আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

মুদি দোকানি থেকে যেভাবে মানব পাচারকারী

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এইচএসসি পাস করা সাইফুল ইসলাম ওরফে টুটুল (৩৮) মেহেরপুরের গাংনী থানাধীন কামন্দী গ্রামে মুদি দোকানদার ছিলেন। মাঝে মধ্যে ঢাকায় আসতেন। লোভে পড়ে মানবপাচারকারী চক্রে জড়িয়ে পড়েন। শুরুতে চক্রের দালাল হিসেবে বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে লোক পাঠানো শুরু করেন। পরে নিজেই রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় খুলে বসেন টুটুল ওভারসিজ, লিমন ওভারসিজ ও লয়াল ওভারসিজ নামে ৩টি এজেন্সি।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক। তার দেওয়া তথ্য বিস্তারিতভাবে নিচে তুলে ধরা হলো-

চা দোকানি পরিচয় দিতেন এয়ারলাইন্সের ম্যানেজার

টুটুলের হাত ধরে প্রতারণায় জড়িয়ে পড়েন চা দোকানি আবু তৈয়ব (৪৫)। টুটুলের কথামতো বিভিন্ন অঞ্চলের বেকার ও শিক্ষিত অনেক নারী ও পুরুষকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতো সে। পড়াশুনা না জানা তৈয়ব চায়ের দোকানি হলেও পরিচয় দিতেন স্বনামধন্য এয়ারলাইন্সের ম্যানেজার হিসেবে। টুটুলের প্ররোচনায় চক্রে জড়িয়ে প্রতারণামূলকভাবে বিদেশে মানবপাচারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার নামে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। অনেককে দিয়েছেন চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্রও।

মানবপাচার চক্রের অন্যতম সহযোগী শাহ মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন লিমন ও মারুফ হাসান ছিলেন বেতনভুক্ত কর্মচারী। জাহাঙ্গীর আলম, লালটু ইসলাম, আলামিন হোসাইন ও আব্দুল্লাহ আল মামুন টার্গেট সংগ্রহ, প্রার্থীর পাসপোর্টের ব্যবস্থা, কথিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, টাকা সংগ্রহ, প্রাথমিক মেডিকেল সম্পন্ন করাসহ অন্যান্য কাজে সহায়তা করে আসছিলেন।

টার্গেটে বেকার ও অসচ্ছল তরুণ-তরুণীরা

র‌্যাব জানায়, প্রতারক টুটুল ও তৈয়বের নির্দেশে চক্রের সদস্যরা টার্গেট সংগ্রহে দেশের বেকার ও অসচ্ছল যুবক-তরুণীদের সৌদি আরব, জর্ডান ও লেবাননসহ বিভিন্ন দেশের বাসাবাড়িতে লোভনীয় বেতনে কাজ দেওয়ার নামে প্রলুব্ধ করত। এরপর বিদেশ যেতে আগ্রহীদের ঢাকায় মূলহোতা টুটুল ও তৈয়বের কাছে পাঠাত।

র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক বলেন, টুটুল ও তৈয়ব তাদের অফিসে এনে ভিকটিমদের বিদেশে বাসাবাড়িতে কাজের নামে পাঠানোর ভুয়া মানি রিসিট প্রদান করে। এ বাবদ প্রতিজনের কাছ থেকে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা নিতো তারা। প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও পাচারকারী চক্রের কয়েকজন সদস্য নিজেদের উচ্চশিক্ষিত বলে পরিচয় দিতো। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের বাসাবাড়িতে কাজের প্রশিক্ষণ দিয়ে ভিকটিমদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা আদায় করতো চক্রের সদস্যরা।

