আজঃ শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪
শিরোনাম

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আট ভারতীয় গুপ্তচরকে ছেড়ে দিলো কাতার

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

কাতারে ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরগিরির দায়ে গত বছরের অক্টোবরে ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবেক আট কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। গত বছরের শেষ দিকে তাদের সাজার মেয়াদ কমানো হয়। তবে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতায় অবশেষে ছাড়া পেয়েছেন তারা। খবর এনডিটিভির।

ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবেক আট কর্মকর্তার মধ্যে সাতজন ইতিমধ্যে দেশে ফিরে এসেছেন। তারা দীর্ঘ ১৮ মাস কাতারের কারাগারে বন্দি ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, কাতারে বন্দি আট ভারতীয়র ফিরে আসার বিষয়টিকে স্বাগত জানাচ্ছে ভারত সরকার। তারা দাহরা গ্লোবাল কোম্পানির হয়ে কাজ করতেন। আটজনের মধ্যে সাতজন ইতিমধ্যে ফিরে এসেছেন। এই ভারতীয়দের মুক্তি দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত কাতারের আমির নিয়েছেন। আমরা সেটিকে স্বাগত জানাই।

অভিযোগ রয়েছে, দাহরা গ্লোবালের হয়ে কাজ করার সময় ভারতীয় নৌবাহিনীর এই কর্মকর্তারা ইসরায়েলের কাছে গোপন তথ্য পাচার করেছিলেন। এরপর তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয় কাতার সরকার। ২০২২ সালের আগস্টে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তখন থেকেই কারাগারে বন্দি ছিলেন তারা।

মুক্তি পাওয়া নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারা হলেন ক্যাপ্টেন নভতেজ সিং গিল, ক্যাপ্টেন সৌরভ বশিষ্ট, কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারি, ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্র কুমার ভার্মা, কমান্ডার সুগুনাকর পাকালা, কমান্ডার সঞ্জীব গুপ্ত, কমান্ডার অমিত নাগপাল এবং নাবিক রাগেশ।

২০২৩ সালের অক্টোবরে কাতারের আদালত তাদের মৃত্যুদণ্ড দেন। এরপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ছাড়িয়ে নিতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করে ভারত। এরই প্রেক্ষিতে গত বছরের ডিসেম্বরে মৃত্যুদণ্ডের সাজা স্থগিত করে তাদের অন্য সাজা দেওয়া হয়।


আরও খবর



শহীদ-কৃতির যে ছবিতে উত্তাল ভারতের বক্স অফিস

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

মুক্তির শুরু থেকেই বক্স অফিসে বেশ সাড়া ফেলছে শহীদ কাপুর ও কৃতি শ্যানন অভিনীত সিনেমা তেরি বাতোঁ মে অ্যায়সি উলঝা জিয়া। শুধু বক্স অফিসে চমক নয়, আয়ের পাশাপাশি সমালোচক ও দর্শকদের কাছে ছবিটি ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে।

অল্প বাজেটের এআই নারী ও ইঞ্জিনিয়ারের প্রেম নিয়ে রোবটিক্স কাহিনী নির্ভর ছবিটিকে ঘিরে রীতিমত উত্তাল এখন ভারতের বক্স অফিস।

বলিউড মুভি রিভিউজ বলছে, মুক্তির তিন দিনে ক্রমাগতই বেড়ে চলেছে শহীদ-কৃতির নতুন এই ছবির আয়।

মুক্তির প্রথম দিনে শুধু ভারতে ৮৫ কোটি রুপি বাজেটের ছবিটির আয় যেখানে ৭.০২ কোটি রুপি ছবি, সেখানে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে যেটি বেড়ে যথাক্রমে ১০.৫ ও ১১.৫৯ কোটি রুপি। ফলে তিন দিনে এখন পর্যন্ত ছবিটির আয় দাঁড়িয়েছে ২৯.১১ কোটি রুপি!

