আজঃ বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১
শিরোনাম

মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১ | ৭৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৃত্যুর আগে মুনিয়া-শারুনের হোয়াটসঅ্যাপ মেসেঞ্জারে কিছু আলাপচারিতা নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। এই আলাপচারিতার সঙ্গে বর্তমান মামলার সম্পর্ক রয়েছে বলেই সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন। মৃত্যুর আগে শারুনের সঙ্গে মুনিয়ার মেসেঞ্জারে কথা বিনিময় হয়েছে। মেসেঞ্জারে মুনিয়া এবং শারুনের এই মেসেজগুলো পর্যালোচনা করলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়। সেই মেসেজে মুনিয়াকে শারুন বলেছেন যে, তোমার কিছু হলে বসুন্ধরা গ্রুপ শেষ হয়ে যাবে। তাহলে কি বসুন্ধরা গ্রুপ কে শেষ করার জন্যই মুনিয়ার ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে? এই প্রশ্ন এখন তদন্তের অন্যতম উপজীব্য বিষয় বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

উল্লেখ্য যে, গত ২৬ এপ্রিল গুলশানে একটি ফ্ল্যাটে মুনিয়া মৃত্যুবরণ করেন। মুনিয়ার মৃত্যুর পরপরই তার বড় বোন নুসরাত বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন। অপমৃত্যু মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডিকে একমাত্র আসামি করা হয়। কিন্তু তিন মাস তদন্তের পর গুলশান থানা পুলিশ এই মামলার অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি এবং তারা সত্যতা না পাওয়ার প্রেক্ষিতে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নুসরাত নারাজি দরখাস্ত দেন এবং নারাজি দরখাস্তের উপর শুনানির পর আদালত নুসরাতের নারাজি আবেদন নাকচ করে দেন। এরপর নুসরাত বসে থাকেননি। তিনি এবার বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি, চেয়ারম্যানসহ ঘটনার সঙ্গে কোনো রকম সংশ্রববিহীন একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। প্রথমে তিনি করলেন আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা। তারপর করলেন হত্যা ও ধর্ষণের মামলা। এখান থেকেই প্রশ্ন উঠেছে যে, তাহলে কি এই মামলার পিছনে কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ রয়েছে বা কারো স্বার্থ উদ্ধারের জন্য একের পর এক মামলা করা হচ্ছে?

বিশেষ করে নুসরাত যখন আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেছিলেন তার পরপরেই নুসরাতের ভাই আরেকটি মামলা করেছিল সিএমএম আদালতে। সেই মামলায় এই হত্যাকাণ্ডের জন্য চট্টগ্রামের হুইপ পুত্র শারুনকে দায়ী করেছিলেন। কিন্তু তখন আদালত বলেছিল যে প্রথম মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই মামলাটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। কিন্তু এই মামলাটি থাকা অবস্থায় এখন তৃতীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাহলে কি বসুন্ধরা গ্রুপকে ঘায়েল করার জন্যই এই তৃতীয় মামলা করা হয়েছে? যেটি শারুন আগে থেকেই জানতো এবং এরকম একটি ঘটনার ব্যাপারেই সে মুনিয়াকে ইঙ্গিত করেছিল। তার মানে কি এই দাঁড়ায় যে, মুনিয়াকে হত্যা করে বা মুনিয়ার মৃত্যুর কারণ ঘটিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপকে ফাঁসানো একটি পরিকল্পিত চেষ্টা ছিল? অন্তত শারুন এবং মুনিয়ার মেসেজ বিনিময়ের মধ্যে সেই তথ্যটি বেরিয়ে আসে। কারণ, যে সময় মুনিয়া এবং শারুন মেসেজ আদান-প্রদান করেছিলেন সে সময় শারুনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার একটি মামলা তদন্তাধীন ছিল। যে মামলাটি এখনো তদন্তাধীন আছে।

