আজঃ বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১
শিরোনাম

মুসল্লিদের জোরপূর্বক মসজিদে থেকে বের করে দিল পুলিশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ মে ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
তিনটি মসজিদ খালি করতে বল প্রয়োগ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। করোনাভাইরাসে চলমান নিষেধাজ্ঞায় এসব মসজিদে অবস্থান করছিলেন ওই মুসল্লিরা। তারা সবাই একজন ধর্মীয় নেতা

শেষ রোজা পর্যন্ত মসজিদে থাকার পরিকল্পনা করেছিলেন একদল মুসল্লি। থাকতেও শুরু করেছিলেন তিনটি মসজিদে। কিন্তু তাদেরকে মসজিদ থেকে জোরপূর্বক বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তুর্কি পুলিশের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত তিনটি মসজিদ খালি করতে বল প্রয়োগ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। করোনাভাইরাসে চলমান নিষেধাজ্ঞায় এসব মসজিদে অবস্থান করছিলেন ওই মুসল্লিরা। তারা সবাই একজন ধর্মীয় নেতার অনুসারী।

গত রবিবার (২ মে) তুরস্কের গাজিয়ানটেপ প্রদেশের মসজিদে দেখা যায়, বল প্রয়োগ করে মুসল্লিদের বের করে দিচ্ছে পুলিশ। সে সময় কেউ কেউ চিৎকার করে বলেন, আমরা কোরআন পড়ছিলাম। মুসল্লিদের মসজিদ থেকে বের করে দিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তা পিপার স্প্রেও প্রয়োগ করেন। তুরস্কে সম্প্রতি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। এর বিস্তার রোধে ২৯ এপ্রিল থেকে ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। তবে এ লকডাউনের আওতায় মসজিদে প্রার্থনাতে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি।

গাজিয়ানটপ প্রদেশের পুলিশের দাবি মুসল্লিদের একটি দল মসজিদে একটানা অবস্থান করছে। তারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই রোজার শেষ দিন পর্যন্ত মসজিদে থাকার পরিকল্পনা নিয়েছিল।

গাজিয়ানটপ প্রদেশের গভর্নর অফিস থেকে বলা হয়েছে, তিনটি মসজিদে ৭৬ জন অবস্থান করছিল। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে সহিংস কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আছে। এরা প্রত্যেকেই আলপারস্লান কুইতুল নামের এক ধর্মীয় নেতার অনুসারী।

প্রসঙ্গত, সোমবার তুরস্কের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বুলেটিনে জানানো হয়, দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ হাজার ৭৩৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৪৭ জনের। এ নিয়ে তুরস্কে করোনায় প্রায় ৪২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সূত্র : রয়টার্স

নিউজ ট্যাগ: রোজা তুরস্ক

আরও খবর



এবার মাকামে ইব্রাহিমের স্বচ্ছ ছবি প্রকাশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ মে ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বর্তমানে মাকামে ইব্রাহিম পাথরটি স্বর্ণ, রূপা ও গ্লাসের ফ্রেমে আবদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। হাজরে আসওয়াদ থেকে যার দূরত্ব মাত্র ১৪ দশমিক পাঁচ মিটার। তাওয়াফ শেষে মাকামে ইব্রাহিমের

কিছুদিন আগে পবিত্র কাবা প্রাঙ্গণে থাকা হাজরে আসওয়াদ এর স্বচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছিলো সৌদি আরব। এবার মাকামে ইব্রাহিম এর ছবি প্রকাশ করলো দেশটি। মসজিদুল হারামে এই পবিত্র পাথরটি রয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল আরাবিয়া।

জানা যায়, নতুন কৌশল ব্যবহার করে মাকামে ইব্রাহিমের বিস্তৃত ছবি তুলেছে মক্কা ও মদিনার দুই পবিত্র মসজিদের দায়িত্বে থাকা জেনারেল প্রেসিডেন্সি। মাকামে ইব্রাহিম বলতে সেই পাথরকে বুঝানো হয় যা কাবা শরিফ নির্মাণের সময় হযরত ইসমাইল (আ.) নিয়ে এসেছিলেন, যার উপর তার পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ.) পা রেখে কাবা ঘর নির্মাণ করতে পারেন।

