আজঃ রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম

মুসলিম দেশ তাজিকিস্তানে নিষিদ্ধ করা হল হিজাব

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ তাজিকিস্তানে হিজাব পরিধান নিষিদ্ধ করে আইন পাস হয়েছে। দেশটির সংসদের উচ্চকক্ষে আইনটি পাস হয়। এ ছাড়া আইনটির মাধ্যমে ঈদ উদ্‌যাপনেও বাধার সৃষ্টি করা হয়েছে।

এশিয়া প্লাসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (১৯ জুন) মজলিসি মিলির ১৮তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিলটি উত্থাপন করা হলে তা সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পাস হয়।

আইনে হিজাবকে এলিয়েন পোশাক বলে উল্লেখ করা হয়। অপরদিকে ঈদ উদ্‌যাপনকে বিদেশি সংস্কৃতি বলা হয়। আর দেশটি তা সমর্থন করতে পারে না বলেও যুক্তি তুলে ধরা হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বলা হয়, শিশুরা ঈদ উদ্‌যাপনে বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবে না। দেশটিতে তা ইদগারদাক নামে পরিচিত। মূলত শিশুরা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিন সড়ক ও প্রতিবেশীদের বাড়িতে গিয়ে লোকজনকে অভিবাদন জানায়।

এর আগে তাজিকিস্তানের সংসদের নিম্নকক্ষ মজলিসি নমোয়ানদাগন ৮ জুন হিজাব ও ইদগারদাক নিষিদ্ধ করার বিলটি অনুমোদন করে।

মজলিসি মিলি প্রেস সেন্টার বলছে, অধিবেশনে ছুটির দিন, ঐতিহ্য ও আচার-অনুষ্ঠান, সন্তান লালনপালনে শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা, পিতামাতার দায়িত্ব সংক্রান্ত দেশের আইনের সংশোধনীকে সমর্থন করা হয়েছে।

আইনটি মূলত হিজাব, ইসলামিক হেড স্কার্ফ ও ইসলামিক পোশাকের অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী ধরনকে লক্ষ করে প্রণীত। বলা হচ্ছে, এসব পোশাক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাজিকিস্তানে আসতে শুরু করে এবং দেশটিতে ছড়িয়ে পড়ছে। সরকারের কর্মকর্তারা এ পোশাক ধারণকারীদের ইসলামিক চরমপন্থিদের সঙ্গে তুলনা করছেন।

তাজিকিস্তান মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। এর উত্তরে কিরগিজস্তান, উত্তরে ও পশ্চিমে উজবেকিস্তান, পূর্বে গণচীন এবং দক্ষিণে আফগানিস্তান। দুশান্‌বে দেশের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী।

দেশটির ৯৬.৪ শতাংশ অধিবাসী মুসলমান। তাজিকিস্তানে ২০০৯ সালে ইসলামকে সরকারি ধর্ম হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এ বিষয়টি সাবেক সোভিয়েত দেশগুলোর মধ্যে তাজিকিস্তানকে আলাদা করে তুলেছে। তবে তাজিকিস্তানে অন্য যেকোনো ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে।

বাকিদের মধ্যে অর্থোডক্স, প্রোটেস্ট্যান্ট ও ক্যাথলিক খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও ইহুদি রয়েছে। তাজিকিস্তানের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার ভোগ করতে ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোকে নিবন্ধন করতে হয়। এই নিবন্ধন ছাড়া কোনো দল উপাসনার জন্য একত্রিত হতে পারে না। এর ব্যতিক্রম করলে বড় অঙ্কের জরিমানার পাশাপাশি তাদের উপাসনাস্থল বন্ধ করে দেওয়া হয়।


আরও খবর
আজ নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন!

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে সাড়ে ৬৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রাহুল সরকার, চট্টগ্রাম ব্যুরো

Image

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৭৭ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় করেছে ৬৮ হাজার ৫৬২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৬২ হাজার ৬৫৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি। তবে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম রাজস্ব আদায় হলেও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ দাবি, অর্জিত রাজস্ব আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বেশি।

