আজঃ শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

মুনিয়া ইস্যু নিয়ে যুদ্ধাপরাধী-বিএনপির রাজনীতি

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গুলশানে একজন কলেজছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে রাজনীতি শুরু হয়েছে। গত এপ্রিলে মারা যান মুনিয়া। গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে তার মৃত্যুর পর প্রথমে দায়ের করা হয় এটি আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা। আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় কোনো প্ররোচনার অভিযোগ না পাওয়ার পর পুলিশ প্রায় তিন মাস তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ওই মামলার বাদী মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত তানিয়া নারাজি দরখাস্ত দেন। কিন্তু আদালত ওই নারাজি দরখাস্ত নাকচ করে দেয়। এর কয়দিন পরেই নুসরাত তানিয়া নতুন করে একটি হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে ৮ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্ত এখন করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পিবিআই মামলার তদন্ত রিপোর্ট জমা দেবে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

এই মামলাটিকে আপাত একটি ন্যায় বিচারের প্রার্থনার কথা বলা হলেও এর ভেতরে রয়েছে একটি গভীর রাজনীতি এবং ষড়যন্ত্র। সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলার জন্য এবং দেশে আইনের শাসন নেই, ন্যায় বিচার হয় না ইত্যাদি অনেকগুলো ইস্যুকে প্রমাণের জন্য হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে মুনিয়ার মৃত্যুর ইস্যুকে।

প্রথমত, প্রথম থেকেই যুদ্ধাপরাধী এবং বিএনপি জামাত গোষ্ঠী প্রকাশ্য এবং নীরবে কাজ করছে। মুনিয়ার মৃত্যুর পরপরই প্রথমে যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠী যারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সরকার, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদেশে বসে সাইবার সন্ত্রাস করছে তারা ইস্যুটিকে লুফে নেয়। তারা একের পর এক অপপ্রচার, মিথ্যাচার, চরিত্রহনন এবং কুৎসিত, নোংরা আক্রমণ শুরু করে এই ইস্যুকে নিয়ে।

দ্বিতীয়ত, এর মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারকে সমালোচনায় বিদ্ধ করা। দেশে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার নেই এটি প্রমাণ করা। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, মুনিয়া ইস্যু নিয়ে যে সাইবার সন্ত্রাস চলছে সেই সন্ত্রাসের মূল টার্গেট আসলে সরকার। সরকার ন্যায় বিচার করছে না, এটি প্রমাণের জন্য মুনিয়া ইস্যুকে বেছে নিয়েছে যুদ্ধাপরাধী সাইবার সন্ত্রাসীরা।

তৃতীয়ত, এসবের পেছনে আবার বিএনপি এবং জামাতপন্থীদের একটি মদদ রয়েছে বাংলাদেশে। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যায় যে মুনিয়ার মৃত্যুর পর তার বোনকে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য যারা তৎপর হয়েছেন তাদের সকলেরই রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। এরা বিএনপি-জামাত ঘরানার আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে ৮ নং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মুনিয়া ইস্যুতে যে মামলাটি হয়েছে সেখানে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষাবলম্বন করা  আইনজীবীসহ বেশ কয়েকজন রয়েছেন যারা যুদ্ধাপরাধী এবং বিএনপির মদদপুষ্ট। অর্থাৎ আইনি এমন একটি বাতাবরণ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে সরকার বিচার করে না বিষয়টি নিশ্চিত করা।

চতুর্থত, এই মামলার মধ্য দিয়ে সুশীল সমাজের একটি মেরুকরণের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল হিসেবে। এই  মামলার মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যে, বাংলাদেশে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আইনের ঊর্ধ্বে। অথচ মুনিয়ার মৃত্যুর পর পুলিশ নির্মোহভাবে তদন্ত করেছে এবং তিন মাস তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এই তদন্তকালে তারা একদিকে যেমন মুনিয়ার বাসায় কারা গিয়েছিল, সেই সিসিটিভি ফুটেজ নিয়েছে। মুনিয়ার ডায়েরি এবং অন্যান্য তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছে। সবকিছু করার পরই এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এখন এটি নিয়ে জলঘোলা করার চেষ্টা করা হচ্ছে দেশের পুলিশ বাহিনীকে বিতর্কিত এবং বিব্রত করার লক্ষ্যে। অর্থাৎ বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর সম্বন্ধে বিএনপি-জামায়াত গত চার-পাঁচ বছর ধরে যে সমালোচনাগুলো করছে, সেই সমালোচনাকেই মুনিয়ার মৃত্যুর মাধ্যমে সরল সমীকরণে ফেলার চেষ্টা করছে।