ইসমাইল (আ.) পাথর এনে দিতেন, ইব্রাহিম (আ.) তার পবিত্র হাতে তা কাবার দেওয়ালে রাখতেন। ওপরে উঠার প্রয়োজন হলে পাথরটি অলৌকিকভাবে ওপরের দিকে উঠে যেত। বর্তমানে মাকামে ইব্রাহিম পাথরটি স্বর্ণ, রূপা ও গ্লাসের ফ্রেমে আবদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। হাজরে আসওয়াদ থেকে যার দূরত্ব মাত্র ১৪ দশমিক পাঁচ মিটার। তাওয়াফ শেষে মাকামে ইব্রাহিমের পেছনে দুরাকাত নামাজ আদায় করতে হয় হাজিদের। জায়গা না পেলে অন্য কোথাও সেই নামাজ আদায় করা যায়।

কিছুদিন আগ হাজরে আসওয়াদ এর স্বচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছিলো সৌদি আরবের জেনারেল প্রেসিডেন্সি। এর আভিধানিক অর্থ কালো পাথর। মুসলমানদের কাছে এটি অতি মূল্যবান ও পবিত্র একটি পাথর। অতীতে এটি ছিলো আস্ত একটি পাথর। হাজরে আসওয়াদ কাবাঘরের দেয়ালে বিশেষভাবে স্থাপনকৃত একটি পাথরের নাম। আরবি হাজর শব্দের অর্থ পাথর আর আসওয়াদ শব্দের অর্থ কালো। অর্থাৎ কালো পাথর। হাজরে আসওয়াদ বেহেশতের মর্যাদাপূর্ণ একটি পাথর। হজযাত্রীরা হজ করতে গিয়ে এতে সরাসরি বা ইশারার মাধ্যমে চুম্বন দিয়ে থাকেন।

রাসুলের নবুয়তপূর্ব সময়ে কাবা পুনর্নির্মাণের পর হাজরে আসওয়াদ আগের স্থানে কে বসাবেনএটি নিয়ে কোরাইশদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বেধেছিল। তখন মহানবী (সা.) নিজের গায়ের চাদর খুলে তাতে হাজরে আসওয়াদ রেখে সব গোত্রপ্রধানকে চাদর ধরতে বলেন। গোত্রপ্রধানরা চাদরটি ধরে কাবা চত্বর পর্যন্ত নিয়ে গেলে নবী করিম (সা.) নিজ হাতে তা কাবার দেয়ালে স্থাপন করেন এবং দ্বন্দ্বের পরিসমাপ্তি ঘটান।

আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইর (রা.)-এর শাসনামলে হাজরে আসওয়াদ ভেঙে তিন টুকরো হয়ে গিয়েছিল। ফলে তিনি তা রূপা দিয়ে বাঁধাই করেছেন। আর তিনিই সর্বপ্রথম হাজরে আসওয়াদকে রূপা দিয়ে বাঁধানোর সৌভাগ্য অর্জনকারী। এই পবিত্র পাথরের দৈর্ঘ্য ৮ ইঞ্চি ও প্রস্থ ৭ ইঞ্চি। বর্তমানে এটি আট টুকরো।

নিউজ ট্যাগ: মাকামে ইব্রাহিম

আরও খবর
আগামীকাল সৌদিতে ঈদ

বুধবার ১২ মে ২০২১




ঘরমুখো মানুষ ঈদের পর হাসপাতাল মুখো হবে: ডা. লেলিন

প্রকাশিত:বুধবার ১২ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ মে ২০২১ | ৯৯জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদযাত্রায় যারা বিভিন্ন ধরনের গণপরিবহন, ফেরিতে ভিড়ে গাদাগাদি করে বাড়ি যাচ্ছেন, ঈদের পর তাদের একটা অংশ হাসপাতালে ভিড় করবেন বলে আশংকা প্রকাশ করেছেন হেলথ অ্যান্ড হোপ স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী। গতকাল এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আশংকার কথা জানান।

ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার জন্য আমরা যেসব স্থানকে অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করি, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের গণপরিবহন ও গণজমায়েত। এবারের ঈদযাত্রা কেন্দ্র করে এই দুটি বিষয়ই চূড়ান্তভাবে ঘটেছে। বিভিন্ন স্থানে ভিড়, গাদাগাদি অবস্থা, গণপরিবহন বা অন্য পরিবহনে মানুষ ঠাসাঠাসি করে যাত্রা করার ফলে এসব স্থানে করোনা সংক্রমণের জন্য অতি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। 

এ কারণে আমরা আশঙ্কা করছি ঈদের পরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হার দ্রুত বেড়ে যেতে পারে এবং সেই বেড়ে যাওয়াটা আমাদের হাসপাতাল ও অক্সিজেনের যে সামর্থ্য সেটাকে অতিক্রম করতে পারে। একই কারণেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন, এবারের ঈদযাত্রা হচ্ছে আত্মহত্যার শামিল।

এ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, ঈদযাত্রায় যাত্রার বিষয়টি আমাদের আগে থেকেই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল। জনসাধারণের ঈদযাত্রার বিষয়টি যদি আমরা অনুমোদন করতাম, তাহলে সেই অনুযায়ী একটি স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল।

অপরদিকে যদি ঈদযাত্রা বন্ধ করতে চাইতাম তাহলে সেটিও সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে বন্ধ করা উচিত ছিল। কিন্তু এই দ্বিমুখী অপরিপক্ব সিদ্ধান্তের ফলে সবকিছুই হ-য-ব-র-ল হয়ে গেল। করোনার সংক্রমণ আরো ছড়িয়ে পড়ার পরিবেশ সৃষ্টি হলো।

তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। যা অতি সংক্রমণশীল। এসব ভীড়ের মধ্যে যদি কেউ ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা আক্রান্ত থেকে থাকেন, তাহলে অবস্থা আরো বেগতিক হবে। সুতরাং এখন যারা গণপরিবহনে, ফেরিতে ভিড় করছে, এদের একটা অংশ ঈদের পরে হাসপাতালেই ভিড় করবে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।


নিউজ ট্যাগ: ডা. লেলিন চৌধুরী

আরও খবর



তসলিমা নাসরিন করোনায় আক্রান্ত

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ মে ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ভারতে অবস্থান করা বাংলাদেশি লেখক তসলিমা নাসরিন। রবিবার (৯ মে) তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিষয়টি জানিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, আমি চিরকালই বড় দুর্ভাগা। এই যে গত বছরের মার্চ মাস থেকে  একা আছি ঘরে, একখানা ইন্ডোর ক্যাট সঙ্গী, কোথাও এক পা বেরোলাম না, কাউকে ঘরে ঢুকতে দিলাম না, রান্না বান্না বাসন মাজা কাপড় কাচা ঝাড়ু মোছা সব একাই করলাম, কী লাভ হলো? কিছুই না। ঠিকই কোভিড হলো। গত এক বছরে শুধু একবার এক ঘণ্টার জন্য বাইরে বেরিয়েছিলাম, তাও দুমাস আগে, টিকার প্রথম ডোজ নিতে। ওই ডোজটি কিছু অ্যান্টিবডি তৈরি করেছিল বলে হয়তো এ যাত্রা বেঁচে গেছি। 

আমি চিরকালই বড় দুর্ভাগা। এক এক করে যদি লিখি কী কী ঘটেছে জীবনে যা ঘটার কথা ছিল না, তাহলে তালিকা এত দীর্ঘ হবে যে পড়ে কেউ কূল পাবে না। আপাতত কোভিড হওয়ার দুঃখটাই থাক। দুঃখ থাকাও হয়তো ঠিক নয়। কারণ ধীরে ধীরে আমি সুস্থ হয়ে উঠছি। কিন্তু হাজারো মানুষ যারা সুস্থ হতে পারেনি! যারা শ্বাস নিতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছে কিন্তু পারেনি শ্বাস নিতে! দুঃখগুলো বরং তাদের জন্য থাক।