এ মামলার বাদী ব্যাংকার মোরশেদের স্ত্রী দাবি করেছেন যে, শারুনের অত্যাচার এবং চাপের কারণেই তার স্বামী মোরশেদ আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। এটি নিয়ে যখন সারা দেশে তোলপাড় চলছে তখনই মুনিয়ার মৃত্যু ঘটানো হলো। তার মানে কি শারুনকে বাঁচানোর জন্য মুনিয়াকে ব্যবহার করা হয়েছে? মুনিয়াকে হত্যা করে বা মুনিয়ার মৃত্যু ঘটিয়ে পরো ঘটনাটা বসুন্ধরার উপর চাপিয়ে সকলের দৃষ্টি অন্য দিকে নেয়ার কোনো প্রচেষ্টা কি আছে? এই বিষয়গুলো এই মামলায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বলে অনেকে মনে করছেন এবং এ বিষয়গুলো তদন্তের দাবী রাখে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবী করছেন।


আরও খবর



বাড্ডায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুইজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানী বাড্ডার সাতারকুলে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করার সময়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে সাতারকুলের রহমতউল্লাহ গার্মেন্টস সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- সাতারকুল সেতুর পাশের মা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের মালিক আরিফুল ইসলাম সোহেল (২৮) ও একই ওয়ার্কশপের মিস্ত্রী জাহাঙ্গীর আলম (৩২)।

তাদের সহকর্মীরা এবং ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, দুপুরে রহমত উল্লাহ গার্মেন্টসের পাশে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করার সময় সোহেল ও জাহাঙ্গীর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। অচেতন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। ২ জনের মরদেহ মর্গে রাখা আছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


আরও খবর



নাটক সম্প্রচার নীতিমালা কেন করা হবে না জানতে চেয়ে রুল

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গত কোরবানির ঈদের বিশেষ নাটক ‘ঘটনা সত্য’র বিরুদ্ধে বিশেষ শিশুদের বাবা-মায়ের ‘পাপ কর্মের ফল’ বলে বার্তা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যা একেবারে নৈতিকতা বিরোধী বলে দাবি করা হচ্ছে

নাটক সম্প্রচার নীতিমালা কেন করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। টিভি এবং ইউটিউবসহ সামাজিক মাধ্যমে নাটক, শর্ট ফিল্ম এবং ওয়েব সিরিজ প্রচারে কেন একটি সেন্সর বোর্ড গঠন করা হবে না তা নিয়েও রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, ঘটনা সত্যর প্রযোজক এবং পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার (২৮ নভেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রিট আবেদনের পক্ষে আজ শুনানি করেন আইনজীবী নুসরাত জাহান, মো. তারিকুল ইসলাম তারেক ও মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন মনির। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। রিট আবেদনকারী আইনজীবী তারিকুল ইসলাম তারেক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত কোরবানির ঈদের বিশেষ নাটক ঘটনা সত্যর বিরুদ্ধে বিশেষ শিশুদের বাবা-মায়ের পাপ কর্মের ফল বলে বার্তা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যা একেবারে নৈতিকতা বিরোধী বলে দাবি করা হচ্ছে। এটা নাকের নীতিমালায় পড়ে না দাবি করে করা এক রিটের প্রেক্ষিতে এ রায় দেন আদালত।

এর আগে গত ৪ নভেম্বর পিএফডিএ-ভোকেশনাল ট্রেইনিং সেন্টার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এ রিট করেন।

আদেশের বিষয়ে রোববার (২৮ নভেম্বর) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন মনির সাংবাদিকদের বলেন, সম্প্রচার নীতিমালা-২০১৪ এর ৬ষ্ঠ অধ্যায় অনুযায়ী একটি সম্প্রচার কমিশন গঠন করার কথা। কিন্তু এ কমিশনটি এখন পর্যন্ত গঠন হয়নি। আপনারা অবগত আছেন কোরবানির ঈদের সময় একটি নাটক প্রচারিত হয়েছিলো, ঘটনা সত্য নামে । ওই নাটকে একটি সংলাপ এসেছে। এটা মৌলিক মানবাধিকারের লংঘন। এটা ‍খুবই আপত্তিকর (প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে)। এ কারণে জনস্বার্থে এ রিট করা হয়েছে। আমরা চেয়েছি যাতে সম্প্রচার কমিশন করা হয়। আদালত রুল জারি করেছেন।

