আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের শিকার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ এপ্রিল ২০২১ | ৩৬৬২জন দেখেছেন
ফাহাদ মশিউর রহমান

Image

স্বাধীনতার পর থেকেই অবহেলিত জনপথ হিসেবে পিরোজপুর জেলা পরিচিত। বিশেষ করে পিরোজপুর-১ আসনের জন্য বিগত সময় উন্নয়নের জন্য বরাদ্ধ এলেও তা দিয়ে কতিপয় নেতার পকেট উন্নয়নের কাজ হয়েছে। উন্নয়নের সুফল প্রান্তিক জনগোষ্ঠির কাছে পৌছায় নি। এমনকি সাবেক সংসদ সদস্য একেএমএ আউয়াল এর বিরুদ্ধে দুদকে একাধিক মামলাও চলমান আছে। একেএমএ আউয়াল তার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন বঞ্চিতও হয়েছেন।  

বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনে পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর-নাজিরপুর-স্বরূপকাঠি) মনোনয়ন পান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তৎকালীন আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম। বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, বিরোধীপ্রার্থী যুদ্ধাপরাধী দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর পুত্র হারিয়েছে জামানত।

অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহনের পরপরই পিরোজপুরবাসীদের জন্য আসে আরো একটি সুখবর। তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহনের আমন্ত্রণপত্র পান। তাঁর হাত ধরেই শুরু হয় উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার পিরোজপুরের। একের পর এক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু হয় পিরোজপুর-১ আসনকে কেন্দ্র করে।

অগ্রগতি আর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সুফল যখন পিরোজপুর-১ আসনের জনগণ পেতে শুরু করেছে তখনই শুরু হয়েছে উন্নয়ন বিরোধী ষড়যন্ত্র। এই ষড়যন্ত্রকারীরা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম ও তাঁর পরিবার নিয়ে প্রতিনিয়ত অনলাইন-অফলাইনে মিথ্য গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে। শুধু গুজব ছড়িয়েই খান্ত হয়নি ওই সব চিহ্নিত ষড়যন্ত্রকারীরা, তারা আজগুবী সব তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সাংসদ একেএমএ আউয়াল ও তার ছোট ভাই পিরোজপুরের পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান মালেকের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত ও মামলা দায়ের হওয়ার পরে তাদের কিছু অনুসারি পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ বর্তমান সংসদ সদস্য ও মাননীয় মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিমকে দোষারোপ করে তাঁকে ভবিষ্যতে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছু স্ট্যাটাস দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় অতি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ভূয়া আইডি থেকে মন্ত্রী মহোদয় ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানীকর তথ্য প্রচার শুরু হয়। অনুসদ্ধান করে দেখা গেছে ওই সব ভূয়া আইডি থেকে যাদের বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে তাদের অধিকাংশ নারী-পুরুষ পিরোজপুরের বাসিন্দা নয়, যারা বহু বছর আগে বাংলাদেশে ছেড়ে ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা হয়েছেন। এছাড়া, চিহ্নিত জামায়াত-শিবির ও নেতা কর্মীরা এসব অপপ্রচারের সাথে যুক্ত রয়েছে।

একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়,  মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম এর হাত ধরে পিরোজপুরে ব্যপক উন্নয় ও সাধারণ জনগণের মধ্যে বর্তমান সরকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরী হওয়ায় ভবিষ্যতে শ ম রেজাউল করিমই পিরোজপুর-১ আসনের দলের মনোনয়ন পাবেন এমন রাজনৈতিক ভিতি থেকে পিরোজপুরের একটি রাজনৈতিক অপশক্তি, শ ম রেজাউল করিমকে রাজনৈতি ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে বহু বিতর্কিত প্রিয়া বালা সাহা, যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধী চক্র এবং হেফাজতে ইসলামের সাইবার ইউনিটকে  ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরণের অপ-প্রচারে লিপ্ত  আছে।

এ বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয়ের ছোট ভাই এস.এম. নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, রাজনৈতির প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে পিরোজপুরের একটি রাজনৈতিক অপশক্তি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় এবং আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট অপ-প্রচারে লিপ্ত আছে। এ বিষয়ে নাজিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী এবং ঢাকার সিআইডি পুলিশ বিভাগের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিরোজপুরের এক ব্যবসায়ী জানান, বিগত সময় পিরোজপুরে ব্যবসা করতে বিভিন্ন প্রকার চাঁদ দিতে দিতে ব্যবসা প্রায় বন্ধ হতে বসেছিল। মন্ত্রী মহোদয় সেই চাঁদাবাজদের হাত থেকে আমাদের বাঁচিয়েছে। এ কারণে অনেকের সমস্য হচ্ছে আর সেখান থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার শুরু হয়েছে।

