখের গড়ন পাকাপাকি বদলে দেয়।

কেন এমন হয়? চিকিৎসকরা বলছেন, মোবাইল ফোনের দিকে তাকানোর সময়ে আমরা এমন ভাবে তাকাই, যাতে ফোকাসটি থাকে ফোনের পর্দার উপর। তার পিছনের সব কিছুকে আমরা যত ঝাপসা দেখব, ততই স্পষ্ট হবে ফোনের ছবি। দীর্ঘ দিন এটি চলতে থাকলে, চোখও চেষ্টা করে আলো যাওয়ার পথটিকে সরু করে দিতে। তাতেই বদলায় চোখের গড়ন। একে চিকিৎসার পরিভাষায় বলা হচ্ছে শর্ট সাইটেড আই

কী করে এই সমস্যা কমাবেন? চিকিৎসকরা বলছেন, দিনের মাথায় অন্তত দুঘণ্টা বাড়ির বাইরে কাটান। রোদে ঘোরাঘুরি করতে পারেন। তাতে সমস্যা কমবে। আর ২০ মিনিট টানা কাজ করার পরে ২০ সেকেন্ডের জন্য এমন কোনও কিছুর দিকে তাকান, যা আপনার থেকে অন্তত ২০ ফুট দূরে রয়েছে।

 


আরও খবর
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১




মা-ভাইকে আটকে রেখে ঘরে আগুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাইবান্ধায় মা ও সৎ ভাইকে ঘরে আটকে রেখে আগুন দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে।

বুধবার সন্ধ্যার দিকে গাইবান্ধা পৌর শহরের খানকাহ শরীফ এলাকার একটি বাসার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মা মামুনি বেগম ও তিন বছরের শিশু ছেলে প্রাণে বাঁচলেও আগুনে পুড়ে গেছে ঘরের আসবাবপত্রসহ মূল্যবান জিনিসপত্র।

জানা যায়, মামুনি বেগমের সাবেক স্বামী আবদুর রশিদ প্রধানের তৃতীয় ছেলে অনিক। বাবার সঙ্গে অনিক গাইবান্ধা পৌর শহরের কুঠিপাড়া এলাকার বাড়িতে থাকে।

স্থানীয়রা জানান, ২০১৬ সালে অনিকসহ তিন ছেলেকে রেখে মামুনি বেগম বিয়ে করেন জিয়াউর রহমানকে। বর্তমানে মামুনি ও জিয়াউরের তিন বছরের একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে প্রথম স্বামীর ছেলে অনিক মামুনির কাছে টাকা দাবিসহ নানা কারণে নির্যাতন করে আসছিলেন।কিন্তু তিনি টাকা দিতে পারেননি। একারণে তাকে হুমকিও দেয় অনিক।

সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ খানকা শরীফ এলাকার বাসায় এসে মামুনিকে গালিগালাজ করতে থাকে অনিক। একপর্যায়ে ঘরে আগুন দিয়ে বাইরে থেকে দরজা লাগিয়ে পালিয়ে যান অনিক। পরে আশপাশের লোকজন দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করে।

মামুনি বেগমের অভিযোগ, সম্প্রতি চুরির মামলায় জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে অনিক। টাকা চেয়ে না পাওয়ায় সৎ ভাইসহ তাকে (মামুনি) হত্যার উদ্দেশে ঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছে।

গাইবান্ধা ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগুনে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: ঘরে আগুন

আরও খবর



করোনায় আরো ৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৬৭

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হওয়া রোগী সংখ্যা কমেছে, তবে বেড়েছে মৃত্যু। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পর্যন্ত করোনাতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৭৬ জন আর করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ছয় জন। এর আগে শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর ২৪৩ শনাক্ত ও তিনজনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছিল।

নতুন শনাক্ত হওয়া ১৭৬ জনকে নিয়ে দেশে করোনাতে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত-হলেন ১৫ লাখ ৭৭ হাজার ২৪৬ জন আর মারা যাওয়া ছয় জনকে নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসেবে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মোট মারা গেলেন ২৭ হাজার ৯৯৫ জন।

করোনাতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৬২ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ৪২ হাজার ৪৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ১৬ হাজার ২২৩টি। নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৬ হাজার ৪২৮টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি নয় লাখ ৬২ হাজার ৪৭৪টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৭৮ লাখ পাঁচ হাজার ৭৪৭টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৩১ লাখ ৫৬ হাজার ৭২৭টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে রোগী শনাক্তের হার এক দশমিক সাত শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ।


আরও খবর
করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১




রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক- ৪৮

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৪৮ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ।

শনিবার সকাল ৬টা থেকে রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত সময়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ১১ হাজার ৭৯৮ পিস ইয়াবা,  ৪৭ গ্রাম হেরোইন, ৩ কেজি ৭৫ গ্রাম ১০০ পুরিয়া গাঁজা ও ৮৫ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৫টি মামলা হয়েছে।

 


আরও খবর



বারোমাসি তরমুজ চাষে সফল সিংড়ার আদিবাসী কৃষক নিতিশ

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪১৫জন দেখেছেন

Image

সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি:

