আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

মোংলায় বিএনপি-জামায়াতের ৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ মার্চ ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মোংলা থেকে নূর আলম বাচ্চু,

বাগেরহাটের মোংলায় নাশকতার মামলায় বিএনপি-জামায়াতের ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি ওমর ফারুক, মিঠাখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহ-সভাপতি লুৎফর আমির, ছাত্রদল নেতা মো. মুজাহিদ, যুবদল নেতা শফিকুল শেখ ও জিয়ার শেখ।

সোমবার সকালে গ্রেফতারদের বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, আগের নাশকতার মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। ওইসব নাশকতার মামলার বাকি আসামিদেরও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে, বিনা উসকানিতে ও কোনো কর্মসূচি ছাড়াই পুলিশ অহেতুক বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে বলে দাবি স্থানীয় বিএনপির। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের কারও নামে কোনো মামলা ও জিডি পর্যন্ত নেই। অহেতুক ইফতার ও তারাবির সময় এসব নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


আরও খবর



আন্দোলনকারীদের ধৈর্য ধরতে বললেন ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরকারি চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের ওপর স্থিতাদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এর পরও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার যৌক্তিকতা নেই বলে মনে করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আন্দোলনকারীদেরকে ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে, এ ধরনের সব কর্মসূচি পরিহার করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানাই।

শুক্রবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এই আদেশের পরে হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের কোনো কার্যকারিতা বর্তমানে নেই। এর পরও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলমান থাকার যৌক্তিকতা নেই।

এই আন্দোলনের ওপর মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে। শিক্ষার্থীরা কার বিপক্ষে আন্দোলন করবে? সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ তো তাদের পক্ষেই আছে। এর পরে আন্দোলন চলমান থাকা প্রমাণ করে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কোনো গোষ্ঠী বা মহল এই আন্দোলনে উস্কানি দিচ্ছে।

শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলন চলমান রাখলে সাধারণ জনগণের ভোগান্তি বাড়বে, উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। জনগণ এই আন্দোলনের কাছে জিম্মি হয়ে পড়লে তরুণ শিক্ষার্থীদের ওপর তারা আস্থাহীন হয়ে পড়বে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, একটি চিহ্নিত রাজনৈতিক মহল শিক্ষার্থী ও জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে ফায়দা লোটার অপচেষ্টা করছে। আমরা বিশ্বাস করি না, কোমলমতি সকল শিক্ষার্থী দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করতে চায়। শুধু যারা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তারাই আদালতের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে। 

তিনি বলেন, যে কোনো আন্দোলন হলেই বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসররা সেটাকে হাতিয়ার করে ক্ষমতায় যাওয়ার দুঃস্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ে। এখন তারা কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কারণ, তাদের ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই। তারা যখন ক্ষমতায় ছিল দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস ও উগ্র-জঙ্গিবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির নেতা দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি তারেক রহমান হাওয়া ভবন খুলে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল। হাজার হাজার কোটি টাকা দেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার করে লন্ডনে বিলাসী জীবনযাপন করছে। দেশের সাধারণ জনগণের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। এই দুর্নীতিবাজ নেতৃত্বের অপরাজনীতির কারণেই বার বার জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে বিএনপি। সরকারবিরোধী কোনো আন্দোলনেই তারা সফল হতে পারেনি। তাই, যখনই অরাজনৈতিক আন্দোলন সংগঠিত হয়, সেটাকে পুঁজি করে রাজনীতি করার অপচেষ্টা করে বিএনপি।

দেশের মানুষের যৌক্তিক দাবির প্রতি আওয়ামী লীগ সর্বদা আন্তরিক, দাবি করে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, কোনো যৌক্তিক দাবি কখনোই আওয়ামী লীগের কাছে উপেক্ষিত হয়নি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সব সময় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি জনকল্যাণকর উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে।

তরুণ শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা কারো রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহারের শিকার হবেন না। চূড়ান্ত শুনানিতে আন্দোলনকারীদের পক্ষের আইনজীবীর আরও যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের সুযোগ রয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত চূড়ান্ত শুনানির মাধ্যমে এ বিষয় নিষ্পত্তি করবেন। আদালত আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অসন্তোষের বিষয়সমূহ চূড়ান্ত শুনানিকালে আমলে নিয়ে বাস্তবসম্মত চূড়ান্ত রায় প্রদান করবেন এবং বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে।