এছাড়াও ভারতের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপীও ছবিটির আয় বেশ সন্তোষজনক। জানা গেছে, তিন দিনে বিশ্বব্যাপী ছবিটি আয় করেছে ৫৫ কোটি রুপির বেশি! সেই সঙ্গে চলতি বছর মুক্তি প্রাপ্ত প্রথম দিনের সর্বোচ্চ আয়ের দিক থেকেও ভারতীয় সিনেমা হিসেবে ছবিটি দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে।

এদিকে ছবিটি নিয়ে এক্সে এক পোস্ট দেন সিনেমা বাণিজ্য বিশ্লেষক রমেশ বালা। ছবিতে কৃতির অভিনয়ের প্রশংসা করে তিনি লিখেছেন, ছবিটিতে কৃতির অভিনয় এককথায় অসাধারণ। রোবোট হিসেবে তার অভিব্যক্তিগুলো একেবারেই নিখুঁত।

এ ছাড়া সিনেমা বিশ্লেষকেরা বলছেন, ভালোবাসা দিবসের আগের দিনও ভালো ব্যবসা করবে রোবট আর মানুষের ভালোবাসার ছবিটি। আর ভ্যালেন্টাইন ডেতে বক্স অফিসে ঝড় তুলবে তেরে বাতোঁ মে অ্যায়সি উলঝা জিয়া

ছবিটি পরিচালনা করেছেন অমিত যোশি ও আরাধনা শাহ। সায়েন্স ফিকশন রোমান্টিক কমেডি ঘরানার ছবি এটি। ছবিতে শহীদ ও কৃতি ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন ধর্মেন্দ্র ও ডিম্পল কাপাডিয়া।


আরও খবর
টেইলর সুইফট ইফেক্টে আক্রান্ত সিঙ্গাপুর

বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




স্ত্রীসহ পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক নজমুলের রহস্যজনক মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

পরিবেশ অধিদপ্তরের (ঢাকা অঞ্চল) পরিচালক সৈয়দ নজমুল আহসান (৫৬) ও তার স্ত্রী নাহিদ বিনতে আলমের (৪৮) মারা গেছেন। ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত মদ্যপানে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) নাহিদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে গতকাল বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মারা যান সৈয়দ নজমুল আহসান।

এ বিষয়ে মিরপুর মডেল থানার ওসি মুন্সী সাব্বির আহমেদ বলেন, বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর-২ অফিসার্স কমপ্লেক্সে বাসায় স্বামী-স্ত্রী উভয় অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পরিবারের লোকজন নজমুল আহসানকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একই সময়ে অসুস্থ স্ত্রী নাহিদ বিনতে আলমকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার মারা যান।

তিনি জানান, সৈয়দ নজমুল আহসান পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা অঞ্চলের পরিচালক ছিলেন। এ দম্পতির দুই মেয়ে একজনের বয়স ১২, আরেক জনের বয়স ১৫। তাদের কী কারণে মৃত্যু হয়েছে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে সঠিক কারণ জানা যাবে। বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


আরও খবর



স্ত্রীসহ তিনজনকে গুলি করে হত্যা : পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া

Image

পরকীয়ার জেরে নিজের স্ত্রী ও সন্তান এবং এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার অপরাধে পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (বরখাস্ত) সৌমেন রায়কে (৩৪) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুষ্টিয়ার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমীন এ রায় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী।

সৌমেন রায় মাগুরা সদর উপজেলার কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের আসবা গ্রামের সুনীল রায়ের ছেলে। তিনি সর্বশেষ খুলনার ফুলতলা থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ১৩ জুন বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে কুষ্টিয়া শহরের কাস্টমস মোড় এলাকার নাজ ম্যানশন মার্কেটের বিকাশের দোকানের সামনে স্ত্রী আসমা খাতুন (২৫), আসমার ছেলে রবিন (৫) এবং আসমার পরকীয়া প্রেমিক শাকিলকে (২৮) সরকারি অস্ত্র দিয়ে গুলি করে হত্যা করেন এএসআই সৌমেন রায়। এ ঘটনায় পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকে সার্ভিস রিভলভার, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ আটক করে।