মেধা, শ্রম ও চেষ্টা থাকলে কম পড়া-লেখা আর দরিদ্র পরিবার থেকেও যে সফলতা অর্জন করা যায় তারই এক দৃষ্টান্ত আদিবাসী কৃষক নিতিশ চন্দ্র সরদার ওরাওঁ। মাছ চাষ ও তরমুজ চাষে সফল এক কৃষক। আদিবাসী সফল এই কৃষকের বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলার শুকাশ ইউনিয়নের চালা পাড়া গ্রামে। নিতিশ ওরাওঁ কিছু দিন আগে পাবদা মাছ চাষ করে সফল মাছ চাষী হিসাবে এলাকায় পরিচিত হয়েছেন। এখন আবার পরিচিত হচ্ছেন সফল তরমুজ চাষী হিসাবে। মাত্র ৭০ শতাংশ জমিতে বারোমাসী হলুদ তরমুজ চাষ করে অধিক লাভবান হওয়ায় নিতিশের এই পরিচিত এনে দিয়েছে। নিতিশের এই সাফল্য দেখে অনেক বেকার যুবক বাণিজ্যিক ভাবে শুরু করেছেন তরমুজ চাষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিতিশের খেতের মাচায় ঝুলছে তরমুজ। খেত জুড়ে শোভা পাচ্ছে হলুদ, কালো ও ডোরাকাটা তরমুজ। উচ্চ ফলনশীল ব্লাক বেবী, বাংলালিংক এবং গোল্ডেন ক্রাউন নামের তিন জাতের এই তরমুজ খেতে যেমন সুস্বাদু দেখতেও আকর্ষণীয়।

কৃষক নিতিশ জানায়, প্রথমে ফেসবুকের একটি ভিডিও দেখে বারোমাসী তরমুজ চাষের ধারণা পান তিনি। পরে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার সহযোগিতায় গত সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু করেন চাষ। জমি লিজ, মাচা তৈরীর দড়ি, গুনা, বাঁশ, বেডসহ অন্যান্য বাবদ ৭০ শতাংশ জমিতে তার মোট খরচ হয় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। মাত্র ৬০ থেকে ৬৫ দিনেই নিতিশের খেতের তরমুজ বিক্রির উপযোগী হয়। প্রথম দফায় ঢাকায় গিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রয় করেন তিনি। প্রথম দফা বিক্রয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই আবারও বিক্রয়ের উপযোগী হয় খেতের তরমুজ।

কৃষক নিতিশ জানায়, প্রথম দফা তরমুজ বিক্রয় করে তার খরচের টাকা উঠে গেছে। এখনও দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার তরমুজ তার খেতে আছে। বাকি তরমুজ ঠিক ঠাক বিক্রয় করতে পারলে খরচ বাদে ২ লাখের বেশি আয় হবে বলে আশা করছেন তিনি।

বারোমাসী এই তরমুজ একই জমিতে তিনবার চাষ করা যায়। প্রথমবার মাচান ও বেড তৈরী করতে যে খরচ হয় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বার খরচ হয় তুলনামূলক খুবই কম। সেই হিসাবে নিতিশের ওই ৭০ শতাংশ জমিতে খরচ বাদে বছরে আয় হবে ৫ লাখ থেকে ৬ লাখ টাকা। এমনটাই স্বপ্ন দেখছেন কৃষক নিতিশ ওরাওঁ।

নিতিশের স্ত্রী অভিরন রাণীও কাজ করেন তরমুজের খেতে। বারোমাসী তরমুজ চাষের এই সফলতা স্বামী স্ত্রী দুজনারই। নিতিশের এমন সাফল্য এখন ছড়িয়ে পড়েছে লোকে মুখে। স্থানীয়দের কাছে একজন আদর্শ কৃষক হয়ে উঠেছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ মোঃ সেলিম রেজা বলেন, চলনবিল অধ্যুষিত সিংড়া উপজেলার শুকাশ ইউনিয়নের জমি তুলনামুলক উচুঁ হওয়ায় বারোমাসী তরমুজ চাষের উপযোগী এই অঞ্চল। এখানে নিতিশের মত অনেক কৃষকই প্রথমবারের মত তরমুজ চাষ শুরু করেছেন। দেশে তিন জাতের বারোমাসী তরমুজের অনেক চাহিদা রয়েছে। যারা বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করছেন তারা লাভবান হচ্ছেন। আমরা চাষীদের পাশে আছি। চাষীদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা করছি। এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

নিউজ ট্যাগ: তরমুজ চাষী

আরও খবর



রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর বাড্ডা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত মামলাটির চার্জশিট আমলে নিয়ে রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল জানান, যেহেতু আজ এই মামলাটির চার্জশিট আমলে গ্রহণ করার দিন ধার্য ছিল, তাই রিজভীর আদালতে উপস্থিত হওয়ার কথা। কিন্তু তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আদালত মামলাটির চার্জশিট আমলে নিয়ে আসামির জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।  গ্রেফতার বিষয়ে তামিল প্রতিবেদনের জন্য আদালত আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।


আরও খবর