একই ভাবে মনের কষ্টের কথা জানান এক বাস ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, একটি পরিবার পুরো পিরোজপুরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল। মনে করতো তারা ছাড়া আর কেউ নেই। মন্ত্রী মহোদয় ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে সেই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছে। এই অক্রোশে এই মিথ্যা গুজব ছড়াচ্ছে। কিন্তু জনগণ এখন জানে এবং বোঝে কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা। ষড়যন্ত্রকারীরা বিগত সময়ের মত মুখ থুবরে পরবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এক সংবাদকর্মী জানান, বিগত সময়ে সত্য কথা লিখলে বা বললে মিলতো হুমকি অথবা মামলা। কিন্তু বর্তমান সময়ে সেই অবস্থা নেই। আমরা নির্ভয়ে সব সংবাদ প্রচার করতে পারি। বিগত সময়ে যারা দুর্নীতি করে সম্পদের পাহাড় গড়েছে তাদের বিরুদ্ধে নির্ভয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে পারি। সেইসব দুর্নীতিবাজদের মুখোশ উন্মোচিত হয়ে যাওয়া মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতি একের পর এক মিথ্য প্রচার করে চলছে।

পিরোজপুর শহরতলীর বাসিন্ধা ইলিয়াস হোসেন বলেন, আমরা বিরোধী দলের রাজনীতি করি। কিন্তু তাই বলে মন্ত্রী মহোদয়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা অস্বীকার করতে পারিনা। তাঁর এই দুই বছরে যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পিরোজপুরে শুরু হয়েছে তা অনেকেই হয়তো পছন্দ করতে পারেনি। সে কারণেই অনেকে তাঁর বিরুদ্ধে অনেক বাজে কথা বলে। কিন্তু আমি মনে করি মন্ত্রী মহোদয় তাঁর এই উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখলে এসেই অপপ্রচারকারীরাই আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।        

নারী নেত্রী দোলাগুহ বলেন, শুধুমাত্র উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেখে ভীত হয়ে এই অপপ্রচারে যারা লিপ্ত হয়েছে তারা পিরোজপুরের উন্নয়ন চায় না। সময়ের ব্যবধানে সব সত্যি একদিন প্রকাশিত হবে। যারা পিরোজপুরের উন্নয়ন বিরোধী এ এলাকার জনগণ তাদের প্রত্যাখান করবে।


আরও খবর



অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরীর মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ | ৬১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলা চলচ্চিত্রের নন্দিত অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য সারাহ বেগম কবরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

মন্ত্রী আজ এক শোক বার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শোকবার্তায় মন্ত্রী আরো জানান, অনবদ্য অভিনয় শৈলীর অধিকারী সারাহ বেগম কবরী ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জনমত সৃষ্টিতে তাঁর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা তাকে পৌঁছে দিয়েছে অনন্য উচ্চতায়। মিষ্টি মেয়ে নামে খ্যাত বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণালী যুগের প্রতিভাবান এ অভিনেত্রী বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় চিরভাস্বর হয়ে থাকবেন। পাশাপাশি দেশের রাজনীতিতেও তিনি স্মরণীয় নাম হয়ে থাকবেন। তাঁর মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করলো।"


আরও খবর



বাঁশখালীতে নিহত শ্রমিকদের পরিবার পাবে ২ লাখ টাকা করে

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ এপ্রিল ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রে বেতনের দাবিতে বিক্ষোভকালে পুলিশের গুলিতে নিহত সাত জন শ্রমিকের প্রত্যেক পরিবারকে দুই লাখ করে টাকা দেওয়া হবে। আর এ ঘটনায় আহত ১৫ শ্রমিকের চিকিৎসার জন্য প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এই সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল হতে এই অর্থ দেওয়া হবে।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাঁশখালীর ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং বেদনাদায়ক। তিনি বলেন, একটি শ্রমজীবী পরিবারের কর্মক্ষম ব্যক্তিটির মৃত্যু হলে ওই পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়ে। সেই অসহায় শ্রমিক পরিবারকে শ্রম মন্ত্রণালয়ের শ্রমিক কল্যাণ তহবিল হতে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী নিহত শ্রমিকদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং যারা আহত হয়ে চিকিৎসাধীন তিনি তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী গঠিত বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিল হতে কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় কোন শ্রমিক নিহত হলে ওই শ্রমিকের পরিবারকে সর্বোচ্চ দুই লাখ পর্যন্ত এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তার বিধান রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা এলাকায় শিল্প গ্রুপ এস আলম এবং চীনা প্রতিষ্ঠান সেফকো থ্রি পাওয়ার কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের অর্থায়নে এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট নামে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্রে বেতনের দাবিতে রাস্তায় নামলে পুলিশ গুলিতে সাত জন শ্রমিক নিহত এবং ১৫ জন শ্রমিক আহত হন।


