আজঃ মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম
রপ্তানি বন্ধ করল ভারত

মুহূর্তেই কেজিতে ৩০ টাকা বাড়ল পেঁয়াজের দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের ঘোষণায় দেশে ফের অস্থির হচ্ছে পেঁয়াজের বাজার। চাহিদার তুলনায় উৎপাদন, আমদানি ও সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও ১ দিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি ৩০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এতে এক কেজি দেশি পেঁয়াজ কিনতে ক্রেতার সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা। শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন- ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলেও বর্তমানে দেশের বাজারে প্রভাব পড়ার কোনো কারণ নেই। কারণে দেশে চাহিদার তুলনায় উৎপাদন ও আমদানি পর্যাপ্ত পরিমাণে হয়েছে। পাশাপাশি নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করেছে। ফলে এখন দাম বাড়া অযৌক্তিক। তাই তদারকির মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তা না হলে অসাধু মহল আবার পেঁয়াজের দাম নিয়ে ভোক্তাকে নাজেহাল করে ফেলবে।

এদিকে বৃহস্পতিবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পেঁয়াজ রপ্তানির নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। বৃহস্পতিবার থেকে রপ্তানি বন্ধ কার্যকর হয়েছে। আর ৩১ মার্চ পর্যন্ত ভারত থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ থাকবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, এ নোটিশ জারির আগে পেঁয়াজের গাড়ি লোড হয়ে থাকলে সেটি সংশ্লিষ্ট দেশে পৌঁছে যাবে। অথবা পেঁয়াজ ভর্তি গাড়ি বা জাহাজ ভারতীয় পোর্ট অতিক্রম করলে সেটি এ নির্দেশনার আওতায় পড়বে না। এছাড়া কোনো দেশের সরকারের অনুরোধে ভারত সরকার চাইলে পেঁয়াজ রপ্তানির নীতিতে পরিবর্তন আনতে পারবে।

শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ দিন প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যা এক দিন আগে ও ১৩০-১৩৫ টাকা ছিল। পাশাপাশি আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা। যা ১ দিন আগে বৃহস্পতিবার ১১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৫ লাখ টন। কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, এ বছর দেশে প্রায় ৩৪ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। কিন্তু মজুত সুবিধার অভাবে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রায় ২৫ শতাংশ নষ্ট হয়েছে। ফলে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়েছে। তাই এই মুহূর্তে দেশে পেঁয়াজের সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে।

জানতে চাইলে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, এই মুহূর্তে দেশের পেঁয়াজের দাম বাড়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। যতবার ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে, দেশে ঠিক ততবার অসাধু ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে দাম বাড়িয়েছে। এবারও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশে চাহিদার তুলনায় উৎপাদন ও আমদানি পর্যাপ্ত পরিমাণে হয়েছে। পাশাপাশি নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করেছে। তাই তদারকির মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তা না হয় অসাধু চক্র ফের ভোক্তার পকেট কাটবে।

নিউজ ট্যাগ: পেঁয়াজ

আরও খবর
২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৮ হাজার কোটি টাকা

রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শিবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারে ৪০ ককটেল বিস্ফোরণ

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৪০টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুই পক্ষ। এ সময় কয়েকটি বসত বাড়িতেও ভাঙচুর করা হয়।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার নয়ালাভাঙা ইউনিয়নের উপর সুন্দরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরে খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে দুই পক্ষই পিছু হটে।

স্থানীয়রা বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে স্থানীয় বিএনপি নেতা বাবু আলীর নেতৃত্বে ৬০-৭০ জনের একটি দল ককটেল ফোটাতে ফোটাতে সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আঙ্গুর আলীর বাড়ির দিকে এগোতে থাকে। বিষয়টি টের পেয়ে আঙ্গুর আলীর লোকজন প্রতিরোধ গড়লে পিছু হটে বাবুর লোকজন। এসময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন- আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নে প্রায়ই এমন ঘটনা ঘটে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। বর্তমানে বিশৃঙ্খলা এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সাভারে স্বজনদের দাবি ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
সাভার প্রতিনিধি

Image

সাভারের জামগড়া ছয়তলা এলাকায় অবস্থিত দি-ল্যাব এইড হাসপাতালে পিত্তথলির পাথর অপসারনের সময় মিজানুর রহমান (৩৬) নামের এক রোগীর মৃত্য হয়েছে। এঘটনায় হাসপাতালের ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করছে স্বজনরা।

সোমবার বিকেলে উপজেলার জামগড়া ছয়তলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দি-ল্যাব এইড হাসপাতালে ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি মৃত্যুর আগেই ওই রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে।

মৃত মিজানুর রহমান আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় হোটেল ব্যবসা করতেন। তিনি মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার বাসিন্দা।

