আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

মুক্তির আগেই ‘কল্কি’র আয় প্রায় চারশো কোটি টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বিনোদন ডেস্ক

Image

বলিউডের বহুল অপেক্ষিত সিনেমা কল্কি মুক্তি পাবে আগামী ২৭ জুন। প্রভাস, দীপিকা পাড়ুকোন, অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান অভিনীত সিনেমাটি মুক্তির আগেই প্রায় চারশো কোটি টাকা আয় করে ফেলেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশে বিক্রি হওয়া সিনেমার স্বত্ব থেকে ৮৫ কোটি রুপি আয় হয়েছে। কিছু স্বত্বের বিনিময়ে ২৭ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। স্বত্ব মারফত আরও আয় হয়েছে ৭০ কোটি রুপি। ফলে অন্ধ্রপ্রদেশ টেকনোলজি সার্ভিস থেকে সিনেমাটির প্রযোজকরা এখনই পকেটে ভরেছেন ১৮২ কোটি রুপি।

একইভাবে স্বত্ব থেকে তামিলনাড়ু এবং কেরালায় কল্কির আয় ২২ কোটি রুপি। কর্ণাটক থেকে পাওয়া গেছে ৩০ কোটি রুপি। আর গোটা উত্তর ভারত থেকে ৮০ কোটি রুপির ব্যবসা করার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

বিদেশের স্বত্বের বিনিময়ে আরও ৮০ কোটি রুপি ধরা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মুক্তির আগেই কল্কি ২৮৯৮ এডির আয়ের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে ৩৯৪ কোটি টাকা। এর পর আবার অগ্রিম বুকিংও রয়েছে।

নাগ অশ্বিন পরিচালিত সিনেমাটিতে আছে মহাভারতের যোগ। তার ওপর ভিত্তি করেই ভবিষ্যতের গল্প সাজিয়েছেন পরিচালক নাগ অশ্বিন। এই সিনেমার সুবাদেই দীর্ঘ ৩৮ বছর পর অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন কমল হাসান। অশ্বথামার চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিগ বি। আর কমল হাসান প্রধান খল চরিত্র সুপ্রিম ইয়াসকিন।

এছাড়াও ছবিতে রয়েছেন দক্ষিণী অভিনেতা ব্রহ্মানন্দম, পশুপতি, শোভনা। ভৈরবের ছায়াসঙ্গী বুজ্জির জন্য কণ্ঠ দিয়েছেন কীর্তি সুরেশ। আর সিনেমায় বাঙালির পাওনা কমান্ডার মানসের চরিত্রে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।


আরও খবর



বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযানে কেএনএফ সদস্য নিহত

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
বান্দরবান প্রতিনিধি

Image

বান্দরবানের থানচি উপজেলায় কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযানে কেএনএফের এক সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৬ জুন) সকালে উপজেলার বাকলাই এলাকার সিম্পলাম্পি পাড়া থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আব্দুল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আজ সকালে বাকলাই এলাকা থেকে আমরা একজনের লাশ উদ্ধার করেছি। তবে নিহতের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বান্দরবানের থানচি উপজেলার সিম্পলাম্পি পাড়া ও তাজিংডং পাহাড়ে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে কেএনএফের পোশাক পরা এক যুবকের মরদেহ পাওয়া যায়।

পোশাক দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সদস্য।


আরও খবর



আদালতে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের আইনমন্ত্রীর সাধুবাদ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

আইনি লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা সঠিক পথে হাঁটছেন বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। এ জন্য তিনি তাদের সাধুবাদও জানিয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

আনিসুল হক বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে এটা আর নাই। এটার, কোটা সংস্কারের ইস্যুটা এখন সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আছে। সর্বোচ্চ আদালত সেখানে সিদ্ধান্ত নেবেন, সব পক্ষকে শুনে, আমি মনে করি সর্বোচ্চ আদালত সব দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেবেন।

তাদের আন্দোলন তো চলছে। তাদের আন্দোলনে জনগণের হয়রানি হচ্ছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, আমি তো এখন শুনলাম তারা আপিল বিভাগে যে মামলা, সেই মামলায় পক্ষভুক্ত হতে দরখাস্ত করেছেন। এই পক্ষভুক্ত হওয়ার আবেদন, আমি যতদূর শুনেছি আগামীকাল (বুধবার) বোধ হয় তার শুনানি হবে। সেক্ষেত্রে আমি তো মনে করছি তারা সঠিক পথে হাঁটছেন।

তিনি বলেন, আমি যতদূর জেনেছি, যখন হাইকোর্ট বিভাগে এই মামলা চলে তখন আজকে যারা কোটাবিরোধী আন্দোলন করছেন তাদের বক্তব্য পেশ করার জন্য বা আদালতে উপস্থাপনের জন্য কোনো আইনজীবী নিয়োগ করেন নাই, তাদের বক্তব্য সেখানে দেন নাই। তারপর মামলার রায় হয়ে গেছে, মামলাটা এখন আপিল বিভাগে। সেখানেও কিন্তু গতকাল পর্যন্ত তাদের কোনো আইনজীবী ছিল না, তাদের বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য।