আরও খবর
ছাত্রলীগের ওয়েবসাইট হ্যাক

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




লক্ষ্মীপুরে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

Image

লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে গৃহবধূ সালমা আক্তারকে মারধরের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী কামরুল হাসান সুমনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্বামী কামরুলকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকালে সদর হাসপাতাল থেকে তাকে আটক করা হয়।

বুধবার (৩ জুলাই) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে সালমাকে মারধর ও পরে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। কামরুলের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে পারিবারিক কলহ থেকেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন।

সালমা সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের টুমচর গ্রামের আলমগীর হোসেনের মেয়ে। কামরুল একই এলাকার মো. খোকনের ছেলে। তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে।

সালমার স্বজনরা জানায়, প্রায় ৪ বছর আগে প্রেম করে কামরুল ও সালমা বিয়ে করে। তাদের বিবাহিত জীবন ভালোই চলছিল। এরমধ্যে গত ৬ মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে পরিচিত অন্য এক মেয়েকে কামরুল বিয়ে করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে সালমার সঙ্গে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। এতে কামরুল তাকে নানানভাবে অত্যাচার করতো। বিষয়টি সালমা তার পরিবারকেও জানায়।

তার পরিবারের অভিযোগ, দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে কলহের জের ধরেই কামরুল সালমাকে মারধর করে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

টুমচর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) মাকছুদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে আমি হাসপাতাল যাই। সেখানে সালমার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছি। পরিবারের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অভিযুক্ত কামরুলকে আটক করে নিয়ে গেছে।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, সালমার পরিবারের অভিযোগে কামরুলকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তদন্ত করে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: লক্ষ্মীপুর

আরও খবর



সাজেক ছাড়লেন আটকা পড়া ৭০০ পর্যটক

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জেলা প্রতিনিধি

Image

মেঘের রাজ্য খ্যাত সাজেক ভ্যালিতে ভ্রমণে গিয়ে আটকা পড়া ৭ শতাধিক পর্যটক খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। বুধবার (৩ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে সাজেক থেকে পর্যটকবাহী ও ব্যক্তিগত গাড়িতে তারা রওনা দেন।

সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ি-সাজেকের আশাপাশের সড়কগুলো তলিয়ে যায়। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মঙ্গলবার (২ জুলাই) থেকে সাজেকে আটকা পড়েন ৭ শতাধিক পর্যটক।

মতিজয় ত্রিপুরা বলেন, বাঘাইহাট বাজারে পানি কমতে শুরু করায় পর্যটকরা খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। আমরা জানতে পেরেছি, পর্যটকরা গঙ্গারামমুখ পর্যন্ত যাবেন। পরে ডুবে থাকা সড়কের অংশ নৌকায় পার হয়ে খাগড়াছড়ি পৌঁছাবেন।

সাজেক জিপ সমিতির লাইনম্যান ইয়াসিন আরাফাত বলেন, সড়কের পানি কমে যাওয়ায় আটকে থাকা পর্যটকবাহী গাড়িগুলো খাগড়াছড়ির উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। নতুন করে আর বৃষ্টি না হওয়ায় সড়কগুলো যান চলাচলের জন্য স্বাভাবিক হয়ে উঠছে।


আরও খবর



জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পেল ৭৭ প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক

Image

২০২১-২২ অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় এবার ৭৭ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি পদক দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭৬ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রপ্তানি পদক এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি দেয় সরকার। রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এসব প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা ও প্রতিনিধিদের হাতে এ ট্রফি ও সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে সব খাত মিলিয়ে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি শিরোনামে ১টি বিশেষ ট্রফির (স্বর্ণ) পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে মোট ২৯টি স্বর্ণ, ২৭টি রৌপ্য এবং ২১টি ব্রোঞ্জ ট্রফি দেওয়া হয়। এর মধ্যে রপ্তানিতে ২০২১২২ অর্থবছরে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি পেয়েছে হামীম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রিফাত গার্মেন্টস লিমিটেড। হামীম গ্রুপের পরিচালক সাজিদ আজাদের হাতে এ ট্রফি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। তৈরি পোশাক খাতের এ প্রতিষ্ঠান ২০১৮১৯ এবং ২০২০২১ অর্থবছরের রপ্তানির জন্যও বঙ্গবন্ধু রপ্তানি ট্রফি পেয়েছিল।