বিদেশে বাসাবাড়িতে নারীদের বিক্রি, আর কঠোর পরিশ্রমে পুরুষদের ব্যবহার

র‌্যাব বলছে, চক্রের কয়েকজন সদস্য অফিস স্টাফ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভিকটিমকে বিদেশে পাঠানোর জন্য পাসপোর্ট করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করত। এতে ভিকটিমদের মনে আর কোনো সন্দেহ থাকত না। পাসপোর্ট অফিসের দালালের সঙ্গেও সখ্য ছিল চক্রের সদস্যদের। কথিত মেডিকেল টেস্ট শেষে নারী ভিকটিমদের বাসাবাড়িতে বিক্রি এবং পুরুষ ভিকটিমদের অমানবিক কাজে নিয়োজিত করার উদ্দেশে সৌদি আরবের জেদ্দা ও রিয়াদ, জর্ডান ও লেবাননে টাকার বিনিময়ে বিক্রি করত তারা। ভিকটিমরা বিদেশে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারত না। যাদের বিদেশে পাঠানো সম্ভব হতো না তারা টাকা ফেরতে যোগাযোগ করলে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হতো।

এয়ারলাইন্সের ম্যানেজার পরিচয়ে প্রতারণা

মোজাম্মেল হক বলেন, চক্রের অন্যতম মূলহোতা গ্রেপ্তার তৈয়ব নিজেকে স্বনামধন্য এয়ারলাইন্সের ম্যানেজার হিসেবে পরিচয় দিয়ে শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের উচ্চ বেতনে লোভনীয় চাকরির কথা বলে যোগাযোগ করে। এরপর নিজ কার্যালয়ে নিয়ে আসত। বিভিন্ন বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনে চাকরিসহ আরও কিছু প্রতিষ্ঠানে ভুয়া চাকরির যোগদানপত্র প্রদান করে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে। বিষয়টি ইতোমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন তিনি।

অবৈধ হলেও যেভাবে পাচার করা হতো

বৈধতা না থাকার পরও কীভাবে মানবপাচার করেছিল টুটুল-তৈয়ব চক্র? জানতে চাইলে মোজাম্মেল হক বলেন, তাদের ৩টি ওভারসিজ প্রতিষ্ঠানের বৈধতা না থাকায় বৈধ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে এখন পর্যন্ত অর্ধশতাধিক মানুষকে পাচার করেছে। এছাড়া শতাধিক মানুষকে বিদেশে পাঠানো কথা বলে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি টাকা। এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মতো ভুক্তভোগী র‌্যাবে যোগাযোগ করেছেন। প্রতারিত ভুক্তভোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

জনশক্তি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিকরা হয়রানির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়েছেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, বৈধ কোনো জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে হয়রানি করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশ্য নয়। তবে বৈধতার আড়ালে কেউ যাতে মানবপাচার করতে না পারে সেজন্যই আইন-প্রয়োগকারী সংস্থা সতর্ক ও অভিযান চালিয়ে আসছে।

উল্লেখ্য, মুদি দোকানদার থেকে ৩টি ওভারসিজ প্রতিষ্ঠানের মালিক বনে যাওয়া মধ্যপ্রাচ্যে মানবপাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা টুটুল ও সহযোগী তৈয়বসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তারের পর চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য জানিয়েছে র‍্যাব-৪। আজ বুধবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক এসব তথ্য জানান।

গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন- গোপালগঞ্জের শাহ্ মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন লিমন (৩৮), মেহেরপুরের মো. মারুফ হাসান (৩৭), জাহাঙ্গীর আলম (৩৮) ও লালটু ইসলাম (২৮), শরীয়তপুরের আলামিন হোসাইন (৩০), কুষ্টিয়ার আব্দুল্লাহ আল মামুন (৫৪)।

র‌্যাবের অধিনায়ক মোজাম্মেল হক বলেন, সম্প্রতি কয়েকজন নারী ভিকটিমের অভিভাবকের মধ্যপ্রাচ্যে মানবপাচার সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে র‍্যাব-৪ ছায়া তদন্ত শুরু করে ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) রাত থেকে আজ বুধবার সকাল পর্যন্ত বাড্ডা থানাধীন লিংক রোডে টুটুল ওভারসিজ, লিমন ওভারসিজ ও লয়াল ওভারসিজে অভিযান চালিয়ে দুই নারীসহ ৪জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও তাদের কাছ থেকে ১০টি পাসপোর্ট, ৭টি ফাইল, ৪টি সিল, ১৭টি মোবাইল, ৫টি রেজিস্টার, ব্যাংকের চেক বই, ২টি কম্পিউটার, ৩টি লিফলেট এবং নগদ ১০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: র‍্যাব