এতে হাইস্পিড ডিজেল, ফার্নেস অয়েল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস, আপেল, সিমেন্ট ক্লিংকার, পাম অয়েল, ভাঙা পাথর ও পেট্রোলিয়াম তেলসহ আমদানি করা ১২ পণ্য থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১৯ হাজার কোটি টাকা।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, জরিমানা আদায়, আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় রেখে শুল্কায়ন মূল্য নির্ধারণসহ অনিয়ম প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানোর জন্য রাজস্ব বেড়েছে। অন্যদিকে বিশ্ব বাণিজ্য মন্দা, আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে ধস হলেও ইতিবাচক রাজস্ব আদায় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। মিথ্যা ঘোষণার জরিমানা বেড়ে যাওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে রাজস্ব ফাঁকি কমেছে। রাজস্ব আদায় পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং বেড়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস সূত্রে জানা যায়, রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে মাস ভিত্তিক রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ছিল। এতে জুলাই মাসে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৭৮৯ কোটি টাকা, এর বিপরীতে আয় হয় ৫ হাজার ৪৭২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। আগস্ট মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ২৭ কোটি টাকা, কিন্তু ওই মাসে আদায় হয় ৫ হাজার ৭১১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। সেপ্টেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৫০ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ২৯০ কোটি ২১ লাখ টাকা। অক্টোবর মাসে ৬ হাজার ৯১৭ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয় ৫ হাজার ৬৬১ কোটি ১১ লাখ টাকা। নভেম্বর মাসে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ৯৩৭ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ৮৪২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ডিসেম্বরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ৯১০ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ১০৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। জানুয়ারি মাসে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ৯১৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। ফেব্রুয়ারি মাসে ৫ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৪ হাজার ৯১৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা আদায় হয়। মার্চ মাসে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৭ হাজার ৯১ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ৬৩২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এপ্রিল মাসে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ৭১ কোটি টাকা, আদায় হয় ৫ হাজার ৯৬৯ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। মে মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয় ৬ হাজার ৫০২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। জুন মাসে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ৪৩ কোটি টাকা, এর বিপরীতে আদায় হয় ৬ হাজার ৭৩৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

কাস্টমস হাউস কমিশনার মোহাম্মদ ফায়জুর রহমান বলেন, 'আমদানিতে অনিয়ম রোধ, পণ্যের প্রকৃত দাম অনুসারে শুল্ক নির্ধারণের নজর বাড়িয়েছি। মিথ্যা ঘোষণা প্রতিরোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করায় রাজস্ব আদায় বেড়েছে। ডলার সংকটের কারণে প্রত্যাশা অনুযায়ী ঋণপত্র (এলসি) খুলতে না পারা, বিলাসী পণ্য আমদানিতে উচ্চ শুল্কসহ বিধি আরোপ করার কারণেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আয় সম্ভব হয়নি।


আরও খবর



ত্রিশালে কালের সাক্ষী ৫'শত বছরের পুরনো শিমুল গাছ

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া ইউনিয়নের বালির বাজার এলাকার অতি নিকটে চিনু মোড়লের বাড়ির পাশেই একটি বিশাল আকৃতির পুরনো শিমুল গাছ যা কালের সাক্ষী হয়ে ৫শত বছর ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে এখনও। এলাকার মানুষের দাবি গাছটির বয়স অন্তত পাঁচশত বছর হবে। এই পুরনো শিমুল গাছটি নিয়ে জড়িয়ে আছে নানা গল্প কাহিনী।

সৌন্দর্যমন্ডিত প্রাচীণ এই গাছটিকে নিয়ে রয়েছে নানা গল্পকাহিনী। গাছের গোড়ায় দাঁড়ালে নিজেকে উচ্চতার দিক থেকে অতিক্ষুদ্র মনে হয়। আবার কখনও বা মনে হয় পাহাড়ের পাদদেশে দাঁড়িয়ে থাকার অনুভব। এর বিশালতায় দর্শনার্থীদের ভরে যায় মন। আলোচিত এই গাছটি দেখতে দূর থেকেও ছুটে আসেন অনেকে।

পুরাতন এ শিমুল গাছজুড়ে যখন টকটকে লাল শিমুল ফুল ফোটে তখন এক অপরুপ দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। এই গাছটির নিচে অনেকেই মনের বাসনা পূরণের জন্য মানত হিসাবে গরু খাসি, মোরগ, জবাই করে রান্নাবান্না করে। গাছ দেখার জন্য আগত ভক্তদের উদ্দেশ্য একটাই যেন তাদের মনের বাসনা পূর্ণ হয়।

স্থানীয়রা অনেকেই জানান, প্রায় সময় এখানে বিভিন্ন এলাকার লোকজন গাছটি একনজর দেখার জন্য এসে ভিড় করে থাকেন। তারা মানত করেন, স্থানীয়দের মাঝে মোরগ-পোলাও মিষ্টি বিতরণ করেন। তারা মনে করে এ গাছে অলৌকিক কোন কিছু আছে। তাই মনের বাসনা পুরণ করার জন্য দূর থেকে ছুটে আসেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মোকছেদ আলী জানান, এই পুরাতন শিমুল গাছটি কাটার জন্য অনেকেই চেষ্টা করেছে কিন্তু কোন অবস্থাতেই কাটা যায় না। যে গাছটি কাটতে যায় সে অসুস্থ হয়ে যায়। শুনেছি অনেক আগে এ গাছ কাটতে এসে নাক, মুখ দিয়ে রক্ত এসেও মারা গিয়েছে একজন। এটি আমাদের এলাকার পুরাতন একটি গাছ। এটি আমাদের ঐতিহ্য।এভাবেই রুপকথার গল্পের মতো কথাগুলো বললেন মোকছেদ আলী। তার কথাগুলো হাস্যকর মনে হলেও এখানকার মানুষজন তাই বিশ্বাস করেন।