এখন এইটুকু অন্তত ভালো লাগছে, এটি আর স্টিগমা নয় আগের মতো। কারো কোভিড হলে সে লুকিয়ে রাখতো খবর, কারণ কোভিড হওয়াটা অনেকটা ছিল এইডস হওয়ার মতো। সমাজ ব্রাত্য করে দিত। এক বছরে এত মানুষকে ধরেছে এই কোভিড, এতে, ভালো, যে, স্টিগমাটা গেছে। কেউ আর বলতে দ্বিধা করেনা যে তার কোভিড হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: তসলিমা নাসরিন

আরও খবর



যেসব ফল ওজন কমাতে সাহায্য করে

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৮ মে ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ফল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই উপকারী। প্রতিটি মানুষের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যে কোনো ধরনের একটি ফল অবশ্যই থাকা উচিৎ নিজের সুস্বাস্থ্যের জন্যেই। ফল খাওয়ার উপকারিতাগুলো যেকোন বয়সের যে কারোর জন্যে দারুণ। কিছু ফল ওজন কমাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন চার বার ফল খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের মাত্রা কমে যায়। আর এভাবেই ওজন কমাতে সাহায্য করে ফল। আর নির্দিষ্ট কিছু ফল এক্ষেত্রে বেশি উপকারী। আসুন জেনে নেওয়া যাক সে বিষয়ে:-

তরমুজ: মিনারেল সমৃদ্ধ ফল হিসেবে পরিচিত। এর ক্যালরির পরিমাণও কম। এক কাপ অর্থাৎ ১৫০ থেকে ১৬০ গ্রাম তরমুজ থেকে মিলবে মাত্র ৪৬ থেকে ৬১ ক্যালরি। ক্যালরি কম হলেও এতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় আশ, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন- ভিটামিন সি, বেটাক্যারোটিন এবং লাইকোপেন। আর এর শর্করা ধীরে রক্তে মিশে। ফলে অন্যান্য খাবার খাওয়ার চাহিদা কমায়।

আপেল: আপেল উচ্চ আঁশ এবং ফ্লাভানয়েড পলিমারস সমৃদ্ধ, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পেতে খোসাসহ আপেল খাওয়া উচিত। এটা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে। রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস হওয়া থেকে রক্ষা করে।

কমলা: অন্যান্য টক ফলের মতো কমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এবং ক্যালরি কম। আর এটা অনেক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখতে হবে রস করে খাওয়ার চাইতে আস্ত কমলা খাওয়া বেশি উপকারী।

কলা: উচ্চ মাত্রায় ক্যালরি ও শর্করা থাকার কারণে ওজন কমাতে গিয়ে অনেকেই কলা খাওয়া এড়িয়ে যান। তবে ক্যালরি বেশি হলেও এই ফলে আরও রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, আঁশ, বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, বি-সিক্স এবং সি। এই ফলের শর্করাও শরীরে ধীরে শোষিত হয়। তাই বিভিন্ন পুষ্টি উপাদনে ভরপুর কলা দেহের ওজন কম রাখতে সাহায্য করে।

নাশপাতি: বৃটিশ মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নাশপাতি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে কারণ এতে আছে ফ্লাভানয়েড পলিমারস। প্রতি ১৩৮ মি.গ্রা. বাড়তি ফ্লাভানয়েড পলিমারস ওজন কম হারে বাড়ায়। তাই, যারা ওজন কমাতে চায় তাদের ফ্লাভানয়েড সমৃদ্ধ ফল খাওয়া উচিত। খোসাসহ খাওয়া হলে এর আঁশ দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে এলোমেলো খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা যায়।

স্ট্রবেরি: ব্লুবেরি বা স্ট্রবেরি এই ধরনের ফলে ক্যালরির মাত্রা কম কিন্তু অন্যান্য পুষ্টিগুণ অনেক। আমাদের দেশে ব্লুবেরি সহজলভ্য না হলেও স্ট্রবেরি পাওয়া যায়। এক কাপ বা ১৫২ গ্রাম স্ট্রবেরিতে ৫০-এর কম ক্যালরি থাকে।