আরও খবর



মাদকবিরোধী অভিযানে রাজধানীতে গ্রেফতার ৫০

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫০ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগ। গ্রেফতার প্রত্যেকে মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে অভিযুক্ত।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগ জানায়, সোমবার (১১ অক্টোবর) সকাল ছয়টা থেকে মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডিএমপি জানায়, অভিযানে গ্রেফতারদের কাছ থেকে  ১৫ হাজার ১৯০ পিস ইয়াবা, ১৩০ গ্রাম হেরোইন, ৪ কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজা, ৮৫ বোতল ফেনসিডিল ও ২০টি ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৫টি মামলা করা হয়েছে।


আরও খবর



১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আলেশা মার্ট ও ই-অরেঞ্জসহ নয়টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে-ধামাকা, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট, সিরাজগঞ্জ শপ, কিউকুম, নিড ডটকম ডটবিডি। এসব প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ আর্থিক অবস্থা, মোট দায় এবং প্রতিষ্ঠানের চলতি ও স্থায়ী মূলধনের তদন্ত করা হচ্ছে।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক এসব প্রতিষ্ঠানের নিরীক্ষা প্রতিবেদন চেয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। এর বাইরে আরও কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের ওপর নজর রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

এদিকে প্রতারণা ঠেকাতে ই-কমার্সের বিজ্ঞাপনের নিচে অনলাইনে পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রতারণা থেকে সাবধান-এমন সর্তকবাণী লিপিবদ্ধ বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এটি নিশ্চিত করতে তথ্য মন্ত্রণালয়কে বৃহস্পতিবার চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এছাড়া বিদ্যমান মানি লন্ডারিং আইনে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে বিদ্যমান আইনের সংশোধনীর কাজ শুরু করেছে।

জানা যায়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্তের তালিকায় রয়েছে ধামাকা। ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের নামে নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ধামাকা নামে লোভনীয় অফার ও ভার্চুয়াল সিগনেচার কার্ড বিক্রির মাধ্যমে ব্যবসা করে আসছিল। মানুষের কাছ থেকে তারা ৮০৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়, যার একটি অংশ পাচার করা হয়। এজন্য ৯ সেপ্টেম্বর ৫ জনের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

এছাড়া ই-মানি আকারের ৪৭ কোটি ৪৩ লাখ ১৮ হাজার ৯৬৩ টাকা প্রতারণা করে নিয়ে গেছে সিরাজগঞ্জ শপ। নগদের পক্ষ থেকে সিরাজগঞ্জ ডটকমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে সিরাজগঞ্জ ডটকমের মালিক জুয়েল রানার ফোন বন্ধ। চট্টগ্রামের বাসিন্দা এস জামাল চৌধুরী জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন আদিয়ান মার্ট অন লাইনের বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, গত ৫ এপ্রিল ২টা ইনভয়েসের (চালান) বিপরীতে এডিম-০৪০৪২৩১৮৫৪২৫, এডিম-০৪০৫১৩০৫২৮৩৭) ৪টা রাইস কুকার এবং একটি ওয়ালটন ৪৩ স্মার্ট টিভি অর্ডার করি। ২১ কার্যদিবসের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার প্রতিশ্রতি দিলেও এখন পর্যন্ত সব পণ্য দেওয়া হয়নি। তিনি যোগাযোগ করার পর মাত্র ৩টি রাইস কুকার পেয়েছেন; কিন্তু ১টি রাইস কুকার ও টিভি বুঝে পাননি।

এদিকে ই-কমার্সের আদলে বিদেশে অর্থ পাচার প্রতিরোধ করতে মানি লন্ডারিং আইন সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, বর্তমান মানি লন্ডারিং আইনে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে কাভার করছে না। ফলে এই আইনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে করা মামলা আদালতে টিকবে না। এখন আইনটি সংশোধন করে সেখানে ই-কমার্স বসাতে হবে।