রুলে টিভি এবং ইউটিউবসহ সামাজিক মাধ্যমে নাটক, শর্ট ফিল্ম এবং ওয়েব সিরিজ প্রচারে কেন একটি সেন্সর বোর্ড/রেগুলেটরি কমিশন/কন্ট্রোলটিং বডি বা অথরিটি বা বোর্ড গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

নিউজ ট্যাগ: হাইকোর্ট

আরও খবর
আবরার হত্যায় ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড

বুধবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২১




প্রণয়ন হচ্ছে ‘জামানত সুরক্ষা আইন-২০২১’

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দশ ধরনের অস্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়ার বিধান রেখে জামানত সুরক্ষা (অস্থাবর সম্পত্তি) আইন-২০২১ প্রণয়ন হচ্ছে। এর মধ্যে কোনো ভালো কোম্পানির শেয়ার বা স্বর্ণ বন্ধক রেখেও ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকছে।

আগামী বছরের প্রথম দিকে জাতীয় সংসদে অনুমোদনের জন্য বিলটি উত্থাপন করা হতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ যৌথভাবে আইনটির খসড়া প্রণয়ন করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রস্তাবিত খসড়া আইনে চিহ্নিত দশ ধরনের অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দ্বারা সমর্থিত ও সুরক্ষিত রপ্তানির উদ্দেশ্যে বা রপ্তানি আদেশ অনুযায়ী পণ্য তৈরির কাঁচামাল। ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গচ্ছিত আমানতের সনদ। স্বর্ণ-রৌপ্য ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু যার ওজন ও বিশুদ্ধতার মান স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ দ্বারা সার্টিফাইড। নিবন্ধিত মানসম্পন্ন কোম্পানির শেয়ার সার্টিফিকেট। মেধাস্বত্ব অধিকার দ্বারা স্বীকৃত মেধাস্বত্ব পণ্য (পেটেন্ট কপিরাইট)। কোনো সেবার প্রতিশ্রুতি, যার বিপরীতে সেবাগ্রহীতার মূল্য পরিশোধের স্বীকৃত প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে (ওয়ার্ক অর্ডার)। আসবাব-কাষ্ঠজাত উদ্ভিদ-ফলজ উদ্ভিদ-ঔষধি উদ্ভিদ-ইলেকট্রনিক পণ্য। সফটওয়্যার, অ্যাপস, যার মূল্য প্রাক্কলন করা সম্ভব। যান্ত্রিক বা অযান্ত্রিক যানবাহন। খনিজ সম্পদ (তেল, গ্যাস, হাইড্রোকার্বন ও ভগর্ভস্থ মূল্যবান ধাতু) এবং যথাযথভাবে সংরক্ষিত কৃষিজাত পণ্য-প্রক্রিয়াজাত মৎস্য বা জলজ প্রাণিসম্পদ-আয় উৎসারী জীবজন্তু (অজাত শাবকসহ)।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আইনটি চলতি বছরে অনুমোদনের জন্য সংসদে উত্থাপনে চেষ্টা করা হচ্ছে। যদি তা না হয়, তবে আগামী বছরের শুরুতে সংসদে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।

আইনটি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা বলেন, বর্তমানে দেশে স্থাবর সম্পত্তি যেমন- জমি, বাড়ি, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি জামানত হিসেবে বন্ধক রেখে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নেওয়া যায়। কিন্তু স্থানান্তরযোগ্য বা অস্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রেখে ঋণ প্রাপ্তির কোনো বিধান না থাকায় বৈধভাবে ঋণ নেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেকে। এ প্রেক্ষিতে প্রচলিত ঋণ/বিনিয়োগ ব্যবস্থায় স্থানান্তরযোগ্য/ অস্থাবর সম্পদকে জামানত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে অনেক মানুষের কাছে ঋণ/ বিনিয়োগ সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে আইনটি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ এক বছর অস্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়া যাবে। কিন্তু আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ঋণ গ্রহীতার পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে এই মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে।