এবার বিভিন্ন পণ্য ও খাতভিত্তিক জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পাওয়াদের মধ্যে হামীম গ্রুপের আরও দুই প্রতিষ্ঠান অ্যাপারেলে গ্যালারি তৈরি পোশাক (ওভেট) ক্যাটাগরিতে রৌপ্য ট্রফি এবং হামীম ডেনিম লিমিটেড টেক্সটাইল ফেব্রিক্সে রৌপ্য ট্রফি ট্রফি পেয়েছে।

জাতীয় রপ্তানি ট্রফির আওতায় তৈরি পোশাকের ওভেন ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক উইন্ডি অ্যাপারেলস এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে চিটাগাং এশিয়ান অ্যাপারেলস। নিটওয়্যার ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক পায় লিবার্টি নীটওয়্যার। রৌপ্য ডিভাইন ইন্টিমেটস এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে ফ্লামিংগো ফ্যাশন। সব ধরনের সুতা ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ বাদশা টেক্সটাইলস, রৌপ্য স্কয়ার টেক্সটাইল এবং ব্রোঞ্জপদক পায় কামাল ইয়ার্ন।

টেক্সটাইল ফেব্রিক্সে হামীম ডেনিম লিমিটেডের রৌপ্য পদকের পাশাপাশি স্বর্ণপদক নাইস ডেনিম মিলস এবং ব্রোঞ্জ পেয়েছে ফোর এইচ ডাইং এ্যান্ড প্রিন্টিং। হোম ও স্পেশালাইজড টেক্সটাইল খাতে স্বর্ণ জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স, রৌপ্য মমটেক্স এক্সপো এবং ব্রোঞ্জ পদক এসিএস টেক্সটাইলস (বাংলাদেশ)। টেরিটাওয়েলে স্বর্ণ নোমান টেরিটাওয়েল মিলস এবং রৌপ্যপদক পায় এসিএস টাওয়েল। হিমায়িত খাদ্য খাতে স্বর্ণ ছবি ফিস প্রসেসিং ইন্ডাষ্ট্রিজ, রৌপ্য প্রিয়াম ফিস এক্সপোর্ট এবং ব্রোঞ্জপদক পায় এমইউ সী ফুডস।

কাঁচা পাট খাতে স্বর্ণ পপুলার জুট এক্সচেঞ্জ, রৌপ্য তাসফিয়া জুট ট্রেডিং এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে মেসার্স ইন্টারন্যাশনাল জুট ট্রেডার্স। পাটজাত দ্রব্যে স্বর্ণ জনতা জুট মিলস এবং রৌপ্যপদক পেয়েছে আকিজ জুট মিলস। চামড়াজাত পণ্যে স্বর্ণপদক পিকার্ড বাংলাদেশ এবং রৌপ্য পায় এবিসি ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ। ফুটওয়্যার খাতে স্বর্ণ বে-ফুটওয়্যার, রৌপ্য এডিসন ফুটওয়্যার এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে এফবি ফুটওয়্যার।

কৃষিজ পণ্যে (তামাক ব্যতীত) স্বর্ণপদক ইনডিগো কর্পোরেশন, রৌপ্য মনসুর জেনারেল ট্রেডিং এবং ব্রোঞ্জপদক পায় সিএসএস ইন্টারন্যাশনাল। কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যে (তামাকজাত পণ্য ব্যতীত) স্বর্ণ হবিগঞ্জ এগ্রো, রৌপ্য প্রাণ ডেইরি এবং ব্রোঞ্জপদক পায় প্রাণ ফুডস। হস্তশিল্পজাত পণ্য খাতে স্বর্ণপদক কারুপণ্য রংপুর, রৌপ্য বিডি ক্রিয়েশন এবং ব্রোঞ্জ পায় ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেইড প্রোডাক্টস।