আরও খবর



ইফতারে প্রাণ জুড়াতে স্বাস্থ্যকর ফলের শরবত

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ এপ্রিল ২০২১ | ৫৭জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে প্রাণ শীতল করা এক গ্লাস ঠাণ্ডা শরবতের জুড়ি নেই। সারাদিনের ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয় শরবত পান করে। এছাড়া এ সময় গরমের কারণে ঘামের সাথে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়

চলছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। অন্য সময়ের চেয়ে এ সময় খাবারের আয়োজনে থাকে ভিন্নতা। রোজায় দিনের বেশ বড় একটা সময় কোনো খাবার খাওয়া হয় না বলে সুস্থতার কথা বিবেচনা করে সাহরি ও ইফতারে ভেবেচিন্তে খাবার বাছাই করতে হয়। রোজার সময় ভাজাপোড়া কম খেয়ে পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে এমন খাবার বেশি বেশি খাওয়া দরকার। আর করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আমাদের সবারই এখন অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত। এক্ষেত্রে নানারকম ফল এবং ফলের শরবতের কোনো বিকল্প নেই।

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে প্রাণ শীতল করা এক গ্লাস ঠাণ্ডা শরবতের জুড়ি নেই। সারাদিনের ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয় শরবত পান করে। এছাড়া এ সময় গরমের কারণে ঘামের সাথে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয় বলে রোজাদারদের পানিশূন্যতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই ইফতারে শরীরের পানির চাহিদা পূরণে পান করা যেতে পারে ফলের শরবত।

যেহেতু গ্রীষ্মকাল চলছে তাই হাতের নাগালে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি ফল। এসব ফল দিয়ে ব্লেন্ডারে সহজেই বানিয়ে নেয়া যায় সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর শরবত। ইফতারের আগে রান্নার তাড়াহুড়োর মধ্যেও খুব কম সময়ে ব্লেন্ডারে তৈরি করা যায় যেকোনো ফলের শরবত। ঘরে থাকা উপকরণ দিয়ে ব্লেন্ডারে সহজে তৈরি করা যায় এমন দুইটি শরবতের রেসিপি নিচে দেয়া হলো।

তরমুজের শরবত

উপকরণ: মাঝারি আকারের তরমুজ (১টি), বিট লবণ (১ চা চামচ), চিনি (২ টেবিল চামচ), ক্রিম (আধা কাপ), লেবুর রস (২ চা চামচ)।

প্রস্তুত প্রণালি: তরমুজের বিচি ফেলে দিয়ে শুধু লাল অংশটা নিন। এবার তরমুজটি ছোট ছোট টুকরো করে ব্লেন্ডারের জগে নিন। এর মধ্যে পরিমাণমতো চিনি, বিট লবণ, লেবুর রস যোগ করে ব্লেন্ড করুন এবং ঠাণ্ড হওয়ার জন্য কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। এবার একটি বাটিতে ক্রিম নিয়ে দুই চা চামচ চিনি দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। পরিবেশনের সময় গ্লাসে ফ্রিজে রাখা তরমুজের রস ঢেলে উপরে ফেটানো ক্রিম ঢেলে দিন। সবশেষে কয়েকটি তরমুজের টুকরো উপরে ছড়িয়ে পরিবেশন করুন মজাদার তরমুজের শরবত।

কাঁচা আমের স্মুদি

উপকরণ: কাঁচা আম (২টি), চিনি (এক কাপ,) টক দই (এক কাপ), বিট লবণ (এক চা চামচ), মধু (এক টেবিল চামচ), কাঁচা মরিচ (২-৩টি), পুদিনা পাতা (আধা কাপ), টালা জিরার গুঁড়া (আধা চা চামচ), লবণ (স্বাদমতো), বরফকুচি।

প্রস্তুত প্রণালি: প্রথমে ছোট টুকরো করে কাঁচা আমগুলো কেটে নিন। এবার সব উপকরণ ব্লেন্ডারে নিয়ে নিন। প্রয়োজনমতো পানি মিশিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করুন। এবার গ্লাসে স্মুদি ঢেলে উপরে বরফ কুচি দিয়ে দিন। লেবুর স্লাইস দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন স্বাস্থ্যকর কাঁচা আমের স্মুদি।


আরও খবর