খসড়ায় আইনটি বাস্তবায়নে একটি সিকিউরড ট্রানজ্যাকশন রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ গঠনের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর কিংবা তার কোনো মনোনীত ব্যক্তি সংস্থার পরিচালনা বোর্ডেও চেয়ারম্যান এবং বোর্ড কর্তৃক নিযুক্ত একজন রেজিস্ট্রার হবেন বোর্ডের সচিব। পরিচালনা বোর্ডের অপর সদস্যরা হবেন- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব কিংবা তার কোনো মনোনীত ব্যক্তি, বিএসইসি চেয়ারম্যান কিংবা তার কোনো মনোনীত ব্যক্তি, আরজেএসসির রেজিস্ট্রার কিংবা তার কোনো মনোনীত প্রতিনিধি এবং মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির চেয়ারম্যান কিংবা তার কোনো মনোনীত ব্যক্তি।



আরও খবর
শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকের বড় উত্থান

মঙ্গলবার ০৭ ডিসেম্বর ২০২১

সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে

সোমবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২১




দরজার বাইরে মাকে রেখে আমাকে ধর্ষণ করেছিলেন ম্যারাডোনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ১০৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডিয়েগো ম্যারাডোনার জীবন বেশ বৈচিত্র্যে ভরা। আর্জেন্টাইন এই সাবেক কিংবদন্তির বিপক্ষে এর আগেও ধর্ষণ নিয়ে কম অভিযোগ আসেনি। নানারকম অপরাধে জড়িত থাকা ম্যারাডোনা বহুবার সমালোচনায় এসেছেন। কিন্তু এবারের সমালোচনা যেন ভিন্ন। মারা যাওয়ার পরেও তার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ এনেছেন তারই এক সময়কার বান্ধবী। 

কিন্তু মৃত্যুর পরও বিতর্ক তার পিছু ছাড়ছে না মোটেও। এবার এক কিউবান নারী অভিযোগ তুলেছেন, ম্যারাডোনা ধর্ষণ করেছিলেন তাকে, সে কারণের আত্মহত্যার ভাবনাও খেলেছিল তার মগজে।

শুধু ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন বলাটা ভুল হবে; অপহরণ, নারী পাচার, ধর্ষণ, ইচ্ছার বিরুদ্ধে কৃত্রিম স্তন প্রতিস্থাপন, শারীরিক নির্যাতন, জোর করে নেশা করানোআর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ইনফোবেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাভিস যেন অভিযোগের ডালি নিয়ে বসেছিলেন!

৩৭ বছর বয়সী মেইভিস অ্যালভারেজ রেগো জানান, আজ থেকে বিশ বছর আগে ঘটেছিল এ ঘটনা। ১৬ বছর বয়সে তার দেখা হয়েছিল ম্যারাডোনার সঙ্গে। মাদক নিরাময়ের জন্য ম্যারাডোনা তখন থাকছেন কিউবাতে। দুজনের পরিচয়ের স্মৃতি মনে করে তিনি বলেন, আমি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। কারণ সে আমাকে পুরোপুরি জয় করে নিয়েছিল। কিন্তু তার কয়েক মাসের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলাতে থাকে।

তখন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি তাকে কোকেইন সেবন করানোর চেষ্টাও করেছিলেন, জানান মেইভিস। যে কারণে তার প্রতি ঘৃণাও সৃষ্টি হয়ে গিয়েছিল ১৬ বছর বয়সী কিউবান তরুণীর। তিনি বলেন, আমি তাকে ভালোবাসতাম, কিন্তু আমি তাকে ঘৃণাও করতাম। এমনকি তার জন্যে আমার মাথায় আত্মহত্যার চিন্তাও খেলে যেত তখন।

 বর্তমানে ১৫ ও ৪ বছর বয়সী দুই সন্তানের মা মেইভিস জানান, তাদের সম্পর্ক টিকেছিল ৫ বছর। তবে এ সময়ের পুরোটাই তাকে নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। শেষদিকে ম্যারাডোনার সঙ্গে তিনি বুয়েনোস এইরেসেও গিয়েছিলেন। তবে গিয়েই ফেঁসে গিয়েছিলেন, তাকে বহুদিন তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখা হয়েছিল হোটেলের ঘরে, এমনকি তার স্তনবৃদ্ধিকরণের অস্ত্রোপচারও করা হয়।