অভিযোগ করে মৃতের ছোট ভাই রিপন বলেন, পিত্তথলির অপারেশন করার জন্য আমার ভাই মিজানুর রহমানকে দি-ল্যাব এইড হাসপাতালে গত রবিবার দুপুরে আড়াইটার দিকে ভর্তি করা হয়। এদিন রাত সোয়া ৮ টার দিকে পিত্তথলির পাথর অপসারণের জন্য ডা. সাকিফ রহমান অস্ত্রোপচার করেন। অস্ত্রোপচারের পর থেকেই ভাইয়ের বমি শুরু হয়। এরপর সকাল হতে না হতেই পেটের ব্যথা বৃদ্ধি পেলে নার্স পর পর তিনটা ইনজেকশন পুশ করেন। এরপর থেকেই ভাইয়ের চেহারা সবুজ হয়ে যায়। পরে আরেক ব্যক্তি এসে আরও দুইটা ইনজেকশন দেন। এর পরপরই ভাইয়ের নাক-মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়ে মারা যান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে লাশ বের করে দিয়ে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। ভাইকে অন্য হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এব্যাপারে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাকিফ রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায় নি। এমনকি ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেন নি।

দি-ল্যাব এইড হাসপাতালের পরিচালক লোকমান হোসেন বলেন, আমাদের হাসপাতালে গতকাল এক রোগীর অপারেশন হয়েছে। তবে সকালে তার অবস্থার অবনতি হলে আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করেছি। রোগীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে অবস্থার অবনতি হয়েছিল।

এবিষয়ে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সায়েমুল হুদা বলেন, রোগীর মৃত্যুর বিষয়টি আমি জেনেছি। লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২৭ এপ্রিল এই হাসপাতালে জরায়ুর অপারেশন করতে গিয়ে রহিমা আক্তার (৪৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়। অপারেশনে ভুলবসত  মুত্রথলি কেটে অন্যত্র লাগিয়ে লাগানো হলে ৩৫ দিন পরে তিনি মারা যান।


আরও খবর
ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মনোনয়নের প্রার্থী সংখ্যাই প্রমাণ করে নারী জাগরণ ঘটেছে : শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

Image

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের ৪৮ আসনের বিপরীতে মনোনয়নপ্রত্যাশী ১৫৫৩ জন। এ সংখ্যাই প্রমাণ করে যে নারী জাগরণ ঘটেছে।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণভবনে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে আদর্শ নিয়ে জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করেছিলেন তা ব্যর্থ হতে পারে না। সে আদর্শকে ধরে রাখতেই দেশে ফিরে আসা। কবরের মাটি ছুঁয়ে শপথ নিয়েছিলাম, এ স্বাধীনতা ব্যর্থ হতে দেবো না। তাই করেছি। তবে সে চলার পথ সহজ ছিল না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সব সময় অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছে। জেল-জুলুম সব সহ্য করেই ক্ষমতায় এসেছি। জীবনের হুমকি ছিল বারবার। লক্ষ্য ছিল, যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করা এ দেশকে সম্মানের জায়গায় নিয়ে যাওয়া। আজ তা অর্জন করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, মেয়েরা সাফ্যলের সঙ্গে যে কোনো কাজ সম্পন্ন করে। পড়াশোনায় নারী আজ এগিয়ে। কর্মক্ষেত্রেও সফলতার স্বাক্ষর রাখছে। বিভিন্ন পেশায় ভালো করছে। নানান বাধা পেরিয়ে মেয়েরা আজ খেলাধুলার মাঠে আসছে। এখানেও এগিয়েছে তারা। এখন মেয়েরা অনেক পদক আনছে।

তিনি বলেন, মেয়েরা খেলতে পারবে না, ব্যবসা করবে না- ইসলাম ধর্মেও এমন বলা নেই। প্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে একজন নারী, কোনো পুরুষ নয়। সাহস করে বিবি খাদিজা এগিয়ে এসেছেন। তিনি ব্যবসা করতেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, দলের সবাইকে কাজ করতে হবে। দলের সব নেত্রী বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম করেছে, নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাই মনোনয়ন না পেলেও নেতৃত্ব দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা যেন চলে না যায়। নেতৃত্ব দেওয়ার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। নিজে কী পেলাম, তা না ভেবে জনগণের জন্য কাজ করে যেতে হবে। কাউকে পিছিয়ে রেখে নয়, সবাইকে নিয়ে কাজ করতে হবে।