আইনমন্ত্রী বলেন, আমি এই কথাটা বলছি এই কারণে যে ঘটনা ঘটেছে আদালতে, রাজপথে এখানে আন্দোলন করে বা চেঁচামেচি করে বা বকা-বাদ্য করে এটার কিন্তু নিরসন হবে না। এটা করলে যেটা হয়, একটা পর্যায়ে হয়তো আদালত অবমাননাও হয়ে যেতে পারে। সেই ক্ষেত্রে সঠিক জায়গা কোনটা? আমি গতকালকেও বলেছি, সঠিক জায়গা হচ্ছে তারা যদি পক্ষভুক্ত হয়ে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন তবে অবশ্যই আপিল বিভাগ সব পক্ষ শুনবেন। সব পক্ষ শুনে আপিল বিভাগ একটা ন্যায়বিচার করবেন, এটাই আমাদের আশা। আমার মনে হয় সেটাই হবে।

তিনি বলেন, তো সেই ক্ষেত্রে আমি আজকে দেখছি যে একটা ইতিবাচক পদক্ষেপ তারা নিয়েছেন। আমি তাদের সাধুবাদ জানাই এবং তারা তাদের বক্তব্য আদালতে দেবেন। আমি আশা করব, যেহেতু তারা আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাহলে আন্দোলন প্রত্যাহার করবেন।


আরও খবর
কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি রোববার

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




মস্কো সফরে যাচ্ছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মস্কো সফরে যাচ্ছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ রুশ বার্তাসংস্থা তাসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তাসকে ইউরি উশাকভ জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের আগমনের দিন এখনও নির্ধারিত হয়নি, তবে শিগগিরই ঘটছে এই সফর। এর আগে গত বছর নভেম্বরে মস্কো সফরে আসার কথা ছিল আব্বাসের, কিন্তু সেবার ফিলিস্তিনের কর্মকর্তাদের অনুরোধে সেই সফর স্থগিত করেছিলেন তিনি।

জর্ডান নদীর পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা এবং পূর্ব জেরুজালেম তিন ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমে ক্ষমতাসীন রয়েছে মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফাতাহ সরকার, যেটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (প্যালেস্টাইনিয়ান অথরিটি-পিএ) নামে পরিচিত। ফিলিস্তিনের বৈধ শাসক হিসেবে পিএকেই স্বীকৃত দেয় বহির্বিশ্ব।

একসময় গাজায় উপত্যকায়ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সরকার ক্ষমতায় ছিল, কিন্তু ২০০৬ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সেই সরকারকে উচ্ছেদ করে কট্টর ইসলামপন্থি সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস।

ফাতাহ এবং হামাসের মধ্যকার সম্পর্ক চরম বৈরী। এর প্রধান কারণ ফাতাহ নিয়নতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংগ্রামের মাধ্যমে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে নিতে বিশ্বাসী। অন্যদিকে হামাস বিশ্বাস করে, সশস্ত্র পন্থা অনুসরণের মাধ্যমে ইসরায়েলকে ধ্বংসের ভিত্তিতেই ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অতর্কিত হামলা চালায় গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাস। সেই হামলার জবাবে সেই দিন থেকেই সেখানে অভিযান শুরু করে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

আইডিএফের অভিযান শুরুর পর থেকে সহিংসতা বেড়েছে পশ্চিম তীরেও। ইসরায়েলি পুলিশ ও ইহুদি বসতিস্থাপনকারীদের হাতে নিয়মিত সহিংসতার শিকার হচ্ছেন পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা।

রাশিয়া ফিলিস্তিনের প্রতি সহানুভূতিশীল। মস্কোতে ফিলিস্তিনের দূতাবাসও রয়েছে। যুদ্ধের শুরু থেকেই গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




এবার কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রেখে হাইকোর্টের দেওয়া রায় চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা। বলছেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিপরীতে এবার কঠোর কর্মসূচি দেবেন তারা।

বুধবার (১০ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় এ ঘোষণা দেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, প্রজন্ম ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

তাদের দাবি আদালতের কাছে নয়, বরং সংসদের কাছে উল্লেখ করে নেতাকর্মীরা বলেন, দেশের মানুষকে জিম্মি করে এই রায় নিয়েছে কোটাবিরোধীরা। এখন আমরাও বসে থাকবো না। এতোদিন সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে দেখে কঠোর আন্দোলন করিনি। কিন্তু এবার বৈঠক করে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে। কোটা আবার ফিরিয়ে আনতে শীঘ্রই সংসদ ভবন অভিমুখী মিছিল বের করা হবে। প্রয়োজনের সংসদে আমাদের বিষয়টি উত্থাপন করে শীঘ্রই কোটা ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি।