তিনি দাবি করেন, ম্যারাডোনা তাকে একবার তার হাভানার ঘরে ধর্ষণ করেছিলেন। এর বাইরে অনেকবার শারীরিক নির্যাতনের শিকারও হতে হয়েছে তাকে।

এ অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। সে মামলা অবশ্য মেইভিস নিজে করেননি। করেছেন এক আর্জেন্টাইন এনজিও, ফাউন্ডেশন ফর পিসের মাধ্যমে। ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি মানবপাচার, স্বাধীনতা খর্বকরণ, জোরপূর্বক দাসত্বে বাধ্য করা, ও শারীরিক নির্যাতনের।


আরও খবর
মেসির সামনেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন এমবাপে

বৃহস্পতিবার ০৯ ডিসেম্বর ২০২১




প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকা-প্যারিস সম্মতিপত্র স্বাক্ষর

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করায় বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতারবিষয়ক সম্মতিপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, হ্যাঁ, আমরা করেছি (সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর)। এটি প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি বিনিময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।

মঙ্গলবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সরকারি সফরে ফ্রান্সে যান। এ সময় এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে শেখ হাসিনা ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নত করা, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক স্বার্থ ও সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই দেশই প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের প্রয়োজনীয়তা অনুভবে আহ্বান জানালে, নিজেদের সক্ষমতার ভিত্তিতে একে অপরকে সহযোগিতা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ ছাড়া একে অন্যকে সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমেও সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

দুই দেশই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্বের কথা স্মরণ করে এবং বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ফ্রান্স সরকার ও জনগণের সমর্থনের কথা স্বীকার করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় উভয় পক্ষই প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করে। দুই দেশই প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে সকলের জন্য কল্যাণকর একটি মুক্ত, স্বাধীন, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ কামনা করেন। তারা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বজায় রাখতে এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সমুদ্র অর্থনীতিতে সহযোগিতার সুযোগ বৃদ্ধিতে সম্মত হয়েছে।

জাতিসংঘের কনভেনশন প্রণীত ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন পালনের পাশাপাশি সমুদ্র নিয়ে বিভ্ন্ন বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি, হুমকি বা বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকা প্রভৃতি বিষয়ে ‍নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে।

এ সময় বাংলাদেশ ও ফ্রান্স সন্ত্রাসবাদকে বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে সম্মতি প্রকাশ করে যৌথভাবে সন্ত্রাসবিরোধী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।

জাতিসংঘ এক সুপারিশে বাংলাদেশকে ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নীত করার কথা জানানোয় ফ্রান্স বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে শ্রম খাতে বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্ল্যান অব অ্যাকশন জমা দেওয়ার কথা স্বীকার করে ফ্রান্স এটি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে।

উভয় দেশই বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে উদারীকরণ ও সহজতর করার জন্য তাদের অঙ্গীকার এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ভূমিকার প্রতি তাদের অঙ্গীকারের ওপর জোর দিয়েছে।

দুই দেশ কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার ও প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে পারস্পারিক সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

উভয় দেশ একে অপরের অর্থনৈতিক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে সহযোগিতা করতে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছে এবং নিজ নিজ শ্রমবাজারে প্রবেশাধিকার উন্মুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।

তারা কৃষি, অবকাঠামো, পরিবহণ, জ্বালানি এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতসহ দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ও শিল্প অংশীদারত্ব জোরদার করার আকাঙ্ক্ষা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

ফ্রান্স ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তায় জাতিসংঘে নিজেদের অবস্থানের কথা তুলে ধরেন। বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান দেশ এবং ফ্রান্সও শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান রাখে।

দুই দেশ নিজেদের সহযোগিতা বৃদ্ধিকে স্বাগত জানিয়েছে এবং কৌশলগত দিক-নির্দেশনার জন্য নিয়মিত রাজনৈতিক পরামর্শের মাধ্যমে অংশীদারত্ব বৃদ্ধি ও বিকশিত করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

এ ছাড়া রাজনীতি ও কূটনীতি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য তাদের দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে।


আরও খবর