আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২
শিরোনাম

মুন্সিগঞ্জে দুই ভুয়া সাংবাদিক আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় বিটিভির পরিচয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ আদায়কালে দুই ভুয়া সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ মে) সকালে উপজেলার হোসেন্দী দাখিল মাদ্রাসা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করে গজারিয়া থানা পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- জেলার সিরাজদিখানের হাজীগাঁও গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে নাদিম হোসোন নিলয় (২৩) ও কুমিল্লার তিতাস উপজেলার আলমের ছেলে জাকির হোসেন।

হোসেন্দী দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুস সালাম জানান, গত দুইদিন যাবৎ মাদ্রাসার উন্নয়নে বিটিভিতে একটি প্রোগ্রাম করবে জানিয়ে আমাকে ও মাদ্রাসার সভাপতিকে ফোন দিয়ে তারা আজ মাদ্রাসায় আসে। আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় তাদের আটক করে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেই। পরবর্তীতে জানা যায় তারা গত দু’দিনে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিটিভিতে উন্নয়নমূলক অনুষ্ঠান প্রচারের কথা বলে অর্থ আদায় করেছে।

আটকের পর তারা স্বীকার করে, একই কথা বলে ভবেরচর ওয়াজির আলী উচ্চ বিদ্যালয় এর সহকারী প্রধান শিক্ষক আবুল হোসেন সরকারের কাছ থেকে ৭ হাজার, টেংগারচর রাজিয়া কাদের আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. নুরুদ্দিনের কাছ থেকে ৬ হাজার, ভবেরচর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মামুন ঢালীর কাছ থেকে ৫ হাজার, ভাটেরচর দে এ মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা টাকা আদায় করেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে অনৈতিকভাবে অর্থ আদায়, বিটিভির ভুয়া পরিচয় প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার প্রেক্ষিতে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গজারিয়া থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. রইছ উদ্দীন জানান, উন্নয়ন কার্যক্রম প্রচারের নামে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা আদায় করছিলো দুইজন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


আরও খবর



ভারত-পাকিস্তানে তীব্র তাপদাহ, রেড অ্যালার্ট জারি

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তীব্র দাবদাহে নাকাল ভারত ও পাকিস্তানের বহু মানুষ। ভারতে বিশেষ করে দেশটির উত্তরাঞ্চলের অনেক জায়গায় তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। দিল্লির তাপমাত্রা উঠেছে ৪৭ ডিগ্রি পর্যন্ত। এমনকি জম্মুর মতো শহরেও ৪৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানেও চলছে তীব্র দাবদাহ। দেশটির সিন্ধু প্রদেশের জ্যাকোবাবাদে তাপমাত্রা ঠেকেছে ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তীব্র দাবদাহে দুই দেশেই মানুষের মৃত্যুর খবরও পাওয়া যাচ্ছে। খবর এনডিটিভি ও জিও নিউজের।

ভারত

ভারতের মরুরাজ্য হিসেবে খ্যাত রাজস্থানের বেশ কিছু জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে। রাজ্যটির ধোলপুর জেলাতে গতকাল রবিবার ৪৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। একই দিন দিল্লির মুঙ্গেশপুর ৪৭ দশমিক ২ ও নাজাগড়ের তাপমাত্রা ছিল ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভারতের আবহাওয়া সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গতকাল ভারতের রাজধানী শহর দিল্লির প্রতিটি আবহাওয়া দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকায় দাবদাহের কথা জানানো হয়েছে।

দেশটির আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, আজ সোমবার তাপমাত্রা আরও বাড়বে। তাই মানুষকে সতর্ক করতে তাঁরা অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করেছে। চলতি গ্রীষ্মকালে দিল্লিতে পঞ্চমবারের মতো দাবদাহ চলছে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় চার ধরনের সতর্কতা জারি করে থাকে। এগুলো হলো সবুজ (কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই), হলুদ (পরিস্থিতি নজরে রেখে হালনাগাদ থাকা), কমলা (প্রস্তুত থাকা) ও লাল সংকেত (পদক্ষেপ নিতে হবে)।