আরও খবর



হামদর্দের উদ্যোগে বিশ্ব ইউনানী দিবস উদযাপিত

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Image

বিশ্ব ইউনানী দিবস উপলক্ষে হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশের উদ্যোগে রাজধানীর বাংলামোটরে প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপি। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সভাপতিত্ব করেন হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশের চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি, হামদর্দ ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ডা.প্রাণ গোপাল দত্ত, জাতীয় অধ্যাপক ও হামদর্দ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের  ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান, ওয়াক্ফ প্রশাসক আবু সালেহ মহিউদ্দিন খাঁ, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ভিসি অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন হামদর্দ বাংলাদেশের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাকীম মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন রাসেল। কীনোট উপস্থাপন করেন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একাডেমিক ইউনানী চেয়ার অধ্যাপক ডা. মনোয়ার হোসেন কাজমী। হামদর্দের ইউনানী বিষয়ক তৎপরতা তুলে ধরেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বিপণন মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পরিচালক তথ্য ও গণসংযোগ আমিরুল মোমেনীন মানিক।

এ সময় প্রধান অতিথি ধর্মমন্ত্রী মো.ফরিদুল হক খান এমপি বলেন, বিকল্প চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষভাবে উদ্যোগী হয়েছেন। তাঁর উৎসাহে বাংলাদেশের শহর বন্দর নগর, এমনকি প্রত্যন্ত জনপদেও বিকল্প চিকিৎসা ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ চলছে। এর মধ্যে হামদর্দ বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করার মতো। হামদর্দ সারা বাংলাদেশে ৩০০টি চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে ফ্রি চিকিৎসাপত্র দিচ্ছে। পাশাপাশি অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে মানব সেবা করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা হামদর্দের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশে ইউনানী-আয়ুর্বেদিক স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসেবা বিস্তারে বিপ্লব করেছে হামদর্দ। এ সময় হামদর্দের মতো আরও অনেক প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ভারত সবসময় বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে ড. হাকীম মো.ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া বলেন, ইউনানী আয়ুর্বেদিক শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে হারবাল মেডিসিনকে অন্তর্ভূক্তকরাসহ নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে অবিরাম প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে তাগাদা দিচ্ছেন। ইউনানী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষার জন্য ব্যাচেলর পর্যায়ে সমগ্র বাংলাদেশে সর্বসাকুল্যে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ইউনানী আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল মিরপুর ছাড়া বাকি তিনটিই হামদর্দ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত। হামদর্দের এই ৩টি প্রতিষ্ঠান হলো: চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত রওশন জাহান ইস্টার্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত হামদর্দ ইউনানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল বগুড়া এবং হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে স্থাপিত হামদর্দ ইনস্টিটিউট অব ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক মেডিসিন।

ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া আরও বলেন, ইউনানী আয়ুর্বেদিক শিক্ষা সম্প্রসারণ ও ব্যাপক উন্নয়নে ভারতের ন্যায় বাংলাদেশেও একটি আলাদা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। ইউনানী আয়ুর্বেদিক শিক্ষায় ব্যাচেলর ডিগ্রীপ্রাপ্তদের দেশের বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়োগ প্রদানের সুযোগ দেওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ড. ইউসুফ হারুন ভূঁইয়া নিয়োগকৃত ইউনানী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের যথাযথ পদমর্যাদাসহ অন্যান্য সিস্টেমের মতো সুযোগ সুবিধা প্রদান করতে জোর দাবি জানান। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউরো সার্জন অধ্যাপক ডা. ফজলে এলাহী মিলাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দি বিভাগের প্রধান ও একাডেমিক চেয়ার পুনম গুপ্তা, সরকারি ইউনানী আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল মিরপুরের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. তৈয়বুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. হাসান ইমামসহ হামদর্দের পরিচালকবৃন্দ।


আরও খবর



শুভ্র দেবের ‘একুশে পদক’ নিয়ে সমালোচনা!

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত মঙ্গলবার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আইরীন ফারজানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর মধ্যে শিল্পকলায় সংগীত ক্যাটাগরিতে একুশে পদক পাচ্ছেন জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব। আর নৃত্যকলায় একুশে পদক পাচ্ছেন শিবলী মোহাম্মদ, অভিনয়ে ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, আবৃত্তিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী।

তবে নেটদুনিয়ায় কথা উঠেছে- শুভ্র দেবের একুশে পদক পাওয়া নিয়ে! যা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনাও। শুরুটা হয় বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদের একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে।

অনেকটা আক্ষেপ নিয়ে এই সুরস্রষ্টা বলেন, দেশের সংগীতে শুভ্র দেবের অবদান আছে। কিন্তু তার চেয়ে অনেক বেশি অবদান লাকী আখন্দ, আইয়ুব বাচ্চু, ফুয়াদ নাসের বাবু, নকিব খান, কুমার বিশ্বজিৎ, তপন চৌধুরী, হামিন আহমেদ, মাকসুদুল হক, মাহফুজ আনাম জেমস এবং প্রিয় গীতিকবি কাওসার আহমেদ চৌধুরী ও শহীদ মাহমুদ জঙ্গীর। প্রিয় শুভ্র দেবের উচিত এই প্রসঙ্গে কথা বলা। নিজে পদক না গ্রহণ করে সত্যকার মেধাবীকে পদক দিতে বলার এই সংস্কৃতি এখনই শুরু হোক