আরও খবর



মনটাকে জাগিয়ে রাখা কঠিন মনে হচ্ছে আজকাল: জয়া আহসান

প্রকাশিত:শনিবার ০১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ মে ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ভারতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন তিনি। কলকাতায় তার সহকর্মীদের কথা ভেবে মন খারাপও হচ্ছে এ অভিনেত্রীর। শনিবার (০১ মে) নিজের ফেসুবকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

জয়া লিখেছেন, মনটাকে জাগিয়ে রাখা কী যে কঠিন মনে হচ্ছে আজকাল। এত ক্ষয়, এত মৃত্যু, এত হাহাকার! চারদিকে যেন শুধু একটাই চিহ্ন, বিয়োগের। আমাদের কত না আপনজন উষ্ণ হাতের মুঠো ছেড়ে বিদায় নিচ্ছেন। যারা আমাদের আনন্দের সময়ের বন্ধু, বেদনার সময়ের আশ্রয়, বিপদের সময়ের ভরসা, তারা চলে যাচ্ছেন একে একে। চলে গেলেন সৌমিত্র কাকুর মতো মেঘসমান উঁচু একজন মানুষ, চলে গেলেন আরও কত কত কবি, লেখক, শিল্পী। ঢাকায়, কলকাতায় একই অন্ধকার ছবি। সমস্ত ভারতেই করোনার ভয়ংকর থাবায় মানুষ বড় নিঃসহায়।

জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী আরও লেখেন, মন খারাপ করা নিউজ ফিডের সোশ্যাল মিডিয়া যেন মৃত্যুর প্রান্তর। খবরের কাগজ হাতে নেওয়ার আগেই বুক ধক করে ওঠে, আজ জানি আবার কে! কলকাতায় আমার বন্ধু সহকর্মীদের কথা ভাবি। কতদিন দেখা হয়নি। অসম্ভব কষ্টের একটা সময় পার করছে তারা। একটা করে মন্দ খবর শুনি, আর আমার মনটা নিভে আসে একটু একটু করে।

আলো ফিরে আসুক সবার জীবনে উল্লেখ করে জয়া আহসান লিখেছেন, যাদের সঙ্গে এতদিন ধরে কাজ করছি কলকাতায়, পরিচালকশিল্পীকুশলীসহযোগী, শুনি তাদের কষ্ট, অসুস্থতা আর বিদায়ের খবর। আমার আলো কমে যায়। আমার কেবলই মঙ্গল কামনা। আলো ফিরে আসুক সবার জীবনে। হতাশার এই অন্ধকারে মন যেন পথ না হারায়। তোমার মুক্তি আর আমার মুক্তি আলোয় আলোয়, এই আঁধারে।

নিউজ ট্যাগ: জয়া আহসান

আরও খবর



বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ কোটি ছুঁইছুঁই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫ জন আর

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কোনোভাবেই কমছে না। সবশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ৮৮৪ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ লাখ ৩৩ হাজার ৫০৪ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১২ কোটি ৬০ লাখ ৯৩ হাজার ৪৪৭ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকালে এই তথ্য জানা গেছে।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫ জন আর ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৬১১ জন মারা গেছেন।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের তালিকায় দেশটির অবস্থান চতুর্থ। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ১ কোটি ৭৬ লাখ ২৫ হাজার ৭৩৫ জন এবং মারা গেছেন ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৮০ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগী ১ কোটি ৪৩ লাখ ৭০ হাজার ৪৫৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৯২ হাজার ২০৪ জনের।

দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ হাজার ১০৫ জনে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৪৮ হাজার ৬২৮ জন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।


আরও খবর



আদালতে স্থগিতাদেশ নেই কিন্তু নিয়োগ আটকে আছে

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৮ এপ্রিল ২০২১ | ৯৮৬জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নিয়োগবিধিতে বলা আছে যে উপসহকারী প্রকৌশলী পদের জন্য আবেদনের যোগ্যতা পুরকৌশলে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণির ডিপ্লোমা। একই যোগ্যতা চাওয়া হয়েছিল বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের একই পদে লোকবল নিয়োগের জন্য। সব মিলিয়ে ৬২৭টি পদের জন্য প্রায় দুই বছর আগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। কিন্তু নিয়োগপ্রক্রিয়া চলাকালে কয়েকজন প্রার্থীর হাইকোর্টে রিট আবেদনের কারণে পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়াই আটকে আছে। যদিও আদালত স্থগিতাদেশ দেননি।