জমির মালিক ইউসুফ আলী জানান, এই বিশাল আকৃতির শিমুল গাছটির বয়স কমপক্ষে হলেও পাঁচশত বছর হবে। পূর্বপুরুষের মুখে শুনে এসেছি এই প্রবীণ শিমুল গাছের কথা। এছাড়াও এই গাছটি নিয়ে অনেক অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে। তাই মানুষ এ গাছে মানত পূরণ করতে আসে। প্রতিবছর ফাল্গুন মাস এলে গাছে শিমুল ফুলের সমারোহ সৌন্দর্য বৃদ্ধ করে এই প্রবীণ গাছটি। ওই সময় এই গাছটি ফুলে লালে লাল হয়ে যায়। গাছের ফুলে ফুলে মৌমাছি, পাখিদের আনাগোনা বেড়ে যায়। এই শিমুল বৃক্ষটি ত্রিশালের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে এমনটাই মনে করেন আগতরা।


আরও খবর



নোবেল পুরস্কারের আকাঙ্ক্ষা আমার কখনো ছিল না, এখনও নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৫ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শাস্তির পেছনে সরকারের কোনো হাত নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আদালত তাকে শাস্তি দিয়েছে। এখানে আমার দোষটা কোথায়? তার (মুহাম্মদ ইউনূস) সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই।

নোবেল পুরস্কার পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা আমার মধ্যে কখনও ছিল না, এখনও নেই। আমি জানি এসব পুরস্কার যারা পান, তার পেছনে একটি রাজনীতি থাকে। আমি এগুলো চাই না। অথচ পার্বত্য অঞ্চলে আমি শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছি। শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এটি বিরল ঘটনা। শেখ হাসিনা কারো সঙ্গে জেলাসি (হিংসা) করে না।

প্রধানমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) তার সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর দুদিনের ভারত সফরের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তীব্র সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি (ড. ইউনূস) ওয়ান ইলেভেনের সময় একটি রাজনৈতিক দল গঠনেরও উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তিনি ব্যর্থ হলেন কেন? তখন আমার নামে খুনের মামলাও হয়েছিল। হিলারি ক্লিনটনকে সঙ্গে নিয়ে দেশে দারিদ্র বিমোচনে প্রকল্প নিলেন, অথচ যারা ঋণ নিয়েছিল তাদের অনেকে সুদের চাপে আত্মহত্যাও করেছে। আমার প্রশ্ন হলো, তিনি (ইউনূস) দারিদ্র বিমোচন করতে পারলেন না কেন?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ থেকে দারিদ্র বিমোচন করছি আমি। অথচ সবাই ক্রেডিট দেয় তাকে (ইউনূস)। সে তো একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তার পক্ষে সাংবাদিকরা লিখে কীভাবে? এটাও আমার প্রশ্ন।

ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত রেল যোগাযোগ চুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগ চুক্তির সমালোচনা হবে কেন? এ চুক্তির ফলে আমি দেশটাকে কীভাবে বিক্রি করে দিলাম? স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেই আমরা দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলো করেছি। আমরা দেশ বিক্রির জন্য কোনো চুক্তি করিনি। শেখ হাসিনা দেশ বিক্রির জন্য কোনো চুক্তি করে না।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে গত ২১ থেকে ২২ জুন নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রীয় সফর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টানা তৃতীয় মেয়াদে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার গঠনের পর নয়াদিল্লিতে এটিই কোনো সরকারপ্রধানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




জমিকাণ্ডে আলোচিত জামিলসহ পুলিশের ৪০ কর্মকর্তাকে বদলি

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) পুলিশ ক্যাডারের ৪০ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডার জামিল হাসানও রয়েছেন, যিনি রিসোর্টের জন্য ১২০ বিঘা জমি কিনে আলোচনায় রয়েছেন।

রোববার (২৩ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব সিরাজাম মুনিরা স্বাক্ষরিত পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি-পদায়ন করা হয়।