তিনি আরও বলেন, শুভ্র দা আমার কাছের মানুষ। আমার ওপর রাগ করবেন কিন্তু সত্য বলছি, এই সত্য যদি স্বীকার করেন তাহলে শিল্পী হিসেবে তার জায়গা অনেক ওপরে থাকবে। এখানে শুভ্র দেব নামটি উপলক্ষ মাত্র। যিনি পদক পাচ্ছেন তিনি যদি উপলব্ধি করেন তার চেয়ে যোগ্যতর মানুষটি পদকের ক্ষেত্রে বঞ্চিত, তিনি তার কথা বলে যাবেন। সব ক্ষেত্রেই তা হওয়া উচিত। এই চর্চা থাকলে আরও বহু গুণী মানুষ পেতাম আমরা। যাই হোক, সত্যিকার মেধাবীকে পদক দিতে বলার এই সংস্কৃতি আজ থেকেই, এখনই শুরু হোক

প্রিন্স মাহমুদের এই কথাগুলোকে সমর্থন জানিয়েছেন সংগীতের বেশ কজন তারকা। এ নিয়ে নেটদুনিয়ায় যখন তুমুল আলোচনা-সমালোচনা, তখন বিষয়টি নিয়ে কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর পক্ষ থেকেও কথা বলা হয়।

গিটার লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চুর ব্যান্ডদল এলআরবির ফেসবুক থেকে জানানো হয়, একটি বিষয় ক্লিয়ার করার প্রয়োজন বোধ করি, এই রাষ্ট্রীয় পুরস্কারগুলো মূলত রাষ্ট্র নিজ তৎপরতায় দেয় না। এর বেশির ভাগই কোনো না কোনোভাবে লবিং ও নীতিনির্ধারক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন সাপেক্ষে মনোনীত হয়। এখানে স্মরণ করা প্রয়োজন যে, আইয়ুব বাচ্চুর পরিবার ক্লিয়ারলি বিষয়টি আগেই জানিয়েছেন যে- এই প্রক্রিয়ায় কোনো পদক বা পুরস্কারের জন্য তারা আগ্রহী নয়। রাষ্ট্র যদি স্বউদ্যোগে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় তবে সেটা রাষ্ট্র কর্তৃপক্ষের স্বাধীন ভাবনা বলে বিবেচনা করা হবে। আরও জানা জরুরি যে, রাষ্ট্র আইয়ুব বাচ্চুকে একটা পুরস্কার দিয়ে খুব একটা সম্মানিত করতে পারবে বলে মনে হয় না। বরং এতে রাষ্ট্রের কিছু অগৌরব ঘোচার সমূহ সম্ভাবনা বিদ্যমান।

এদিকে একুশে পদক পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এমন আলোচনা-সমালোচনা নজরে এসেছে শুভ্র দেবেরও। একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমার ক্যারিয়ার হয়ে গেছে ৩৯ বছর। ২৫ বছরের ওপরে বাংলা গান নিয়েই কাজ করেছি। বাংলা গান বিশ্ব দরবারে পৌছানোর জন্য আমি কাজ করে গেছি। এটা কোনো পুরস্কারের জন্য নয়।

তিনি আরও বলেন, আমাকে যারা চেনেন তারা অনেকেই বলেছেন, দেরিতে হলেও আপনি পেয়েছেন। আমি ইন্ডাস্ট্রিতে যা দিয়েছি এটা আসলে কম শিল্পীই। আমি আন্তর্জাতিক অনেক পুরস্কারই পেয়েছি। খালি তো গান গেলেই হয় না। অনেক সংগীত বোদ্ধারা আমাকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আবার কেউ ঈর্ষান্বিতও হয়েছে। যারা আমাকে নিয়ে কথা বলছেন, তারা কিন্তু আমার লেভেলের না।

প্রিন্স মাহমুদ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ক্যারিয়ারের দিক থেকে প্রিন্স মাহমুদ আমার অনেক জুনিয়র। ও আমার পল্লবীর বাসায় বসে থাকত, আমাকে দিয়ে একটা গান করার জন্য। একটা মিক্সড অ্যালবামের জন্য ও আমার বাসায় কয়েকবার গেছে। আসলে প্রিন্স তো আমাদের লেভেলের না, অনেক জুনিয়র। আর সত্যি কথা বলতে আমি তাদেরকেই কাউন্ট করব যাদের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক বড় অবদান আছে। যারা কিছু করতে পেয়েছে তাদেরই আমি কাউন্ট করব। যাক কারও প্রতি আমার কোনো খারাপ চিন্তা-ভাবনা নাই।


আরও খবর
ফের বিয়ে করছেন অনুপম রায়, পাত্রী কে?

সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