সূত্রমতে, বর্তমান এক হাজার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর কোনোটিরই নিবন্ধন নেই। অনেক ই-কমার্স চলছে পুরোপুরি নিজস্ব নীতিতে। মন্ত্রণালয়ের দাবি, গত ৪ জুলাই ই-কমার্স নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এরপর থেকে এ খাতে নৈরাজ্য ধীরে ধীরে কমছে।

 এর উদাহরণ তুলে ধরে বলা হয়, নীতিমালা প্রণয়নের আগে ইভ্যালিতে ৬ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। আর নীতিমালা প্রণয়নের ৪ মাসে সেখানে লেনদেন হয়েছে ৪শ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২শ কোটি টাকা পণ্য ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে। অন্য কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা অনেকটা ফিরে আসছে।


আরও খবর



পীরগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য খাবার-ঢেউটিন-নগদ অর্থ বরাদ্দ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলায় সম্প্রতি ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে মানবিক সহায়তা দানের লক্ষ্যে একশ বান্ডিল ঢেউটিন এবং ঘর নির্মাণের জন্য তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। 

এছাড়াও শুকনো ও অন্যান্য খাবারের দুইশ প্যাকেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিটি প্যাকেটে ১০ কেজি মিনিকেট চাল, ১ কেজি দেশি মসুরের ডাল, ১ কেজি আয়োডিনযুক্ত লবণ, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি চিনি, ১০০ গ্রাম মরিচের গুঁড়া, ২০০ গ্রাম হলুদের গুঁড়া এবং ১০০ গ্রাম ধনিয়া গুঁড়াসহ মোট আটটি আইটেম রয়েছে। প্রতিটি প্যাকেট খাবারে চার সদস্যের পরিবারের প্রায় এক সপ্তাহ চলে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঢেউটিন,নগদ অর্থ এবং অন্যান্য খাবার সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের সঙ্গে পরামর্শক্রমে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।


আরও খবর



মৎস্য অধিদপ্তরে ১৩৪ জনকে নিয়োগ

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় মৎস্য অধিদপ্তরে ‌ক্ষেত্র সহকারী পদে ১৩৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: মৎস্য অধিদপ্তর

প্রকল্পের নাম: ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প

পদের নাম: ক্ষেত্র সহকারী

পদসংখ্যা: ১৩৪ জন

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিজ্ঞানে এইচএসসি/মৎস্যে ডিপ্লোমা

বেতন: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

চাকরির ধরন: অস্থায়ী

চাকরির মেয়াদ: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৪

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ

কর্মস্থল: যে কোনো স্থানবয়স: ২৫ মার্চ ২০২০ তারিখে ১৮-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর

আবেদনপত্র সংগ্রহ: আগ্রহীরা www.fisheries.gov.bd থেকে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন।

আবেদনের ঠিকানা: প্রকল্প পরিচালক, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, মৎস্য অধিদপ্তর, কক্ষ নং-৫১১, মৎস্য ভবন, ১৩ শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণি, রমনা, ঢাকা-১০০০।

আবেদনের শেষ সময়: ২৫ অক্টোবর ২০২১

নিউজ ট্যাগ: মৎস্য অধিদপ্তর

আরও খবর



গৌরনদী বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ১২ দোকান পুড়ে ছাই

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | ৫৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বরিশালের গৌরনদী বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ১২টি দোকান পুড়ে গেছে। আজ শনিবার (২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই বাজারে লেপ-তোষক তৈরির একটি দোকান থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশের দোকানে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।

বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. বেলাল উদ্দিন জানান, ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই ১২টি দোকান পুড়ে যায়।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ছুটে আসেন গৌরনদী পৌরসভা মেয়র জনাব. মো. হরিছুর রহমান ,গৌরনদী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব. সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী , গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব. বিপিন চন্দু বিশ্বাস সহ বিভিন্ন দপ্তর ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ পর্যবেক্ষন করেন।


আরও খবর