সবচেয়ে বড় কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের যে অগ্রগতি, উন্নয়ন হচ্ছে সেখানে বেসরকারি খাত যে বড় ধরণের ভূমিকা রাখছে সেটিকে বাধাগ্রস্থ করাও এই মামলার উদ্দেশ্য। এইরকম মামলার ফলে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান, শিল্প গ্রুপগুলো সংকুচিত হবে, কুণ্ঠিত হবে এবং তাদের যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং শিল্পের প্রসারে যে ভূমিকা তা সংকুচিত হবে। অর্থাৎ মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে যুদ্ধাপরাধী এবং বিএনপির অপরাজনীতির একটি সুস্পষ্ট তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ন্যায় বিচার নয় বরং সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে সামনে যে আন্দোলন হবে সেই আন্দোলনের জন্য একটি ইস্যু তৈরি করা।


আরও খবর



এ বছর হচ্ছে না জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এ বছর অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাদ্রাসার জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্তের পর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলেও অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও মাদ্রাসার জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা নিয়ে এতোদিন কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ফলে শিক্ষাবোর্ডগুলোও এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পায়নি। তবে আজ এ বিষয়ে নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী।

সাধারণত জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা বছরের নভেম্বর মাসে হয়ে থাকে। আর স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষাগুলো হয় ডিসেম্বর মাসে। করোনা সংক্রমণের দেড় বছর বন্ধের পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়। আগামী ১৪ নভেম্বর এসএসসি ও ২ ডিসেম্বর এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত করে গত ২৭ সেপ্টেম্বর রুটিন অনুমোদনও দেওয়া হয়।

পরীক্ষার সূচির বিশেষ নির্দশনায় বলা হয়, কোডিড-১৯ অতিমারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার সময় দেড় ঘণ্টা। এমসিকিউ অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।


আরও খবর



ফেসবুকের গোপন কালো তালিকায় বাংলাদেশি ৬ জঙ্গি সংগঠন

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অপপ্রচার রোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় চার হাজার জঙ্গি সংগঠন ও ব্যক্তিকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে ফেসবুক। এই তালিকায় বাংলাদেশের এক ব্যক্তি ও ছয় জঙ্গি সংগঠনের নাম রয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্টারসেপ্ট ফেসবুকের গোপন এ তালিকা প্রকাশ করেছে।

তালিকাভুক্ত ছয় বাংলাদেশি সংগঠন হলো- আল মুরসালাত মিডিয়া, ইসলামিক স্টেট বাংলাদেশ, হরকাত উল-জিহাদ-ই-ইসলামী বাংলাদেশ, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, জামায়াত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ ( জেএমবি ) এবং সাহাম আল-হিন্দ মিডিয়া।

ফেসবুকের তালিকায় বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তির নাম তরিকুল ইসলাম। তার সঙ্গে জামায়াত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) সম্পর্ক আছে।

এছাড়া জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সঙ্গে সাহাম আল-হিন্দ মিডিয়ার এবং ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে আল মুরসালাত মিডিয়ার।

ফেসবুকের এই তালিকায় স্থান পেয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দাতব্য সংস্থা, হাসপাতাল, লেখক, রাজনীতিক, এমনকি মৃত ঐতিহাসিক ব্যক্তিও। এসব ব্যক্তি সংগঠনকে ফেসবুকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

যারা এসব তালিকাভুক্ত ব্যক্তি ও সংগঠন নিয়ে আলোচনা করেন তাদেরকেও শাস্তির আওতায় আনে ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, যারা জঙ্গি সংগঠনগুলোর মতো মারাত্মক ক্ষতিকর কাজ করতে পারেন তাদেরকে প্রথম স্তরে, যারা সিরিয়ার সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মতো সহিংস তাদেরকে দ্বিতীয় স্তরে এবং যারা ফেসবুকের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং বিপজ্জনক সংগঠনের নীতিমালা লঙ্ঘন করে তাদেরকে তৃতীয় স্তরের শাস্তির আওতায় আনা হয়। তাই বাংলাদেশের যেসব জঙ্গি সংগঠন ও ব্যক্তির নাম তালিকায় আছে, তাদের নিয়ে আলোচনা করলেও শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে ব্যবহারকারীদের।