এতে জানানো হয়, বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ৪০ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি উপপুলিশ মহাপরিদর্শক জামিল হাসানের বিপুল সম্পত্তির সন্ধান নিয়ে একটি গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, রিসোর্ট করার জন্য তিনি ৪০ একর (১২০ বিঘা) জমি কিনেছেন। পৈতৃক বাড়িটি নতুন করে গড়েছেন ৩০ বিঘা জমির ওপর। পাশেই রয়েছে অন্তত ৩৬ বিঘা জমির ওপর গরুর বিশাল খামার। সঙ্গে আছে গরুর হাট। এই হাট থেকে ইজারা নেয় তারই পরিবার। তার এসব সম্পদের সন্ধান মেলে বরিশালের উজিরপুর উপজেলায়। এ ছাড়া ঢাকায় একটি ফ্ল্যাট ও চারটি গাড়ি রয়েছে।


আরও খবর
মেট্রোরেল চলাচল পুরোপুরি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪




সেই নবজাতকের ঠাঁই হলো বাপ্পী দম্পতি ঘরে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও

Image

ঠাকুরগাও জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড ফেলে যাওয়া শিশু কন্যা ফাতিমা জান্নাতের ঠাঁই হলো বাপ্পী ইসলাম ও মোরশেদা ইয়াসমিন সাথী দম্পতির সংসারে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) শিশুটির বিকল্প পরিচর্যাকারী হিসেবে অভিভাবকত্ব অর্জনে জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাপ্পী ইসলাম দম্পতির হাতে তুলে দেয়া হয়। বাপ্পী ইসলাম ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের সরকার পাড়া এলাকার মৃত মহিরউদ্দীনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন প্রাইভেট কোম্পানির কর্মচারী।

গেল সোমবার (০১ জুলাই) ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের নিবন্ধন বহিতে অজ্ঞাতে পরিচয়ে  নবজাতক শিশুটিকে ভর্তির পর ফেলে রেখে পালিয়ে যায় এক দম্পতি।

হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের দায়িত্বতরা জানান, গত সোমবার সকালে চিকিৎসার জন্য এক থেকে দু দিন বয়সী নবজাতকে নিয়ে এক দম্পতি আসেন শিশু ওয়ার্ডে। ভর্তি করার পর শিশুটিকে শ্বাসকষ্ট রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ শিশুটির শয্যার আশপাশে অবস্থান করতেও দেখা গেছে ওই দম্পতির। তবে কয়েক ঘন্টা পর শিশুটি চিৎকার চেঁচামেচি করলে পাশের শয্যার অভিভাবকরা স্বাস্থ্যকর্মীদের খবর দেয়। পরে স্বাস্থ্যকর্মীরা সেখানে গিয়ে হাজির হলে অভিভাবক হিসাবে কাউকেই না পেয়ে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে ভর্তির নিবন্ধন বহি দেখেন শিশুটির ভর্তি করা হয় ১ জুলাই সকাল ৭টায়। খাতায় নবজাতকের নাম দেয়া হয় বেবি। আর ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে পঞ্চগড় জেলার বোদা ময়দানদিঘির।

দত্তক নেওয়া বাপ্পী জানান, আমি ৮ বছর আগে বিয়ে করেছি। কিন্তু আমাদের কোন সন্তান নেই। খবর পেলাম যে এক শিশুকে কে বা কারা হাসপাতালে ফেলে গেছে। আমরা সিন্ধান্ত নিলাম যে বাচ্চাটিকে আমরা দত্তক নেবো। এখন থেকে আমি এ শিশুটির বাবা। আমার সহধর্মিনী তার মা। আদর, স্নেহ, মমতা আর অধিকার নিয়ে আমাদের পরিবারে বেড়ে উঠবে ফাতিমা। এসময় রুহীকে উদ্ধারের পর চিকিৎসা, সেবাদান, বিকল্প পরিচর্যাকারী ও অভিভাবকত্ব অর্জনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

ঠাকুরগাঁও সমাজসেবা অফিসের প্রবেশন কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব জানায়, অভিভাবকহীন শিশুটিকে শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী শিশু বঞ্চিত বিবেচনায় পরিচর্যার জন্য মো: বাপ্পী ইসলাম ও তার স্ত্রী মোরশেদা ইয়াসমিন সাথীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। এবং সঠিকভাবে পরিচর্যা হচ্ছে কিনা তা নিয়মিত খোঁজ খবর রাখে হবে।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে ফেলে রাখে চলে গিয়েছে কে বা কারা এটি জানার পর উদ্যোগ নেয়া হয়ে দত্তক দেয়ার। এরই মধ্যে ১০জন আবেদন করেছিলো। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে জেলা শহরের সরকারপাড়ার বাসিন্দা মো: বাপ্পী ও সাথী দম্পতির কাছে স্থানান্তর করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ঠাকুরগাঁও

আরও খবর