পরে সেদিন বিকেলে তাকে বরখাস্ত করা হয়। একইদিন রাতে এএসআই সৌমেন রায়কে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন নিহত আসমা খাতুনের মা হাসিনা বেগম। পরদিন ১৪ জুন বিকেলে কুষ্টিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হকের আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সৌমেন। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিশিকান্ত সরকার আসামি সৌমেনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ৩১ আগস্ট আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

২০২২ সালের ৬ নভেম্বর হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন সৌমেন রায়। এরপর কুষ্টিয়া আদালতে বারবার আত্মসমর্পণের দিন ধার্য থাকলেও তিনি আত্মসমর্পণ করেননি। আদালতে আত্মসমর্পণ না করায় ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো পলাতক সৌমেন।

মামলার বাদী হাসিনা বেগম বলেন, আমার মেয়ে, তার ছেলে রবিন ও শাকিল নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে সৌমেন। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে জেনেছি সে হাইকোর্ট থেকে জামিনে বেরিয়ে ভারতে পালিয়েছে। এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের একমাত্র আসামিকে জামিন দেওয়ায় আমি হতাশ। আদালত সৌমেনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় আমি খুশি। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক।

প্রসঙ্গত, কুমারখালী থানায় দায়িত্বে থাকার সময় এএসআই সৌমেনের সঙ্গে একটি মামলাকে কেন্দ্র করে আসমার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে সময় সৌমেন তার নাম মো. সুমন হোসেন রাখেন এবং সুমন নামেই মুসলিম বিধানমতে আসমাকে বিয়ে করেন। সৌমেন আসমার তৃতীয় স্বামী ছিলেন। বিয়ের পর থেকেই কুষ্টিয়ার আড়ুয়াপাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় তারা বাস করছিলেন।

এএসআই সৌমেন খুলনার ফুলতলা থানায় বদলি হওয়ার পর থেকেই বিকাশকর্মী শাকিলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান আসমা। এ সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি সৌমেন। সেই ক্ষোভ থেকেই প্রকাশ্যে স্ত্রী আসমা, আসমার দ্বিতীয় স্বামীর ছেলে রবিন এবং পরকীয়া প্রেমিক শাকিলকে গুলি করে হত্যা করেন সৌমেন।

সৌমেন রায় ২০১৫ সালে কনস্টেবল থেকে এএসআই পদে উন্নীত হন। পরে ২০১৬ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানায় যোগ দেন। সেখান থেকে মিরপুর থানার হালসা ক্যাম্প, বাগেরহাট থানাসহ বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত ছিলেন। সর্বশেষ খুলনার ফুলতলা থানায় কর্মরত ছিলেন সৌমেন রায়।

নিউজ ট্যাগ: কুষ্টিয়া

আরও খবর



রাজধানীর মিরপুর বাগানবাড়ি বস্তিতে আগুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

মিরপুর-১৪ নম্বরে বাগানবাড়ি বস্তিতে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তারা।

তবে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও হতাহতের তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি, ডিবিতে আয়ানের বাবা

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিতে শিশু আয়ানের বাবাকে হত্যার হুমকি ও আসামিদের আইনের আওতায় আনতে ডিবি কার্যালয়ে এসেছেন আয়ানের বাবা শামীম আহমেদ।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টার দিকে তিনি রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে আসেন। তিনি ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেবেন।

এ বিষয়ে আয়ানের বাবা শামীম আহমেদ বলেন, ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে আমাকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, থানা পুলিশও আসামিদের গ্রেফতার করছে না। আসামিরা বহালতবিয়তে অফিস করছে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের অব্যাহতিও দেয়নি। পুলিশও তাদের ধরছে না।

তিনি বলেন, এমন অবস্থায় আমি ডিবি কার্যালয়ে এসেছি। হারুন সাহেবের কাছে লিখিত অভিযোগ করবো। ডিবিই আমাদের শেষ ভরসাস্থল। আশাকরি, আসামিদের ডিবি গ্রেফতার করবে।


আরও খবর
শপথ নিলেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