কোটাবিরোধীরা দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন দাবি করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা বলেন, ৭১ সালে যে স্বাধীনতা হয়েছে তোমরা তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছ। এখানে শরীক হয়েছে বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা। আমরা এই যুদ্ধে অংশ নিতে প্রস্তুত। যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবে, ততোক্ষণ পর্যন্ত আমরাও আন্দোলন চালিয়ে যাবো। আমরাও রাস্তায় থাকবো।

আপিল বিভাগের আদেশের প্রতিক্রিয়ায় তারা আরও বলেন, আমরা কোটা পুর্নবহাল চাই। কোটা আন্দোলনকারীদের বিপক্ষে আমাদের অবস্থান। এটি চলবে। দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরবো।

আদালতের রায়ের পর আন্দোলন করার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই; প্রধান বিচারপতির এমন বক্তব্যের ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা বলেন, আমাদের দাবি হাইকোর্টের কাছে নয়, সংসদের কাছে। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই। স্থায়ী সমাধান না পাওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না, আন্দোলন চালিয়ে যাব।

প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের আন্দোলনের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে একটি পরিপত্র জারি করে। সেখানে বলা হয়, ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেড (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওই পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলো।

সব মিলিয়ে তখন নারীদের জন্য বরাদ্দ ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধাদের উত্তরসূরীদের জন্য বরাদ্দ ৩০ শতাংশ এবং জেলাভিত্তিক ১০ শতাংশ, উপজাতিদের জন্য বরাদ্দ ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ ১ শতাংশ কোটা বাতিল করা হয় ওই পরিপত্রে।

পরবর্তীতে পরিপত্রের ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাতজন হাইকোর্টে রিট করেন। সে রিটের শুনানি নিয়ে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। সে রুল যথাযথ ঘোষণা করে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে গত ৫ জুন রায় দেন হাইকোর্ট। এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করলে ৪ জুলাই পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে বিষয়টি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের চেম্বার জজ আদালত। কিন্তু ওইদিন রিটের পক্ষের আইনজীবী না থাকায় তার পক্ষে সময় চাইলে সর্বোচ্চ আদালত শুনানি নট টুডের আদেশ দেন।

পরবর্তীতে শনিবার রাজধানীর শাহবাগ থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা 'বাংলা ব্লকেড' কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সে অনুযায়ী রোববার ও সোমবার টানা দুদিন বিকেলে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি পয়েন্টে অবস্থান ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এছাড়া দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ এলাকা থেকে এ কর্মসূচি পালন করেন।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) বিকেলে সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের' ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর আগে ব্লকেড কর্মসূচিতে কয়েকঘণ্টা সড়ক অবরোধ করলেও বুধবার সকাল-সন্ধ্যা ব্লকেড কর্মসূচি দেন আন্দোলনকারীরা।

একইদিন কোটা বহাল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি হয়। শুনানির পর হাইকোর্টের দেওয়া রাইয়ে চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেন আপিল বিভাগ। চার সপ্তাহ পর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হবে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জলঢাকায় ৩৪৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ২

প্রকাশিত:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
জুয়েল বসুনীয়া, নীলফামারী

Image

নীলফামারীর জলঢাকায় ৩৪৫ বোতল ফেনসিডিল ও একটি পাথর বোঝাই ট্রাকসহ দুইজনকে আটক করেছেন থানা পুলিশ। সোমবার ভোর রাতে বালাগ্রাম ইউনিয়নের মন্তেরডাঙ্গা মেইন সড়ক হতে ট্রাকসহ তাঁদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন লালমনিরহাট জেলার পাঠগ্রাম থানার বাউরা নবীনগর ঝুমুর আলীর বাজার এলাকার ফারুক হোসেনের পুত্র ট্রাকচালক সোহেল রানা মিঠু(২৮), একই এলাকার হোসেন আলীর পুত্র মোঃ হুমায়ুন কবির জসিম (২৮)।

পরে আটককৃতদের দেখানো মতে ট্রাকের বডির সামনে পাথরের ভিতরে থাকা দুইটি প্রিন্টের কালো খয়েরি ও হালকা গোরাপী রং এর ব্যাগের ভিতর ৩ শত ৪৫ বোতল ফেনসিডিল সহ ২ জন হাতেনাতে আটক ও রংপুর মেট্রো  ট ১১-০০৭৪ নাম্বারের ট্রাকটি জব্দ করে থানায নিয়ে আসে। যার বর্তমান বাজার মূল্য ৩ লক্ষ টাকা।

থানা সূত্রে জানা যায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে জলঢাকা থানার মামলা নং- ০১। তারিখ ১/৭/২৪, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণীর ১৩(গ)/৩৬(১)সারনীর ১৪(গ) ৪১. রুজু করা হয়।

থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুক্তারুল আলম জানান, সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠন করতে হলে সমাজ থেকে মাদকমুক্ত করতে হবে। তাই জলঢাকাকে মাদকমুক্ত করতে আমাদের অভিযান চলবে।


আরও খবর