আরও খবর



মাঠে গড়াল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মাঠে গড়াল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মহারণ। সপ্তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ওমান ও পাপুয়া নিউগিনি। ওমানের আল আমিরাত ক্রিকেট গ্রান্ডে টস জিতে আগে বোলিংয়ে নেমেছে স্বাগতিক ওমান।

দিনের আরেক ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। তাদের প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়।

এবারের আসরে মোট ১৬ দল অংশ নিচ্ছে। বাছাই পর্বের দুটি গ্রুপে রয়েছে আটটি দল। আর, সুপার টুয়েলভে দুই গ্রুপে আছে আটটি দল। 

বাছাই পর্বে গ্রুপে খেলবে শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া ও নেদারল্যান্ডস। বাংলাদেশ রয়েছে বি গ্রুপে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ওমান, পাপুয়া নিউগিনি ও স্কটল্যান্ড।

সুপার টুয়েলভে গ্রুপ-১-এ আছে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড এবং বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গ্রুপ-২-এ আছে ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তান।

বাছাই পর্বের দুই গ্রুপ থেকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুটি করে দল সুপার টুয়েলভে খেলার টিকেট পাবে। যেখানে আছে আটটি দল। ফলে মোট ১২ দল নিয়ে হবে সুপার টুয়েলভ। সুপার-১২-তে খেলতে হলে বাছাই পর্ব পেরোতে হবে বাংলাদেশকে।

বাছাই পর্ব থেকে গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন এবং বি গ্রুপের রানার্স-আপ দল খেলবে গ্রুপ-১-এ। বাছাই পর্বের গ্রুপের রানার্স-আপ এবং বি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে গ্রুপ-২-এ।

ওমান  : জিশান মাহমুদ (অধিনায়ক), আকিব ইলিয়াস (সহঅধিনায়ক), যতিন্দর সিং, খাওয়ার আলী, মোহাম্মদ নাদিম, আইয়ান খান, সুরাজ কুমার, সন্দীপ গৌর, নেস্টর ধাম্বা, কালিমুল্লাহ, বিলাল খান, নাসিম খুশি, সুফিয়ান মেহমুদ, ফাইয়াজ বাট, খুররম খান।

পাপুয়া নিউগিনি : আসাদ ভালা (অধিনায়ক), টনি পালা উরা, সেসে বাউ, হিরি হিরি, ড্যামিয়েন রাভু, গৌডি টোকা, নরম্যান ভানুয়া, চার্লস জর্ডান আমিনি, কিপলিন ডোরিগা, জেসন কিলা, লেগা সিয়াকা, সিমন আটাই, জে গার্ডনার, জেসন কিলা, নোজাইনা পোকানা, চাড সোপার, কে ভাগি মরিয়া।


আরও খবর



একদিনে কত রুপি পারিশ্রমিক নেন শাহরুখপুত্রের আইনজীবী?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৬৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মাদক মামলায় গ্রেফতার ছেলে আরিয়ানকে ছাড়িয়ে নিতে সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খান। নিজের সব শুটিং বাতিল করে মুম্বাইয়ে চরকি পাক কাটছেন। নিয়োগ দিয়েছেন ভারতের সবচাইতে নামি আইনজীবী সতীশ মানেশিন্দেকে।  সতীশের ওপর বেশ ভরসা শাহরুখের। কারণ বলিউডে এই আইনজীবী সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।

বলা হচ্ছে, এই সতীশ মানেশিন্দে নাকি প্রতিটি কেসের জন্য দিনপ্রতি ১০ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নেন মক্কেলের কাছ থেকে। শাহরুখের কাছ থেকে এর থেকে বেশি বই কম নিচ্ছেন না।

এতো অর্থ পাওয়া আইনজীবী এখনবধি সফল হননি। ঠেকাতে পারেননি আরিয়ানের জেল। তিনবার জামিন আবেদন করেও হেরে গেছেন। নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর কর্মকর্তাদের (এনসিবি) বুদ্ধিমত্তার কাছে হার মানছেন বারংবার।

আদালতে যুক্তি-তর্ক পরিবেশন করেও জামিনে বের করতে পারেননি আরিয়ান খানকে। তবে শাহরুখ কেন এতো অর্থ দিয়ে সতীশকে নিযুক্ত করেছেন? 