মেলামাইন খাতে স্বর্ণপদক পায় ডিউরেবল প্লাস্টিক। প্লাস্টিক পণ্য খাতে স্বর্ণ অলপ্লাষ্ট বাংলাদেশ, রৌপ্য আকিজ বায়াক্স ফিল্মস এবং ব্রোঞ্জপদ পায় বঙ্গ প্লাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল। সিরামিকসামগ্রী খাতে স্বর্ণ শাইনপুকুর সিরামিকস, রৌপ্য আর্টিসান সিরামিকস এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে প্রতীক সিরামিকস। হালকা প্রকৌশল খাতে স্বর্ণ এম এন্ড ইউ সাইকেলস, রৌপ্য মেঘনা বাংলাদেশ এবং ব্রোঞ্জপদক পায় রংপুর মেটাল ইন্ডাষ্ট্রিজ। ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস পণ্য খাতে স্বর্ণ ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং  রৌপ্যপদক পেয়েছে বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ।

অন্যান্য শিল্পজাত পণ্য খাতে স্বর্ণপদক মেরিন সেফটি সিস্টেম, রৌপ্য এশিয়া মেটাল মেরিন সার্ভিস এবং ব্রোঞ্জপদক তাসনিম কেমিক্যাল কমপ্লেক্স। ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যে স্বর্ণপদক পায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, রৌপ্য ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস ও ব্রোঞ্জপদক স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস।

কম্পিউটার সফটওয়্যার ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ সার্ভিস ইঞ্জিন এবং রৌপ্যপদক পায় গোল্ডেন হার্ভেস্ট ইনফোটেক। ইপিজেডভুক্ত বাংলাদেশি মালিকানাধীন তৈরি পোশাক ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ ইউনিভার্সেল জিন্স, রৌপ্য প্যাসিফিক জিন্স এবং ব্রোঞ্জপদক পায় শাশা ডেনিমস। ইপিজেডভুক্ত বাংলাদেশি মালিকানাধীন অন্যান্য পণ্য ক্যাটাগরিতে স্বর্ণ স্টার প্যাকেজিং এন্ড এক্সেসরিজ, রৌপ্য পদ্মা স্পিনিং এন্ড কম্পোজিট এবং ব্রোঞ্জপদক পায় ফারদিন এক্সেসরিজ।

প্যাকেজিং ও এক্সেসরিজ পণ্য খাতে স্বর্ণপদক পায় এম অ্যান্ড ইউ প্যাকেজিং, রৌপ্য মনট্রিমস লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জ ইউনিগ্লোরি প্যাকেজিং ইন্ডাষ্ট্রিজ। অন্যান্য প্রাথমিক পণ্যে স্বর্ণপদক পায় হেয়ার স্টাইল ফ্যাক্টরী, রৌপ্য রায় ট্রেড ইন্টারন্যাশানল এবং রৌপ্যপদক পেয়েছে ইকো ফ্রেশ ইন্টারন্যাশনাল। অন্যান্য সেবা খাতে স্বর্ণ এক্সপো ফ্রেইট এবং রৌপ্যপদক পায় মীর টেলিকম। নারী উদ্যোক্তা খাতে স্বর্ণ পাইওনিয়র নিটওয়ার্স, রৌপ্য বীকন নীটওয়্যার এবং ব্রোঞ্জপদক পায় ইব্রাহিম নিট গার্মেন্টস।


আরও খবর



নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ব্যারিস্টার সুমন, শেরেবাংলা নগর থানায় জিডি

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। তাকে হত্যার জন্য অজ্ঞাতনামা একটি শক্তিশালী টিম মাঠে নেমেছে- এমন তথ্যে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি।

শনিবার রাতে শেরেবাংলা নগর থানায় এই সাধারণ ডায়েরি করেন ব্যারিস্টার সুমন।

এতে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত ২৭ জুন ঢাকায় অবস্থানকালে রাত আনুমানিক ২টায় আমার নির্বাচনী এলাকা চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তার সরকারি মোবাইল থেকে আমার হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে জানান যে, আপনাকে হত্যার জন্য অজ্ঞাতনামা একটি শক্তিশালী মহল গত তিন দিন আগে ৪-৫ জনের একটি টিম নিয়ে মাঠে নেমেছে। আপনি রাতে বাইরে বের হবেন না এবং সাবধানে থাকবেন।

তখন আমি ওসির কাছে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি পরিচয় জানাতে অস্বীকার করেন এবং আমাকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দেন। এই বিষয়টি জানার পরে আমি মারাত্মকভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটর ছিলেন। এই পদ থেকে তিনি ২০১২ সালের ১৩ নভেম্বর পদত্যাগ করেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন তিনি।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