আজঃ মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21
শিরোনাম

মৃত মায়ের লাশ নিয়ে ৩ দিন ঘরবন্দি সন্তানরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ মার্চ ২০২১ | ১৬৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মায়ের লাশ দুদিন ধরে লুকিয়ে রেখে ঘরবন্দি হয়ে ছিলেন ছেলে-মেয়েরা। দাফন না করে লাশ নিয়ে ঘরে ঘুমিয়েছেন তারা। এমন অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদরের রাজনপুর গ্রামে।

সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে। দুদিন ধরে লাশ ঘরবন্দি থাকায় মরদেহটি ফুলে গিয়ে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। পরে নিহতের আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় গ্রামবাসী লাশটি দাফন করেন।

পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানান, উপজেলা সদরের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী ছানা মিয়া চলতি বছরের ২ জানুয়ারি মারা যান। স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা ছিল না তার। যে কারণে ছানা মিয়ার স্ত্রী চল্লিশোর্ধ্ব জেসমিন বেগম এক ছেলে ও ৩ মেয়েকে নিয়ে সিলেট মহানগরে বসবাস করতেন।

অসুস্থ অবস্থায় গত শনিবার (২০ মার্চ) নগরের মিরবক্সটুলাস্থ উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। ওইদিন গভীর রাত ৩টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান ছেলে-মেয়েরা। এরপর থেকেই তারা ঘরবন্দি ছিলেন। বাড়ির আশপাশের লোকজনও জানতেন না ঘরের ভেতর মরদেহ আছে!

প্রতিবেশীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সোমবার (২২মার্চ) সন্ধ্যায় অ্যাম্বুলেন্সচালক টাকা চাইতে বাড়িতে গেলে ঘরে মরদেহ রাখার বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে বাড়ির আত্মীয় স্বজনরা থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

বাড়ির লোকজন জানান, সাংসারিক জীবনে ছানা মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রীর দূরত্ব থাকলেও প্রায় অর্ধকোটি টাকার সম্পদ বিক্রি করে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ দিয়ে গেছেন। কিন্তু তারাও ঠিকমতো পড়ালেখা করতে পারেনি। আর মরদেহের সঙ্গে একই ঘরে বসবাসের বিষয়টি সন্তানদের মানসিক সমস্যা হিসেবে দেখছেন তারা। কেননা তারাও জানতেন ঘরে লোকজন আছে। ডাকাডাকি করলেও জবাব দিতেন, কিন্তু দরজা খুলতেন না।


আরও খবর
সিলেটে শিশুর খন্ডিত দুই পা উদ্ধার

মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১




এদিন ১০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | ১৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী দিন ছিল গতকাল শনিবার। এদিন ১০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়। শনিবারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে এ কথা জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, মিয়ানমারে শনিবারের হত্যার ঘটনায় হতবাক ওয়াশিংটন। শতাধিক সাধারণ মানুষের জীবন কেড়ে নিয়ে কতিপয়ের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে জান্তা সরকার। মিয়ানমারের লোকজন সামরিক সরকার মেনে নেয়নি।

ইয়াঙ্গুন ও মান্দালয়সহ মিয়ানমারজুড়ে গতকাল শনিবার অন্তত ৯১ জন বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস (এএপিপি)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে ১০০ জনেরও বেশি নিহতের কথা বলা হয়।

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী গত ১ ফেব্রুয়ারি দেশটির বেসামরিক নেত্রী অং সান সুচিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে বন্দি করে। এরপর থেকে সেখানে চলছে জান্তাবিরোধী রক্তক্ষয়ী প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে মিয়ানমারে এ পর্যন্ত ৩০০ জনের বেশি আন্দোলনকারীকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন এবং তাঁদের এক-চতুর্থাংশের মাথায় গুলি করা হয়েছিল। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এসব তথ্য জানিয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: মিয়ানমার

আরও খবর



রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপি চার নেতার বিরুদ্ধে পরোয়ানা

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | ১০৮জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মহানগর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন

জাতির পিতাকে কটূক্তি ও প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ায় রাজশাহীতে বিএনপির চার নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ। প্রতিবেদন গ্রহণ করে আদালত চার নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

বুধবার (৩১ মার্চ) দুপুরে মহানগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ (আমলী আদালত বোয়ালিয়া) এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

আদালতের বিচারক মো. সাইফুল ইসলাম পুলিশের দাখিল করা প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। এরপর প্রতিবেদনের ওপর শুনানি শেষে চার বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার পরবর্তী দিন আগামী ২৬ এপ্রিল ধার্য করেন বিচারক।

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আসামিরা হলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মহানগর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন।