এরই মধ্যে সবগুলো পদের লিখিত পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এলজিইডির ২৬৩ পদের জন্য লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষাও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশ না পাওয়ায় এসব পদেও লোক নিয়োগ করা যাচ্ছে না। এতে ছয় হাজার ৬১৩ জন চাকরিপ্রার্থীর ভবিষ্যত্ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

এলজিইডি বলছে, মাঠ পর্যায়ে তাদের উপসহকারী প্রকৌশলীর তীব্র সংকট চলছে। এ অবস্থায় নিয়োগ আটকে থাকায় তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

অন্যদিকে পিএসসি বলছে, বিষয়টি বিচারাধীন থাকায় তাদের কিছু করার নেই।

২০১৯ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয় (নন-ক্যাডার) বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে বিভিন্ন পদে লোকবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি (নম্বর-১১-৫৬) দেয়। এরই মধ্যে অন্য সব পদের বেশির ভাগেই লোক নিয়োগ হয়ে গেছে। কিন্তু এলজিইডির ২৬৩, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ১৭২ এবং স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১৭২টি উপসহকারী প্রকৌশলীর পদ ও একই অধিদপ্তরের ২০ এস্টিমেটর পদে নিয়োগ স্থগিত রয়েছে।

জানা গেছে, লিখিত পরীক্ষার পর পিএসসি প্রার্থীদের সব কাগজপত্র দেখে বিভিন্ন কারণে ১৬১ জনকে অযোগ্য ঘোষণা করে। এর মধ্যে ১১০ জনকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয় পুরকৌশলে ডিপ্লোমা না থাকায়। এই প্রার্থীরা কনস্ট্রাকশন টেকনোলজি ও অন্যান্য বিষয়ে ডিপ্লোমাধারী। তাঁদের মধ্যে ৮৬ জন গত বছরের ৭ ডিসেম্বর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। তাঁরা দাবি করেন যে তাঁদের ডিপ্লোমা পুরকৌশলের সমমানের। উচ্চ আদালত গত ২৮ ডিসেম্বর আবেদনকারীদের কেন মৌখিক পরীক্ষায় ডাকা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। রুলে সাত বিবাদীকে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারির মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। এর আগেই গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে পিএসসি এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী পদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া শুরু করে। গত ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়। মৌখিক পরীক্ষা দিয়েছেন দুই হাজার ২০৯ জন প্রার্থী, যাঁরা এখন ফল পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন।

তবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের একই পদে চাকরিপ্রার্থী তিন হাজার ৪২ জনের মৌখিক পরীক্ষা আটকে গেছে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরেও একই পদের জন্য এক হাজার ১২৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার জন্য অপেক্ষায় আছেন। একই অধিদপ্তরের এস্টিমেটর পদে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ২৩৭ জন অপেক্ষায় আছেন।

এলজিইডি সূত্র জানায়, মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার আগে পিএসসি যোগ্যতার বিধি সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে জানায়। সেখান থেকে এলজিইডিকে জানিয়ে মতামত চাওয়া হয়। তখন এলজিইডি নিয়োগবিধিতে যা দেওয়া আছে, সে অনুযায়ী নেওয়ার জন্য মত দেয়।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রশাসন) মো. শরীফ উদ্দিন বলেন, যেখানে একটি উপজেলায় চারজন করে উপসহকারী প্রকৌশলী থাকার কথা, সেখানে বেশির ভাগ জায়গায় আছে দুজন। কোথাও কোথাও একজনও রয়েছে। জটিলতার বিষয়ে তিনি বলেন, পিএসসি আমাদের চিঠি দিয়ে জানায়, মৌখিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই যেন আইনি পদক্ষেপ নিয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়। পরবর্তীতে আমরা একটা পক্ষ হয়ে উকিল নিয়োগ করেছি। একটি শুনানিও হয়েছে।

এলজিইডির আইনজীবী মিন্টু কুমার মণ্ডল বলেন, হাইকোর্টে রিট পিটিশন করা হলেও কোনো স্থগিতাদেশ দেননি আদালত। এর পরও পিএসসি নিয়োগ আটকে রেখেছে।

রিটকারী শিক্ষার্থীদের একজন রাকিবুল ইসলাম দাবি করেন, কারিগরি বোর্ড আমাদের সিভিলের (পুরকৌশল) সমমান দিয়েছে। সে জন্য আবেদন করেছি। পিএসসি জেনে-বুঝে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে; যার কারণে আমরা পরীক্ষা দিয়ে মৌখিক পর্যন্ত যেতে পেরেছি। এখন কোনো সমাধান না পাওয়ায় রিট করতে হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: এলজিইডি

আরও খবর