আজঃ মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

ময়মনসিংহে বজ্রপাতে নিহত ২

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ মে ২০২৩ | অনলাইন সংস্করণ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

Image

ময়মনসিংহের ত্রিশাল ও গফরগাঁও উপজেলায় বজ্রপাতে দুই শিশু নিহত এবং আহত হয়েছে আরও দুজন। রোববার (২১ মে) বিকেলে আলাদা বজ্রপাতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুরা হলো ত্রিশাল উপজেলার কোটপাড়া গ্রামের জুনায়েদ (৯) এবং গফরগাঁও উপজেলার কোনাপাড়া গ্রামের মাদ্রাসাছাত্র মোহাম্মদ আসিফ (১৫)।

আরও পড়ুন>> ধর্মপাশায় বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু

জানা গেছে, ত্রিশালের জুনায়েদ ঝড়ের সময় আম কুড়াতে গিয়ে এবং মোহাম্মদ আসিফ ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে নিহত হয়।

ত্রিশালে আহত আরও দুই শিশুকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইন উদ্দিন এবং গফরগাঁওয়ের স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম মৃধা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

বিশ্বের অন্যতম দূষিত বাতাসের শহর রাজধানী ঢাকা। কয়েক দিনের তীব্র গরম আর শুষ্ক আবহাওয়ায় ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, ১৮৯ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে মেগাসিটি ঢাকা, যা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত।

এ ছাড়া বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ১৮৫ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু, ১৭১ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি শহর, ১৬৩ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন শহর এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা পাকিস্তানের লাহোর শহরের স্কোর ১৬১।

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়; আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে অস্বাস্থ্যকর বায়ু বলে মনে করা হয়।

২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। এছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

সাধারণত একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে; যেমন: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে থাকে। এটা সব বয়সি মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।


আরও খবর



মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | অনলাইন সংস্করণ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক

Image

মেসেঞ্জারের সব ধরনের চ্যাট ও কলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন ব্যবস্থা চালু করেছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। মেসেঞ্জারে এর আগেও এনক্রিপশন ছিল, তবে তা নিজে থেকে চালু করতে হত। যার ফলে অনেক ব্যবহারকারী এ সম্পর্কে জানতেন না। অনেকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হলেও সঠিক অপশন খুঁজে না পেয়ে ব্যবহার করার সুযোগ পাননি।

এই ফিচারটি নিয়ে মেটা গত কয়েকবছর ধরে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করছিল। কিছু সংখ্যক মেটা ব্যবহারকারী ফিচারটি উপভোগও করছিলেন।

সম্প্রতি সকল ব্যবহারকারীদের জন্য এটি উন্মুক্ত করা হলো। অর্থাৎ হোয়াটসঅ্যাপের মতোই ফেসবুক চ্যাট ও মেসেঞ্জারের চ্যাট এন্ড টু এন্ড এনক্রিপটেড হলো।

একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ফেসবুক চ্যাট ও মেসেঞ্জার থেকে এই ফিচারটি চালু করতে কিছুই করতে হবে না। স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেটা ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ব্যবহারকারীদের ফিচারটি চালু করে দিয়েছে।

বর্তমানে অনলাইনে নিরাপদ যোগাযোগের ক্ষেত্রে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এনক্রিপটেড মেসেজের সঙ্গে বিশেষ কোড যুক্ত করা থাকে। যার ফলে যাকে মেসেজ পাঠাচ্ছেন, তিনি ছাড়া আর কেউ সে মেসেজ পড়তে পারেন না। প্রাপকের কাছে মেসেজ পৌঁছানোর পর স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় মেসেজটি 'ডিকোড' করে তাকে দেখানো হয়। কলের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একইরকম। এনক্রিপটেড কলে কোনো তৃতীয় পক্ষের আড়িপাতার সুযোগ নেই।

যার ফলে, প্রেরক ও প্রাপক ছাড়া এই মেসেজ বা কলের বিষয়বস্তু অন্য কেউ জানতে পারেন নাএমন কী, ফেসবুক বা মেটা কর্তৃপক্ষও নয়।


আরও খবর
ফের ফেসবুকে বিভ্রাট

মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪




আট জেলায় শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির শঙ্কা

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | অনলাইন সংস্করণ
নিজস্ব প্রতিবেদক

Image

চট্টগ্রাম বিভাগের সব জেলার ওপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত অতিক্রমের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি জেলায় শক্তিশালী ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হবে বলেও জানানো হয়েছে।

রোববার (২৪ মার্চ) রাতে কানাডার সাসকাচোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ তার ফেসবুক পোস্টে জানান, আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর থেকে রাত ১২টার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের ৮ জেলার ওপর দিয়ে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আগে, শনিবার রাত ২টার দিকে ঢাকায় ঘন ঘন বজ্রপাতের সঙ্গে শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। এছাড়া রংপুর, সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গাতেও ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, রাজধানীতে রাতে ঝড়-বৃষ্টির সময়ে বাতাসের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ৯২ কিলোমিটার।

রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ২৮ মিলিমিটার। এই সময়ে সর্বোচ্চ ৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয় কিশোরগঞ্জের নিকলিতে।

আবহাওয়ার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ী দমকাসহ বৃষ্টি হতে পারে। চলতি সপ্তাহেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়বৃষ্টির এমন আভাস রয়েছে।

মার্চ মাসের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দুই-তিন দিন বজ্রসহ বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ছাড়াও মাসের শেষ দিকে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।


আরও খবর



নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, দাড়িগোঁফ রাখতে পারবেন ব্রিটিশ সেনারাও