গত ২ মার্চ বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে মিজানুর রহমান মিনু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কটূক্তি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মামলাটি করা হয়। বিএনপির ওই সমাবেশে মামলার অন্য তিন আসামি উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে মিনু আরেকটি ১৫ আগস্ট ঘটানোর ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন উল্লেখ করে ৯ মার্চ মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আবেদন করা হয়। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মামলার অনুমতি দেয়।

পরে ১৬ মার্চ আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। সেদিন আদালত মামলার প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন ৩১ মার্চ দাখিলের জন্য রাজপাড়া থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। নির্ধারিত দিনেই ওসি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন ওসি।

তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় মামলার বাদী রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোসাব্বিরুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর শুনানিতে অংশ নেন বাদীর আইনজীবী আসলাম সরকার। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মো. সাইফুল ইসলাম আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে মামলার পরবর্তী তারিখ ২৬ এপ্রিল ধার্য করা হয়।


আরও খবর
হেফাজতের ২৩ মামলা তদন্তে সিআইডি

মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21




সৌভাগ্যের রজনী পবিত্র শবে বরাত

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | ১৪৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এ রাতের নফল নামাজের ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই, বরং অন্যান্য নফল নামাজের মতো দুই/চার রাকাতের নিয়ত করে সুরা ফাতেহার পর যে কেনো সুরা মিলিয়ে যত ইচ্ছা পড়া যেতে পারে

পবিত্র শাবান মাসের ফজিলতপূর্ণ রাত—‘লাইলাতুল বারাআত। লাইলাতুল বারাআত আরবি শব্দ, ফারসিতে বলা হয়—‘শবেবরাতশব অর্থ রাত, বরাত অর্থ ভাগ্য, সেই হিসেবে শবেবরাতের আভিধানিক অর্থ ভাগ্যরজনি। পবিত্র কুরআনে এ রাতকে লাইলাতুম মুবারাকাহ্’—বরকতময় রজনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিস শরিফে রসুল (স) এ মহিমান্বিত রাতকে লাইলাতুন নিছফি মিন শাবান’—শাবান মাসের মধ্যরজনি বলে উল্লেখ করেছেন। হাদিসের ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহ ও তাফসিরের কিতাবে এ রাতের আরো কিছু নাম উল্লেখ হয়েছে।

যেমন—‘লাইলাতুল কিসমাহ্’—ভাগ্যের রাত, লাইলাতুত তাজবিয’—রিজিক বণ্টনের রাত, লাইলাতুল ফায়সালাহ্’—তকদির নির্ধারণের রাত, লাইলাতুল আফউ’—ক্ষমার রাত, লাইলাতুল কারামি’—দয়ার রাত, লাইলাতুত তাওবাহ্’—তাওবার রাত ও লাইলাতুন নাদামাহ্’—মিনতির রাত ইত্যাদি।

আরবি মাসে রাত আগে আসার কারণে ১৪ শাবান দিবাগত রাতেই পালিত হবে শবেবরাত। শাবান মাস আল্লাহর কাছে অধিক মর্যাদাপূর্ণ মাস। এ মাসকে রমজানের প্রস্তুতি মাস বলা হয়েছে। নবি করিম (স) অন্য মাসের তুলনায় এ মাসে বেশি নফল রোজা পালন করতেন। শবেবরাতের ফজিলত সম্পর্কে হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রসুলুল্লাহ (স)-এর সঙ্গে কোনো এক রাতে রাত্রিযাপন করছিলাম। এক সময় আমি তাকে বিছানায় না পেয়ে মনে করলামতিনি হয়তো অন্য কোনো স্ত্রীর ঘরে গিয়েছেন। আমি তাকে খুঁজতে বের হলাম। গিয়ে দেখিতিনি জান্নাতুল বাকিতে কবরবাসীদের পশে দাঁড়িয়ে অঝোর নয়নে কাঁদছেন। নবিজি আমাকে উদ্দেশ করে বললেন—‘হে আয়েশা! তুমি কি মনে করো, আল্লাহর রসুল তোমার ওপর বেইনসাফি করেছেন? আমি বললামইয়া রসুলাল্লাহ! আপনাকে বিছানায় না পেয়ে ধারণা করেছিলামআপনি হয়তো অন্য কোনো স্ত্রীর ঘরে গিয়েছেন। এরপর রসুল (স) বললেন, হে আয়েশা! আজকের রাত সম্পর্কে তুমি জেনে রেখ, মহান আল্লাহ এই রাতে দুনিয়ার প্রথম আকাশে অবতীর্ণ হয়ে দুনিয়াবাসীর ওপর তাঁর খাস রহমত নাজিল করেন। কাল্ব গোত্রের মেষের গায়ে যত পশম রয়েছে তার চেয়েও অধিকসংখ্যক বান্দাকে তিনি ক্ষমা করেন। (সুনানে তিরমিযি১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ১৫৬)