গত এপ্রিলে ১৯৫১ সালের পর দ্বিতীয় উষ্ণতম এপ্রিল দেখেছে দিল্লি। এপ্রিলে দিল্লির গড় তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীর কর্মকর্তারা বলছেন, পানি শোধনাগারগুলোর উৎপাদন ৮৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। দিল্লির জল বোর্ডের (পানিবিষয়ক বোর্ড) কর্মকর্তারা বলছেন, এরই মধ্যে তাঁরা পানি রেশন দেওয়া শুরু করেছেন।

এদিকে রাজস্থানের ২৩ শহরে গতকাল তাপমাত্রা ছিল ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। আজ রাজ্যের চারটি জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। রাজস্থানের আরও ১২টি শহরে জারি করা হয়েছে অরেঞ্জ অ্যালার্ট। ভারতের মধ্যে এখন রাজস্থানের মানুষ তীব্র দাবদাহে সবচেয়ে বেশি ভুগছেন।

সর্বোচ্চ ৪৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নিয়ে হরিয়ানা ও গুরুগাঁও ছিল সবচেয়ে উষ্ণতম স্থান। এ ছাড়া অনেক শহরে তাপমাত্রা ৪৪ থেকে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছে। পাঞ্জাব ও হরিয়ানার যৌথ রাজধানী হিসেবে পরিচিত চণ্ডীগড় শহরে তাপমাত্রা ৪৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। পাঞ্জাবের ভাতিন্ডায় তাপমাত্রা ছিল ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অমৃতসর থেকে শুরু করে অন্য শহরগুলোতে ৪৪ থেকে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা ছিল।

জম্মু-কাশ্মীরের জম্মু শহরে এই মৌসুমের উষ্ণতম দিন রেকর্ড করা হয়েছে গতকাল। শহরটির তাপমাত্রা ছিল ৪৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক জায়গায় তাপমাত্রা বেড়ে গেছে। তৈরি হয়েছে দাবদাহ। অথচ চলতি মৌসুমে জম্মু শহরের গড় তাপমাত্রা ছিল মাত্র ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জম্মু ও কাশ্মীরের সবচেয়ে বড় শহর শ্রীনগরের তাপমাত্রাও অনেকটা বেড়েছে। গতকাল ৩১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় শহরটিতে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এমন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিচ্ছেন, উপত্যকার বিভিন্ন অংশে এরই মধ্যে একটি দাবদাহ শুরু হয়েছে।

পাকিস্তান

পাকিস্তানজুড়ে গরমজনিত বিভিন্ন রোগে মৃত্যুর খবর জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ। বিশেষ করে সিন্ধু ও পাঞ্জাব প্রদেশে মারাত্মক দাবদাহ শুরু হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, শনিবার সিন্ধুর জ্যাকোবাবাদের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রদেশটির অন্যান্য স্থানের পরিস্থিতিও একই। প্রদেশটির বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলছেন, দীর্ঘায়িত খরা ও নিরাপদ পানীয়র সংকটে নিরুপায় হয়ে গরম থেকে বাঁচতে দূষিত পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা।

পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, সিন্ধু প্রদেশের তিনটি শহরে গতকালও তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর বেশি ছিল। এদিন জ্যাকোবাবাদে তাপমাত্রা ছিল ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া প্রদেশের নবাবশাহ শহরে ৫০ দশমিক ৫ ও মহেঞ্জোদারো শহরে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে প্রাদেশিক রাজধানী করাচিতে গতকাল ছিল বছরের দ্বিতীয় উষ্ণতম দিন। এদিন করাচির তাপমাত্রা ৪২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়।

এর আগে দেশটির আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, ১২ থেকে ১৫ মে দাবদাহ আরও বাড়তে পারে। আবহাওয়া বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের বেশির ভাগ অংশে দাবদাহ চলছে। আবহাওয়া দপ্তর থেকে সতর্ক করে বলা হয়, দাবদাহের কারণে শিশু ও প্রবীণেরা সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়বেন।

পাঞ্জাবের অনেক শহরে দিনের বেলার তাপমাত্রা অসহনীয় হয়ে উঠেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এমন দাবদাহের মধ্যে লাহোরের অনেক মানুষকে ঘরের বাইরে থাকতে হয়। পানিস্বল্পতার কারণে তারা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। দাবদাহের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়া অনেককে হাসপাতালেও ভর্তি হতে হচ্ছে। ইসলামাবাদের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ সতর্ক করেছে, দেশের বিভিন্ন অংশে উচ্চ তাপমাত্রায় হৃদ্‌রোগ ও পানিবাহিত রোগীর ঝুঁকি বাড়তে শুরু করেছে।