এর একটাই কারণ সতীশ মানেশিন্দের আগের সব রেকর্ড দেখে মুগ্ধ শাহরুখ। এই সেই আইনজীবী যিনি বেশ কয়েক মাস আগে প্রয়াত সুশান্ত সিং রাজপুতের মামলায় অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীকে জামিন পাইয়ে দিয়েছিলেন এই এনসিবির সঙ্গে লড়েই ।

শাহরুখ-গৌরিসহ বলিউডের অনেকের বিশ্বাস মাদক মামলায় ফেঁসে যাওয়া আরিয়ান খানকেও ছাড়িয়ে আনবেন সতীশ।

কে এই সতীশ মানিশিন্দে?

ভারতের সংবাদমাধ্যমের খবর, কর্নাটকের ধারওয়াড়ের আদি বাসিন্দা সতীশ মানেশিন্দে ১৯৮৩ সালে মুম্বাই আসেন। সেই সময়ে ফৌজদারি মামলার হাইপ্রোফাইল আইনজীবী রাম জেঠমলানির জুনিয়র হিসেবে কাজ শুরু করেন সতীশ। টানা ১০ বছর তার নেতৃত্বে কাজ করার পর নিজেই চেম্বার দিয়ে বসেন।

বলিউডে সতীশের জনপ্রিয়তা বাড়ে ১৯৯৩ সালে। মুম্বাইয়ে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণ মামলায় বলিউড তারকা সঞ্জয় দত্তের হয়ে আদালতে দাঁড়ান সতীশ। সতীশের বুদ্ধিদ্বীপ্ত ওকালতিতেই বিস্ফোরণ মামলায় জামিন পেয়ে যান সঞ্জয়।

ওই মামলাটি ছিল সে সময় টক অব দ্য কান্ট্রি। তাতে সফলকাম হয়ে রাতারাতি খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছান সতীশ। কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলায় বলি ভাইজান সালমান খানকে জামিন এনে দেন সতীশ।

২০০২ সালে এই নায়ককে গাড়ি চালিয়ে মানুষ হত্যার অভিযোগ থেকে রেহাই পাইয়ে দেন সতীশ। আর এ কারণেই বলিউডে তার দাম যেন আকাশছোঁয়া। তবে শাহরুখ তাকে প্রতিদিন কত দিচ্ছেন তা নিশ্চিত করতে পারেনি ভারতীয় গণমাধ্যম। সেটি যে ১০ লাখ রুপির কম নয় তা অবশ্য নিশ্চিত। কারণ গত বছর এক সাক্ষাৎকারে সতীশকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, শোনা যায় আপনার পারিশ্রমিক ১০ লাখ টাকা। এটা কি সত্যি?

সহাস্যে সতীশ জবাব দিয়েছিলেন, যে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আমার পারিশ্রমিক ১০ লাখ টাকা বলছেন, সেটা ১০ বছরের পুরনো কথা! এবার হিসাব করে নিন।


আরও খবর



রংপুরে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রংপুরে নবম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অপরাধের মেহেদী হাসান রাব্বি নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায়  ৪ আসামীকে খালাস দেয়া হয়।

বুধবার দুপুরে রংপুর নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জাবিদ হাসান এই আদেশ দেন। আদালত ধর্ষণের দায়ে মেহেদীকে যাবজ্জীবন এবং অপহরণের অপরাধে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়াও তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি রফিক হাসনাইন জানান, রংপুর মহানগরীর চেকপোস্ট এলাকা থেকে কলেজের ছাত্রীকে ২০১৮ সালের ৭ জুলাই অপহরণ করে নিয়ে যান মেহেদি হাসান রাব্বি নামের ওই যুবক।

সেই ঘটনার তিন দিন পর ১০ জুলাই ছাত্রীর বাবা অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই বছরের ১৯ জুলাই ঢাকা আশুলিয়া থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ৩১ জানুয়ারি চার্জশিট দেয়া হয়।

১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার আদালতের বিচারক জাহিদ হাসান আদেশ দেন।

নিউজ ট্যাগ: রংপুরে ধর্ষণ

আরও খবর