ইবনে মাজাহ্ শরিফের হজরত আলী (রা) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলাল্লাহ (স) বলেছেন—‘যখন শাবানের মধ্যরজনি আসবে তখন তোমরা সে রাতে কিয়াম তথা নামাজ পড়বে, রাত জেগে ইবাদত করবে এবং পরদিন রোজা রাখবে। কেননা সে দিন সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে এসে বান্দাকে এই বলে ডাকতে থাকেনআছ কি কেউ ক্ষমা প্রার্থনাকারী, যাকে আমি ক্ষমা করব। আছ কি কেউ রিজিক প্রার্থনাকারী, যাকে আমি রিজিক দিব। আছ কি কেউ বিপদগ্রস্ত, যাকে আমি বিপদ থেকে উদ্ধার করব। এভাবে সুবহে সাদিক পর্যন্ত আল্লাহ ঘোষণা দিতে থাকেন। (হাদিস নম্বর ১৩৮৪)

আল্লাহ এ পুণ্যময় রজনিতে অসংখ্য বান্দা-বান্দিকে ক্ষমা করেন, তবে দুই শ্রেণির লোকের জন্য তাঁর ক্ষমার দ্বার বন্ধ থাকে। (এক) মুশরিক’—যে তাঁর সঙ্গে অন্যকে উপাস্য বানিয়েছে; (দুই) বিদ্বেষপোষণকারী, যে তার অন্য মুসলমান ভাইয়ের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে। (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব, ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৩৯২)

আল্লাহ কাছে পাঁচটি রাত খুবই মর্যাদার। এর মধ্যে শবেবরাতের রাতও রয়েছে। হাদিস শরিফে এসেছে—‘নিশ্চয়ই পাঁচ রাত্রির দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। (১) রজব মাসের প্রথম রাতের দোয়া, (২) শবেবরাতের দোয়া, (৩) শবেকদরের দোয়া, (৪) ঈদুল ফিতরের রাতের দোয়া ও (৫) ঈদুল আজহার রাতের দোয়া। (গুনইয়াতুত তালেবিন, মুকাশাফাতুল কুলুব)

শবেবরাত মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে উম্মতে মুসলিমার জন্য এক বিশেষ উপহার। তাই এ রাত সম্পর্কে আমাদের বিশেষ যত্নবান হতে হবে। এ রাতের বিশেষ কিছু আমল হচ্ছে(১) রাত জেগে ইবাদত করা। যেমননফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আযকার, তাওবা-ইস্তিগফার ও দোয়া-দরুদ পাঠ করা ইত্যাদি। (২) ১৫ শাবান রাতে জেগে ইবাদত করা এবং পরদিন রোজা রাখা। (৩) সম্ভব হলে আপনজনদের কবর জিয়ারত করা ও দান-সাদকাহ করা।

রসুল (স) নিজের জীবনে এ রাত বারবার পেয়েছেন, আমল করেছেন। এ রাতে কী করতে হবে, কীভাবে করতে হবেতা তিনি উম্মতকে শিখিয়ে গেছেন। তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শই আমাদের হুবহু অনুসরণ অনুকরণ করতে হবে। এ রাতের অধিকাংশ ইবাদত নফল। এ রাতের নফল নামাজের ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই, বরং অন্যান্য নফল নামাজের মতো দুই/চার রাকাতের নিয়ত করে সুরা ফাতেহার পর যে কেনো সুরা মিলিয়ে যত ইচ্ছা পড়া যেতে পারে। তবে অবশ্যই শতর্ক থাকতে হবে যে, রাতভর নফল ইবাদত করে ফজরের নামাজ যেন কাজা না হয়। কেননা হাজার রাকাআত নফল নামাজের সাওয়াব কখনো একটি ফরজ নামাজের সমতুল্য হবে না।

শবেবরাতে যেমন পালনীয় বিষয় রয়েছে, তেমনি এ রাতে কিছু বর্জনীয় বিষয়ও রয়েছে। এ রাতে আতশবাজি, হইহুল্লোড়, অহেতুক কাজে লিপ্ত থাকা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অন্যের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে নিজে কোনো ইবাদত করা যাবে না। আল্লাহ আমাদেরকে এ রাতের গুরুত্ব বুঝে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন!