আরও খবর



রান্নায় হলুদ বেশি হয়েছে? জেনে নিন করণীয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রান্না করতে গিয়ে অনেক সময় বেশি হলুদ পড়ে যায়। অ্যান্টিবায়োটিক সমৃদ্ধ এই মশলা শরীরের জন্য উপকারী হলেও, রান্নায় অতিরিক্ত পড়ে গেলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে স্বাদ। বেশি হলুদ রান্নাকে তিতকুটে করে তোলে। তবে রান্নায় বেশি হলুদ পড়ে গিয়ে থাকলে তা সামাল দিতে হয়।

কোন উপায়ে পাবেন সমাধান?

১) তেজপাতা: রান্নায় যদি বেশি হলুদ পড়ে যায় সে ক্ষেত্রে বাড়িতে থাকা তেজপাতা ম্যাজিকের মতো কাজ করবে। রান্নায় দু’চারটে তেজপাতা ফেলে দিয়ে দু-চার মিনিট ফুটিয়ে নিন। শেষে তেজপাতা ফেলে দিন। রান্নায় অতিরিক্ত হলুদের স্বাদ নিমেষে কমে যাবে।

২) সুপুরি: রান্নায় বেশি হলুদ পড়ে গেলে সুপুরি কার্যকরী হতে পারে। সুপুরিকে দু’টুকরো করে কেটে রান্নায় ফেলে দিলে হলুদের স্বাদ কমবে।

৩) গরমখুন্তি: রান্নায় হলুদের পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে তা কমাতে তেজপাতা, সুপুরি তো আছেই। এ ছাড়া আরও একটি চমৎকার কৌশল আছে। লোহার খুন্তিকে গরম করে নিয়ে সেটা ঝোলের মধ্যে পাঁচ মিনিট রেখে দিলেই কেল্লাফতে। রান্না থেকে দ্রুত উধাও হবে হলুদের স্বাদ।


আরও খবর
‘আম’ চিনুন তারপর কিনুন

বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২




শিমুলিয়ায় ঘরমুখো মানুষের ভিড়

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদকে সামনে রেখে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়াঘাটে ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে। ঈদযাত্রায় ফেরিতে ভোগান্তি এড়াতে আগেভাগেই এ নৌরুট হয়ে গ্রামের বাড়ির পথে ছুটছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী ঘরমুখো মানুষ।

বুধবার (২৭ এপ্রিল) সকাল থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌ-রুটে পারাপারের অপেক্ষায় ঘাটে শত শত গাড়ির উপস্থিতি দেখা যায়। তবে যানবাহন পারাপারে নৌরুটে ২টি মিনি রোরো, ২টি কে টাইপ ও ২টি ডাম্পসহ মাত্র ৮টি ফেরি সচল থাকলেও বেগম রোকিয়া নামের একটি ফেরি বিকল হয়ে যাওয়ায় মেরামতের জন্য ওয়াকশপে পাঠানো হয়েছে। তবে আজ আরেকটি ফেরি যুক্ত হবে বলে বিআইডব্লিউটিসি জানিয়েছে।

বিপুল সংখ্যক যানবাহনের বিপরীতে ফেরির অপ্রতুলতায় পারপারে বেশি সময় লাগছে। এতে ঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে রোগী ও শিশুরা পড়েছেন বেশি বিপাকে। তবে এ বছর ভারী যানবাহন এ নৌরুটে পার হচ্ছে না। এদিকে লঞ্চে ও স্পিডবোটেও যাত্রী পারাপার হচ্ছে। ফেরির পাশাপাশি এ নৌরুটে ৮৩টি লঞ্চ ও ১৫৩ স্পিডবোট সচল রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ।

ঈদযাত্রায় শিমুলিয়ায় যানবাহনের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে। ঘাট সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাতে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে ফেরি বন্ধ থাকায় সকালের দিকে যানবাহনের উপস্থিতি বেশি দেখা যায়। দুপুর থেকে চাপ কমে আসে।

শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফায়সাল আহমেদ জানান, ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় বর্তমানে ২ শতাধিক যানবাহন রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব যানবাহন পারাপার করা হবে।


আরও খবর



করোনায় মৃত্যু নেই, নতুন শনাক্ত ২৪

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১২৭ জনই রইল। এ সময় আক্রান্ত হিসেবে ২৪ জন শনাক্ত হয়েছেন। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৫৫৬ জনে।

আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩২৯ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৯৩ হাজার ৪৬০ জন। ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৮৮৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৫ হাজার ৮৮৮টি নমুনা। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গেল বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।


আরও খবর



মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল হায়দরাবাদ

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ১৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হারলেই শেষ- এমন সমীকরণ সামনে রেখে মাঠে নেমেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে কেন উইলিয়ামসনরা। তাতে গাণিতিক হিসাবে প্লে-অফের আশা বেঁচে থাকলো হায়দরাবাদের। যদিও অনেক সমীকরণ মিললেই কেবল শেষ চারে যাওয়া সম্ভব তাদের।

মঙ্গলবার আইপিএলের রোমাঞ্চকর ম্যাচে মুম্বাইকে ৩ রানে হারিয়েছে হায়দরাবাদ। আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯৩ রান করে উইলিয়ামসনরা। কঠিন এই লক্ষ্যের পিছে ছুটে ৭ উইকেটে ১৯০ রান করতে পারে মুম্বাই।

শ্বাসরুদ্ধকর এই জয়ে প্লে-অফের আশা গাণিতিক হিসাবে বেঁচে থাকলো হায়দরাবাদের। ১৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে আগের অষ্টম স্থানেই তারা। এখন শেষ চারে থাকলে হলে নিজেদের শেষ ম্যাচে তো জিততেই হবে, একই সঙ্গে প্রার্থনায় বসতে হবে যেন অন্য দলগুলোর ফল তাদের পক্ষে আসে। চারে থাকা দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঁচে থাকা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর সমান ১৪ পয়েন্ট। অন্যদিকে ছয়, সাত ও আট নম্বরে থাকা যথাক্রমে কলকাতা নাইট রাইডার্স, পাঞ্জাব কিংস ও হায়দরাবাদ প্রত্যেকের পয়েন্ট ১২ করে।

শেষ ম্যাচের সমীকরণ যাই হোক, হায়দরাবাদ সেই সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছে মুম্বাইকে হারিয়ে। সব হারানো মুম্বাইয়ের পক্ষে ছিল ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ম্যাচটি। ১২ বলে তাদের দরকার ছিল ১৯ রান। কিন্তু ১৯তম ওভারে ভুবনেশ্বর কুমার উইকেটসহ মেডেন নিলে ম্যাচ চলে যায় হায়দরাবাদের পক্ষে। শেষ ওভারে ফজলহক ফারুকী চেষ্টা করলেও কাজে আসেনি।

ওপেনিংয়ে রান পেয়েছে মুম্বাই। রোহিত শর্মা ৩৬ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় করেন ৪৮ রান। ইশান কিশান ৩৪ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় করেন ৪৩ রান। টিম ডেভিডের ঝড়ো ব্যাটে তৈরি হয়েছিল তাদের জয়ের সম্ভাবনা। এই ব্যাটার ১৮ বলে ৩ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় খেলেন ৪৬ রানের ঝড়ো ইনিংস।

দুর্দান্ত বল করেছেন উমরান মালিক। এই পেসার ৩ ওভারে ২৩ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ভুবনেশ্বর ও ওয়াশিংটন সুন্দর নেন একটি করে উইকেট।

এর আগে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা রাহুল ত্রিপাঠির ঝড়ো ৭৬ রানে বড় স্কোর গড়ে হায়দরাবাদ। এই ব্যাটার তার ৪৪ বলের ইনিংসটি সাজান ৯ বাউন্ডারি ও ৩ ছক্কায়। এছাড়া নিকোলাস পুরান ২২ বলে ৩৮ ও প্রিয়াম গর্গ ২৬ বলে করেন ৪২ রান।মুম্বাইয়ের রমনদীপ সিং ৩ ওভারে মাত্র ২০ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট।


আরও খবর