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

এবার দাড়ি রাখার উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ফলে ব্রিটিশ সেনা সদস্য ও কর্মকর্তাদের এখন থেকে দাড়ি রাখতে আর বাধা নেই। তবে তাদের দাড়ি ও গোঁফ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং সুবিন্যস্ত রাখতে হবে। বিষয়টি নিয়মিত নজরদারিও করা হবে। খবর বিবিসির।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, এই অনুমতির পরও, কিছু নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানে সেনা এবং কর্মকর্তাদের শেভ করারও প্রয়োজন হতে পারে। এসব পরিস্থিতিতে তাদের শেভ করার নির্দেশ দেয়া হবে। নীতিটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্রিটিশ সেনা নেতৃত্ব আশা করছে, এর মাধ্যমে তারা নতুন প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম হবে।

বিবিসি বলছে, যুক্তরাজ্যের সশস্ত্র বাহিনীগুলোর মধ্যে সেনাবাহিনীই সবার পরে দাড়ি রাখার অনুমতি দিয়েছে। টানা কয়েক বছর বিষয়টি নিয়ে নীতি পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ বাহিনীর এক মুখপাত্র।

এর আগে ডেনমার্ক, জার্মানি এবং বেলজিয়ামের মতো কয়েকটি দেশের সেনাবাহিনী সৈন্যদের দাড়ি রাখার অনুমতি দেয়। নতুন নীতি ঘোষণার আগে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী শিখ, মুসলিম এবং রাস্তাফারিয়ানদের মতো কয়েকটি নির্দিষ্ট ধর্মের সেনাদের দাড়ি রাখার অনুমতি দিয়েছিল। যদি তাদের কার্যকারিতা, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে না- এমন শর্তে দাড়ি রাখার অনুমতি ছিল।


আরও খবর



গাজায় দুর্ভিক্ষ, ২৪ ঘণ্টায় নিহত ৭৫ ফিলিস্তিনি

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image

ইসরায়েলের অবিরাম গণহত্যা অভিযানে তছনছ হয়ে যাওয়া ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে দুর্ভিক্ষ হানা দিয়েছে। সেখানে ভিক্ষা দেওয়ার মতো মানুষ নেই। অনাহারে মারা যাচ্ছে শিশুরা। খাবারের অভাবে অপুষ্টির কারণে এরই মধ্যে শিশুসহ ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। তবে ইসরায়েল অসহায় ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা-হাঙ্গামা জারি রেখেছে। শুক্রবার (২৯ মার্চ) জুমা দিনে মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়ে অন্তত ৭৫ জনকে হত্যা করেছে। এসব ঘটনায় প্রায় দেড়শ মানুষ আহত হয়েছে। এ নিয়ে ৭ অক্টোবর থেকে গতকাল পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩২ হাজার ৬০০ ছড়িয়ে গেছে।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ইতোমধ্যে উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছে, যা সম্ভবত সম্পূর্ণরূপে বিরাজমান।’

জাতিসংঘ বারবার সতর্ক করে বলছে, মে মাসে পুরো গাজায় দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়বে। এ অব্স্থায় গাজায় বাধাহীন ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিতে গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েলকে নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)। পরদিন শুক্ররার মার্কিন এক কর্মকর্তা উত্তর গাজার দুর্ভিক্ষ নিয়ে মুখ খুললেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই মার্কিন কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, গাজার মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে এখনও দুর্ভিক্ষ শুরু হয়নি, তবে ঝুঁকি রয়েছে। ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির অর্থ হলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই জরুরিভাবে’ উত্তর গাজায় খাবার পাঠাতে হবে।

ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থা-ইউএনআরডব্লিউএর মুখপাত্র তামারা আলরিফাই এর আগে আলজাজিরাকে বলেছিলেন, প্রতিদিন গড়ে ১৫৫ ট্রাক গাজায় প্রবেশ করছে, সেখানে ফিলিস্তিনিদের চাহিদা মেটাতে ন্যূনতম ৫০০ ট্রাক খাবার প্রয়োজন।

গতকাল জাতিসংঘ শিশু তহবিলের মুখপাত্র জেমস এলডার বলেছেন, গাজায় যার সঙ্গেই কথা হচ্ছে, তিনি বলছেন; আমাদের খাদ্য প্রয়োজন। সব কথার আগে তারা এটিই বলছেন।’

গত সপ্তাহে জাতিসংঘ-সমর্থিত একটি প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছিল, মার্চের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের মধ্যে যে কোনো সময় উত্তর গাজা দুর্ভিক্ষের শিকার হতে পারে। এতে আরও বলা হয়, গাজার ২৩ লাখ জনসংখ্যার ৭০ শতাংশেরও বেশি মানুষ বিপর্যয়কর ক্ষুধার সম্মুখীন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার গণহত্যা অভিযান থামাতে তেমন কোনো উদ্যোগ নেননি। গত বৃহস্পতিবার রাতে জো বাইডেনের একটি তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন একদল মানুষ। তাদের বলতে শোনা যায়, মিস্টার প্রেসিডেন্ট, আপনার হাতে ফিলিস্তিনিদের রক্ত। ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনে গণহত্যা থামাতে বলুন।’ এ সময় অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সাবেক দুই প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও বারাক ওবামা।

পবিত্র রজমান মাসে গাজায় যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল, তা নজিরবিহীন। গাজার এক বাসিন্দা আলজাজিরাকে বলেছেন, আমরা মৃত্যু মুখেও রোজা রাখছি।’


আরও খবর