নিউজ ট্যাগ: পবিত্র শবে বরাত

আরও খবর
শুরু হলো সিয়াম সাধনার মাস

বুধবার ১৪ এপ্রিল ২০২১

রোজা শুরু কবে জানা যাবে সন্ধ্যায়

মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১




রমজানকে সামনে রেখে কমতে শুরু করেছে নিত্যপণ্যের দাম

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | ৯৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এবার রমজানকে সামনে রেখে কমতে শুরু করেছে নিত্যপণ্যের দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট কমায় পাইকারি বাজারে পড়তে শুরু করেছে ভোজ্যতেলের দর। বোতলজাত ছাড়া অন্যান্য ভোজ্যতেলের দাম কমেছে ৩ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত। পাইকাররা বলছেন, পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহের ফলে ছোলা ও চিনির দামও কমেছে কেজিতে ২-৩ টাকা। আর বাজারে দেশি পেঁয়াজের আধিপত্যে দামও রয়েছে নিয়ন্ত্রণে।

হঠাৎ করেই সরবরাহ সংকট দেখিয়ে মূল্যবৃদ্ধি! সিন্ডিকেটের অজুহাত! আকাশচুম্বী দামে ভোক্তাদের নাভিশ্বাস। প্রতি বছর রমজান এলেই নিত্যপণ্যের বাজারের নিয়মিত দৃশ্য দেখা যায় প্রতিটি জিনিসের দাম বৃদ্ধি। তবে ব্যতিক্রম শুধু এ বছরই।

দাম বেঁধে দিয়েও গত কয়েক মাসে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি ভোজ্যতেলের বাজার। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় রোজার আগেই ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে ভোজ্যতেলের দরে। রাজধানীর মোহাম্মদপুর পাইকারি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা সয়াবিন কেজিতে ৩-৪ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১২৫ থেকে ১২৬ টাকায়। পামওয়েল বিক্রি হচ্ছে ১১৫ এবং সুপার সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১১৮ থেকে ১২০ টাকায়।

গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২-৩ টাকা কমে পাইকারিতে ছোলা মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬৫ টাকা দরে। খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। ৫০ কেজি চিনির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ১৪০ টাকায়।

দেশীয় পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এবার রমজানে সংকটের কোনো আশঙ্কা দেখছেন না পাইকাররা। সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৩০ টাকা থেকে কমে বিক্রি হচ্ছে ২৭ টাকায়। তবে সরবরাহ কম থাকায় কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকার মতো বেড়েছে চায়না আদা। বেড়েছে দেশি রসুনের দামও।

তবে কেরালা আদা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে। আর প্রতি কেজি চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়।

নিউজ ট্যাগ: নিত্যপণ্যের দাম

আরও খবর
সব সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী

শুক্রবার ১৬ এপ্রিল ২০২১




এইচআইভির টিকা নিয়ে আশার কথা শোনালেন গবেষকরা

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ৫১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনার ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী দল, যারা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা আবিষ্কারে জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া এইচআইভির প্রতিষেধক তৈরির কাজ করছে মার্কিন ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠান মডার্না

১৯৮১ সালে এইচআইভি রোগটি আবিষ্কারের পর থেকে এ পর্যন্ত মারা গেছেন তিন কোটি ২০ লাখ মানুষ। প্রতি বছর মারা যাচ্ছে কমপক্ষে ৬ লাখ ৯০ হাজার মানুষ। বিশ্বব্যাপী বর্তমানে এইচআইভি রোগী আছে তিন কোটি ৮০ লাখের মতো। এখন পর্যন্ত এর কোনো কার্যকারী প্রতিষেধক আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। এই যখন অবস্থা, তখন আশার কথা শোনালেন গবেষকরা।

মার্কিন ও ব্রিটিশ দুদল বিজ্ঞানী ঘোষণা দিয়েছেন, তারা করোনার টিকার ওপর ভিত্তি করে এইচআইভির ভ্যাকসিনও আবিষ্কার করতে সফল হবেন।

এদের মধ্যে আছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনার ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী দল, যারা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা আবিষ্কারে জড়িত ছিলেন। এ ছাড়া এইচআইভির প্রতিষেধক তৈরির কাজ করছে মার্কিন ওষুধ তৈরির প্রতিষ্ঠান মডার্না।

অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীরা এ মাসেই যুক্তরাজ্য, কেনিয়া, উগান্ডা ও জিম্বাবুইয়ের ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী ১০১ জন এইচআইভি-নেগেটিভ স্বেচ্ছাসেবীর দেহে এটি পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করতে যাচ্ছে।

আর মডার্নার টিকাটি পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হবে এ বছরের শেষের দিকে। দুটি গবেষক দলই সফলতার ব্যাপারে আশাবাদী। তারা বলছেন, করোনার মতো এইচআইভির টিকা তৈরিতেও তারা সফল হবেন। 

নিউজ ট্যাগ: এইচআইভি

আরও খবর
করোনায় দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যু

রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১